চট্টগ্রামে ১৬টি সংসদীয় আসন থাকলেও প্রতিবার এখান থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হন দুজন। এবার সম্ভাব্য প্রার্থীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিন ৩৬ জন নারী নেত্রী দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছেন। ফরম সংগ্রহের তালিকায় রয়েছেন আরও আনেকেই। ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট গ্রহণ আগামী ১৪ মার্চ।
এবার যারা সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হওয়ার দৌড়ে আছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে এসেছেন। তবে অনেকেই বাবার ও স্বামীর পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন।
গত সংসদে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। এবার সনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম থেকে নবম, দশম ও একাদশ সংসদে চট্টগ্রাম থেকে দুজন করে সংরক্ষিত আসনে এমপি ছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে তিনজন হতে পারে বলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা খবরের কাগজকে জানিয়েছেন।
এবার আওয়ামী লীগ, স্বতন্ত্র ও ১৪-দলীয় জোট পাবে ৪৮টি আসন। জাতীয় পার্টি পাবে দুটি আসন।
চট্টগ্রাম থেকে এবার সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন দৌড়ে আছেন সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, চেমন আরা তৈয়ব, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলোয়ারা ইউসুফ, সুচিন্তা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা হারুন লুবনা, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাসন্তী প্রভা পালিত, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা রাজিয়া মোস্তফা, সন্দ্বীপের নারী নেত্রী রুমানা নাসরিন, শেখ আমেনা খাতুন, শাহিদা আক্তার জাহান, অ্যাডভোকটে কামরুন নাহার, নাজমা আক্তার, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নীলু নাগ, মহানগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক অধ্যাপিকা সায়েরা বানু রৌশনী প্রমুখ।