বঙ্গবাজারে আগুন নেভানোর সময় পুলিশের ওপর হামলা ও কাজে বাধা দেওয়ার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। রবিবার (২২ অক্টোবর) প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা সময়ের আবেদন করেন। ফলে, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারাহ দিবা ছন্দা প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
গত ৬ এপ্রিল বংশাল থানার এসআই ইস্রাফিল হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয়ের ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটে আগুন নেভানোর জন্য বংশাল থানার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরসহ অন্যান্য ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট কাজ করে। একপর্যায়ে বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটে লাগা আগুন আশপাশের মার্কেটসহ বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এনেক্সকো ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ভয়াবহতা এমন ছিল যে, অনেক প্রচেষ্টার পরও ফায়ার সার্ভিস পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না।
এ সময় ২৫০ থেকে ৩০০ জন দুষ্কৃতকারী দেশি অস্ত্রসহ বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটের বিপরীত পাশে থাকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। তারা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সরকারি সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিসহ ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত হয়ে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা এডিসির (চকবাজার জোন) নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বাদী ও তার সহযোগীরা সরকারি সম্পত্তি রক্ষার্থে দৃষ্কৃতকারীদের প্রতিহতের চেষ্টা করলে একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিরা তাদের সরকারি কাজে বাধা দেয়। হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা রড ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে বাদী গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে থাকা এসআই (নিরস্ত্র) মো. রুবেল খানও আহত হন।
মতলু/জোবাইদা