ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ফুঁসছে মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া, ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা আপিল বিভাগের রায়ে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল মিশরকে অন্যায়ভাবে হারানো হয়েছে: জোহরান মামদানী আবারও ইরানে একের পর এক মার্কিন হামলা স্পেনকে হারিয়ে চমক দেখাতে চান কর্তোয়া টানা বৃষ্টিতে চবিতে সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনে ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল, মনে করেন ৩০ শতাংশ মার্কিন ইহুদি ঘুষ নেওয়ার অপরাধে চীনা সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে স্টারলিংকের সিগন্যাল জ্যাম করছে রাশিয়া ছোট সরালির কথা রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু একই সময়ে দিনের আলোয় বিশ্বের ৯৯ শতাংশ মানুষ বন্ধু তুমি শত্রু তুমি বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে চবিতে বিষধর সাপের দংশনের শিকার শিক্ষার্থী, জলাবদ্ধতায় ব্যাহত চিকিৎসা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সুফল মিলবে কবে? অশ্রুই মেসির জয়ের ভাষা সঞ্চয় লুট, শেষ হলো বাকপ্রতিবন্ধী ববির লড়াই এই আর্জেন্টিনা শুধুই মেসিনির্ভর দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, মেয়ে আহত টানা বর্ষণে যশোরে দুর্ভোগ বৃষ্টিতে বন্ধ ট্রেন, কক্সবাজার রেলপথের  সংস্কারের মান নিয়ে প্রশ্ন অজেয় ফ্রান্সের সামনে মরক্কো ফ্রান্সের বিপক্ষে কোনো চমক নয়: ওয়াহবি প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাজছে ঢামেক হাসপাতাল

টানা বর্ষণে যশোরে দুর্ভোগ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
টানা বর্ষণে যশোরে দুর্ভোগ
টানা বর্ষণে যশোরে দুর্ভোগ। ছবি: সংগৃহীত

গত সোমবার সকাল থেকে যশোর জেলা শহরসহ আট উপজেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কখনো ঝুমবৃষ্টি, আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি; এভাবেই বর্ষণ অব্যাহত থাকে। সকালের দিকে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের মৃদু আলোর দেখা মিললেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। দিনভর মেঘের ঘনঘটা স্থায়ী হয়। টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি ও আর্থিক লোকসানে পড়েন সাধারণ দিনমজুর, কুলি, হকার ও শ্রমজীবী মানুষ।

যশোর বিমানঘাঁটি আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলাজুড়ে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। মঙ্গলবারও একই অবস্থা বিরাজ করে। তবে গতকাল বুধবার দুপুরের দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের এই প্রভাব আরও দুই দিন থাকতে পারে।

টানা বৃষ্টির কারণে যশোর শহরে লোকজনের উপস্থিতি ছিল সীমিত। দড়াটানা মোড়, চৌরাস্তা, ও বড়বাজার এলাকার অধিকাংশ ছোট ছোট দোকান, ফুটপাতের ব্যবসা ও কাঁচাবাজার বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। যারা জীবিকার তাগিদে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘরের বাইরে বের হয়েছেন, তাদের পড়তে হয় চরম বিড়ম্বনায়।

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সুযোগ নিয়েছে শহরের রিকশা ও ইজিবাইকচালকরা। তাদের বিরুদ্ধে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ যাত্রীরা। তবে যাত্রী খুব কম হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন চালক। শহরের সার্কিট হাউস মোড়ে রিকশাচালক আব্দুল মজিদ বলেন, ‘এই বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় রিকশা চালানো যে কী কষ্টের, তা বোঝানো যাবে না। কিন্তু ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। আমার উপার্জনের ওপর চারজনের সংসার চলে। এক দিন বের না হলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই ভিজতে ভিজতে রিকশা চালাচ্ছি।’

বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে অমানবিক পরিস্থিতিতে পড়েছেন যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা দূরপাল্লার রোগীরা। হাসপাতাল মোড়ে আটকে পড়া ঝিনাইদহ এলাকার এক বৃদ্ধ রহিমা বেগম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘সারা দিন ধরে থমথমে বৃষ্টি। ডাক্তার দেখাতে এসে এখন হাসপাতালের বারান্দায় আটকা পড়ে আছি। বের হওয়ার কোনো পথ পাচ্ছি না। আমার বাড়ি অনেক দূরে। রাত যত বাড়ছে, মন তত আনচান করছে। এই বৃষ্টিতে রাতে কোনো দূরপাল্লার গাড়ি পাব কি না, তা আল্লাহই জানে।’

এদিকে যশোরকে দেশের অন্যতম প্রধান ‘সবজি ভান্ডার’ বলা হয়ে থাকে। এখান থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক সবজি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। কিন্তু টানা বর্ষণে জেলার চুড়ামনকাটি, বারীনগর, হৈবতপুর ও শার্শা এলাকার নিচু সবজিখেতগুলোতে পানি জমতে শুরু করেছে।

স্থানীয় চাষিরা জানান, জুনের খরা কাটিয়ে যারা মাত্র নতুন করে শীতকালীন আগাম সবজির চারা রোপণ করেছিলেন, কিংবা পটোল, বেগুন, ঝিঙে ও কাঁচা মরিচের আবাদ ধরে রেখেছিলেন, তারা এখন চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। বৃষ্টি যদি আরও দুই-তিন দিন স্থায়ী হয়, তবে খেতের সবজিগাছের গোড়া পচে সম্পূর্ণ ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।

বিশেষ করে শাকজাতীয় ফসল ও সদ্য গজানো চারাগাছ এই বৃষ্টিতে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গিয়ে দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

যশোরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মহিবুল হাসান জানিয়েছেন, তারা মাঠপর্যায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। কৃষকদের দ্রুত নিজ নিজ খেত থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে জমিতে পানি জমে ফসলের ক্ষতি না হতে পারে।

চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনায় মাটির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো স্থানীয় বাসিন্দা কাজলের মেয়ে রুমি (১২) ও ছেলে তাওসিফ (১৩)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়ার মছনিয়াকাটা এলাকায় বসতবাড়ির পাশে থাকা একটি পাহাড়ের বিশাল অংশ হঠাৎ বিকট শব্দে ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বসতঘরটি মাটির নিচে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা তাওসিফ, রুমি ও তাদের মা মাটির নিচে আটকা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে দীর্ঘক্ষণ মাটি খুঁড়ে তাওসিফ ও রুমিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তারা প্রাণ হারায়।

এদিকে, দীর্ঘ চেষ্টার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই শিশুর মাকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় মাটির নিচে চাপা থাকায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। উদ্ধারের পরপরই তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রকিবুল হাসান/অন্তরা/

ফুঁসছে মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া, ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৫ এএম
ফুঁসছে মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া, ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা
ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা/ ছবি: খবরের কাগজ

টানা বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরি, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এতে জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার নদীতীরবর্তী এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন জরুরি সভা ডেকে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে।

​জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বুধবার (৮ জুলাই) বিকাল ৩টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 

জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

​এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, বৃষ্টির সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে ধেয়ে আসা ঢলের কারণে মুহুরি নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। বিকেল ৪টায় পরশুরাম পয়েন্টে মুহুরি নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ১০ মিটার। নদীর পানি দ্রুত বাড়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বেশ কয়েকটি দুর্বল পয়েন্ট ঝুঁকিতে রয়েছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছরই মুহুরি ও কহুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে ফুলগাজী ও পরশুরামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অনেক সময় গভীর রাতে হঠাৎ লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় গবাদিপশু, আমনের বীজতলা, মৎস্য ঘের ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এবারও নদীর পানির তীব্রতা দেখে তীরবর্তী মানুষের রাত কাটছে চরম উৎকণ্ঠায়।

​সম্ভাব্য এই দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। গত মঙ্গলবার বিকেলে ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, 'গত ৩-৪ দিন ধরে টানা বৃষ্টি হওয়ায় আমরা জরুরি ভিত্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করেছি। ত্রিপুরায় ভারী বর্ষণের কারণে আমাদের নদীগুলোর পানি বাড়ছে। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তা, মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শুকনো খাবার ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখার প্রক্রিয়া চলছে।'

তোফায়েল নিলয়/তামান্না রুপা/

সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনে ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ এএম
সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনে ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট
ভুক্তভোগী আরমান। ছবি খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনেই জাপান প্রবাসীর তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকাসহ ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ ডাকাতরা।   

বুধবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা টোলপ্লাজা সংলগ্ন পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী আরমান (৪০) ফেনী জেলার আব্দুস সোবহানের ছেলে। তিনি স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাপানে ফেরার উদ্দেশ্যে একটি মাইক্রোবাসে ফেনী থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মেঘনা টোলপ্লাজা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ৫-৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। পরে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে সঙ্গে থাকা প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি আইফোন-১৬ প্রো ম্যাক্সসহ তিনটি মুঠোফোন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। লুট হওয়া স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকারও বেশি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী মোটরসাইকেলআরোহী জানান, তিনি একই পথে যাওয়ার সময় কয়েকজনকে চাপাতি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভয়ে সামনে এগোননি। কিছুক্ষণ পরই ওই মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় দায়িত্বরত কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ বলেন, ঘটনাটি মহাসড়কের মূল সড়কে নয়, বরং মহাসড়কের পাশের একটি নিচু সড়কে ঘটেছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থানা পুলিশের চেকপোস্টের সামনে বলে শুনেছি।

ইমরান হোসেন/আজহার/

চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ এএম
চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরের চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসে নিহত শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে নগরের চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র বলেন, বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বারবার মাইকিং, প্রচার-প্রচারণা ও সরাসরি অনুরোধ করে আসছে। এরপরও অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান করছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, একটি প্রাণও অমূল্য। সাময়িক কষ্ট হলেও সবাইকে নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পাহাড়ধসের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করা উচিত নয়।

মেয়র বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে না আসা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সব সময় তাদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলুন, গুজবে কান দেবেন না। পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। সচেতনতা ও সতর্কতাই পারে মূল্যবান প্রাণহানি রোধ করতে।

তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি জোরদার এবং ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসে ১২ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুপুর সোয়া ১টার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। শিশুটির নাম- সুমাইয়া। সে ওই এলাকার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের মেয়ে।

জানা গেছে, পাহাড়ধসের সময় সুমাইয়া ও তার মা-বাবা ঘরেই ছিলেন। ধসের সময় মা-বাবা ঘর থেকে বের হয়ে গেলেও পাশের ঘরে থাকা সুমাইয়া বের হতে পারেনি।

ইফতেখারুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
নিহত দুই শিশু  মাইশা ও মুজাহিদ

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানিতে ডুবে মাইশা আক্তার (সাড়ে ৩) ও মুজাহিদুল ইসলাম (৩) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা আপন চাচাতো ভাই বোন।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খন্দকারপাড়ায় এই ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুজাহিদ ও মাইশা পুকুর পাড়ে একসঙ্গে খেলছিল। এ সময় মুজাহিদ পানিতে পড়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মাইশাও পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। 

উপজেলার মেডিকেল অফিসার মাসুদ জাহান জানান, পানিতে পড়া দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তারা দুইজনই মারা গেছে। 

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশু মারা গেছে। অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর দুই শিশুকে দাফন করা হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম/তামান্না রুপা/