ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
অবশেষে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র কাতারে আটকে থাকা অর্থে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনবে ইরান এইচএসসির আগেই থেমে যাচ্ছে শিক্ষা সোনারগাঁয় ফুটপাত দখল করে পার্কিং করায় ১৪ জনকে কারাদণ্ড মুক্তির আগেই বাজিমাত চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থীর বিষয়ে আদালতের রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন আত্মিক প্রশান্তি লাভের দারুণ উপায় ৫৪ বছরে প্রথমবার জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে চীন সেভাবে কাজ করবে: রাষ্ট্রদূত ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০ দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা বর্তমান কোচিং স্টাফ থাকলে দলে ফিরবেন না পেপে গুয়ে! ঢাবিতে ২৭৭ প্রজাতির ১৭ হাজারের বেশি গাছ আছে বর্ষাকালের ভাইরাল জ্বর বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র ফিনিক্স সামিটে দেশের সেরা জাককানইবি সাইবার সিকিউরিটি ক্লাব এক বছরের সাজা এড়াতে ৯ বছর পলাতক আসামি বরিশালের সাবেক ডিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ঝাড়ু মিছিল ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সন্তানের সবচেয়ে বড় যা প্রয়োজন রোনালদোর চেয়েও ছোট! পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে কে এই রহস্যময় রেফারি? ব্যাংককে আকিজ সিমেন্টের বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে ডিউটিরত ইন্টার্ন নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর ওয়ার্ড বয়দের হামলা এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় বাগ্‌দান, পরে গ্রেপ্তার দম্পতি রপ্তানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে ঘাটাইল উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশুর মৃত্যু পেটের আলসারের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

মানসিক সমস্যায় চাই সচেতনতা ও সহমর্মিতা

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:০০ পিএম
আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:১২ পিএম
মানসিক সমস্যায় চাই সচেতনতা ও সহমর্মিতা

শিশুরা জাতির ভবিষ্যৎ। কিন্তু পড়াশোনার চাপ, প্রযুক্তি আসক্তি, পারিবারিক অশান্তি, বৈষম্য ও সহিংসতার কারণে অনেক শিশু মানসিক সমস্যায় ভুগছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি পাঁচজন শিশুর একজন মানসিক সমস্যার শিকার। বাংলাদেশেও এ হার প্রায় ১৬ শতাংশ। পারিবারিক কলহ, অভিভাবকের অনুপস্থিতি ও অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ শিশুদের নিরাপত্তাহীন করে তোলে। মোবাইল, ইন্টারনেট আসক্তি, সহপাঠীদের বুলিং, দরিদ্রতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জেনেটিক কারণও শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। উদ্বেগ, ভয়, অতি চঞ্চলতা, একাকিত্ব, ডিপ্রেশন, ফোবিয়া, ঘুম ও খাদ্যাভ্যাসের সমস্যা, এমনকি আত্মঘাতী প্রবণতাও দেখা দিতে পারে। এগুলো উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে জটিল মানসিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বাংলাদেশে প্রতি ১ লাখে সাইকিয়াট্রিস্ট মাত্র শূন্য দশমিক ১৬ জন। স্বাস্থ্য বাজেটের শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশেরও কম মানসিক স্বাস্থ্যে বরাদ্দ হয়। তাই পরিবারে ভালোবাসা ও শান্ত পরিবেশ, বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা নিয়োগ, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সচেতনতা ও বাজেট বৃদ্ধি জরুরি।

শিশুর মানসিক সমস্যায় হোমিওপ্যাথি একটি নিরাপদ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। ইগ্নেশিয়া, কফিয়া ক্রুডা, ক্যালকেরিয়া ফসফোরিকা, স্ট্রামোনিয়াম ইত্যাদি ওষুধ শিশুর স্বভাব অনুযায়ী প্রয়োগ করা হয়। তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য উপেক্ষা মানে গোটা জাতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলা। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে শিশুদের সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
লেখক
[email protected]

হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতির প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অতিমাত্রা পাওয়া গেছে। যা মানুষের জন্য এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি আমাদের এখন না ভাবিয়ে পাড়ে না। হালদার কার্পজাতীয় মাছে যেমন প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি মিলছে, সেই সঙ্গে বেলে সিলন ও অন্যান্য মাছে পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। তবে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে সিলন মাছে। হালদা নদীর সঙ্গে ১৯টি খাল দূষণের শিকার হয়ে তার বর্জ্য এসে পড়ছে এ নদীতে। সে বর্জ্যের সঙ্গেই প্লাস্টিক এসে নদীর পানিতে পড়ে তা ভেঙে ভেঙে তৈরি হচ্ছে মাছের খাবার উপযোগী কণা। নদীর মাছ তা খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে দেদার। তাতে তাদের পরিপাকতন্ত্র এবং মাছের মাংসে প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণার ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের কার্প জাতীয় এমন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন হালদা নদী এভাবেই দূষণের শিকার হয়ে উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী আক্রান্ত হয়ে অনেক সময় মরে ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির এমন নদীতে মনুষ্য দূষণের শিকার হবে আর রাষ্ট্র তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কাম্য হতে পারে না। প্রাকৃতির ফুসফুসখ্যাত এ নদী রক্ষায় শুধু রাষ্ট্র একা এগিয়ে এলেই রক্ষা করা সম্ভবপর হবে না। মানুষেরও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে হালদা রক্ষায়। তাদের সচেতনাবোধই হালদা রক্ষা পেতে পারে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

রাস্তার সংস্কার চাই

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
রাস্তার সংস্কার চাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন রাস্তাটি বর্তমানে বেহাল। এ রাস্তা দিয়ে এলাকার শতাধিক মানুষ হাসপাতালে, বাজারে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাস্তাটি ভেঙেচুরে গেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তাটির দুই পাশে ল্যাম্প লাইটের ব্যবহার থাকলেও তার অধিকাংশ লাইট আজ নষ্ট, ফলে এ রাস্তায় রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাটি এখন স্বস্তির পরিবর্তে এলাকাবাসীর জন্য ভোগান্তির কারণ। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, রাস্তাটি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

উম্মে সাদিয়া জাহান নিশা
শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশোনা, গবেষণা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ক্যাম্পাসের অধিকাংশ খাবারের দোকান ও ক্যান্টিনে ভাজাপোড়া, তেলযুক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের আধিক্য দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার যেমন-তাজা ফল, সবজি, কম তেলযুক্ত খাবার বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা সীমিত। এ ছাড়া অনেক সময় খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ততার কারণে সহজলভ্য খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান নিয়মিত তদারকি করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

হুমায়রা কবির হেমা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের কার্যক্রম। এনবিআর রিটার্ন দাখিলের সময়কালকে এবার চারটি ধাপে ভাগ করে দিয়েছে। সময়কাল-সংক্রান্ত সারণি দেখে যা বোঝা যায় তা সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি:

প্রথম ধাপে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন আয়কর আইনের ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা–এ দুটির মধ্যে যেটা কম হবে, সেই পরিমাণ টাকা কর প্রণোদনা বা ছাড় পাবেন। দ্রুত রিটার্ন সাবমিটের জন্য এ তিন মাসকে আমরা প্রণোদনাকালীন সময়সীমা বলতে পারি।

দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তারা বাড়তি কোনো প্রণোদনা পাবেন না, আবার তাদের অতিরিক্ত কোনো জরিমানারও দিতে হবে না। এই তিন মাসকে আমরা নিয়মিত বা স্বাভাবিক সময়সীমা বলতে পারি।

স্পষ্টভাবে বলা যায়, সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকায় যে কোনো মুহূর্তে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে পুরো করবর্ষজুড়ে। তবে আগেভাগে রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন করদাতা প্রণোদনা পাবে অন্যদিকে তেমনি নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না বলে প্রত্যাশা সবার।

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী, এনবিআর তালিকাভুক্ত 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন 
[email protected]

শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

১৯৫৮ সাল। তখন আমি প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণির এক ছোট্ট বালক। বয়স সবে সাত ছুঁই ছুঁই। চারদিকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তখন থমথমে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তার দলের রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। পরাধীনতার শৃঙ্খলে তখন পিষ্ট হচ্ছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

এমনই এক চরম দুঃসময়ে পিরোজপুরের রাজপথে নেমে এসেছিল ছাত্রদের ঢল। আইয়ুব সরকারের এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় ছাত্রনেতারা এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু সেদিনের সেই প্রতিবাদী মিছিলে সবাইকে অবাক করে দিয়ে আমাকে রাখা হয়েছিল একেবারে সম্মুখে, প্রথম কাতারে। কেন আমাকে একেবারে সামনে দেওয়া হয়েছিল? কারণ, তখন নাকি আমি দেখতে অসাধারণ সুদর্শন ছিলাম। কচি মুখের সেই নিষ্পাপ সৌন্দর্য আর চোখের দীপ্তি দেখে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মনে হয়েছিল–এই ছোট্ট শিশুই যেন নিপীড়িত মানুষের প্রতিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতীক!

আজ এত বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, সেদিন পিরোজপুরের রাজপথে শুধু একজন প্রথম শ্রেণির ছাত্র হাঁটেনি, হেঁটেছিল গণতন্ত্রের প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছোটবেলার সেই দিনটিই আমার ভেতরে বুনে দিয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রথম বীজ। সেই ছোট্ট বয়সে না বুঝেই স্বৈরাচারবিরোধী যে মিছিলে হেঁটেছিলাম, জীবনের প্রতিটি বাঁকে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হয়ে আছে। শৈশবের সেই মিছিল, সেই স্লোগান আর পিরোজপুরের ধুলোমাখা রাজপথ আজও আমার হৃদয়ে এক জ্বলন্ত ইতিহাস হয়ে জ্বলজ্বল করছে।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]