চট্টগ্রামে মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক গাউছুল আযম হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারীর ১১৮তম উরস উপলক্ষে ২৫০ ফুট মিনার উদ্বোধন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ মোহাম্মদ মনজুর আলমের উদ্যোগে মিনারটি নির্মাণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফলক উন্মোচন ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সুউচ্চ এ মিনার উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।
তিনি বলেন, ‘সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবক। তিনি তার বাবা-মা ও তার ছেলেরা, তাদের বাবা-মায়ের নামে ফাউন্ডেশন করে ১০৩টি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের অলি-আউলিয়াদের প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান ও ভক্তির নিদর্শনস্বরূপ এই আজিমনগরে একই আঙিনায় মসজিদ, মিনার, মাদরাসা, শাহী ডেক, দাতব্য চিকিৎসালয়, বিশ্রামখানা, সড়কবাতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। মানবসেবা, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার ক্ষেত্রে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব।’
গাউছিয়া আহমদীয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীল আওলাদে শাহ সুফি সৈয়দ সহিদুল হক বলেন, ‘পবিত্র ইসলামের প্রচার-প্রসারে তরিকায়ে ভাণ্ডারীয়ার অবদান দেশ ও বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অলি-আউলিয়ার ভক্ত ও আশেকান সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম একজন মানবতাবাদী সমাজসেবক। তার প্রতিটি সেবাধর্মী উদ্যোগ অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।’
গাউছিয়া হক মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীল সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান (র.) বলেন, ‘পবিত্র ইসলাম ধর্মের গবেষণা, ইসলামের প্রচার ও প্রসারে যারা যারা অবদান রাখছেন, তারা মহৎপ্রাণ মানুষ। সাবেক মেয়র আলহাজ মোহাম্মদ মনজুর আলম অলি-আউলিয়া ভক্ত ও আশেকান। তার প্রতিটি কর্ম প্রমাণ করে তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি কতটা আন্তরিক। তার মানবসেবা ও ধর্মীয় কার্যক্রমে প্রমাণ করে তিনি একজন খাঁটি ঈমানদার। তার মানবসেবা কার্যক্রমের প্রশংসা করি।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ সুফি সৈয়দ নজরুল হুদা আল মাইজভাণ্ডারী, হযরত শাহ সুফি সৈয়দ নাজিম উদ্দিন আল মাইজভাণ্ডারী, শাহ সুফি সৈয়দ ফখরুদ্দিন শাহ, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হালিম, সৈয়দ মোহাম্মদ বাকের, শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রমুখ।
ইফতেখারুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়/