বোলারদের তৈরি করে দেওয়া মঞ্চে এবার আর পথ হারাননি ব্যাটাররা। উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। ফলে সহজ জয়ই আলিঙ্গন করেছে বাংলাদেশ।
হারারেতে শনিবার (১১ জুলাই) তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল সফরকারীরা।
সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডে জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছিল জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ এই ম্যাচ জেতায় সিরিজ হারের ব্যবধান ২-১ হলো।
২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ ও সৌম্য উদ্বোধনী জুটিতেই ১৫১ রান যোগ করেন। ২৮তম ওভারে সৌম্য ফিরলে এই জুটি ভাঙে। ৮২ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৬৯ রান করেন সৌম্য।
তানজিদ সেঞ্চুরির সুবাস পাচ্ছিলেন। কিন্তু ৩৫তম ওভারে ব্যক্তিগত ৯৪ রানে কাটা পড়েন তিনি। তার ১০১ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৩ ছক্কা। এরপর তাওহিদ হৃদয় শূন্য রানে ফিরলেও অপরাজিত ১৮ রানের ইনিংসে দলের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক শান্ত। আরেক প্রান্তে নুরুল হাসান হোসান ৩ বলে শূন্য রানে অপরাজিত থেকে যান। বাংলাদেশ ম্যাচ শেষ করেছে ৮৪ বল হাতে রেখে।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ২৫ ও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৩ রানের জয় তুলে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সফরের শুরুতে একমাত্র টেস্টেও বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ওয়ানডে দিয়ে সফরে অতঃপর হারের বৃত্ত ভাঙল টাইগাররা।
এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে ওয়েসলি মাধেভেরে ও ব্র্যাড ইভান্সের ফিফটিতে দুইশ ছুঁই ছুঁই পুঁজি গড়েছে দলটি।
মাধেভেরে ৭৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৭৫ রান করেন। আগের ম্যাচেই ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি পাওয়া ইভান্স এদিনও পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেলেছেন। ৪৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫০ রান করেন তিনি। এরপরও অবশ্য ১১ বল বাকি থাকতে ১৯৯ রানের অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার শরিফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান খরচায় একটি মেডেনসহ ৪ উইকেট নেন এই বাঁহাতি পেসার। ২টি করে শিকার ধরেছেন তাসকিন আহমেদ ও তানভির ইসলাম। ১ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
দারুণ ব্যাটিংয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন তানজিদ। ব্যাট হাতে ১১১ রান ও বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডার ব্যাড ইভান্স।
রবিন/রিফাত/