ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্দি বিনিময় চুক্তিতে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সংস্কারে আইএমএফ সম্মত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃচুক্তি হবে না: নৌপরিবহনমন্ত্রী ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটির রোল মডেল হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অতিবৃষ্টি ও বন্যা কেন আসে?

শাহ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান আটক

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০১ পিএম
শাহ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান আটক
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই ফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশী করে ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার (২.১৬ কেজি) স্বর্ণের চালান আটক করেছে দায়িত্বরত এনএসআই ও  ডিজিএফআই টিম।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আটক যাত্রীর নাম- মোহাম্মদ শহীদুল আলম চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বাসিন্দা। 

জানা গেছে, সোমবার সকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এনএসআই ও ডিজিএফআই সদস্যরা দুবাই ফেরত যাত্রী শহীদুল আলমকে তল্লাশী করে তার পায়জামার বেল্টের স্থানে ও আন্ডারওয়্যারের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা স্বর্ণের অলঙ্কার ও গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের পরিমান ২.১৬ কেজি যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের চালান বিমানবন্দর কাস্টমস এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বর্ণ পরিবহনে জড়িত যাত্রীর বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। যে কোন বৈদেশিক মুদ্রা পাচাররোধ সহ স্বর্ণ চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর গোয়েন্দাসংস্থা, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও বিমানবন্দর কাস্টমসসহ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। 

তারেক মাহমুদ/আজহার/

ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর সদর উপজেলায় বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিন বন্ধু। এ সময় বজ্রপাতে সাব্বির মোল্লা (১৭) নামে একজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার(১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সাব্বির মোল্লা খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির সময় সাব্বির তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছের নিচে বসে ছিল। এ সময় হঠাৎ গাছের পাশে বজ্রপাত হলে তিনজনই ছিটকে পড়ে। এতে সাব্বির মোল্লা গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু অক্ষত রয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ মুন্সী জানান, খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে সাব্বির মোল্লা নামে এক কিশোর বজ্রপাতে নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 

এনকেবি নয়ন/রিফাত/

দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পাহাড়ি ঢলের কারণে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি-৩৫)।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পাথরের চর এলাকার ৩০টি পরিবারকে বিজিবির পক্ষ থেকে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান নদী ভাঙন কবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন, পাথরের চর বিওপির কোম্পানি কমান্ডার তরিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক দায়িত্ব। আপদকালীন সময়ে বিজিবি সবার আগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। দুর্যোগময় ও সংকটময় পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার তেল, ১ কেজি মুড়ি, লবণ, স্যালাইন, গ্যাস লাইট ও মোমবাতি প্রদান করা হয়। বিজিবির ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

রিফাত/

ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুর শহরের একটি ভবনের ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন কোয়েল চৌধুরী (৪৬) নামে এক ব্যক্তি। ফ্লাট থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর খবর কানাডিয়ান প্রবাসী একমাত্র বোন ও স্বজনদের জানালেও কেউ এগিয়ে আসেননি।

পরে তার মরদেহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শহরের আলীপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। 

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে অচেতন অবস্থায় ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকার চৌধুরী ভিলা নামক একটি ভবন থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে থানা পুলিশ। প্রথমে তাকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কোয়েল চৌধুরী ওই ভবনের মালিক ও ওই এলাকার বাসিন্দা মৃত হাশমত আলী চৌধুরীর ছেলে ছিলেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি ওই বাসায় মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বসবাস করে আসছিলেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের দিকে কোয়েল চৌধুরীর বাবা তিনতলা ওই ভবনটি ক্রয় করে বসবাস করে আসছিলেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র মেয়ে বর্তমানে কানাডিয়ান প্রবাসী। এছাড়া বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর থেকে কোয়েল চৌধুরী ও তার বড় ভাই বাবু চৌধুরী ওই ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন। এরমধ্যে কোয়েল চৌধুরী বিয়ে করলেও মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে যান তার স্ত্রী। তবে দুই ভাই ভবনটিতে থাকলেও প্রায় দেড় বছর আগে বড় ভাই বাবু চৌধুরী মারা যান। তখন থেকেই নিঃসঙ্গভাবে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন কোয়েল চৌধুরী। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, কোয়েল চৌধুরীর বাবা-মা দুজনেই সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। ছোট সময়ে তারা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই ভাইকে নিয়মিত ঘুমের ওষধ খাওয়াতেন। যার ফলে তারা আস্তে আস্তে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। 

এক প্রতিবেশী আশিকুর রহমান খান বলেন, ওই দুই ভাই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাদের দুই ভাইকে শহরের অনেকেই চিনতেন। তাদের মধ্যে খুব মিল ছিল। তারা যেখানেই যেতেন এক সঙ্গে হেটে আবার কখনও হাত ধরে রাস্তার একপাশ ধরে হেটে চলতেন। বড় ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে তাকে তাদের ভাড়াটিয়ারা খাবার দিতেন। 

তিনি বলেন, রবিবার সকালে প্রতিদিনের মতো ওই ভবনের এক ভাড়াটিয়া কোয়েল চৌধুরীকে খাবার দিতে যান, তখন ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে সাড়া না পাওয়ায় তারা প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা সেখানে গিয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে ঘরের দড়জা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় পায়। পরে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং সেখান থেকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

তিনি আরও বলেন, মারা যাওয়ার পর তার বোনকে জানানো হয়। তবে তার বোন মরদেহ দাফন দিয়ে দিতে বলেন। এমনকি তার কোনো স্বজনও তার দাফনে আসেনি। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে আলীপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে অচেতন অবস্থায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 

নয়ন/নাঈম 

ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ফোন করার অভিযোগ উঠেছে। ফোন করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ তালিকা চাওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেসেজ পাঠিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

মেসেজে বলা হয়, একটি নম্বর থেকে ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে বন্যাদুর্গতদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই নম্বরের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ যেন ওই নম্বরে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রদান না করে, সে সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং বিষয়টি অন্যদেরও জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আনোয়ারার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিন উদ্দীন খবরের কাগজকে বলেন, প্রতারক এখনও টাকা পয়সা চায়নি, তবে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমি বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানিয়েছি। তারা এই ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা করছে এবং সাধারণ ডায়রি (জিডি) করার প্রক্রিয়া চলছে। নম্বরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাইনি। ইউএনও মহোদয় বিষয়টি জানিয়েছেন। এ চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের কোনো অপরাধ ঘটলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিব।’

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি পরিচয় ব্যবহার করে কেউ তথ্য চাইলে, তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়া উচিত। সন্দেহজনক কোনো ফোনকল পেলে দ্রুত উপজেলা প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

আতিকুল হা-মীম/থিওটোনিয়াস/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার প্লাবিত নিম্নাঞ্চলের বর্তমান অবস্থা। ছবি: খবরের কগজ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন কালন্দি খালে পানি বেড়ে বন্দরের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। তবে স্বাভাবিক রয়েছে স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির সঙ্গে সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসার কারণে আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে থাকে। কয়েকটি ঘর-বাড়িতেও পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া বন্দরের কালন্দি খালের পানি বাড়ার ফলে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। তবে পানি এখনও বন্দরের মূল সড়কে না উঠায় যাত্রী পারাপার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে ঢলের পানি প্রবেশ অব্যাহত থাকলে স্থলবন্দর সংলগ্ন কয়েকটি গ্রামে বন্যা হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানান, এখনও পর্যন্ত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নদ-নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে ৷ তবে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/আজহার/