অবৈধভাবে ফুটপাত দখল এখন বড় সমস্যা বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে অবৈধভাবে ফুটপাত দখল এখন বড় সমস্যা। আমরা নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান করছি, তবে উদ্ধার হওয়া স্থান দখলে রাখার মতো লোকবল না থাকায় আবারও উদ্ধারকৃত জায়গা পুনর্দখল হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে নাগরিক সমাজের সহায়তা পেলে আমার চেষ্টা সাফল্যমণ্ডিত হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে নাগরিক সমাজের সহায়তা চাই।’
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) টাইগারপাস এলাকায় চসিক কার্যালয়ে সিটি লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটির তৃতীয় সভায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘আগ্রাবাদে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছি। কিন্তু দুই মাস পর আবারও আগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নিউ মার্কেট, অ্যাক্সসেস রোডে বাজার বসে গেছে। আমি পুলিশের সঙ্গে সভা করেছি। ফুটপাত ও খাল পুনরুদ্ধার এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধে আমরা আবারও বড় অভিযানে যাব। স্বাভাবিকভাবেই এগুলো ঠেকাতে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী মিছিল-মিটিং করবে। তবে, যদি গণমাধ্যম প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি করে এবং নাগরিক সমাজ আমাকে সহায়তা দেয়, তা হলে অবশ্যই সফল হব।’
সভায় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক বলেন, ‘বর্ষাকালে নগরী থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রাকৃতিক ড্রেনেজ সিস্টেম নষ্ট হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতা ঠেকাতে হলে দ্রুত সময়ে চট্টগ্রামের পানি অপসারিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।’
এ সময় প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, আফরোজা কালাম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব খালেদ মাহমুদসহ চসিকের সব বিভাগীয় প্রধান, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, জহর লাল হাজারী, আবদুস সালাম মাসুম, এম আশরাফুল আলম, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, কলামিস্ট মাসুম চৌধুরী, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার, জাইকার প্রতিনিধি ব্রজ কিশোর ত্রিপুরাসহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
ইফতেখারুল ইসলাম/সাদিয়া নাহার/অমিয়/