ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, রাঙামাটির ৬ উপজেলায় বন্যার শঙ্কা সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ সংসদের বিভিন্ন কক্ষে ছাদ দিয়ে পানি পড়ার অভিযোগ হুইপের তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবে কুতুবদিয়ার ৫ জেলে নিখোঁজ বৃষ্টির সময় কেন দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না? বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর গল্প বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অধরা স্বপ্ন পূরণের মিশনে কেইন

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
অধরা স্বপ্ন পূরণের মিশনে কেইন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ের দীর্ঘদিনের অধরা স্বপ্ন পূরণে ইংল্যান্ডকে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। তার বিশ্বাস, নিয়মিত সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ এবার ঘোচানোর সুযোগ এসেছে।

কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে অতিরিক্ত সময়ে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা।

২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং টানা দুটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ হওয়া ইংল্যান্ডের জন্য এটি গত তিন বিশ্বকাপের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল।

বর্তমান সময়কে ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম সফল অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে কেইন বলেন, ‘জাতীয় দলের জন্য এটি অত্যন্ত সফল একটি সময়। কিন্তু এবার আমরা শেষ বাধাটিও অতিক্রম করতে চাই। এটাই এখন আমাদের একমাত্র অধরা সাফল্য।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ধারাবাহিকভাবে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠছি। সামনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সপ্তাহ অপেক্ষা করছে। টুর্নামেন্টে আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা একসঙ্গে কঠোর পরিশ্রম করেছি। এখন শেষ ধাক্কাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

মায়ামির তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচে জয় পেতে ইংল্যান্ডকে ভরসা করতে হয়েছে জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত নৈপুণ্যের ওপর। তবে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট ছিলেন না কোচ টমাস টুখেল। অধিনায়ক কেইনও স্বীকার করেছেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে হলে আরও উন্নত ফুটবল খেলতে হবে।

তিনি বলেন, ‘কোচ আমাদের অনুশীলনে যে মানের ফুটবল দেখেন, সেটাই ম্যাচে দেখতে চান। তিনি জানেন কাজটি সহজ নয়, কারণ আমরা বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে খেলছি। তবুও তিনি আমাদের ভেতর থেকে সেরাটা বের করে আনার চেষ্টা করছেন। আমরাও জানি, আমাদের আরও ভালো খেলার সামর্থ্য আছে।’

পাপ্পু/এএফ

স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’?
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বের সফলতম দলগুলোর অন্যতম স্পেন জাতীয় ফুটবল দল ‘লা রোজা’ নামে পরিচিত। স্প্যানিশ ভাষায় ‘লা রোজা’র অর্থ ‘লাল’, যা দলের ঐতিহ্যবাহী লাল জার্সির পরিচায়ক।

এই নামের ইতিহাস শুরু ১৯২০ সালের অ্যান্টওয়ার্প অলিম্পিকে। ওই আসরে প্রথমবার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় স্পেন। লাল জার্সি ও সাদা প্যান্ট পরে মাঠে নেমে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ায় ইতালীয় সংবাদমাধ্যম দলটিকে ‘ফুরিয়া রোজা’ বা ‘লাল উন্মাদনা’ নামে আখ্যা দেয়।

তবে ১৯৩৬ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ এবং জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর শাসনামলে রাজনৈতিক কারণে ‘লাল’ রঙকে বামপন্থীদের প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। ফলে জাতীয় দলের জার্সির রঙ পরিবর্তন করে নীল করা হয়। প্রায় এক দশক পর, ১৯৪৭ সালে স্পেন আবারও ঐতিহ্যবাহী লাল জার্সিতে ফিরে আসে।

দীর্ঘদিন ‘ফুরিয়া রোজা’ নামটি ব্যবহৃত হলেও ২০০৪ সালে কোচ লুইস আরাগোনেস দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘লা রোজা’ নামটি বেশি গুরুত্ব পায়। তার লক্ষ্য ছিল আগ্রাসী ভাবমূর্তির পরিবর্তে জার্সির রঙ ও স্পেনের নিজস্ব ফুটবল দর্শনের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলা।

এরপর ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে স্পেনের সোনালি প্রজন্ম ইউরো ২০০৮, ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ইউরো ২০১২ জিতে বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। সেই সময় ‘লা রোজা’ নামটি বিশ্বজুড়ে আরও জনপ্রিয়তা লাভ করে।

পাপ্পু/রিফাত/

ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি ফ্রান্স জাতীয় দলকে সমর্থকরা ‘লে ব্লুজ’ নামে চেনেন। ফরাসি ভাষায় এর অর্থ ‘নীলরা’ বা ‘নীল জার্সিধারীরা’। ঐতিহ্যগতভাবে ঘরের মাঠের ম্যাচে নীল জার্সি পরে খেলার কারণেই দলটির এই পরিচিতি।

ফ্রান্সের নীল জার্সির ইতিহাস শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ১৯০৮ সালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রথমবার নীল জার্সি পরে মাঠে নামে দলটি। এই নীল রঙের অনুপ্রেরণা এসেছে ফরাসি জাতীয় পতাকা থেকে, যেখানে নীল, সাদা ও লাল-এই তিনটি রঙ দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।

সাধারণত ফ্রান্স দল নীল জার্সি, সাদা শর্টস ও লাল মোজা পরে মাঠে নামে, যা জাতীয় পতাকার তিন রঙেরই প্রতিফলন। ফরাসি ইতিহাসে নীল রঙ রাজপরিবারের ঐতিহ্য এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয়তাবাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

‘লে ব্লুজ’ নামটি শুধু ফুটবল দলের জন্য নয়; ফ্রান্সের রাগবি, বাস্কেটবল, হ্যান্ডবলসহ অন্যান্য জাতীয় দলকেও একই নামে ডাকা হয়। তবে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তার কারণে এই ডাকনামটি সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছে ফরাসি ফুটবল দলের মাধ্যমেই।

১৯৯৮ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়সহ ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসের অনেক গৌরবময় মুহূর্ত এই নীল জার্সির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই ‘লে ব্লুজ’ শুধু একটি ডাকনাম নয়, এটি ফ্রান্সের ঐতিহ্য, জাতীয় পরিচয় ও ফুটবল গৌরবের প্রতীক।

পাপ্পু/নাঈম

ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনালে আটলান্টায় মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। দুই দেশের রাজনৈতিক ও ফুটবলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস বিবেচনায় রেখে ম্যাচটিকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

প্রায় ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে দুই দলের সমর্থকদের আলাদা রাখার সুযোগ সীমিত হওয়ায় নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ফুটবল পুলিশিং ইউনিট ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সার্বক্ষণিক সমন্বয় চলছে।

কর্তৃপক্ষের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত দুই দেশের প্রবাসীদের কারণে গ্যালারিতে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উপস্থিতি প্রায় সমান হবে। যদিও অফিশিয়াল টিকিটধারীদের আসন আলাদা থাকবে, সাধারণ কোটার টিকিটধারীরা একই গ্যালারিতে বসতে পারবেন।

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ফকল্যান্ড যুদ্ধ এবং ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলকে ঘিরে উসকানিমূলক স্লোগান বা স্লেজিং থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। এরই মধ্যে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ফকল্যান্ড যুদ্ধ নিয়ে গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনাও নজরে এসেছে।

স্টেডিয়ামটি শহরের কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় ম্যাচ শুরুর আগে আশপাশের পানশালাগুলোতে দুই দলের সমর্থকদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সেসব এলাকাতেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের আশা, বাড়তি নিরাপত্তা ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই সেমিফাইনাল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।

পাপ্পু/নাঈম

মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না?
রেফারি মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর। ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে আর কোনো ম্যাচ পরিচালনা করবেন না ইংল্যান্ডের দুই শীর্ষ রেফারি মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা জায়গা করে নেওয়ায় ফিফার নিয়ম অনুযায়ী দুজনই ম্যাচ পরিচালনার দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন। ফলে সেমিফাইনালের পাশাপাশি ফাইনালেও দেখা যাবে না তাদের।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো রেফারি নিজের দেশের দলের ম্যাচ পরিচালনা করতে পারেন না। এ কারণেই ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য ম্যাচে অলিভার ও টেলর দায়িত্ব পাবেন না। পাশাপাশি ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনার দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস এবং ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ডস যুদ্ধের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আর্জেন্টিনার ম্যাচেও তাদের দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, রেফারি নিয়োগের ক্ষেত্রে ম্যাচের রাজনৈতিক ও মানসিক প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় নেয় ফিফা। ফকল্যান্ডস যুদ্ধের স্মৃতি এখনো দুই দেশের সম্পর্কের স্পর্শকাতর বিষয়। শেষ ষোলোয় জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের ‘মুচাচোস’ গান গাইতেও দেখা গেছে, যেখানে ফকল্যান্ডস প্রসঙ্গ রয়েছে।

অলিভার এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড গড়েছেন। এর আগে এই রেকর্ড ছিল হাওয়ার্ড ওয়েবের। তবে দেশের দল ও রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে এবার তার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও একই কারণে অ্যান্টনি টেলর আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ফাইনালের দায়িত্ব পাননি। তবে অন্য কোনো সম্ভাব্য ফাইনাল হলে তিনি বিবেচনায় থাকতেন।

ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠলে আর্জেন্টিনার রেফারি ফাকুন্দো তেলোও ম্যাচ পরিচালনার যোগ্যতা হারাবেন। এছাড়া অলিভার, টেলর ও তেলো-কেউই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের দায়িত্বেও থাকছেন না।

এদিকে স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যকার সেমিফাইনালের জন্য রেফারি হিসেবে ইভান বার্টনের নাম নিশ্চিত করেছে ফিফা।

পাপ্পু/নাঈম

বর্তমান পারফরমেন্স কে এগিয়ে ফ্রান্স না স্পেন?

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
বর্তমান পারফরমেন্স কে এগিয়ে ফ্রান্স না স্পেন?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও ফ্রান্স। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ছন্দে থাকা দুই দলের এই লড়াইকে অনেকেই দেখছেন ‘ফাইনালের আগে ফাইনাল’ হিসেবে। বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া আগেই বলেছেন, এই ম্যাচে জয়ী দলই বিশ্বকাপ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার হবে।

পরিসংখ্যান বলছে, বল দখল ও পাসিংয়ে এগিয়ে স্পেন। প্রথম ছয় ম্যাচে স্পেন দিয়েছে ৪ হাজার ৭৫টি পাস, ম্যাচপ্রতি গড় ৬৭৯.২টি। ফ্রান্সের গড় পাস ৫৬১.৫টি। পাস সফলতার হারেও সামান্য এগিয়ে স্পেন-৯১ শতাংশ, ফ্রান্সের ৯০ শতাংশ।

তবে আক্রমণে ফ্রান্সের ধার বেশি। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত দুই দলই ১১০টি করে শট নিয়েছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের ৪৭টি শট ছিল লক্ষ্যে, গোল হয়েছে ১৬টি। স্পেনের লক্ষ্যে থাকা শট ৪০টি, গোল ১১টি।

আক্রমণ কৌশলেও পার্থক্য রয়েছে দুই দলের। স্পেন প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৪.৩টি ক্রস করেছে, যেখানে ফ্রান্সের গড় ১৬.৫টি। শৃঙ্খলার দিক থেকে অবশ্য ফ্রান্স এগিয়ে। তারা করেছে ৫৯টি ফাউল, স্পেনের ফাউল ৬৮টি। হলুদ কার্ডেও ফ্রান্স এগিয়ে (৪টি), স্পেনের ৫টি।

দুই বছর আগে ইউরোর সেমিফাইনালেও দেখা হয়েছিল দুই দলের। সেই ম্যাচে স্পেন ২-১ গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে পরে শিরোপা জিতেছিল। এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন অধ্যায় লিখতে নামবে দুই দল।

পাপ্পু/এএফ