ম্যাচের শুরু থেকে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারছিল না ইংল্যান্ড। অন্যদিকে, সুযোগ পেয়েই গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে নেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। তার দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।
শনিবার (১১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হয়।
শুরু থেকে বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে আক্রমণে উঠার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ সুযোগও তৈরি হয় তাদের সামনে। তবে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের ক্রসটি হেডে ঠিকঠাক সংযোগ করতে পারেননি জুড বেলিংহাম।
হাইড্রেশন বিরতির আগে আরও একটি সুযোগ হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের। বিরতি থেকে ফিরে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউলের শিকার হন বেলিংহাম। তবে ফ্রি-কিক থেকে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইনের নেওয়া শটটি ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে বক্সের ভেতর জন স্টোনসের ভুল পাস প্রায়ই পেয়েই যাচ্ছিলেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। কিন্তু ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড দ্রুত এগিয়ে এসে বলটি তালুবন্দি করে ইংল্যান্ডকে বিপদমুক্ত করেন।
এরপর হালান্ডের হেড ঠেকিয়ে দেন পিকফোর্ড। কিন্তু ৩৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে নরওয়েকে এগিয়ে নেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। বক্সের বাঁ দিক থেকে তার বাঁ পায়ের শটটি ক্রসবারে লেগে জালে জড়ায়। তাতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে।
এদিকে আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় হ্যারি কেইন মাটিতে পড়ে গিয়ে ফাউলের দাবি জানান। তবে রেফারি কোনো ফাউল দেখেননি এবং খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
এসজি/