রমজানে উমরা পালন করলে হজের সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। এজন্য যাদের সুযোগ ও সামর্থ্য রয়েছে, সম্ভব হলে রমজানে উমরা করুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসে উমরা করা আমার সঙ্গে হজ আদায় করার সমতুল্য।’ (বুখারি, হাদিস: ১৮৬৩)
এ ছাড়া রমজানে উমরা পালনের সুবাদে তারাবির নামাজ আদায়সহ শেষ দশকে মক্কা-মদিনায় ইতিকাফ করার সুযোগ পাওয়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর তালাশ করতে বলেছেন। ইতিকাফের মাধ্যমে লাইলাতুল কদরের কল্যাণ ও বরকত সহজে লাভ হয়। বর্তমানে রমজানে ইতিকাফকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিষয়টিকে নিয়মকানুনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। ইতিকাফের নিয়তের আগে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারও সঙ্গে পরামর্শ করুন, অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং ইতিকাফের জরুরি মাসয়ালা জেনে নিন।
অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে নিয়মানুযায়ী বর্তমানে ইতিকাফের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। রেজিস্ট্রেশনের কোটা সীমিত থাকায় অনেকের পক্ষেই রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। রেজিস্টার্ড হলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায়। তবে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও ইতিকাফ করা যায়। কিছু অ্যাপসের মাধ্যমে ইতিকাফের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যায়। তন্মধ্যে অন্যতম হলো ‘ইতামারনা’ ও ‘তাওয়াক্কালনা’ অ্যাপ। এ ছাড়া বর্তমানে উদ্বোধন হওয়া নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে রমজানে ইতিকাফ পালনের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব হবে।