ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল, মনে করেন ৩০ শতাংশ মার্কিন ইহুদি ঘুষ নেওয়ার অপরাধে চীনা সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে স্টারলিংকের সিগন্যাল জ্যাম করছে রাশিয়া ছোট সরালির কথা রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু একই সময়ে দিনের আলোয় বিশ্বের ৯৯ শতাংশ মানুষ বন্ধু তুমি শত্রু তুমি বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে চবিতে বিষধর সাপের দংশনের শিকার শিক্ষার্থী, জলাবদ্ধতায় ব্যাহত চিকিৎসা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সুফল মিলবে কবে? অশ্রুই মেসির জয়ের ভাষা সঞ্চয় লুট, শেষ হলো বাকপ্রতিবন্ধী ববির লড়াই এই আর্জেন্টিনা শুধুই মেসিনির্ভর দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, মেয়ে আহত টানা বর্ষণে যশোরে দুর্ভোগ বৃষ্টিতে বন্ধ ট্রেন, কক্সবাজার রেলপথের  সংস্কারের মান নিয়ে প্রশ্ন অজেয় ফ্রান্সের সামনে মরক্কো ফ্রান্সের বিপক্ষে কোনো চমক নয়: ওয়াহবি প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল সীতাকুণ্ডে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জনজীবন বিপর্যস্ত ময়মনসিংহ নগরী: এত প্রকল্প, তবু কেন জলমগ্ন ‘আর্জেন্টিনা অজেয় নয়’ সুইস কোচের হুংকার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে এনবিআর কঠোর হলেও ঘাটতির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের আর্জেন্টাইন রেফারি নিয়ে চিন্তিত নন দেশম মেসি কি আর পেনাল্টি নেবেন? ৯ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৯ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ৮ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি উজানের ঢল-বৃষ্টিতে তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত চুয়েট, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল
ছবি: সংগৃহীত

বাকি আর মাত্র এক দিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাবেন দেশের প্রধান চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। তাই অডিটরিয়ামে চলছে শেষ পর্যায়ের সাজসজ্জা। দেয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে রঙের কাজ, হার্ডবোর্ড স্থাপন, নানা রঙের লাইটিং স্থাপনও শেষ পর্যায়ে। মশা-মাছি তাড়াতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ছিটানো হচ্ছে ওষুধ ও স্প্রে।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) ঢামেক হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টদের এমনই প্রস্তুতি দেখা গেছে। আগামী শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা ‘ডিএমসি-ডে’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রী, এমপি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এ ছাড়া উপস্থিত থাকবেন ডাক্তার, নার্স, কলেজ ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা। শনিবার সকালে অনুষ্ঠান শুরু হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের শহিদ ডাক্তার শামসুল আলম মিলন অডিটরিয়ামে। 

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢামেক ক্যাম্পাস ও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও বারান্দায় চলছে ধোয়ামোছার কাজ। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে শহিদ মিলন অডিটরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করার পাশাপাশি কলেজের ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ধরনের ফুলের টব সাজানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন গাছে ঝোলানো হয়েছে রঙিন বাতি।

হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে গেলে কথা হয় সেখানকার ওয়ার্ড মাস্টার মো. আরিফের সঙ্গে। এ সময় তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ধোয়ামোছার কাজ চলছে। যদিও হাসপাতালে প্রতিদিনই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। তবে ভিআইপির জন্য আরও সুন্দর কাজ করতে হচ্ছে।’ 

আলাপ হয় হাসপাতালে ভর্তি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. জিল্লুর রহমান ও জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. শিপনের সঙ্গেও। তারা খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সবার মাঝে এক ধরনের উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তাকে বরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমরা দিনরাত এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছি।’

সার্বিক প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তিনি হাসপাতালও পরিদর্শন করতে পারেন। এজন্য হাসপাতালের সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং রোগীদের সার্বিক বিষয়গুলোয় সুন্দর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমাদের সবার মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে।’ 

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরাও বিভিন্ন ধরনের আলপনা, প্ল্যাকার্ডসহ রংবেরঙের মনোমুগ্ধকর কার্টুন তৈরি করছেন। কলেজ ক্যাম্পাস ও শহিদ ডা. শামসুল আলম মিলন অডিটরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। 

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী খবরের কাগজকে বলেন, ‘যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তাতে কলেজ ক্যাম্পাস ও হাসপাতালের চেহারাটাই পাল্টে যাবে। এভাবে সরকারের ঊর্ধ্বতনরা ঘন ঘন কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে সবসময়ই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করবে। এতে রোগীদের সেবার মানও উন্নত হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল
ছবি: সংগৃহীত

বাকি আর মাত্র এক দিন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাবেন দেশের প্রধান চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। তাই অডিটরিয়ামে চলছে শেষ পর্যায়ের সাজসজ্জা। দেয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে রঙের কাজ, হার্ডবোর্ড স্থাপন, নানা রঙের লাইটিং স্থাপনও শেষ পর্যায়ে। মশা-মাছি তাড়াতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ছিটানো হচ্ছে ওষুধ ও স্প্রে।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) ঢামেক হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টদের এমনই প্রস্তুতি দেখা গেছে। আগামী শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তথা ‘ডিএমসি-ডে’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রী, এমপি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এ ছাড়া উপস্থিত থাকবেন ডাক্তার, নার্স, কলেজ ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা। শনিবার সকালে অনুষ্ঠান শুরু হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের শহিদ ডাক্তার শামসুল আলম মিলন অডিটরিয়ামে। 

গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢামেক ক্যাম্পাস ও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ও বারান্দায় চলছে ধোয়ামোছার কাজ। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে শহিদ মিলন অডিটরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করার পাশাপাশি কলেজের ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ধরনের ফুলের টব সাজানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন গাছে ঝোলানো হয়েছে রঙিন বাতি।

হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে গেলে কথা হয় সেখানকার ওয়ার্ড মাস্টার মো. আরিফের সঙ্গে। এ সময় তিনি খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ধোয়ামোছার কাজ চলছে। যদিও হাসপাতালে প্রতিদিনই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। তবে ভিআইপির জন্য আরও সুন্দর কাজ করতে হচ্ছে।’ 

আলাপ হয় হাসপাতালে ভর্তি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. জিল্লুর রহমান ও জরুরি বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার মো. শিপনের সঙ্গেও। তারা খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সবার মাঝে এক ধরনের উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তাকে বরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমরা দিনরাত এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছি।’

সার্বিক প্রস্তুতি প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তিনি হাসপাতালও পরিদর্শন করতে পারেন। এজন্য হাসপাতালের সবকিছু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং রোগীদের সার্বিক বিষয়গুলোয় সুন্দর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমাদের সবার মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে।’ 

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরাও বিভিন্ন ধরনের আলপনা, প্ল্যাকার্ডসহ রংবেরঙের মনোমুগ্ধকর কার্টুন তৈরি করছেন। কলেজ ক্যাম্পাস ও শহিদ ডা. শামসুল আলম মিলন অডিটরিয়ামে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। 

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী খবরের কাগজকে বলেন, ‘যেভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তাতে কলেজ ক্যাম্পাস ও হাসপাতালের চেহারাটাই পাল্টে যাবে। এভাবে সরকারের ঊর্ধ্বতনরা ঘন ঘন কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে সবসময়ই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করবে। এতে রোগীদের সেবার মানও উন্নত হবে।’

উজানের ঢল-বৃষ্টিতে তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
উজানের ঢল-বৃষ্টিতে তিন বিভাগে বন্যার শঙ্কা
খাগড়াছড়ি জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

দেশের অভ্যন্তরে ও ভারতের উজানে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের রংপুর, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র। 

এদিকে সারা দেশে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে আগামী চার দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জারি করে এই তথ্য জানিয়েছে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু প্রবল অবস্থায় রয়েছে এবং এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, ভারতের ছত্রিশগড় এবং তৎসংলগ্ন উত্তর ও মধ্য প্রদেশে অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি বর্তমানে মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উত্তর প্রদেশে অবস্থান করছে এবং এটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ রাজস্থান, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে ৩১৪ মিলিমিটার এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রাঙামাটিতে ২৮৭ মিলিমিটার। তাপমাত্রার তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের দায়িত্বরত সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাস জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার থেকে ভারতের মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অরুণাচল প্রদেশেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। উজানের ঢলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যার পরবর্তী দুই দিন মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৯টি স্টেশনে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৫৩টি স্টেশনে পানি হ্রাস পেয়েছে। ৫টি স্টেশনে পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাঙ্গু নদী বান্দরবান স্টেশনে বিপৎসীমার ৯৬ সেন্টিমিটাও ওপর দিয়ে এবং মাতামুহুরী নদী লামা স্টেশনে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সাঙ্গু নদীতে ৩৪৮ সেন্টিমিটার এবং মাতামুহুরী নদীতে ১৭৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। 

চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়েছে, যা আগামী তিন দিন আরও দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এ ছাড়া ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার নদীগুলো কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই, কংস, সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় এই নদীগুলো সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। সুরমা নদীর পানিও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।

উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে এবং নদীটি ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর স্টেশনে সতর্কসীমায় রয়েছে। তবে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। যার ফলে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ধরলা ও দুধকুমার নদও লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে।

গঙ্গা নদীর পানি স্থিতিশীল ও পদ্মা নদীর পানি হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। অন্যান্য অববাহিকার মধ্যে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেয়েছে এবং এটি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী চার দিন এই অববাহিকায় পানি বৃদ্ধি পেলেও তা বিপৎসীমার নিচেই থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঢাকা ও এর চারপাশের বুড়িগঙ্গা নদীর পানি হ্রাস পেয়েছে। 

চামড়া খাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে রোডম্যাপ করছে সরকার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
চামড়া খাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে রোডম্যাপ করছে সরকার
শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত চামড়া শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও পরিবেশসম্মত শিল্পে রূপান্তর করে বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে ২০২৬ সালের জুলাইয়ের মধ্যে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রণয়ন করছে সরকার।

একই সঙ্গে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর দীর্ঘদিনের পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম খানের এক তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, চামড়া শিল্পের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে সরকার একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)-এর কারিগরি মূল্যায়ন ইতোমধ্যে ইতালীয় প্রতিষ্ঠান ইতালপ্রোজেত্তি সম্পন্ন করেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী সিইটিপির বর্জ্য শোধন সক্ষমতা জরুরি ভিত্তিতে ২৫ হাজার ঘনমিটারে উন্নীত করা হবে। পরবর্তী সময়ে এটি ৪০ হাজার এবং পরে ৫০ হাজার ঘনমিটারে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি জানান, কেন্দ্রীয় শোধনাগারের ওপর চাপ কমাতে ছয়টি ট্যানারিকে নিজস্ব বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি চালু হয়েছে এবং আরও ২০ থেকে ২৫টি বড় ট্যানারিকে নিজস্ব ইটিপি স্থাপনের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ট্যানারি বর্জ্যকে মূল্যসংযোজিত পণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে সার্কুলার ইকোনমি বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। ক্রোম শেভিং ডাস্ট থেকে প্রোটিন পাউডার, ফ্লেশিং বর্জ্য থেকে ট্যালো ও জৈবসার এবং কাঁচা কাটিং বর্জ্য থেকে জেলাটিন উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

তিনি আরও জানান, চামড়া শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ ও নগদ সহায়তা সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অর্জন এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ পেতে ট্যানারি মালিকদের নিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলিস/এএফ

বজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম
বজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: সংগৃহীত

বজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে দেশের অধিক বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় বজ্র-নিরোধক ব্যবস্থা সম্বলিত মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বজ্র নিরোধক দণ্ড ও সতর্কীকরণ অ্যালার্ম থাকবে, যাতে বজ্রঝড়ের সময় কৃষক, জেলে ও সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধিতে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানার উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বাংলাদেশে বজ্রপাত ক্রমেই একটি বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। এ কারণে সরকার বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, প্রতিবছর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে লিফলেট বিতরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে বজ্রপাত সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

দেশের অধিক বজ্রপাতপ্রবণ ১৫টি জেলায় ‘বজ্রপাতের ফলে প্রাণহানি রোধে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ’, ‘কৃষক ছাউনি’ এবং ‘বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আওতায় চলনবিল অঞ্চলের বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জসহ হাওর এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাওর এলাকায় ধান কাটার সময় কৃষক এবং বর্ষাকালে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা বেশি বজ্রপাতে প্রাণ হারান। তাই ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রের আদলে বজ্রপাতের জন্যও বিশেষ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

পাশাপাশি বজ্রপাতে নিহত ব্যক্তির পরিবারের আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। গবাদিপশু বজ্রপাতে মারা গেলেও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

এলিস/এএফ

সংসদে তিন মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্নোত্তর পর্ব স্থগিত

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম
সংসদে তিন মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্নোত্তর পর্ব স্থগিত
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ। ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নোত্তর তালিকাভুক্ত তিন মন্ত্রী সংসদ অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকায় মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব মাঝপথে স্থগিত করা হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। এদিন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল।

আসরের নামাজের বিরতির আগে তিন মন্ত্রীই সংসদে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিরতির ঘোষণা দেন এবং জানান, বিরতির পর প্রশ্নোত্তর পর্বের অবশিষ্ট অংশ আবার শুরু হবে।

বিকেল প্রায় ৫টা ২৫ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে দেখা যায়, নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রী কক্ষে উপস্থিত নেই।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, “মাননীয় মন্ত্রীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করার এবং তাদের উত্তর দেওয়ার কথা থাকলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রী এখন কক্ষে উপস্থিত নেই। তাই আমরা এখানেই প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাপ্ত ঘোষণা করছি।”

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের জন্য তালিকাভুক্ত প্রশ্নগুলো টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এরপর কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার পরবর্তী কার্যসূচিতে এগিয়ে যায় সংসদ। পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পান সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেন।

এলিস/নাঈম