ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
১২ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১২ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই ১৪ ম্যাচ পর থামলেন গোলমেশিন হালান্ড বিশ্বকাপের নতুন সুপারস্টার, যার বয়স মাত্র ৩ বছর! সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা কেন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে আর্জেন্টিনা? ১০ মিনিটেই এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে? সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা বেলিংহাম ঝলকে নরওয়েকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড আবারও বেলিংহামের গোল, নরওয়ের বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে গড়াল ইংল্যান্ড-নরওয়ে ম্যাচ হালান্ডের কারণে বাতিল হলো নরওয়ের দ্বিতীয় গোল আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার আন্তোনিও রাট্টিন আর নেই বেলিংহামের গোলে সমতায় ফিরে বিরতিতে ইংল্যান্ড শেলদেরুপের গোলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে নরওয়ে সকালে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, খেলা মোবাইলে দেখবেন যেভাবে ৭ মিনিট ছিলেন মৃত, ফিরে এসে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েন সোলবাক্কেন মাঠে নামছে ইংল্যান্ড-নরওয়ে, একাদশে আছেন যারা বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফেরার পর তারকা ফুটবলারের মৃত্যু আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে পর্তুগিজ রেফারি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর কলম্বিয়ার ফুটবলারকে হত্যার হুমকি ফেসবুক অনেক ছোটখাটো রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী: বিটিআরসি চেয়ারম্যান যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা মানেনি, অভিযোগ আরাঘচির নেতানিয়াহুর ছেলে বদলে ফেললেন নিজের নাম টানা বর্ষণে আগামীকালও বন্ধ থাকবে চবির সব পরীক্ষা বন্যা-পাহাড়ধস স্থায়ীভাবে ঠেকানো সম্ভব নয়: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যার্তদের পাশে সরকার, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চলছে সর্বাত্মক সহায়তা ৬ রেকর্ডে শুরু জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার

বিশ্বকাপের নতুন সুপারস্টার, যার বয়স মাত্র ৩ বছর!

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ এএম
বিশ্বকাপের নতুন সুপারস্টার, যার বয়স মাত্র ৩ বছর!
ছোট ভাইয়ের সঙ্গে লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

চলমান বিশ্বকাপের অন্যতম এক পরিচিত এক মুখ হয়ে উঠেছেন কেইনে। স্পেন যতই টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাচ্ছে, ক্যামেরা ততই গ্যালারিতে থাকা এই ছোট্ট শিশুটিকে খুঁজে নিচ্ছে। তিন বছরের বাচ্চা পিট দুই হাত উঁচু করে ‘ভামোস’ বলে চিৎকার করছে এমন এক নির্ভার আনন্দ নিয়ে, যা কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অভিনয় করে দেখাতে পারে না। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে সে উদযাপন করেছে, বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় হাত নেড়েছে। আর এরই মধ্যে পুরো ইন্টারনেট দুনিয়া যেন তার প্রেমে পড়ে গেছে।

কেইনে, লামিনে ইয়ামালের তিন বছর বয়সী সৎভাই। যদিও ‘সৎ’ শব্দে আপনাকে বা যে কাউকে তেড়ে আসতে পারেন স্প্যানিশ তারকা। হয়তো আক্রমণ করতে দ্বিতীয়বার ভাববেন না। কেন? আসেন, জেনে নেওয়া যাক ভ্রাতৃপ্রেমের গল্প।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেইলা এবানার ঘরে জন্ম হয় কেইনের। শেইলা হলেন ইয়ামালের মা। দুই ভাইয়ের মা একই হলেও তাদের বাবা আলাদা। তাদের বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরেরও বেশি। ইয়ামাল যখন ছোট ছিলেন, তখনই তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়। তিনি মূলত মায়ের সঙ্গেই বড় হয়েছেন, আর তার বাবা মুনির নাসরাউই আলাদা থাকতেন। পরে দুজনই নতুন জীবন শুরু করেন। শেইলা এবানা পুনরায় বিয়ে করেন এবং এর পর কেইনের জন্ম হয়।

বয়সের এই বিশাল ব্যবধানের কারণে ইয়ামাল মূলত তার ছোট ভাইকে এমন এক পৃথিবীতে বড় হতে দেখছেন, যা তার নিজের শৈশবের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ নিয়ে তিনি একাধিকবার কথা বলেছেন, আর তার কথায় আবেগের ছাপ স্পষ্ট। ইয়ামাল বলেন, ‘আমি এমন একটি ফ্ল্যাটে বড় হয়েছি, যেখানে রান্নাঘর আর শোবার ঘর একই জায়গায় ছিল। আমি দেখি আমার মা সুখী। আমি দেখি আমার ছোট ভাই সেই শৈশবটা পাচ্ছে, যেটা আমি চাইতাম। আর এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়।’ এই কথাই ইয়ামালের সম্পর্কে এমন অনেক কিছু বলে দেয়।

শেষ ৩২-এর ম্যাচে স্পেন জয়ের পর ইয়ামাল ম্যাচসেরার পুরস্কার পান। ম্যাচ শেষে তার প্রথম কথাগুলো ছিল না কৌশল বা গোল নিয়ে। ছিল কেইনেকে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে এত খুশি দেখতে পেয়ে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে যাই। একই সঙ্গে আমার মা ও বন্ধুদেরও সেই জীবনযাপন করতে দেখছি, যার স্বপ্ন তারা সব সময় দেখেছেন।’ এর পর যখন তাকে সরাসরি তাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন এক মুহূর্তও দেরি করেননি ইয়ামাল, ‘আমার ছোট ভাই আমার কাছে সবকিছু। আমি ওকে ভীষণ ভালোবাসি। আমার মনে হয়, ও যেন আমার নিজের ছেলে।’

একজন ১৭ বছর বয়সী তরুণের মুখে একটি তিন বছরের শিশুকে নিয়ে এমন কথা, যেখানে ভালোবাসাটা অনেকটা বাবার মতো। যারা ইয়ামালকে দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করেন, তারা বলেন, শুরু থেকেই তাদের সম্পর্ক এমনই। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের সময় পুরো পরিবার তার সঙ্গে ছিল। সম্প্রতি পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত তরুণ ফুটবলারদের একজন হিসেবে চাপ কীভাবে সামলান– এমন প্রশ্নের জবাবেও তিনি নিজের বেড়ে ওঠার গল্পই তুলে ধরেন, ‘দেখুন, আমার মা আমাকে জন্ম দিয়েছিলেন যখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। আমার বাবাকেও জীবিকার জন্য বাইরে যেতে হতো। কখনো কখনো রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিসপত্র কুড়িয়ে এনে আমাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করতেন। আমার কাছে এটাই সত্যিকারের চাপ। আমি এখন যে চাপের মুখোমুখি হই, সেটা নয়।’

এর পর আর বুঝতে বাকি নেই, কতটা ফুটবলে বড় মুখ হয়ে ওঠার আগে কতটা অসহায় ছিলেন ইয়ামাল ও তার পরিবার। তারকা বনে এখন আলো ফিরেছে তাদের জীবনে। তাই ছোট্ট ভাইকে এমন শৈশব উপহার দিচ্ছেন ইয়ামাল, যা ছিল না তার। বিশ্বকাপে ক্যামেরা তাকে খুঁজে পাওয়ার অনেক আগেই ইয়ামালের জীবনের নিয়মিত অংশ হয়ে উঠেছিল কেইনে। সে প্রায় প্রতিটি বার্সেলোনা ম্যাচেই উপস্থিত থাকে। এমনকি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে হওয়া অ্যাওয়ে ম্যাচেও যায়।

ইয়ামাল যখন ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্যারিসে যান, তখনো কেইনে তার সঙ্গে ছিল। লাল গালিচায় চারদিকে ক্যামেরার ফ্ল্যাশের মধ্যেও সে বেশির ভাগ সময় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের একটি বল নিয়ে খেলছিল। ক্যাম্প ন্যুতেও সে নিজের মতো করেই ছোটখাটো এক তারকায় পরিণত হয়েছে। বার্সেলোনার মাসকট ক্যাটের সঙ্গে তার নাচের ভিডিও রয়েছে। লা লিগার একটি ম্যাচের পর নিকো উইলিয়ামসের সঙ্গে খেলাধুলার ভিডিও রয়েছে। বাড়িতে বসে বার্সেলোনার সংগীত গাওয়ার ভিডিওও রয়েছে।

গত মৌসুমে লা লিগা শিরোপা উদযাপনের সময় যেন পুরো মাঠটাই নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছিল কেইনে। নিজের জন্মদিনে নাচ, প্রিয় বার্সেলোনা খেলোয়াড়দের নাম ভুল উচ্চারণ করা, কিংবা ইয়ামালের বড়সড় জার্সি পরে টলমল করে হাঁটার ভিডিও– সব মিলিয়ে কোটি কোটি ভিউ পেয়েছে। ইয়ামাল তার সঙ্গে টিকটক নাচের ভিডিও পোস্ট করেছেন। বাড়ির বাগানে একসঙ্গে ফুটবল খেলার ভিডিও শেয়ার করেছেন। এমনকি নিজের অ্যাপার্টমেন্ট ঘুরে দেখানোর একটি ইউটিউব ভিডিওতেও কেইনেকে রেখেছেন।

দুজনের এক সঙ্গে করা কনটেন্টগুলো একেবারেই স্বাভাবিক ও সাজানো নয়। সম্ভবত এ কারণেই মানুষ এগুলোর সঙ্গে এত সহজে সংযোগ খুঁজে পায়। শেইলা এবানার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে, যার অনুসারী এখন ৭ লাখেরও বেশি, নিয়মিতই কেইনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। জানা গেছে, ছোট্ট এই শিশুকে নিয়ে সম্ভাব্য বাণিজ্যিক সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডও যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে তার পরিবারের কাছে এসবই যে মূল বিষয় নয়, সেটাও স্পষ্ট।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কেইনে বারবার দুই হাত উঁচু করে আনন্দে চিৎকার করছে। সেই ভিডিও হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই সেটি মিমে পরিণত হয়। স্পেনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। এমনকি জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। একটি পোস্টে এক্সে (সাবেক টুইটার) অভিযোগ করা হয়েছিল, ‘সামনের স্বর্ণকেশী নারীটি দৃশ্যটা ঢেকে দিচ্ছিলেন।’ এর জবাবে স্পেনের স্ট্রাইকার বোরহা ইগলেসিয়াস মন্তব্য করেন, ‘যে স্বর্ণকেশী নারীর কথা বলছেন, তিনি তো এই ম্যাচেই দুটি গোল করেছেন।’

পরে জানা যায়, তিনি ছিলেন ওইয়ারজাবালের মা। স্পেন দলের খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যরা সবাই স্টেডিয়ামের একই অংশে বসেন। বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও আরেকটি স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি হয়। সোফাই স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় কেইনেকে দেখা যায় ক্যামেরার দিকে হাত নাড়তে। এমন বিশাল পরিবেশেও সে ছিল একেবারে স্বাভাবিক, যেখানে অনেক প্রাপ্তবয়স্কও অস্বস্তিতে পড়ে যেতেন। তবে বিষয়টি শুধু এই নয় যে কেইনে দেখতে খুবই মিষ্টি, যদিও সে নিঃসন্দেহে তাই। আসল বিষয় হলো, সে কী প্রতিনিধিত্ব করে। যে বিশ্বকাপে ইয়ামালের পারফরম্যান্সই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে, সেই গল্পে গ্যালারিতে বসে ছোট ভাইয়ের নির্মল আনন্দ পুরো ঘটনাটিকে এক মানবিক ভিত্তি এনে দিয়েছে।

আর ইয়ামালের কাছেও কোনো ট্রফি, কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার কিংবা কোনো ভাইরাল মুহূর্তই এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ এই নিশ্চয়তা– তার ছোট ভাইটি ভালো আছে।

১৪ ম্যাচ পর থামলেন গোলমেশিন হালান্ড

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ এএম
১৪ ম্যাচ পর থামলেন গোলমেশিন হালান্ড
আর্লিং হালান্ড। ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরেছে নরওয়ে। এই ম্যাচে গোল পাননি দলের সেরা তারকা আর্লিং হালান্ড। আর তাতেই শেষ হলো তার টানা গোল করার দুর্দান্ত রেকর্ডটি।

শনিবারের (১১ জুলাই) ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের লড়াই শেষে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে থ্রি-লায়ন্সরা।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ নরওয়েকে এগিয়ে দিলেও জোড়া গোলে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন জুড বেলিংহাম।

২০২৪ সালের অক্টোবরে উয়েফা নেশনস লিগ ‘বি’-তে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকে নরওয়ের প্রতিটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই গোল করেছিলেন হালান্ড। টানা ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করার সেই রেকর্ড অবশেষে থামল, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেয়ে।

তবে অভিষেক বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন হালান্ড। ৭ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে বর্তমানে তৃতীয় স্থানে আছেন তিনি।

২০১৯ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত নরওয়ের জার্সিতে ৫৫ ম্যাচে ৬২ গোল করেছেন এই তারকা স্ট্রাইকার।

এসজি/

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ এএম
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা
গোলের পর উদ্‌যাপনে আর্জেন্টিনা দল। ছবি: সংগৃহীত

অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ১-০ ব্যবধানে লিড নিয়েই বিরতিতে গেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়।

ম্যাচের শুরুতে বলের দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল সুইজারল্যান্ড। তবে আক্রমণ উঠেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে দুর্দান্ত হেডে জাল খুঁজে নেন ম্যাক অ্যালিস্টার। সেখানে সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের কিছুই করার ছিল না। তাতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দল।

গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ২০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন জিব্রিল সো। তবে কোনো ঝামেলা ছাড়াই সেটি তালুবন্দি করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

তবে ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পায় সুইসরা। ব্রিল এমবোলো বল নিয়ে বক্সের দিকে এগিয়ে গেলে তাকে থামাতে গিয়ে কিছুটা জায়গা ছেড়ে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। বিপদ বুঝে দ্রুত গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বক্সের মধ্যে স্লাইড করে এমবোলোর আক্রমণ ভেস্তে দেন তিনি। তাতে বিপদমুক্ত হয় আর্জেন্টিনা। 

প্রথমার্ধের শেষ দিকে বক্সের ঠিক বাইরে বাঁ দিক থেকে একটি ফ্রি-কিক পায় সুইজারল্যান্ড। তবে রেমো ফ্রয়লার বলটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়। ফলে সমতায় ফেরার আরেকটি সুযোগও হাতছাড়া করে সুইসরা।

এরপর আর কোনো দলই উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

এসজি/ 

কেন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে আর্জেন্টিনা?

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৬ এএম
আপডেট: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ এএম
কেন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে আর্জেন্টিনা?
ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামতে দেখা গেছে। মূলত দেশটির সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাট্টিনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন লিওনেল মেসিরা। 

শনিবার (১১ জুলাই) ৮৯ বছর বয়সে মারা যান রাট্টিন। তিনি ১৯৫৬ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত বোকা জুনিয়র্সের হয়ে ৩৮২ ম্যাচ খেলেছেন। এই সময়ে তিনি ২৮টি গোল করেন এবং দলকে চারটি লিগ শিরোপা জেতাতে ভূমিকা রাখেন। এছাড়া ১৯৬৩ সালে বোকা জুনিয়র্সকে কোপা লিবার্তাদোরেসের ফাইনালেও তুলেছিলেন তিনি।

১৯৫৯ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলেন রাট্টিন। তিনি ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।

এদিকে ম্যাচ শুরুর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলার জেডেন অ্যাডামসের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। চলতি বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফেরার কয়েকদিনের মধ্যেই মারা যান এই মিডফিল্ডার।

এসজি/

১০ মিনিটেই এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৮ এএম
১০ মিনিটেই এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা
গোলের পর উদ্‌যাপনে আর্জেন্টিনা দল। ছবি: সংগৃহীত

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে গোল পেতে মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগল আর্জেন্টিনার। লিওনেল মেসির কর্নার কিক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন ম্যাক অ্যালিস্টার। 

রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচটি।

ম্যাচের শুরুতে বল দখলে সুইজারল্যান্ড আধিপত্য দেখালেও আক্রমণে উঠেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির কর্নার কিক থেকে ভেসে আসা বল হেডে জালে জড়ান ম্যাক অ্যালিস্টার। তাতে শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। 

এসজি/ 

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে?

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৩ এএম
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে?
ম্যাচ শেষে উদ্‌যাপনে ইংল্যান্ড দল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। সেমিতে প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড ম্যাচের বিজয়ী দলকে পাবে থ্রি-লায়ন্সরা। 

শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচ নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়ে জুড বেলিংহামের গোলে ২-১ গোলে জয় পায় ইংল্যান্ড। থ্রি-লায়ন্সদের অন্যটি গোলটিও করেন বেলিংহাম। 

অন্যদিকে নরওয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। তার গোলেই প্রথমে এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে লিড ধরে রাখতে না পারা ও গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে।

এসজি/