ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী আরও ভালো করতে পারতাম: ডেম্বেলে একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ইতালির আগ্রহ নরওয়ে ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! এআই ব্যবহারে কম বয়স বলতে কতটুকু বয়স বোঝায়? এ মাসেই ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ তুলে ধরলেন মুখপাত্র চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার গ্রহণ করলেন ৬ লেখক টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কক্সবাজার, খোলা হয়েছে ৬৪০ আশ্রয়কেন্দ্র ভারতে ভারী বর্ষণে ১০ জনের মৃত্যু চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফ্রান্সে বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত ৪ চুয়াডাঙ্গায় টানা ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত সাতক্ষীরায় নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার কোটি কোটি নতুন সমর্থকই বেলজিয়ামের প্রেরণা: গার্সিয়া তিস্তার 'ক্রেডিট' নিতে জামায়াতের আন্দোলন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভেজা বাতাস চারিত্রিক অবক্ষয় রোধে পর্দা রক্ষাকবচ কালো মেঘ শাদা মেঘ কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী: প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই চালু হচ্ছে জুলাই জাদুঘর বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, সড়ক যোগাযোগ এখনও ব্যাহত সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার শ্রাবণের চিঠি জলছবি কক্সবাজারে সৈকতে গলিত কঙ্কাল দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আরোহী মৃত্যু, স্ত্রী আহত আদি বৃষ্টি সাজেকে আটকা পড়া ৩১১ পর্যটককে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

মহাসমাবেশ থেকে হেফাজতের নেতারা ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকুন

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৫, ০১:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৪ মে ২০২৫, ০১:৪৯ পিএম
ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকুন
ছবি: খবরের কাগজ

পবিত্র কোরআন ও ইসলামবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নেতারা। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তারা বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার মতো ভুল করবেন না। ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো নীতি বাস্তবায়ন করার সাহস করবেন না।’

শনিবার (৩ মে) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চার দফা দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশ থেকে এই আহ্বান জানান নেতারা। সকাল ৯টার দিকে মহাসমাবেশটি শুরু হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় মহাসমাবেশ। হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে ১২ দফা দাবি উত্থাপন করেন হেফাজতের নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক। 

মহাসমাবেশে হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘দেশে ইসলামবিরোধী গোষ্ঠী আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সাম্রাজ্যবাদের ফান্ডখোর কুখ্যাত নারীবাদীরা এদেশের সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ, বিধি-বিধান, ঐতিহ্য ও পরিবারকাঠামো ধ্বংস করার পাশ্চাত্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে। আমরা হুঁশিয়ারি করে বলতে চাই, এনজিওবাদী গোষ্ঠীর প্ররোচনায় এমন কোনো হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না, যা কুরআন-সুন্নাহর বিরুদ্ধে যায়। এক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দেব না। এই বিতর্কিত কমিশন ও কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিল করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম অংশীদার আলেম-ওলামার পরামর্শ নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করুন।’

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এমন একটি বিভেদমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে যেখানে কাউকে গুম-খুন, জেল-জুলুম এবং পুলিশি নির্যাতন করা হবে না। গণহত্যার বিচারের পাশাপাশি ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দালালদেরও বিচার করা হবে। আমরা এ দেশে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’ 

অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হেফাজতের এই সমাবেশ উল্লেখ করে সংগঠনের মহাসচিব সাজিদুর রহমান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, অবিলম্বে জনগণের দাবি মেনে নিন। পবিত্র কোরআন ও ইসলামবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন থেকে অন্তর্বর্তী সরকার বিরত থাকুক। এসব দাবি আদায়ে আমরা আন্দোলন করব, সংগ্রাম করব, প্রয়োজনে জেহাদ করব।’

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা বলেছিলেন, আমরা পিন্ডির গোলামির জিঞ্জির ছিন্ন করেছি, দিল্লির দাসত্ব করার জন্য নয়। ২৪-এর জুলাইয়ের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর আমি বলতে চাই, আমরা দিল্লির দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়েছি নিউ ইউর্কের গোলামি করার জন্য নয়। যদি বাংলাদেশকে ওয়াশিংটনের দাসে পরিণত করার কোনো চক্রান্ত করা হয়, হিউম্যানিটেরিয়ান করিডরের নামে বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব হরণ করার জন্য অপতৎপরতা চালানো হয়, তাহলে সারা দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান থাকবে, দেশের জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন।’

নেতা–কর্মীদের নামে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলছি, আগামী দুই মাসের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সব নেতা–কর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।’

সমাবেশে ইসলামী চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় নেতা জৌনপুরের সাইয়্যেদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, ‘অসংখ্য আলেম-ওলামাকে জঙ্গি তকমা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। যদি বাবর সাহেব (লুৎফুজ্জামান বাবর) মুক্তি পান, আলেম সমাজ কেন মুক্তি পাবে না। তাদের মুক্তির আগে সংস্কার নয়, নির্বাচনও হতে দেওয়া হবে না।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ড. ইউনূস কয়েক দিন আগে বলেছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে কি না এ সিদ্ধান্ত তাদের। ড. ইউনূস ভুলে যাবেন না আপনাকে আমরা ক্ষমতায় বসিয়েছি। আওয়ামী লীগ নির্বাচন করবে কি করবে না, আসবে কি আসবে না- এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। আওয়ামী লীগ মারা গেছে বাংলাদেশে আর জানাজা হয়েছে দিল্লিতে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই হবে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সংস্কার। এখানে কিন্তু-যদি-অথবা নেই। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে।’
দুটি কর্মসূচি ঘোষণা

মহাসমাবেশ থেকে নতুন দুটি কর্মসূচির ঘোষণা দেন মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। এগুলো হলো- নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে তিন মাসের মধ্যে বিভাগীয় সম্মেলন এবং আগামী ২৩ মে বাদ জুমা চার দফা আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল।

১২ দফা দাবি 
সমাবেশ থেকে ১২ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নায়েবে আমির মাওলানা মাহফুজুল হক। এগুলো হলো: নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন এবং তাদের কোরআনবিরোধী প্রতিবেদন অবিলম্বে বাতিলপূর্বক আলেম-ওলামার পরামর্শক্রমে ধর্মপ্রাণ বৃহত্তর নারীসমাজের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে নতুন কমিশন গঠন করে বাস্তবমুখী সংস্কারের দিকে যেতে হবে। সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং ধর্মপ্রাণ গণমানুষের ঈমান-আমল রক্ষার্থে ‘বহুত্ববাদ’ নামক আত্মঘাতী ধারণা থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে এ ছাড়া ‘লিঙ্গ পরিচয়’, ‘লিঙ্গ বৈচিত্র্য’, ‘লিঙ্গ সমতা’, ‘লিঙ্গ বৈষম্য’, ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ (বা থার্ড জেন্ডার), ‘অন্যান্য লিঙ্গ’ ইত্যাদি শব্দের মারপ্যাঁচে ট্রান্সজেন্ডারবাদের স্বীকৃতি ও অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সমাজবিধ্বংসী ও ধর্মবিরুদ্ধ সমকামী-বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে। আল্লাহ ও তার রাসূল (সা.)-এর নামে কটূক্তি ও বিষোদ্গার বন্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির আইন এবং গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের ধর্ম অবমাননার শাস্তি সংক্রান্ত আইনি ধারাগুলো বাতিলের সুপারিশ বাদ দিতে হবে। চট্টগ্রামে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাতে শহিদ সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার উসকানিদাতা চিন্ময় দাসের জামিন প্রত্যাহারপূর্বক তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। 

ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে সারা দেশে প্রতিবাদী আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও ইসলামমনা তরুণদের বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা ও বানোয়াট মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার বা নিষ্পত্তি করতে হবে এবং ‘জঙ্গি নাটক’ বা ‘জঙ্গি কার্ড’ খেলে আলেম-ওলামার ওপর যারা গত ১৫ বছর নির্যাতন ও গুম-খুন চালিয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। 

গাজার মুসলমানদের ওপর অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা ও ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের গণ-অভ্যুত্থানের সরকারকে কূটনৈতিকভাবে আরও উচ্চকণ্ঠ হতে হবে এবং দেশের সর্বস্তরে জনতাকে ইসরায়েলি ও ভারতীয় পণ্য বয়কট করতে হবে। শাপলা ও জুলাই গণহত্যার বিচারে গতি আনতে ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার চিহ্নিত দোসরদের বিচার শেষ করতে হবে। 

গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তাদের সব ধরনের কার্যক্রম ও তৎপরতা নিষিদ্ধ করতে হবে। শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। রাখাইনকে ‘মানবিক করিডর’ প্রদানে সরকারের সম্মত হওয়া সম্পূর্ণরূপে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত- আমাদের ভৌগোলিক নিরাপত্তার স্বার্থে এই অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে ফিরে আসতে হবে।

চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে ভিনদেশি মিশনারীদের অপতৎপরতা ও দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে এবং সামরিক নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও বৃদ্ধি করা ছাড়াও পাহাড়ি বাঙালি ও নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক সমঝোতা ও স্থিতি নির্মাণে রাষ্ট্রীয় তৎপরতা আরও বাড়াতে হবে। কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘অমুসলিম’ ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। ছবি: খবরের কাগজ

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, রাজনীতি শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার বিষয় নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনেরও একটি প্রক্রিয়া। তাই যে রাজনৈতিক দল রাষ্ট্র পরিচালনা করে বা করতে চায়, তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়েই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রমাণ করতে হয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে দেশ ও মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও দেশকে সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। তিনি বলেন, "বৃক্ষরোপণ একটি সামাজিক আন্দোলন। এ আন্দোলনে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষেরও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তুলে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে তারেক রহমান শহিদ জিয়ার আদর্শকে এগিয়ে নিচ্ছেন। রাজপথের আন্দোলন, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন বরিশাল সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। এ সফরে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে দলের নীতিনির্ধারক ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শহিদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

পরে মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিম ও আমগাছের চারা রোপণ করেন এবং মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এ কর্মসূচির আওতায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই হাজার ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে। 

এসএন/

একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাপ

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে ৭৫০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হাম পরিস্থিতি বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হলেও নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি।

এ সময়ে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ৯০১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯ জনে।

রিফাত/

দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ তুলে ধরলেন মুখপাত্র

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ তুলে ধরলেন মুখপাত্র
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় সৃষ্ট চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, সংকটের এই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক ফেসবুক পোস্টে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে এই পদক্ষেপগুলোর কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি প্রধান উদ্যোগ হলো-

১. প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়মিতভাবে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২. চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩. জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অনুদান এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের কাছে দ্রুততম সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪. সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম গতিশীল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬. প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ প্লাবিত অঞ্চল পরিদর্শন করছেন এবং সশরীরে দুর্গত এলাকায় অবস্থান নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭. দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনগুলো মাঠে নেমেছে। একই সাথে সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে।

৮. ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকার চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

৯. এই দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করছেন।

১০. টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে সেটি ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার।

ফেসবুক পোস্টের শেষে মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক প্রয়াস ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী এই সংকটে গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন এবং জনগণের সরকার সবসময় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।’

বাসস/এসএন

চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
ছবি: খবরের কাগজ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের শনিবারের (১১ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার শনিবারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ না থাকায় সব কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাইকিং করে এলাকায় বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
 
রিফাত/

তিস্তার 'ক্রেডিট' নিতে জামায়াতের আন্দোলন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
তিস্তার 'ক্রেডিট' নিতে জামায়াতের আন্দোলন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। ছবি: খবরের কাগজ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিএনপি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের একটি অংশ। সেই ইশতেহারের অংশ হিসেবে যখন বিএনপি সরকার কাজ করছে, ঠিক সে সময়ে ক্রেডিট নেওয়ার জন্য জামায়াতসহ ১১ দল আন্দোলনে নেমেছে বলে মন্তব্য করেন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ১২টার সময় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দের আওতায় জেলা পরিষদ পঞ্চগড়ের সার্বিক পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চগড়-নীলফামারী সীমান্তে পঞ্চগড় গেইট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি কথায় বিশ্বাস করে না, কাজে বিশ্বাস করে। তিস্তা নিয়ে বিএনপি যখন কাজ শুরু করে, তখন তাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এই তিস্তা নিয়ে তাদের কোনো স্বপ্ন ছিল না, কোনো কথাও ছিল না, তাই স্ট্যান্টবাজির রাজনীতির দিন বাংলাদেশে আর চলবে না। অচিরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু এবং তা বাস্তবায়ন হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চগড়ের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে ধারণ করে এবং আপামর জনসাধারণের দাবীর প্রেক্ষিতে এই পঞ্চগড় গেট নির্মাণ করা হচ্ছে।

পঞ্চগড় গেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীত সাহা, পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অঞ্জন কুমার সরকারসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. রনি/থিওটোনিয়াস/