ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে দিনদুপুরে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে  হামলা-লুটপাট,২ কোটি টাকা দাবি সংবিধান সংশোধনে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট শ্রাবণে কী হবে কড়াইল বস্তিবাসীর! ইরানের টার্গেটে ট্রাম্পসহ যেসব বিশ্বনেতা গাইবান্ধার আলোচিত হরিদাস চন্দ্র অর্থ পাচার মামলায় রিমান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় জাককানইবির শিক্ষার্থী নিহত ফরাসি স্বপ্নের কাণ্ডারি এমবাপ্পে যশোর শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধ ভাসমান ছেঁড়া স্যান্ডেলে ইঁদুরের আশ্রয়: যেন বন্যার্ত মানুষের প্রতিচ্ছবি ১৪ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনায় ডুবছে গাজীপুর ফরাসি সৌরভ, না স্প্যানিশ সৌন্দর্য ১৪ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল পে-স্কেল বাস্তবায়নে সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তামাটে পাতার মাঝে আগুনের শিখা রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ ইয়ামালের আলোয় স্পেনের স্বপ্ন ‘স্পাইডার’ আলভারেজ: ফুটবলের জন্যই যার জন্ম বিশ্বকাপ কি এবার সত্যিই ‘বিশ্বের’ হবে? প্রথম সেমিতে ইতিহাসের বাঁশি ‘দাবি না মানলে বিশ্বকাপে যেতেন না কোচ’, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফেডারেশনের ইতিহাস গড়া নরওয়ের বীরদের বরণে রাস্তায় লাখো মানুষ ‘শুধু এমবাপ্পেকে নয়, পুরো ফ্রান্সকেই থামাতে হবে’ মেসির মুখোমুখি হওয়ার আগে যা বললেন নিকো ও’রেইলি ‘স্পেনকে ভয় নয়, সম্মান’ মেসিকে ঘুম পাড়িয়ে দেবে ইংল্যান্ড! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ‘লাকি’ জার্সি পরে খেলবে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ২ মাস পর রেফারির মৃত্যু ১৩ বছর পর আবারও ক্রোয়েশিয়ার কোচ স্লাভেন বিলিচ

৯ ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পেল এমজিআই

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:২১ পিএম
৯ ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পেল এমজিআই
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

চলতি বছর ৯টি ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র‌্যান্ড অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)।

গত ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ ছাড়া ১৫টি ব্র্যান্ডকে প্রদান করা হয় ‘ওভারঅল টপ ১৫ মোস্ট লাভড ব্র্যান্ডস অব বাংলাদেশ সম্মাননা।

রিসার্চ এজেন্সি এনসার্চ লিমিটেডের অংশীদারত্বে এবং দ্য ডেইলি স্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ এ মোট ৬০টি সম্মাননা দেওয়া হয়।

বছরের সেরা ব্র্যান্ড বাছাই করতে এনসার্চ লিমিটেড একটি জরিপ পরিচালনা করে। জরিপটি বাংলাদেশের আটটি বিভাগের শহর ও গ্রামীণ উভয় অঞ্চলে পরিচালিত হয়েছিল।

সমান শতাংশের নারী ও পুরুষ নিয়ে মোট ১১ হাজার ২০০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

ফ্রেশ মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই) এর একটি ব্র্যান্ড এবং বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড। ভোক্তাদের আস্থা অর্জনের জন্য বছরের পর বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে এই ব্র্যান্ডটি।

ফ্রেশ আটা-ময়দা-সুজি, ফ্রেশ রিফাইন্ড সুগার এবং সুপার ফ্রেশ ড্রিংকিং ওয়াটার তাদের নিজ নিজ ক্যাটাগরিতে ১ম স্থান অধিকার করেছে।

সুপার ফ্রেশ সয়াবিন তেল, ফ্রেশ ফুলক্রীম মিল্ক পাউডার, ফ্রেশ প্রিমিয়াম সল্ট, ফ্রেশ টিস্যু তাদের ক্যাটাগরিতে ২য় সর্বাধিক প্রিয় ব্র্যান্ড হয়ে উঠেছে।

এ ছাড়াও ফ্রেশ মসলা সংশ্লিষ্ট মশলা ক্যাটাগরিতে ৩য় স্থান অর্জন করেছে।

এমজিআই তার ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা রাখার জন্য পরিবেশক, ভোক্তা, চ্যানেল, অংশীদার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তি/নাবিল/

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ পিএম
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর ড. মাইক মিলার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর হিসেবে সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন ড. মাইক মিলার। আন্তর্জাতিক শিক্ষার জগতে তিনি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তার এই নেতৃত্ব স্কুলটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং এর ভবিষ্যৎ পথচলায় নতুন উদ্যম ও আধুনিক চিন্তাভাবনা যোগ করবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিসহ একাডেমিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে ড. মাইক মিলারের। তিনি বিশ্বের সাতটি ভিন্ন দেশের বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থায় কাজ করেছেন। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে একটি
বাস্তবসম্মত ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে। আইএসডি-তে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে তা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গণে ড. মিলার একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।

তিনি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন স্কুলের উন্নয়নে অগ্রগতি রাখার পাশাপাশি ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েট’ কমিউনিটিতে ইভ্যালুয়েশন লিডার, প্রোগ্রাম ইভ্যালুয়েটর, ওয়ার্কশপ লিডার এবং উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে ড. মাইক মিলার বলেন, “ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকাতে যোগ দিতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। মানসম্মত আন্তর্জাতিক শিক্ষার জন্য স্কুলটির দারুণ সুনাম রয়েছে। আইএসডি’র শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়ে আমি অত্যন্ত আশাবাদী। সবার সঙ্গে মিলে স্কুলের সাফল্যকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের সচেতন বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।” পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার্থীদের সাফল্য নিশ্চিত করতে উচ্চমানের ‘ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েট’ (আইবি) শিক্ষা নিশ্চিত করতে আইএসডি সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তি/

সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ
সিস্টেম গ্রুপ চেয়ারম্যান ফজলুল আজিম সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা দেন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াল সিস্টেম গ্রুপ। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১১ জন গ্রুপ লিডারের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেছে সিস্টেম গ্রুপ।

সোমবার (১৩) জুলাই গ্রুপটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, ডা:আবুল কাশেম ফাউন্ডেশন-এর প্রধান উপদেষ্টা আবু জাফর কাদেরী, সিস্টেম গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিছবাহ উদদীন কাদেরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, বি এন পি নেতা সৈয়দ নুর ও জাফর মেম্বার।

এ সময় মোহাম্মদ ফজলুল আজিম বলেন, গত আট দিনের টানা অতি বৃষ্টির কারণে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন। অনেকে ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকের ঘরে খাবার নাই। পানিবন্দি হাজার হাজার মানুষ, অনেকে হারিয়েছেন সহায় সম্বল। এমতাবস্থায় সিস্টেম গ্রুপ সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তিনি এ মুহূর্তে দল মতের ঊর্ধ্বে থেকে আর্ত মানবতার সেবায় সবার পাশে দাঁড়ানোর জন্য সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, সাতকানিয়া লোহাগাড়ার মাননীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাতকানিয়া লোহাগাড়ার মানুষকে সুখে শান্তিতে রাখার। সাতকানিয়া এবং লোহাগাড়ায় মাস্টার প্ল্যান করে আগামীতে যেন আর মানুষকে বন্যার পানিতে ডুবতে না হয় সে ব্যবস্থা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

নাঈম/

১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

অত্যাধুনিক চিকিৎসা ও নিখুঁত রোগনির্ণয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ১৫টি হাসপাতালকে হেমাটোলজি মেশিন অনুদান দিয়েছে, শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড'। এই মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করা যাবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁও সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি) তথা কেন্দ্রীয় ঔষুধাগার কার্যালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এ অনুদান প্রদান করা হয়।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৫টি অত্যাধুনিক 'মিস্পা এইচএক্স৫৮' অটোমেটিক ৫-পার্ট হেমাটোলজি অ্যানালাইজার উইথ অটোলোডার মেশিন সরকারের কাছে হস্তান্তর করে প্রতিষ্ঠানটি।

এ সময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয় উল্লেখ করে বলেন, ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যখাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। খুব দ্রুত আমরা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। যাতে করে আমরা স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করতে পারি। এবারের বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ করা হবে। স্বাস্থ্যখাতে টাকা আসবে আর চলে যাবে- তা হবে না। টাকার সঠিক ব্যবহার জানতে হবে এবং যন্ত্রপাতি কিনতে হবে।

তিনি বলেন, একদিনও আমরা সময় নষ্ট করতে চাই না। প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদেরকে জবাবদিহি করতে হয়। কাজেই আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

মেডিকেল সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর তৌহিদ বলেন, সঠিক রোগনির্ণয় উন্নত চিকিৎসার পূর্বশর্ত। বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আমরা সরকারের অংশীদার হিসেবে কাজ করতে পেরে গর্বিত। 'মিম্পা এইচএক্স৫৮' একটি বিশ্বমানের স্বয়ংক্রিয় হেমাটোলজি অ্যানালাইজার, যা অত্যন্ত দ্রুত ও নিখুঁতভাবে রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারে।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আধুনিক রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, দ্রুত ও নির্ভুল সিভিসি পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে এই অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, হেমাটোলজি মেশিনে সরকারি হাসপাতালে দ্রুত ও নির্ভুল রক্ত পরীক্ষা সম্ভব হবে। রোগ নির্ণয়ের মান ও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত আরও উন্নত হবে। রোগীদের সেবার অপেক্ষার সময় কমবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা পাবেন। প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

বক্তারা আরও জানান, তৃতীয় প্রজন্মের এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কম সময়ে—অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৮০টি টেস্টের মাধ্যমে রক্তের নিখুঁত রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি, সিএমএসডির পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. শফিউর রহমান, ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মমিত ফয়সাল, সিএমএসডির উপ-পরিচালকসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।

জয়ন্ত সাহা/নাঈম

কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা
লায়লা ফারজানা

কোকা-কোলা বাংলাদেশ ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক (ডিরেক্টর–ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং) হিসেবে যোগ দিয়েছেন লায়লা ফারজানা।

লায়লা ফারজানার বিপণন, মিডিয়া, ডিজিটাল রূপান্তর, ট্রেড মার্কেটিং এবং ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্টে ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। 

কোকা-কোলা বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং, মিডিয়া অ্যান্ড ডি-কমার্স (ডিএমসি) বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিজিটাল মার্কেটিং, মিডিয়া এবং ডি-কমার্স কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি মিডিয়া বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।

ইউনিলিভারে আট বছরের কর্মজীবনে তিনি ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্ট, কাস্টমার মার্কেটিং এবং মিডিয়াসহ বিভিন্ন নেতৃত্বের ভূমিকায় কাজ করেছেন। 

তার আগে তিনি গ্রামীণফোন, বাংলালিংক এবং সুইসকন্ট্যাক্ট-ক্যাটালিস্টে বিপণন ও ট্রেড-সংক্রান্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যনির্ভর বিপণন কৌশল, ভোক্তাকেন্দ্রিক পরিকল্পনা এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্র্যান্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তিনি কাজ করেছেন।

নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে লায়লা ফারজানা বলেন, ‘কোকা-কোলা বাংলাদেশ-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ডগুলোর প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য অর্থবহ অভিজ্ঞতা তৈরিতে কাজ করতে চাই। একই সঙ্গে আমাদের টিম, বোতলজাতকরণ অংশীদার, গ্রাহক ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজারে প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।’

কোকা-কোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘কোকা-কোলা বাংলাদেশ-এ লায়লা ফারজানাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিপণন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে তার বহুমুখী অভিজ্ঞতা আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন দায়িত্বে তার সফলতা কামনা করি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে স্নাতক লায়লা ফারজানার কাস্টমার মার্কেটিং ও ভোক্তাকেন্দ্রিক কৌশল প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির (টিসিসিসি) পরোক্ষভাবে শতভাগ মালিকানাধীন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। অনুমোদিত বোতলজাতকরণ অংশীদার কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজ লিমিটেড (সিসিবিবিএল) এবং আব্দুল মোনেম লিমিটেডের (এএমএল) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬২ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে কোকা-কোলা, কোকা-কোলা জিরো সুগার, ডায়েট কোক, স্প্রাইট, স্প্রাইট মিন্ট, স্প্রাইট জিরো সুগার, ফ্যান্টা, ফ্যান্টা অ্যাপল, কিনলে ওয়াটার এবং কিনলে সোডাসহ বিভিন্ন নন-অ্যালকোহলিক পানীয় বাজারজাত করছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কোকা-কোলা উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগে বিনিয়োগ করে আসছে। একটি সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে কোকা-কোলা সিস্টেম প্রায় ২২ হাজার ১০০ জনের কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে, যার মধ্যে ৮০০টি প্রত্যক্ষ এবং ২১ হাজার ৩০০টি পরোক্ষ কর্মসংস্থান।

বিজ্ঞপ্তি/

মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্র্যাক-লেগো ফাউন্ডেশনের ‘স্প্ল্যাশ’ উদ্যোগ
ছবি: সংগৃহীত

মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং খেলাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুদের শিক্ষা, মানসিক সুস্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিকাশ নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই এ সব খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। ফলে নানা সংকটের মধ্যেও শিশুরা শিখতে পারবে এবং নিজেদের সম্ভাবনাগুলোকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ব্র্যাক আয়োজিত সাসটেইনিং প্লে, লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ইন হিউম্যানিটারিয়ান কনটেক্সটসের (স্প্ল্যাশ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ সব কথা বলেন।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক (সচিব) ডক্টর মোহাম্মদ জকরিয়া এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এ অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। এ ছাড়া লেগো ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক আলামি অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্বে ৪৭ কোটি ৩০ লাখের বেশি শিশু সংঘাত ও মানবিক সংকটপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং তাদের মধ্যে ৫ কোটি ২০ লাখের বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। তাদের শিক্ষা, সুরক্ষা এবং মানসিক ও সামাজিক সহায়তার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের পাঁচ বছর মেয়াদি ৫ কোটি মার্কিন ডলারের এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও উগান্ডায় মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত চার লাখ শিশু ও কিশোর-কিশোরীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। ফলে শিশুদের লালন-পালন ও বিকাশে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশে এ অংশীদারত্বের প্রথম ধাপ স্প্ল্যাশ জুন ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। এতে জন্মের পর থেকে ১৮ বছর বয়সিদের বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।

এ সহায়তার মধ্যে রয়েছে শিশুদের চাহিদা বুঝে যত্ন নেওয়া, আশ্রয়শিবিরে ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে খেলাভিত্তিক প্রারম্ভিক শিক্ষা, শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষায় অংশগ্রহণে সহায়তা এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য অব্যাহত শিক্ষা, জীবনদক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পরামর্শ বা মেন্টরশিপের সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা ও সার্বিক বিকাশে অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা হবে।

এ ছাড়া ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান দীপা শংকর, বিআইইডির কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা সাজিয়া জামান, শিক্ষা কর্মসূচির কর্মসূচি প্রধান মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচির লিড মেহেদী হাসান, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, মানবিক সংকট ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির কর্মসূচি সমন্বয়ক ডা. এস. এম. হাসানুজ্জামান প্রমুখ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন। ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এডুকেশন (গ্লোবাল) কর্মসূচির প্রধান ডা. রাফিয়াত রশীদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এ ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন অংশীজনের প্রতিনিধিরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তি/