ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ হবে বিশ্বমঞ্চে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটি’র অনন্য রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অতিবৃষ্টি ও বন্যা কেন আসে? ‘আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা বর্তমান পারফরমেন্স কে এগিয়ে ফ্রান্স না স্পেন? শাহরাস্তি উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার মৌলভীবাজারে পানি নামলেও কমেনি দুর্ভোগ মারিয়ানো রাখয়ের বর্ণবাদী মন্তব্যে যা বললেন স্পেন ডিফেন্ডার সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেক্সিকোতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই শিশুসহ নিহত ১০ শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন প্রস্তাব দিলো ইইউ হবিগঞ্জে নেমেছে বন্যার পানি, কৃষি ও মৎস্য চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বর্জ্যের স্তূপ ধস, ৯ শ্রমিক নিহত ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল আর নেই ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলো ২০২৬ বিশ্বকাপ অধরা স্বপ্ন পূরণের মিশনে কেইন রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্ক করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের সন্তানদের বিয়েতে সহায়তা তাপমাত্রা নীতিমালা নিয়ে আলোচনায় ফিফা ও ফিফপ্রো গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদ ১১ বন্যা পরিস্থিতিতে যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধামরাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু, আশঙ্কায় স্থানীয়রা দাউদকান্দিতে বন্যায় বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার শাহ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান আটক বন্যায় মজুত পর্যাপ্ত হলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ পিএম
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার
ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশে ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার। 

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। পরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই অনুদানের মধ্য দিয়ে গত ২৫ বছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাম্বাসেডরস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন’ এএফসিপি-এর অধীনে বাংলাদেশে ১৩টি প্রকল্পে ১০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সম্পন্ন হল।

এএফসিপি তহবিলের আওতায় বাংলাদেশে বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুঘল আমলের ঐতিহাসিক ‘মুসা খান মসজিদ’-এর ইসলামিক স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধার, ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি এবং তরুণ স্থপতিদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এছাড়া পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শাঁখারী বাজার, লালবাগ কেল্লার একাংশ সংরক্ষণ এবং বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের আধুনিকীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাউল গান, জামদানি তাঁতশিল্প এবং প্রাচীন ধাতব ঢালাইয়ের মতো বাংলাদেশের অমূল্য লোকশিল্প ও অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দলিলকরণেও এই তহবিল কাজ করছে।

বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সোনারগাঁওয়ের প্রাচীন ঐতিহাসিক পানাম সিটির সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। পাশাপাশি দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে ‘ইউএস-বাংলাদেশ কালচারাল ফেস্টিভ্যাল’ আয়োজন, যৌথ ইভেন্ট শো এবং কালচারাল আর্টিস্ট এক্সচেঞ্জ (সাংস্কৃতিক শিল্পী বিনিময়) কর্মসূচির সম্ভাব্যতা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। 

এছাড়া ২০১৩ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো দ্বিপাক্ষিক সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তির খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়।

তখন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, এটি একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি ও আইনি যাচাই সম্পন্ন হলেই এটি নিয়ে দ্রুত কাজ করা হবে।

বৈঠকে নজরুল সাহিত্যের অনুবাদ কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ‘লাইব্রেরি অব কংগ্রেস’ বিশ্বসাহিত্যের অনন্য সংগ্রহশালা এবং তারা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম সংগ্রহ ও সংরক্ষণে বিশেষভাবে আগ্রহী।

বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন কালচারাল অ্যাফেয়ার্স স্পেশালিস্ট ফারোহা সোহরাওয়ার্দী;  পাবলিক ডিপ্লোমেসি অফিসার স্কট ই. হার্টম্যান, প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর তরিকুল ইসলাম নাহিন এবং প্রোটোকল অ্যাসিস্ট্যান্ট এম. বি. এম. সাদ বিন এলাহী।

জয়ন্ত সাহা/ অন্তরা/

বাংলাদেশ হবে বিশ্বমঞ্চে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটি’র অনন্য রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
বাংলাদেশ হবে বিশ্বমঞ্চে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটি’র অনন্য রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, সব মন্ত্রণালয় এক হয়ে কাজ করলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির একটি অনন্য রোল মডেল ও পজেটিভ ব্র্যান্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে শিশুস্বর্গ মডেল’ বাস্তবায়ন শীর্ষক পাইলট প্রজেক্ট প্রণয়নে অংশীজন পরামর্শ সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দীন মোহাম্মদ রুমীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবর্গ।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় 'শিশুস্বর্গ' নামক বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও স্পেস গড়ে তোলার সক্ষমতা রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলো হবে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল কেন্দ্রবিন্দু।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশাল মাঠকর্মী বাহিনী তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্রুত সনাক্ত করে প্রাথমিক মেডিকেল অ্যাটেনশন ও থেরাপির মাধ্যমে এই 'শিশুস্বর্গ' এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক লিঙ্কেজ বা সংযোগ তৈরি করে দেবে। ফলে চিকিৎসার সাথে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনের একটি নিখুঁত সমন্বয় ঘটবে।

প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত জানান দেশে বর্তমানে ৪৬ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরকারি ডেটাবেজের আওতায় থাকলেও প্রকৃত সংখ্যা বিবেচনায় অন্তত ১ কোটি মানুষের দোরগোড়ায় রাষ্ট্রীয় সেবা ও অধিকার পৌঁছে দেওয়ার মেগা টার্গেট নিয়েছে নতুন সরকার। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রাকে সহজ করতে কোনো দয়া বা চ্যারিটি মডেল নয়, বরং পূর্ণাঙ্গ অধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী স্টিয়ারিং কমিটি।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতি দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহে দুইটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টিকে অত্যন্ত হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করেন। তিনি পরিষ্কার বলেছেন যে রাষ্ট্র এদের দয়া করছে এমন পরিবেশ তিনি চান না, বরং অন্য সব নাগরিকের মতো সমঅধিকার যেন তারা উপভোগ করতে পারেন।’

প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সভাপতিত্বে গঠিত হয়েছে 'প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা নীতি নির্ধারণ স্টিয়ারিং কমিটি', যেখানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া নীতিসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য গঠিত 'প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়েছে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে এবং সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। কমিটিগুলো গঠনের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে প্রথম এবং এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় মিটিং সম্পন্ন করে কাজের গতিশীলতা প্রমাণ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শীর্ষ পর্যায়ের এই সমন্বয়ের ফলে ইতিমধেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অর্ধেক ভাড়া বা বিনামূল্যে যাতায়াতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে প্রতিটি মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনাকে 'ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ' বা প্রতিবন্ধীবান্ধব করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে একটি 'কনভেয়ার বেল্ট' বা রিলে রেসের সাথে তুলনা করেন।

তিনি বলেন, ‘একজন প্রতিবন্ধী শিশু যখন জন্মায়, তখন তার এক ধরণের চিকিৎসা ও থেরাপির প্রয়োজন হয়। ৬ বছর বয়সে তার চাহিদা ভিন্ন হয়, ১২ বছর বয়সে প্রতিবন্ধী কিশোরীর প্রয়োজন আলাদা এবং যৌবনে তার দরকার কর্মসংস্থান। জন্ম থেকে কর্মসংস্থান পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ধাপে রাষ্ট্র তার পাশে থাকবে এবং কনভেয়ার বেল্টের মতো ধাপে ধাপে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তার চাহিদা পূরণ করবে ‘

জয়ন্ত সাহা/এএফ

‘আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে’

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
‘আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে’
ছবি: পিআইডি

বাংলাদেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে অনুরোধ জানাব, আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে। আমাদের ব্যবহার করা কোনো জিনিস, বিশেষ করে পানির খালি বোতল, আমরা যেখানে-সেখানে ফেলে না দিই। ধরুন, কোনো একটা প্যাকেটে করে আমরা কিছু নিয়ে যাচ্ছি। জিনিসটা বের করার পর প্যাকেটটার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেলে সেটি যত্রতত্র ফেলে দিচ্ছি। এতে পরিবেশ নষ্ট হয়। আর এই পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেলে পরবর্তীতে আমাদের সন্তানেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের দেশটাকে সুন্দর ও নিরাপদ, বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে সকলে মিলে চেষ্টা করতে হবে।’

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদীর সরিকল-বাটজোর খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপস্থিত গ্রামবাসীর উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এই সহযোগিতা চান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যদি নিজের ঘর এবং দেশকে নিজেরা পরিষ্কার না রাখি, তাহলে এই দেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে না। বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের দেশকে পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে না। দেশটাকে সুন্দর করতে হলে সকলে মিলেই চেষ্টা করতে হবে।’

নিজের ব্যবহার করা টিস্যু নিজের পকেটেই রেখে দেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার পকেটে হাত দিলে টিস্যু বের হবে। একটু আগে মাটি ধরে হাত ধুয়ে ব্যবহার করেছি এই টিস্যু, তারপর সেটা পকেটেই রেখে দিয়েছি। এখানে যদি টিস্যুটা ফেলতাম, তাহলে আপনাদের যা বলছি আমি নিজেই তো সেটি মেনে চললাম না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই অভ্যাস করে নিয়েছি, যখন আমি টিস্যু ব্যবহার করি, সেটি পকেটের মধ্যে রেখে দিই। আমার যেকোনো প্যান্টের পকেটে হাত দিলেই ব্যবহার করা এমন টিস্যু বের হয়ে আসবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘সারাদিনে ব্যবহার করা সব টিস্যুই অনেক সময় প্যান্টের পকেটে জমা হয়। রাতে বাসায় ফিরে ডাস্টবিনে বা ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে সেগুলো ফেলে দিই। এই কাজটি সবসময় করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই আস্তে আস্তে আমার মধ্যে এই অভ্যাসটা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি আজ থেকেই চেষ্টা করি, সকলে মিলে এই অভ্যাসটি গড়ে তুলতে সক্ষম হব। এতে করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি দেশ গড়ে তুলতে পারব, যেখানে পরিবেশটাও সুন্দর হবে। সেই দেশ দেখে সবাই প্রশংসা করবে। নিজের দেশের মানুষ যেমন প্রশংসা করবে, তেমনি বিদেশিরা বলবে যে, বাংলাদেশ একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর দেশ। বাংলাদেশের মানুষ তাদের নিজেদের দেশটাকে গুছিয়ে রেখেছে, পরিচ্ছন্ন রেখেছে।’

গৌরনদীর সরিকল-বাটজোর খালপাড়ে দাঁড়িয়ে দুটি প্লাস্টিকের বোতল ভাসতে লক্ষ্য করেন তারেক রহমান।

তিনি এ বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘এই দেখুন, খালের পানিতে প্লাস্টিকের বোতল ভাসছে। আপনাদের বাড়িতে যদি পাঁচ-সাতজন মানুষ থাকে, তার মধ্যে একজন যদি সারাদিন বাড়ি পরিষ্কার করে আর বাকি সবাই ময়লা করে, তাহলে ওই বাড়ি পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। গুছিয়ে রাখাও সম্ভব নয়। দেশটাও তো ঘরের মতোই। মাত্র কয়েকজন যদি শুধু পরিষ্কার করে আর সবাই নোংরা করতে থাকে, তাহলে এই দেশটাকেও পরিচ্ছন্ন রাখা অসম্ভব। আমাদের সকলকে মিলেই পরিষ্কার রাখতে হবে। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা ফেলি; একদিকে দেখতে খারাপ লাগবে, অন্যদিকে পরিবেশও নোংরা হবে। আপনারা যখন বাসে করে বিভিন্ন জায়গায় যানÑবরিশাল সদরে বা ঢাকায়, তখন দেখবেন বাজারে এবং দোকানের চারপাশে বিভিন্ন ধরনের আবর্জনায় ভরা। ময়লা দেখতে কার ভালো লাগে? তাছাড়া পরিবেশটাও নোংরা হয়ে যায়, দূষণও বাড়ে। আর এসব দূষণে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতিও হয়। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করে দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলি।’

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সুস্থ দেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসুন আজকের এই বৃক্ষরোপণের দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে, আমরা প্রত্যেকটি মানুষ নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করব। আমাদের আশপাশের পরিবেশের প্রতি আমরা যত্ন নেব। আমরা চেষ্টা করব আশপাশের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট যতটুকু সম্ভব পরিচ্ছন্ন রেখে পরিবেশটাকে রক্ষা করতে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সূত্র: বাসস

অমিয়/

আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া।

আগামী জুনের মধ্যে সারাদেশে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টায় বরিশালের গৌরনদীতে ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম বিএনপি সরকার গঠন করলে সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আজকে গৌরনদীতে ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন। আরও পরিবার বাকি আছে। ধাপে ধাপে আমরা তাদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব।

আমরা আমাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করে দিয়েছি। এজন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ৭০০০ পরিবারের নারী সদস্যরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। আগামী পাঁচ বছরে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে চার কোটি পরিবারের নারী সদস্যরা প্রত্যেকেই ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে যাবেন।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় নারীদের জন্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য অনার্স (স্নাতক) পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করবো। যে সকল মেয়েরা  ভাল রেজাল্ট করবে তাদের জন্য আমরা বৃত্তির ব্যবস্থা করবো। শিক্ষার পাশাপাশি নারীরা যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে সেই জন্যই আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি। 

এই সময় তার সঙ্গে ছিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি, বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ ও জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার সহ জেলা পর্যায়ের দলীয় নেতৃবৃন্দ।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নতুন খনন করা সরিকল খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অন্তরা/

বন্যা পরিস্থিতিতে যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
বন্যা পরিস্থিতিতে যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
ছবি: সংগৃহীত

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের আকস্মিক বন্যায় দেশের বিভিন্ন জনপদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে কিছু দুর্গম এলাকায় সময়মতো চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাস্তব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। বন্যা পরিস্থিতিতে বেশকিছু প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে বেশকিছু বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে সরকার।

বন্যা পরিস্থিতিতে সাপের কামড়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রীয় ঔষধাগার ও সরবরাহ দপ্তরে (সিএমএসডি) ১ হাজার ভায়াল এবং মাঠপর্যায়ে ২১ হাজার ভায়ালসহ মোট ২২ হাজার ভায়াল অ্যান্টি-স্নেক ভেনম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পাইপলাইনে থাকা আরও ২৫ হাজার ভায়াল ভেনম এসে পৌঁছাবে।

পানিবাহিত রোগ ও ডায়রিয়া মোকাবিলায় মাঠপর্যায়ে বর্তমানে ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ২৯৯ প্যাকেট ওআরএস বা খাবার স্যালাইন এবং ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৯ ব্যাগ কলেরা স্যালাইন মজুদ আছে। এর বাইরে কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার (সিএমএসডি)-তে ৯৯ হাজার ৯৯৫ ব্যাগ নরমাল স্যালাইন সংরক্ষিত রয়েছে।

মাঠপর্যায়ে সর্বমোট ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৭২টি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) কাছে পর্যাপ্ত অতিরিক্ত ট্যাবলেট মজুদ আছে। ইতিমধ্যে দুর্গত এলাকায় ৭ লাখ ২৯ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সব উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রসবকালীন জটিলতায় আক্রান্তদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীদের সঙ্গেও সার্বিক সমন্বয় করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, কক্সবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও আশ্রয় শিবিরগুলোতে বিশেষ মেডিকেল টিম স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

যেকোনো জরুরি স্বাস্থ্য পরামর্শ বা সহায়তার জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন হটলাইন ১৬২৬৩ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি কন্ট্রোল রুমের হটলাইন নম্বর ০১৭৫৯-১১৪৪৮৮। 

জয়ন্ত সাহা/এএফ

বন্যায় মজুত পর্যাপ্ত হলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পিএম
বন্যায় মজুত পর্যাপ্ত হলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের আকস্মিক বন্যায় দেশের বিভিন্ন জনপদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে কিছু দুর্গম এলাকায় সময়মতো চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাস্তব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যোগাযোগের বিচ্ছিন্নতা ও পানিবদ্ধতার কারণে কিছু এলাকায় পৌঁছাতে বাস্তব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা আমরা স্বীকার করি। এসব প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অতিক্রম করে সেবা পৌঁছাতে স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে মেডিকেল টিম পাঠানো হচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সমস্যা থাকলে হটলাইন বা কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ করছি; আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়াও ফেনী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহসহ নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আগাম ঝুঁকি রয়েছে। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সেসব জেলায় অতিরিক্ত মেডিকেল টিম, ওষুধ ও স্যালাইন মজুদ রাখা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমগুলো পরিস্থিতি নিয়মিত হালনাগাদ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বজায় রাখা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিলসহ নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে সাতটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে সরকার।

জয়ন্ত সাহা/এএফ