বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এর সহকারী পরিচালক এনামুল হকের নেতৃত্বে দুদকের তিন সদস্যের একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে ৪ দালালকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম ১-এর উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছয়াদাত বলেন, 'দালালদের অপতৎপরতা ও হয়রানি, ঘুষ বন্ধে আমার নির্দেশে সহকারী পরিচালক এনামুল হক বিআরটিএতে অভিযানে গিয়েছিল। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'
দুদকের সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, 'বিআরটিএ চট্টগ্রাম অফিসে বিভিন্ন সেবা দেওয়ায় গ্রাহক হয়রানি ও দালালদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের শুরুতে অ্যানফোর্সমেন্ট টিম ছদ্মবেশে গ্রাহক হিসেবে সেবা নিতে গেলে দালালদের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এ সময় চারজন দালাল ও বিআরটিএর ৩ জন কর্মচারীকে হাতেনাতে আটক করে দুদক টিম। তাদের সঙ্গে সরাসরি বিভিন্ন সেবাগ্রহীতার সঙ্গে অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়।'
অ্যানফোর্সমেন্ট টিম আটক চার দালালকে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরীর কাছে উপস্থিত করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তা ছাড়া বিআরটিএ অফিসের কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত/বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক টিমকে জানানো হয়।
অভিযানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র যাচাই করে অ্যানফোর্সমেন্ট টিম কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানান দুদকের কর্মকর্তা এনামুল।
এ বিষয়ে জানতে বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আইনুল হুদাকে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
মনির/জোবাইদা/