অন্যায় করলে কাউকে ছাড় নয়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হয়েছি বলেই দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণভবনে চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সরকার কঠোর হওয়ার কারণেই দুর্নীতিবাজরা ধরা পড়ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর আগে কেউ দুর্নীতির বিরুদ্ধে এভাবে অভিযান চালায়নি। এর আগে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করেছি। দুর্নীতি দীর্ঘদিনের সমস্যা। এসব জঞ্জাল সাফ করতে হবে। দুর্নীতি যেই করুক না কেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবই।’
কোটাব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিষয়টি এখন আদালতে রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত থেকে সমাধান না আসে আমাদের কিছু করার থাকে না। এটা বাস্তবতা। এ বাস্তবতা আন্দোলনকারীদের মানতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সব এলাকা তো সমানভাবে উন্নত নয়। অনগ্রসর সম্প্রদায় আছে। সেসব এলাকার মানুষের কোনো অধিকার থাকবে না?’ আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আদালত তাদের সুযোগ দিয়েছে। তারা আদালতে যাক, তাদের আন্দোলনের যুক্তির বিষয়ে বলুক।’
শেখ হাসিনা বলেন, কোটা নিয়ে ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের অফিসে আক্রমণ, মানুষের ওপর আঘাত, কিছু জ্ঞানী-গুণী আছেন যারা ঘরের মধ্যে বসে মিথ্যা অপপ্রচার রেকর্ড করে ছেড়ে দেন— এসব দেখে আমি আমি খুব বিরক্ত হয়ে যাই। তখন একপর্যায়ে বলি কোটা বাদ দিলাম।’
দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণ-অনুদান দেবে চীন: অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণের আকারে চীন বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্ব পর্যায়ে উন্নীত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করে।’
পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু টানেলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বৃহদাকার অবকাঠামো বিনির্মাণে চীনা সহায়তার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ ও বাণিজ্যিক– এই চার ধরনের আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলেছে। ‘এই চারটি প্যাকেজের আওতায় চীন বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী তার চীন সফরকে সফল অভিহিত করে একে বাংলাদেশের কূটনীতির এক মাহেন্দ্রক্ষণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আবাসন ও আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চীনের ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশে তিনটি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ও সেখানে রিয়েল এস্টেট এবং হসপিটালিটি খাতে বিনিয়োগের সুযোগের কথা উল্লেখ করলে চীনের ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ দেখান।
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার এই সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিক-রোহিঙ্গাদের অবস্থা এবং তাদের সমস্যার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এর সমাধানে আমি চীনের সহযোগিতা কামনা করি। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
চীন ও ভারত সফর নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনা ‘মানসিক অসুস্থতা’: চীন ও ভারত সফর নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনাকে ‘মানসিক অসুস্থতা’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ভারতে গেলাম দেশ বেচে এলাম, চীনে গেলাম খালি হাতে ফিরে এসেছি। তারা এগুলো জেনে–বুঝে বলেন, নাকি আমাকে হেয় করতে বলেন, বুঝি না। এটা তাদের মানসিক অসুস্থতা।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চীন সফরে ২১টি সমঝোতা ও সাতটি ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। আমি জানি না এরপরও যারা সমালোচনা করছেন, তারা জেনে–বুঝে করছেন কি না, সব সময় আমার বিরুদ্ধে নেতিবাচক কথা, গুজব ছড়ায়। আমি গুরুত্ব দিই না। তাদের বলতে দিন।’
অসুস্থ মেয়েকে রেখে চীন সফরে গিয়েছিলাম: ভারতের পত্রপত্রিকায় লেখা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন থেকে খালি হাতে ফিরেছেন। সফর থেকে নির্ধারিত সময়ের আগে ফিরে আসাতেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অসুস্থ মেয়েকে রেখে চীন সফরে গিয়েছিলাম। অফিশিয়াল কাজ ১১ তারিখেই শেষ হয়ে যায়। বিকেলে আসার কথা ছিল, সকালে চলে এসেছি। ছয় ঘণ্টা আগে আসা নিয়ে এত বড় তোলপাড় হবে বুঝিনি। অফিশিয়াল কাজ শেষ হয়ে গেলে আগেও সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে এসেছি। সেখানে বেড়ানোর, শপিং করার কিছু নেই। তাই আগেই চলে আসি। সেটাকে রংচং মাখিয়ে কথা বলছে।’
তাদের দুঃখ আমি মরিনি: দেশের উন্নয়নকাজের সমালোচনাকারীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেট্রোরেলে চড়ছে এটাও সর্বনাশ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে দ্রুত চলে যাচ্ছে সেটাও সর্বনাশ, গ্রাম পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে গেছে, এটাও সর্বনাশ। গ্রাম শহর হচ্ছে সেটাও সর্বনাশ। তারা চায় দেশের মানুষ দরিদ্র থাকুক। তারা কান থাকতে বধির, চোখ থাকতে অন্ধ। মুখ আছে বলে যাক। আমি শুনলাম না। তাদের দুঃখ গ্রেনেড হামলা করেছে, আমি মরি নাই। গুলি করেছে, মরি নাই। এটাই তাদের দুঃখ।’
ট্রাম্পের ওপর গুলি ‘সত্যি দুঃখজনক’: নির্বাচনি জনসভায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নিন্দা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি একজন প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যান্ডিডেট, তার ওপর এ ধরনের হামলা করা, আমরা এর নিন্দা জানাই।’ তিনি বলেন, ‘এটা আমেরিকার মতো জায়গায় হয় কীভাবে? আমেরিকার মতো সভ্য দেশে, যারা গণতন্ত্রের এত বড় প্রবক্তা, সে দেশে এই ঘটনা ঘটবে কেন? সেটাও তো আমাদের একটি প্রশ্ন।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমেরিকা তাদের গণতন্ত্র নিয়ে অনেক গর্ববোধ করে, অথচ সেখানে দেখা যাচ্ছে…।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো গুলি-বোমা খেয়ে অভ্যস্ত, অনবরত খাচ্ছি- সেখানে একজন অপোনেন্টকে এভাবে গুলি করা, তাও আবার তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট, খুব অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন। তার একেবারে কানের ওপর দিয়ে (গুলি) চলে গেছে, যদি একটু এদিক-ওদিক হতো, তিনি আর বাঁচতেন না।’
বাংলাদেশে এই ধরনের ঘটনায় পরস্পরকে দোষারোপ করার সংস্কৃতি থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে তেমনটা না ঘটার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওরা সরকারকে দায়ী করেনি আর প্রেসিডেন্ট বাইডেনও এর নিন্দা করছেন যে, এটা গ্রহণযোগ্য না- কাজেই এটুকু সভ্যতা তার আছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঝে মাঝে মনে হয়, আমাদের দেশে যে দোষারোপ করার চেষ্টা, তাদের এখান থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। তবে এই ঘটনাটা সত্যি খুব দুঃখজনক। একমাত্র প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যান্ডিডেট, তাকে এভাবে হামলা করা, তারা এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।’
আমার বাসার পিয়ন এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক: পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস ও সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ঘটনা জনসমক্ষে আসার প্রসঙ্গ উঠলে শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কারও দুর্নীতির ঘটনা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং তা মেনে নেওয়া যায় না। এরা অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কথা বলবে, আবার নিজেরা হাজার হাজার কোটি টাকা বানাবে, বিদেশে পাচার করবে এটা তো অগ্রহণযোগ্য।’
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের বাসার সাবেক এক কর্মীর অর্থসম্পদের বিষয়টি সামনে এনে বলেন, ‘আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে, এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না, বাস্তব কথা। কী করে বানাল এত টাকা? জানার পরই ব্যবস্থা নিয়েছি।’
রাজাকারের নাতিরা সব পাবে, মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না? কোটা আন্দোলনকারী এবং দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? রাজাকারের নাতিপুতিরা সবকিছু পাবে, আর মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না? দেশে কোটাবিরোধী আন্দোলন চলছে। এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত। কিন্তু চিকিৎসার টাকা নেই। এটা হলো মুক্তিযোদ্ধাদের এখনকার অবস্থা। অথচ তাদের উদ্দেশ করে প্রতিনিয়ত অবমাননাকর বক্তব্য রাখা হচ্ছে। এই অবমাননা তারা সহ্য করতে পারছেন না। এতে রাষ্ট্রের কিছু করণীয় আছে কি না?
এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা আমার দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন। তাদের অপরাধটা কী? নিজের জীবন বাজি রেখে, নিজের পরিবার, সব ফেলে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে, দিনরাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি পেরিয়ে, ঝড়বৃষ্টি সব মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে এ দেশে বিজয় এনে দিয়েছিল। বিজয় এনে দিয়েছিল বলেই তো আজ সবাই উচ্চপদে আসীন। আজ গলা বাড়িয়ে কথা বলতে পারছে। তা না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে থাকতে হতো।’
ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিয়ে যারা চাকরি করছে তাদেরও ধরা হবে: প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসে যারা ধরা পড়ছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত হবে, বিচার হবে। যারা বেনেফিশিয়ারি তাদের খুঁজে বের করা গেলে ব্যবস্থা নেব। তাদের চাকরি করার অধিকারই থাকবে না। তা হলে ভবিষ্যতে আর কেউ এসব কাজ করবে না। প্রশ্নপত্র যারা ফাঁস করে আর যারা প্রশ্নপত্র কেনে, দুজনই অপরাধী। সরকারপ্রধান প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, খুঁজে বের করে দেবে কে (যে কিনেছে)? সাংবাদিকরা যদি খুঁজে বের করে দেন তা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘চব্বিশতম বিসিএস পরীক্ষা হয়েছিল ২০০২-০৩ সালে। বিএনপির আমলে সেই সময়ে যত চাকরি হতো, হাওয়া ভবন থেকে তালিকা পাঠানো হতো, আর সে তালিকায় থাকাদের চাকরি হতো। সেই সময় ঢাকা কলেজে পরীক্ষা হয়। একটা বিশেষ রুমে তাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রশ্ন ফাঁস বা অনিয়মগুলো তখন থেকেই শুরু। আমরা সরকারে আসার পর ২০০৯ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে এগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলাম। যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮-এর পরে এই গ্রুপটা কী করে যেন আবার জায়গা করে ফেলে। যেটা এখন ধরা পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় এগুলো ধরতে গেলে অনেকে বলে যে প্রচার হলে ভালো হবে না ইমেজ নষ্ট হবে। আমি বলেছি যে, আমি এগুলোতে বিশ্বাস করি না। কিসের ইমেজ নষ্ট হবে? অন্যায়-অবিচার যারা করবে তাদের আমরা ধরবই। তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এভাবে যেন চলতে না পারে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘অনেকে বলে আমাদের সময় থেকে প্রশ্ন ফাঁস শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেটা শুরু হয়েছিল সেই জিয়ার আমল থেকেই।’