ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পরিবেশ আইন না মেনে অবৈধভাবে ভরাট করা হচ্ছে সরকারি খাল ও কৃষি জমি। এতে হুমকির মুখে স্থানীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র। স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভরাট কাজ বন্ধ করলেও আবার চলছে ভরাটের প্রস্তুতি।
নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর গ্রামে নবীনগর-কোম্পানিগঞ্জ সড়কের পাশে কৃষি জমি ভরাট করছে প্রভাবশালী একটি চক্র। কৃষি জমির সঙ্গে থাকা সরকারি খাল তাই নজর পড়েছে তার উপর। এভাবে খাল ভরাট করা হলে পানি নিষ্কাশন সমস্যা হবে বলে জানায় স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, নবীনগর পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাওলা ভূঁইয়ার নেতৃত্বে চলছে ভরাট কাজ। সহযোগি হিসেবে রয়েছেন জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লা হোসেনসহ আরও ১০ জন।
এপ্রিল মাসের শেষের দিকে শুরু হয় ভরাট কাজ। জমি বেশিরভাগ অংশ প্রায় ভরাট করেছে অভিযুক্ত চক্রটি। তবে অভিযান চালিয়ে ভরাট কাজ বন্ধ করে দেয় নবীনগর উপজেলা প্রশাসন।
তবে আবারও ভরাট করার চেষ্টায় আছে চক্রটি ৷ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মাওলা ভূঁইয়া বলেন, জমি ভরাট করছে সোহেল নামে জিনোদপুর গ্রামের এক বাসিন্দা। তিনি শুধু বালু ভরাটের কাজ নিয়েছেন।
নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালিদ বিন মনসুর জানান, আমারা একবার অভিযান চালিয়ে ভরাট কাজ বন্ধ করেছি। নতুন করে আবার ভরাটের চেষ্টা করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হবে।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. মান্নান বলেন, কোনো অবস্থাতেই কৃষি জমি ভরাট করা যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেয়া আছে। যদি আমাদের দলের কেউ এ কাজে যুক্ত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আজিজুল/আমান