চট্টগ্রাম বন্দরে চীন ও পাকিস্তান থেকে এসেছে দুটি পেঁয়াজের চালান। এসব চালানে ২২৬ মেট্রিকটন পেঁয়াজ রয়েছে।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম খবরের কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরে দুটি জাহাজে করে এখন পর্যন্ত ২২৬ মেট্রিকটন পেঁয়াজ এসেছে। এরমধ্যে রবিবার (১০ ডিসেম্বর) চীন থেকে এসেছে ১৬৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ। পাশাপাশি সোমবার (১১ ডিসেম্বর) এসেছে ৫৮ মেট্রিকটন পেঁয়াজ। এর আগে গত ১ নভেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাকিস্তান থেকে ১১৬ মেট্রিকটন ও চায়না থেকে ৮০১ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, গতকাল এবং আজ মিলে মোট ২২৬ মেট্রিকটন পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এসব পেঁয়াজ খালাসের জন্য আমাদের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আমরা যাচাই-বাছাই শেষে পণ্য খালাসের ব্যবস্থা করেছি। আরো কিছু পেঁয়াজের চালান আসবে। তবে পরিমাণটা এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না।
এদিকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ আমদানিকারক ফারুক আহমেদ খবরের কাগজকে বলেন, আমরা তো পেঁয়াজ অর্ডার দিয়েছি। কিন্তু আমদানি অনুমতি (আইপি) পাচ্ছি না। সবশেষ নভেম্বরের ২৬ তারিখ আইপি ইস্যু করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আমরা ঢাকায় কথা বলেছি। আইপি পেলে তখন এলসি করব।
অপরদিকে টেন্ডার পাস হলে স্থলবন্দর দিয়ে পুরনো এলসির প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টন পেঁয়াজ টন পেঁয়াজ আজ রাত বা আগামীকাল দেশে প্রবেশ করবে বলে জানা গেছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোবারক হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, এখন পর্যন্ত কোন পণ্য বর্ডার দিয়ে আসেনি। আমাদের পুরনো এলসির পণ্যগুলো আজ বা কালকের মধ্যে ঢুকতে পারে।