ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রাথমিকের শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ রেফারি বিতর্ক উড়িয়ে দিলেন মরক্কোর কোচ ‘আমাকে শুধু বাজারটা দেখিয়ে দাও’ স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন আখাউড়ায় বৃষ্টির দিনে ছাতা উপহার প্রবাসী বিএনপি নেতার উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভুল ব্লাড গ্রুপ রিপোর্ট, বিপাকে রোগী নড়িয়ায় এলজিইডির অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ফুঁসছে মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া, ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা আপিল বিভাগের রায়ে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল মিসরকে অন্যায়ভাবে হারানো হয়েছে: জোহরান মামদানী আবারও ইরানে একের পর এক মার্কিন হামলা স্পেনকে হারিয়ে চমক দেখাতে চান কর্তোয়া টানা বৃষ্টিতে চবিতে সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনে ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল, মনে করেন ৩০ শতাংশ মার্কিন ইহুদি ঘুষ নেওয়ার অপরাধে চীনা সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে স্টারলিংকের সিগন্যাল জ্যাম করছে রাশিয়া ছোট সরালির কথা রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু একই সময়ে দিনের আলোয় বিশ্বের ৯৯ শতাংশ মানুষ বন্ধু তুমি শত্রু তুমি বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে চবিতে বিষধর সাপের দংশনের শিকার শিক্ষার্থী, জলাবদ্ধতায় ব্যাহত চিকিৎসা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সুফল মিলবে কবে? অশ্রুই মেসির জয়ের ভাষা

চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনায় মাটির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো স্থানীয় বাসিন্দা কাজলের মেয়ে রুমি (১২) ও ছেলে তাওসিফ (১৩)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়ার মছনিয়াকাটা এলাকায় বসতবাড়ির পাশে থাকা একটি পাহাড়ের বিশাল অংশ হঠাৎ বিকট শব্দে ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বসতঘরটি মাটির নিচে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা তাওসিফ, রুমি ও তাদের মা মাটির নিচে আটকা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে দীর্ঘক্ষণ মাটি খুঁড়ে তাওসিফ ও রুমিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তারা প্রাণ হারায়।

এদিকে, দীর্ঘ চেষ্টার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই শিশুর মাকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় মাটির নিচে চাপা থাকায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। উদ্ধারের পরপরই তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রকিবুল হাসান/অন্তরা/

আখাউড়ায় বৃষ্টির দিনে ছাতা উপহার প্রবাসী বিএনপি নেতার

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ এএম
আখাউড়ায় বৃষ্টির দিনে ছাতা উপহার প্রবাসী বিএনপি নেতার
ছবি: খবরের কাগজ

সকাল থেকে টানা বৃষ্টি। প্রয়োজনের তাগিদে ছুটে চলা মানুষের অনেকের হাতেই ছিল না ছাতা। কেউ ভিজে পথ পাড়ি দিচ্ছিলেন, কেউ আবার দোকানের ছাউনি কিংবা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন বৃষ্টি কমার। এমন সময় তাদের হাতে একটি করে ছাতা তুলে দেওয়া হলো। মুহূর্তেই অনেক মুখে ফুটে উঠল স্বস্তির হাসি।

বুধবার (৮ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌরশহরের সড়কবাজার এলাকায় প্রায় সাড়ে চার শ পথচারীর মাঝে ছাতা বিতরণ করেন প্রবাসী বিএনপি নেতা ও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া।

তিনি দেশের বাইরে থাকায় তার পক্ষে বড় ভাই আলাউদ্দিন ভূইয়া পথচারীদের হাতে ছাতাগুলো তুলে দেন।

ছাতা পেয়ে পথচারীদের অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য, বর্ষার দিনে এমন একটি উপহার শুধু বৃষ্টি থেকে রক্ষা করে না, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধেরও প্রকাশ ঘটায়।

এর আগে একই এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝেও ছাতা বিতরণ করেন  সালাউদ্দিন ভূঁইয়া। 

হাজী সালাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, “মানুষের পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব। বর্ষার এই সময়ে অনেক মানুষ প্রতিদিন বৃষ্টিতে ভিজে চলাচল করেন। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘবের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও আখাউড়ার মানুষের কল্যাণে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”

স্থানীয়দের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা প্রতিকূল সময়ে মানুষের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে নেওয়া এমন উদ্যোগ সামাজিক সহমর্মিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

জুটন বনিক /হীরা

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৩ এএম
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা
উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তার আরেক সন্তান আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

বুধবার (৮ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি/৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

স্ত্রী ও সন্তানকে গলাকেটে হত্যার পরেই স্বামী এহেতাসামুল হক (৩৭) পালিয়ে গেছেন। 

নিহতরা হলেন- কুতুপালং ৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের এহেতাসামুল হকের স্ত্রী শহীদ নুর সুফিয়া (৩০) ও তার সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এ ঘটনায় তার বড় সন্তান মো. আফছার বাপ্পীও (১৪) আহত হয়েছে।

কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, গভীর রাতে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে এহেতাসামুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো দা- ছুরি দিয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলের ওপর হামলা চালান। তিনি তাদের গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই স্ত্রী নুর সুফিয়া ও ছোট ছেলে শামীমের মৃত্যু হয় এবং বড় ছেলে মো. আফছার বাপ্পী গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয় রোহিঙ্গারা গুরুতর আহত বড় ছেলেকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রিদুয়ানুল হক সোহাগ/তামান্না রুপা/

চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ এএম
চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসের ঘটনায় মাটির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার মছনিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো স্থানীয় বাসিন্দা কাজলের মেয়ে রুমি (১২) ও ছেলে তাওসিফ (১৩)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়ার মছনিয়াকাটা এলাকায় বসতবাড়ির পাশে থাকা একটি পাহাড়ের বিশাল অংশ হঠাৎ বিকট শব্দে ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশে থাকা বসতঘরটি মাটির নিচে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা তাওসিফ, রুমি ও তাদের মা মাটির নিচে আটকা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে দীর্ঘক্ষণ মাটি খুঁড়ে তাওসিফ ও রুমিকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তারা প্রাণ হারায়।

এদিকে, দীর্ঘ চেষ্টার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই শিশুর মাকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় মাটির নিচে চাপা থাকায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। উদ্ধারের পরপরই তাকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রকিবুল হাসান/অন্তরা/

পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভুল ব্লাড গ্রুপ রিপোর্ট, বিপাকে রোগী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ এএম
পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভুল ব্লাড গ্রুপ রিপোর্ট, বিপাকে রোগী
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে রক্তের গ্রুপ ‘ও’ পজিটিভ বলা হলেও অন্য ল্যাবে তা ‘এবি’ পজিটিভ আসায় চরম বিপাকে পড়েছেন রোগী হালিমা খাতুন।

গত ২ জুলাই হালিমা খাতুন নিয়মিত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে যান। হালিমা খাতুনের শরীরে রক্ত সল্পতায় ডা. নাইমের পরামর্শ নেন। পরে তিনি জরুরি ভিত্তিতে রক্ত গ্রহনের পরামর্শ দেন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে জেলা শহরের প্রাইম ক্লিনিকে রক্ত গ্রহনের জন্য যান হালিমা খাতুন।

এ সময় প্রাইম ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রক্তের ক্রস মেসিং করার পরামর্শ দেন। পরে বন্ধন ব্লাড ব্যাংক থেকে জানানো হয়, রোগীর রক্তের গ্রুপ ‘ও’ পজিটিভ নয় বরং ‘এবি’ পজিটিভ। এ সময় দুঃশ্চিন্তায় পড়েন স্বজনরা। পরে আবারও রক্তের গ্রুপ নির্নয়ের জন্য দেশ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনেস্টিক সেন্টারে যান তারা। সেখানে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে জানা যায়, হালিমার রক্ত ‘এবি’ পজিটিভ। এভাবে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ে দিনভর হয়রানির শিকার হন ওই রোগীর স্বজনেরা। পরে সন্ধ্যার দিকে ‘এবি’ পজিটিভ রক্ত দেওয়া হয় রোগীকে।

রোগী হালিমা খাতুনের মেয়ে শিউলি আক্তার ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘আমার মায়ের রক্তের গ্রুপ নিয়ে বিপাকে পড়েছি। কারণ ডায়াবেটিক হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠানে ভুল রক্তের গ্রুপ নির্নয় করছে। তাদের ভুলে যদি আমার মায়ের কোনো কিছু হয়ে যেত তাহলে এর দায়ভার কে নিতো।’

রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কারী আবু বাসার রানা বলেন, ‘আসলে ভুল আমারই হয়েছে। আমি সঠিক সেবা দিতে পারিনি।’ এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি হয়নি তিনি।

এ বিষয়ে মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ সাদেকুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘আসলে এটি কম্পিউটার মিসটেক। এ ধরনের ভুল আসলে হয় না। তবে ছেলেটি যেহেতু কম বেতনে চাকরি করেন, তাকে নিয়ে নিউজ না করলেও তো হয় ভাই।’

পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের বলেন, ‘বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানলাম। তবে কেউ আমাদের অভিযোগ করেনি এখনও। প্রশাসনিক বিষয় আমি একা মনিটরিং করি না।‘

পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ’আপনার মাধ্যমে ঘটনাটি জানলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

তবে এ বিষয়ে জানতে পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোছা শুকরিয়া পারভীনকে ফোনে  কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

রনি মিয়াজী/খাদিজা রুমি/

নড়িয়ায় এলজিইডির অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১৯ এএম
নড়িয়ায় এলজিইডির অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কার্যালয়ে ঢুকে অফিস সহকারী তৌফিকুল ইসলামকে মারধর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী ওই অফিস সহকারী।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন দুপুরে নড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন অফিস সহকারী তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় কার্যলয়ে ঢুকে উপজেলা প্রকৌশলীর খোঁজ করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। তখন উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে নেই শুনে মতিউর রহমান সাগর ক্ষিপ্ত হয়ে  কর্মকর্তাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন।

বিষয়টি নিয়ে তৌফিকুল ইসলাম প্রতিবাদ করলে মতিউর রহমান সাগর নিজেকে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে তার শার্টের কলার ধরে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। এ ঘটনায় বুধবার (৮ জুলাই) থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী ওই অফিস সহায়ক।

ভুক্তভোগী তৌফিকুল ইসলাম বলেন, 'গত মাসের ২ তারিখে মতিউর রহমান সাগর অফিসে এসে কর্মকর্তাদের কথা জিজ্ঞেস করেন এবং অফিসে তারা না থাকায় তাদের গালমন্দ করেন। পরে আমি গালামন্দ করতে নিষেধ করায় আমার কলার ধরে চড়-থাপ্পর মারেন। এ ছাড়াও তিনি এ বিষয়ে মামলা না করার হুমকিও দেন।'

এদিকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি বলেন, 'মারধর তো দূরের কথা, আমি গত ৬ মাসেও উপজেলা কার্যালয়ে যাইনি।

এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, অফিসে গিয়ে মারধর ও হুমকির বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিধান মজুমদার/আজহার/