ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ বৃষ্টির সময় কেন দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না? বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর গল্প বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
আখাউড়া উপজেলার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা। ছবি: খবরের কাগজ
ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সেরা হয়েছে।
 
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে বিদ্যালয়টির ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন বৃত্তি পেয়েছে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে 
বিদ্যালয়টি উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
 
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন ট্যালেন্টপুল এবং ১২ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো-ফাহমিদা জান্নাত নওরিন, আফনান রহমান নিহা, রাকাত মনি, মো. রাইয়ান ইসলাম ও আসোয়াত ইসলাম তাফসির।
 
সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে জাকিয়া সুলতানা, রাইসা নূর, মারিয়াম নূর ইন্তু, শতাব্দী পাল, রিতু আক্তার, সামিরা আক্তার, সোনিয়া আক্তার, নাদিয়া আক্তার লিমু, অর্পিতা ঘোষ বৃষ্টি, মো. তাসকিন আহমেদ, ওমর ফারুক পরশ ও জারিফ ইসলাম।
 
এর আগে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ২০২২ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায়ও বিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। সে সময় ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নয়জন ট্যালেন্টপুল ও ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে বিদ্যালয়টি উপজেলা ও জেলা-উভয় পর্যায়েই প্রথম স্থান অর্জন করেছিল।
 
এ ছাড়া করোনা মহামারির আগে ২০১৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে। একই বছরে চারজন ট্যালেন্টপুল ও ছয়জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। তখনও বিদ্যালয়টি উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে।
 
করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আয়োজিত পরীক্ষায় আগের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখল।
 
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূল কৃতিত্ব শিক্ষার্থী ও তাদের সচেতন অভিভাবকদের। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণেই এ সাফল্য এসেছে। শিক্ষক হিসেবে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি। প্রতিদিনের পাঠদানের পাশাপাশি বিশেষ ক্লাস, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা, বাড়িতে পড়াশোনার নিয়মিত তদারকি এবং মাসে অন্তত একটি অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি মূল্যায়ন করেছি। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা পড়ার রুটিন তৈরি করে তা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত খোঁজ নিয়েছি।
 
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ধারাবাহিক সাফল্য শুধু বিদ্যালয়ের নয়, পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এমন অর্জন সম্ভব হয়েছে। অন্য বিদ্যালয়গুলোকেও এ সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
 
 জুটন বণিক/আজহার/

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

​উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৮ মিটার। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরে সন্ধ্যায় ৭টায় তা ৭ সে.মি উপরে প্রবাহ রেকর্ড করা হয়।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করলেও উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় নদীতে পানির চাপ বাড়ছে। এতে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা, ফসলি জমি ও কাঁচা রাস্তায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

​আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন এলাকার আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যারাজে পানি বাড়লে তো আমাদের এখানে পানি বাড়বে। রাতের মধ্যেই আমাদের এখানে পানি আসবে। সেই চিন্তায় রাতের ঘুম হারাম।’

 হাতীবান্ধা গড্ডিমারী এলাকার রহমত আলী বলেন, ‘বিকেল থেকে পানি বাড়তে শুরু করায় রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যেতে শুরু করেছে।’

তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অনেক অংশ টেকসই সংস্কার না করায় পানি বৃদ্ধি পেলেই ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ না নিয়ে বর্ষাকালে জরুরি ভিত্তিতে নামমাত্র মেরামতের কারণে কার্যকর সুরক্ষা মিলছে না।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বা বিদ্যমান পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, ‘টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে আমাদের টিম সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।’

বকুল/রিফাত/

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার একটি ফিশিং ট্রলারডুবে পাঁচ জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলারটিতে থাকা অপর সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।

নিখোঁজরা হলেন, কুতুবদিয়ার দক্ষিণ অমজাখালী এলাকার শামসুল আলমের ছেলে নাছির উদ্দীন (২০), পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের কাগ পাড়ার নাছির উদ্দীন (২১), আবুল কাশেমের ছেলে মো. করিম (২১), আব্দুল মাবুদের ছেলে আইয়ুব মনির (২০), কুতুবদিয়ার আলী আকবর ডেইল হায়দার পাড়ার কামাল (৪৮)।

স্থানীয়দের বরাতে কুতুবদিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক আহমেদ বলেন, স্থানীয় নুরুল আবছারের মালিকানাধীন একটি ট্রলার ১২ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে মাছ ধরতে সাগরে যায়। সোমবার ভোরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলারটি ডুবে যায়।

স্থানীয় মৎস্যজীবী নোমান উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার পর সাত জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জেনেছি। নিখোঁজ পাঁচ জেলের সন্ধানে স্থানীয় জেলেরা তল্লাশি চালাচ্ছেন।

পরিদর্শক ফারুক আহমেদ জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় পাঁচ জেলে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ট্রলারের মালিকের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

তারেকুর রহমান/রিফাত/

সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। প্রায় ৫ দিন পর বন্যার এই পানি কমতে শুরু করেছে, তবে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্যার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠছে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী এ বন্যায় সাতকানিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলাজুড়ে ভয়াবহ বন্যার ফলে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার সড়ক, কালভার্ট, স্লুইস গেট ও বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামোর পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে হাজারো পরিবার ঘরবাড়ি পরিষ্কারের পাশাপাশি জীবিকা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার উত্তর রামপুর, হাঙর মুখ, গাটিয়াডেঙ্গা ও সামিয়ার পাড়ায় প্রায় ১০০ মিটার সড়ক ভেঙে ডলু নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে ওই সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও নলুয়া-চৌধুরীহাট সড়কের একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। অপরদিকে সাঙ্গু নদীর বাজালিয়া ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং ওই অংশের বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, সড়ক ও মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছদাহা-দস্তিদারহাট সড়কের প্রায় ২০০ মিটার অংশ বিলীন হয়ে গেছে। একই সঙ্গে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র চোখে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, ৯৯৫ হেক্টর আউশ, ৭৪০ হেক্টর শাকসবজি, ৮ হেক্টর পান, ১৬ হেক্টর পেঁপে বাগান এবং ৮০ হেক্টর জমির অন্যান্য মিশ্র ফসল দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে। এতে ২০ হাজারের অধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বাজালিয়া ইউনিয়নের বুড়ির দোকান সংলগ্ন মাহালিয়া বিলের সবজি চাষি সিরাজ মিয়া বলেন, আমি প্রতিবছর বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের শাকসবজি চাষাবাদ করে থাকি। চলতি মৌসুমেও প্রায় দেড়শ শতক জমিতে করলা, লাউ, শসা, ঝিঙে, ঢেঁড়স ও বেগুনের আবাদ করেছি। কিন্তু বন্যার পানিতে কিছুই অবশিষ্ট রইল না, সব ফসল তলিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ১ হাজার ৮৯৯ হেক্টর জমির বিভিন্ন জাতের ফসল ও শাকসবজি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা বা প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ২৬টি সড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও ৪টি কালভার্ট ও একটি স্লুইস গেট ভেঙে গেছে। এর ফলে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সাতকানিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রামপুর এলাকার বাসিন্দা জিসানুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকার বায়তুশ শরফ অংশ দিয়ে ডলু নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় গোলারঘাট সড়কের বিশাল একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। এখনও ওই অংশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির স্রোতে নাছির মৌলভী নামে এক অটোরিকশা চালকের বাড়ি ভেঙে গেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা কর্মকর্তা সবুজ কুমার দে বলেন, বিভিন্ন এলাকায় এখনো বন্যার পানি নামেনি। যেসব এলাকায় পানি নেমে গেছে সেখানে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকার ৩ হাজার ৫৫০টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে ৫৭৫ হেক্টর পুকুর বা দিঘি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর বা দিঘির মধ্যে ৮০৬ মেট্রিক টন পিন ফিস ও ১০ লাখ পোনা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে অবকাঠামো, মাছ ও পোনাসহ আনুমানিক ৩৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কেঁওচিয়া ইউনিয়নের মৎস্য চাষি মো. মহসিন বলেন, আমার পুকুর ও প্রজেক্টের অধিকাংশ মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এ ছাড়াও একটি নৌকা ও বিপুল পরিমাণ মাছের খাবার প্রবল স্রোতে তলিয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি সহযোগিতা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যাবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তানবীর আহসান বলেন, এটি মূলত প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে পুনরায় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তখনই প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। এরপর ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সরকারি সহায়তার জন্য সুপারিশ করা হবে।

আরিফুল ইসলাম/নাঈম

নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা!

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা!
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এইচএসসির তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। ধার করা কর্মকর্তাদের দিয়েই পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। কোথাও আবার পরীক্ষা শুরুর পর মুঠোফোনে ডেকে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষার দিন এমন ঘটনা ঘটে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা এ ঘটনাকে প্রশাসনের উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।

এত বড় একটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে মুঠোফোনে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন না। ফলে ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষাঙ্গণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

উপজেলার অন্যতম নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসার ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। তিনি উপস্থিত না থাকায় সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। পরে তিনি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে যান।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনের সঙ্গে সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে ছিলাম। সোমবার (১৩ জুলাই) আমার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ থাকায় ছুটি নিয়েছি। কচাকাটা কেন্দ্রে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আমি জানি না। আজ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে কল করে সরকারি কলেজে আসতে বলেন। প্রথমে আমি না করেছি, কারণ সকাল ১১টায় আমার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরে এসেছি।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। গত পরীক্ষাতেও দায়িত্বে ছিলাম। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে আমি ছুটিতে এসেছি।’

নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আনোয়ার হোসেন মন্ডল বলেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন। ওনার পারিবারিক সমস্যা আমাকেও বলেছে। যিনি এসেছেন তাকে আমি বলেছি চিঠি এনেছেন কিনা। বলল চিঠি হয়নি, ততক্ষণে পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ করা।’

নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ট্রেনিংএ থাকায় দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম নিজে।

নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন বলেন, ‘এ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন দায়িত্বে ছিলেন। উনি ছুটি থাকায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আছেন।’

কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা ছুটি নিয়েছেন তার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ থাকার কারণে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই কেন্দ্রে মুঠোফোনে দায়িত্ব দেন কেদার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে। শুধু মুঠোফোনে এমন দায়িত্ব দেওয়া এত বড় পাবলিক পরীক্ষায় উদাসীনতা বলছেন অনেকে।

কেদার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমাকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফোন করে বলেছেন। তাই দায়িত্বপালন করছি। ইউএনও স্যার ওনাকে বলেছেন কিনা জানিনা। আমাকে বলেনি।’ 

কচাকাট ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানকার ট্যাগ অফিসার ছুটিতে আছেন। সে কারণে ফোনে এ দুজনকে ইউএনও স্যার পাঠিয়েছেন তারা এটাই বলেছে।‘’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এ উপজেলায় কেন্দ্র বেশি অফিসার নাই সে কারণে সহকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউএনও স্যার দায়িত্ব দেয়নি আমি দিয়েছি।’

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চিঠি দিয়েছি তারা যেতে বাধ্য। যদি কেউ না যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুঠোফোনে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠিয়ে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এটা করে থাকলে দায় দায়িত্ব তার।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্যাগ অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেন। তিনি ভালো বলতে পারবেন। উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মুঠোফোনে দায়িত্ব দিয়েছেন, তিনি পারেন কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ইউএনওর দায়িত্ব।’

এবারে জেলায় এইচএসসির ২৭টি কেন্দ্রে ১২ হাজার ২১০ জন, আলিম- ১০টি কেন্দ্রে এক হাজার ৮৯৮জন ও ভকেশনাল ট্রেডের ১৩টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৭২জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে যার মধ্যে নাগেশ্বরী উপজেলায় ৮টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৭৬ জন। 

সিরাজ/রিফাত/

ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর সদর উপজেলায় বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিন বন্ধু। এ সময় বজ্রপাতে সাব্বির মোল্লা (১৭) নামে একজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার(১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সাব্বির মোল্লা খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির সময় সাব্বির তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছের নিচে বসে ছিল। এ সময় হঠাৎ গাছের পাশে বজ্রপাত হলে তিনজনই ছিটকে পড়ে। এতে সাব্বির মোল্লা গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু অক্ষত রয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ মুন্সী জানান, খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে সাব্বির মোল্লা নামে এক কিশোর বজ্রপাতে নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 

এনকেবি নয়ন/রিফাত/