ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
‘স্পেনকে ভয় নয়, সম্মান’ মেসিকে ঘুম পাড়িয়ে দেবে ইংল্যান্ড! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘লাকি’ জার্সি পরে খেলবে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ২ মাস পর রেফারির মৃত্যু ১৩ বছর পর আবারও ক্রোয়েশিয়ার কোচ স্লাভেন বিলিচ হালান্ডকে পাস না দেওয়ায় সরলথকে আত্মহত্যা করার বার্তা! বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারের ‘রহস্যজনক’ মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ ৪ দলের মধ্যে কার বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার সিরাজগঞ্জে ব্যতিক্রমী 'আর্জেন্টিনা বটগাছ' ফেসবুকে ভিসি-প্রশাসনের সমালোচনা, জকসু সদস্য জাহিদকে তলব ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে: সড়ক পরিবহণমন্ত্রী ইবির প্রধান ফটকের জুলাই স্মৃতি মুছে ‘জুলাই ফলক’ তৈরির পরিকল্পনা অনলাইনে মাদক-বাণিজ্যের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: কুতুবদিয়ার ৪ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ১ ‘মাদক বহনকারীরা জেলে, কিন্তু কারবারিরা সংসদে কেন?’ ফতুল্লায় অটোরিকশার ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, খোলা হলো তিস্তা ব্যারেজের ৪৪ জলকপাট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় রাঙামাটির ৬ উপজেলায় বন্যার শঙ্কা সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ বৃষ্টির সময় কেন দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না? বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর গল্প বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ

জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব বৃহস্পতিবার

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব বৃহস্পতিবার
ফাইল ছবি।

আগামী ১৬ জুলাই থেকে রাজধানীসহ দেশের ১২৮টি স্থানে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব। ৯ দিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন হবে ঢাকার স্বামীবাগ আশ্রমে বিশেষ অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে। সমাপনী উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ জুলাই।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী।

তিনি জানান, প্রথম দিন সকাল ৮টায় বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও দেশের সমৃদ্ধি কামনায় বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে বিশেষ যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুপুরের পর স্বামীবাগ আশ্রম থেকে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা শুরু হয়ে জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, কার্জন হল, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার ও পলাশীর মোড় অতিক্রম করে শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পৌঁছাবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ওড়িশার পুরীর রথযাত্রার পর ঢাকায় ইসকনের এই আয়োজন বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অন্যতম বৃহৎ রথযাত্রা হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এই উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে।

ইসকন বাংলাদেশ জানায়, জগন্নাথদেবের রথযাত্রার মূল বার্তা হলো সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণে এই উৎসব সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংগঠনটির বিশ্বাস।

উৎসবের নিরাপত্তার বিষয়ে আয়োজকরা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসকন বাংলাদেশের সভাপতি শ্রী সত্যরঞ্জন বাড়ৈ, কোষাধ্যক্ষ শ্রী জ্যোতিশ্বর গৌরহরি দাস ব্রহ্মচারী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শ্রী বিমলা প্রসাদ দাস, শ্রী হৃষিকেশ গৌরাঙ্গ দাস ও শ্রী শুভ নিতাই দাস উপস্থিত ছিলেন।

জয়ন্ত সাহা/এএফ

ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে: সড়ক পরিবহণমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে: সড়ক পরিবহণমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত

দেশব্যাপী ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে এসব যানবাহন পরিচালনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালীবিধির ৭১ ধারায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের ওপর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীতে একটি সমন্বিত মাল্টিমোডাল যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার উপায় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। নীতিমালা চূড়ান্ত হলে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন তার আলোকে ব্যবস্থা নেবে।’

আলোচনায় শওকত আরা আক্তার বলেন, ‘পরিবহন খাত দেশের কার্বন নিঃসরণের অন্যতম উৎস। তাই জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের পরিবর্তে পর্যায়ক্রমে পরিবেশবান্ধব ও বৈদ্যুতিক গণপরিবহন চালুর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একইসঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে রাজধানীতে যানজট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি এসব যান বন্ধ না করে মানোন্নয়ন, চালকদের প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন এবং একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় এনে নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দেন।’

জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা মহানগরে এসব যানবাহনের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব মূলত সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগের। তবে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে পরিবেশবান্ধব এই যানবাহনের সুবিধা বজায় রেখেই সড়কে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করা যায়।’

এলিস/রিফাত/

অনলাইনে মাদক-বাণিজ্যের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
অনলাইনে মাদক-বাণিজ্যের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ কেনাবেচা, সরবরাহ ও প্রচারের অপরাধে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। একই সঙ্গে এ অপরাধে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

পাস হওয়া আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্টেন্সের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা কিংবা যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। একইসঙ্গে মাদক লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।

আইনের নতুন বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধ প্রমাণে সরাসরি মাদক উদ্ধার করা বাধ্যতামূলক নয়; ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ ও আর্থিক লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতেও বিচার করা যাবে। আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আলোচনায় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মাদক মামলায় সাধারণত বাহকরাই ধরা পড়ে, কিন্তু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।’

তিনি বলেন, ‘মাদক চোরাচালানের মূল নিয়ন্ত্রকদের আইনের আওতায় না আনতে পারলে শুধু আইন করে এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।’ 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক কারবারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

এলিস/রিফাত/

‘মাদক বহনকারীরা জেলে, কিন্তু কারবারিরা সংসদে কেন?’

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০১ পিএম
‘মাদক বহনকারীরা জেলে, কিন্তু কারবারিরা সংসদে কেন?’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ছবি: সংগৃহীত

মাদক মামলায় মূলত বাহকরাই বারবার গ্রেপ্তার হচ্ছে, কিন্তু মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এমনকি কারবারিদের কেউ কেউ সংসদে যাওয়ার সুযোগ কীভাবে পাচ্ছেন- সংসদে এমন অভিযোগ তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। 

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২৩তম দিনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল-২০২৬-এর ওপর জনমত যাচাই-বাছাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেশে মাদক সংক্রান্ত যেসব মামলা হয়, সেগুলোতে অধিকাংশ সময় মাদক বহনকারীরাই ধরা পড়ে। কিন্তু মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের সদস্যরা রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘টেকনাফসহ যেসব সীমান্তপথে মাদক দেশে প্রবেশ করে, সেসব এলাকার মূল কারবারি ও চক্রের হোতাদের আইনের আওতায় না আনতে পারলে শুধু আইন করে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশে কঠোর আইন রয়েছে। ২৫ গ্রামের বেশি মাদক উদ্ধারের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এমনকি মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে। এরপরও লাখ লাখ ইয়াবা বা বিপুল পরিমাণ মাদকসহ শুধু বাহকরাই গ্রেপ্তার হচ্ছে, কিন্তু তাদের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের পর্যন্ত তদন্ত পৌঁছাচ্ছে না।’

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘মাদক চোরাচালান বন্ধে আইনের পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। এর আগে সংসদে বাজেট আলোচনায় সরকারি দলের সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন নয়, এর কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

তিনি বলেন, ‘মাদক নিয়ন্ত্রণে সাহস, সততা ও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন।’

এলিস/রিফাত/

সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন কক্ষ ও পবিত্র মসজিদের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্পিকারের দায়িত্ব পালনকারী ডেপুটি স্পিকারও সংসদ ভবনের আবাসিক কক্ষে নিজের ঘরের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার কথা তুলে ধরেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন হুইপ গউছ। 

তিনি বলেন, সংসদ ভবনের ওপরের তলায় থাকা মসজিদে ছাদ ফেটে বৃষ্টির পানি পড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদনকারী সংসদ ভবনের এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তিনি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

এর জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ার বিষয়টি তিনিও জানেন। রসিকতার ছলে তিনি বলেন, বৃষ্টির দিনে তার নিজের ঘরের ছাদ থেকেও পানি পড়ে, তাই বাটি দিয়ে পানি আটকাতে হয়।

পরে চিফ হুইপ জানান, বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং ভবনের যে-সব স্থানে পানি পড়ছে, সেগুলোর মেরামতকাজ শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডেপুটি স্পিকারের আহ্বানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীও সংসদে জানান, ভবনের ছাদ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুতই পানি পড়ার সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

এলিস/নাঈম

বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ পিএম
বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের পর এবার বরিশাল জেলার রহমতপুরে সেনাবাহিনীর ‘গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ২০২৬’ কার্যক্রম সরাসরি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৩ জুলাই) সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়ার দায়িত্বপূর্ণ ওই এলাকায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও বরিশালের এরিয়া কমান্ডার এরিয়া মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন তাকে অভ্যর্থনা জানান। 

আইএসপিআর জানিয়েছে, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান, রণকৌশলের প্রয়োগ, মৌখিক আদেশ, উদ্ভাবিত বিভিন্ন সমরাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় এবং চলমান প্রশিক্ষণের মান, পেশাদারত্ব ও অভিযানিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। 

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি দেশের জনগণের গভীর আস্থার কথা উল্লেখ করেন। তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম ও ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাবুগঞ্জের বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, গোপন চলাচল, প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান, কৌশলগত অগ্রসর হওয়া এবং শত্রুর সম্ভাব্য আক্রমণ মোকাবিলার বিভিন্ন অনুশীলন প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে মহড়ার বিভিন্ন ধাপ এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

বিশ্বের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে— ড্রোন এখন আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ছোট আকারের চালকবিহীন উড়োজাহাজ গোয়েন্দা নজরদারি, লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণ এবং হামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে মহড়ায় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সেনা কর্মকর্তারা তাকে এই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির কার্যপদ্ধতি এবং সম্ভাব্য যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করেন।

এর আগে গত ৭ জুলাই মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায় সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের ‘গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ২০২৬’ কার্যক্রম সরাসরি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আলমগীর হোসেন/নাঈম