ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
প্রাথমিকের শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ রেফারি বিতর্ক উড়িয়ে দিলেন মরক্কোর কোচ ‘আমাকে শুধু বাজারটা দেখিয়ে দাও’ স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন আখাউড়ায় বৃষ্টির দিনে ছাতা উপহার প্রবাসী বিএনপি নেতার উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে গলাকেটে হত্যা চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, আশঙ্কাজনক মা পঞ্চগড় ডায়াবেটিক হাসপাতালে ভুল ব্লাড গ্রুপ রিপোর্ট, বিপাকে রোগী নড়িয়ায় এলজিইডির অফিস সহকারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা ফুঁসছে মুহুরি-কহুয়া-সিলোনিয়া, ফেনীতে বন্যার আশঙ্কা আপিল বিভাগের রায়ে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল মিসরকে অন্যায়ভাবে হারানো হয়েছে: জোহরান মামদানী আবারও ইরানে একের পর এক মার্কিন হামলা স্পেনকে হারিয়ে চমক দেখাতে চান কর্তোয়া টানা বৃষ্টিতে চবিতে সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সোনারগাঁয় চেকপোস্টের সামনে ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েল, মনে করেন ৩০ শতাংশ মার্কিন ইহুদি ঘুষ নেওয়ার অপরাধে চীনা সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ইউক্রেনের ড্রোন ঠেকাতে স্টারলিংকের সিগন্যাল জ্যাম করছে রাশিয়া ছোট সরালির কথা রামগতিতে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু একই সময়ে দিনের আলোয় বিশ্বের ৯৯ শতাংশ মানুষ বন্ধু তুমি শত্রু তুমি বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে চবিতে বিষধর সাপের দংশনের শিকার শিক্ষার্থী, জলাবদ্ধতায় ব্যাহত চিকিৎসা চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে সুফল মিলবে কবে? অশ্রুই মেসির জয়ের ভাষা

স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ এএম
স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৩ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা। গতকাল পর্যন্ত এর দাম ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বর্ণের সঙ্গে কমানো হয়েছে রুপার দামও। 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্তরা/

বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৫ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
বৈদ্যুতিক যান আমদানি ও উৎপাদনে নীতিমালা হচ্ছে
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সরকার দেশে প্লাগ-ইন হাইব্রিডসহ বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) চলাচলে গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এসব যানবাহন আমদানি ও উৎপাদনে খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে খসড়া নীতিমালায় কোন বিষয়গুলো আনা হবে, তা নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। 

এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইসিটি, ইনোভেশন ও পিআরজিআইএম) এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী খবরের কাগজকে বলেন, পরিবেশবান্ধব প্লাগ-ইন হাইব্রিডসহ ইভি চলাচলে গুরুত্ব বাড়িয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে খসড়া নীতিমালা করা হবে। আর এর জন্য আগামীকাল (আজ) আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। কোন বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়েও সবার মত চাওয়া হবে।  

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা খবরের কাগজকে বলেন, আগামীকালের (আজ) আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে বৈদ্যুতিক যানবাহন চলাচল বাড়ানোর ক্ষেত্রে চলমান সমস্যাগুলো কী, তা নিয়েও আলোচনা হবে। এসব সমস্যার সমাধানে করণীয় কী, তা জানতে চাওয়া হবে। চলতি বাজেটে সরকারের দেওয়া সুবিধাগুলো কিভাবে দ্রুত কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হবে।  
   
গাড়ি আমদানিকারক ও পরিবেশকরা বলছেন, বিকল্প জ্বালানিচালিত গাড়ির চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। আগামীতে বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে তা আধিপত্য বিস্তার করবে। 

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্পষ্ট নীতিমালা, কর-সুবিধা, সহজ অর্থায়ন এবং চার্জিং অবকাঠামোর দ্রুত সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা গেলে আগামী কয়েক বছরে দেশে প্লাগ-ইন হাইব্রিডসহ বৈদ্যুতিক যানবাহনের (ইভি) চাহিদা বাড়বে। সরকারকে এ বিষয়ে গুরুত্ব বাড়িয়ে বিভিন্ন সুবিধা দিতে হবে। এতে পরিবহন খাত আরও টেকসই ও পরিবেশবান্ধব হবে।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস্ ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সাবেক সভাপতি মো. হাবিবউল্লাহ ডন খবরের কাগজকে বলেন, পরিবেশবান্ধব যাতায়াতব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশ থেকে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ইভি ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্য নিয়ে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক এই যানগুলোকে স্বাগত জানানোর সময় এসেছে। কারণ আগামী ১৫ বছরের মধ্যে পুরো বিশ্ব জীবাশ্ম জ্বালানিতে চলা গাড়ির ব্যবহার ও উৎপাদন পর্যায়ক্রমে শেষ করবে। চলতি বাজেটেও বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানি ও উৎপাদনে গুরুত্ব দিয়ে শুল্ক-করে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবেন। 
 
ব্যবসায়ী এই নেতা আরও বলেন, বৈদ্যুতিক যান সংযোজন ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। শিল্প মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়িতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির নিবন্ধন দেওয়া শুরু হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর থেকে টেসলা ও পোর্শের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রায় ২০টি বৈদ্যুতিক গাড়ির নিবন্ধন করা হয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিতে (বিআরটিএ)। বর্তমানে দেশে আমদানি হওয়ায় মোট যাত্রীবাহী গাড়ির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই প্লাগ-ইন হাইব্রিড কিংবা হাইব্রিড গাড়ি। 

সূত্র জানায়, ইভি হলো এমন যানবাহন, যা পেট্রোল বা ডিজেলের পরিবর্তে ব্যাটারিতে সঞ্চিত বিদ্যুৎচালিত মোটরের মাধ্যমে চলে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পেট্রোল ও ডিজেলচালিত গাড়ি আমদানি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এবার এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৬০০ সিসি ক্ষমতার পেট্রোল ও ডিজেলচালিত কিছু আমদানি করা গাড়ির ওপর করভার বাড়ানো হয়েছে।

দেশের অন্যতম ব্যবসায়ী সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বৈদ্যুতিক যান জনপ্রিয় করার সবচেয়ে বড় বাধা চার্জিং স্টেশনের অভাব। এ ছাড়া উচ্চ মূল্য, অপর্যাপ্ত বাস ডিপো, দুর্বল ব্যাটারি নিরাপত্তা ও পুনর্ব্যবহার এবং বিনিয়োগ ফেরত আসায় অনিশ্চয়তাও এই খাতের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। 

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা, চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং প্রয়োজনীয় কর-নীতিতে সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলোতে সরকার কাজ করা শুরু করেছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি, প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি এবং চার্জিং স্টেশন-সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক-কর কমানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী খবরের কাগজকে বলেন, প্লাগ-ইন হাইব্রিডসহ বৈদ্যুতিক যানবাহন চলাচলে উৎসাহিত করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশব্যাপী চার্জিং নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চার্জার এবং চার্জিং স্টেশনের যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে মোট করভার ৩৯.৭৫% থেকে কমিয়ে একদম শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। সৌর বিদ্যুৎ খাতের ওপর ২০৩৫ সাল পর্যন্ত শূন্য কর হার সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যাতে নবায়নযোগ্য শক্তি দিয়ে এই চার্জিং স্টেশনগুলো চালানো যাবে।

সূত্র আরও জানায়, ইভি চার্জারের আমদানি শুল্ক ৩৯.৭৫% থেকে ১%-এ হ্রাস, ইভি নিবন্ধনে অগ্রিম আয়কর কমানো, ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ির জন্য অটো ঋণের সীমা ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে সংযোজিত ইভির ওপর ভ্যাট মওকুফের মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানো অন্তর্ভুক্ত।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলারে বলা হয়, দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে অটো লোনে নতুন সুবিধা দেওয়া হয়েছে।  বৈদ্যুতিক এবং হাইব্রিড গাড়ি কিনতে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।    

৮ জুলাই মুদ্রা বাজার: বেড়েছে কানাডিয়ান ডলার, ইন্ডিয়ান রুপির দাম

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
৮ জুলাই মুদ্রা বাজার: বেড়েছে কানাডিয়ান ডলার, ইন্ডিয়ান রুপির দাম
ছবি: সংগৃহীত

দিন দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ ছাড়াও পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভ্রমণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে আমাদের দেশের মুদ্রা বিনিময় করতে হয়।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। আমরা প্রতিদিন সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরছি। আরও বিস্তারিত জানতে স্থানীয় ব্যাংক বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা তাদের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে।

মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা) বাড়ল/কমল
ইউএস ডলার     122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত) 122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত) --
ইউরো     140.18 140.22 -0.35
ব্রিটেন পাউন্ড     164.02 164.12 -0.42
অস্ট্রেলিয়ান ডলার     85.11 85.12 -0.29
জাপানি ইয়েন 0.7578 0.7579 -0.0001
কানাডিয়ান ডলার 86.50 86.52 +0.04
সুইস ক্রোনা 12.66 12.67 -0.1
সিঙ্গাপুর ডলার 94.99 95.07 -0.01
চায়না ইউয়ান     18.0558 18.0569 -0.0247
ইন্ডিয়ান রুপি     1.2934 1.2937 +0.0058
সৌদি রিয়াল 32.66 32.96 -0.01
আরব আমিরাত দিরহাম 33.40 33.68 -0.01

সূত্র: (বাংলাদেশ ব্যাংক)

রিফাত/

বড় মূলধনি শেয়ারে পতন, কমেছে সূচক ও লেনদেন

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৪ এএম
বড় মূলধনি শেয়ারে পতন, কমেছে সূচক ও লেনদেন
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে বড় মূলধনি ও ভালো মানের কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সূচকের পাশাপাশি বাজারটিতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। তবে প্রধান শেয়ারবাজারে মন্দাভাব থাকলেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সেখানে সূচক ও লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। তবে লেনদেনের শেষভাগে এসে চিত্র বদলে যায়। বড় মূলধনের বেশির ভাগ ভালো কোম্পানির শেয়ারের বিক্রির চাপ বাড়ায় শেষ পর্যন্ত দরপতনের তালিকাটিই দীর্ঘ হয়, যার চূড়ান্ত প্রভাব পড়ে সূচকে।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৭টির দাম বেড়েছে, বিপরীতে ২১টির দাম কমেছে এবং ২টি অপরিবর্তিত ছিল। মূলত এই ভালো কোম্পানিগুলোর দরপতনই সূচককে টেনে নিচে নামিয়েছে।

ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৮১ পয়েন্টে নেমেছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সূচকের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। গতকাল বাজারটিতে মোট ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের (১ হাজার ৪১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা) চেয়ে ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা কম।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটির মোট ৫০ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা মালেক স্পিনিং ও ব্র্যাক ব্যাংকের লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে ৪৬ কোটি ৩৪ লাখ ও ৪৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। লেনদেনের শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো অ্যাপেক্স স্পিনিং, আইটি কনসালট্যান্টস, সিমটেক্স, ড্রাগন সোয়েটার, বেক্সিমকো, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট।

এদিন ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ডটির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ বা ৪ পয়সা বেড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে মিউচুয়াল ফান্ড খাত গতকাল বেশ চাঙা ছিল; তালিকাভুক্ত ফান্ডগুলোর মধ্যে ৩২টির দাম বেড়েছে এবং কমেছে মাত্র ১টির।

অন্যদিকে দরপতনের শীর্ষে ছিল ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বা ১ পয়সা কমেছে। সমান ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ দর হারিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। এ ছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারের দর কমেছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।

এদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৪২ পয়েন্ট বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৯টির দাম বেড়েছে, ১০০টির কমেছে এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দিন শেষে সিএসইতে মোট ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্প বেসরকারি খাতে দিচ্ছে সরকার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্প বেসরকারি খাতে দিচ্ছে সরকার
ছবি: খবরের কাগজ

দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে আছে, উৎপাদনে নেই ও অব্যবস্থাপনার কারণে বন্ধ বা অচল হয়ে পড়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত অসংখ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানকে অর্থনীতির মূলধারায় ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিল্প এলাকার আকার হচ্ছে ৩০ হাজার বিঘার বেশি জমি। 

এ উদ্যোগে প্রায় ৫৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকার সম্ভাব্য বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি হয়েছে। যা দেশের শিল্পায়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করছে বাংলাদেশ সরকার। বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার যৌথ উদ্যোগ (জেভি), পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এবং দীর্ঘমেয়াদি লিজিং–এই তিন মডেল প্রস্তাব করছে। এ ব্যাপারে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো কাঠামোবদ্ধ ও সমন্বিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদে দেশি ও বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, যা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের কাজ ব্যবসা পরিচালনা নয়, বরং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। এ জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলোকে অলস ফেলে রাখার সময় শেষ। বিদ্যমান অবকাঠামো, শিল্পভিত্তিক জনবল এবং কৌশলগত অবস্থান কাজে লাগিয়ে এগুলোকে আবারও উৎপাদনমুখী করা সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য, এসব ব্রাউনফিল্ড সম্পদকে নতুন প্রযুক্তি ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এমন শিল্পে রূপান্তর করা, যা একদিকে আমদানি নির্ভরতা কমাবে, অন্যদিকে রপ্তানি সক্ষমতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পায়নের নতুন ভিত্তি তৈরি করবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) ও বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করেছে। 

বিডার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে স্টেট ওউন ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও; যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক অবস্থা প্রকাশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। বিনিয়োগের জন্য চিহ্নিত স্থাপনাগুলোর বড় অংশই দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত। এগুলো কেবল খালি জমি নয় বরং বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগসহ পূর্ণাঙ্গ শিল্প অবকাঠামোসমৃদ্ধ ব্রাউনফিল্ড সম্পদ। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি সংযোগ বা অবকাঠামো নির্মাণে সময় ও অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।

বিনিয়োগকারীরা প্রস্তুত অবকাঠামো বা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ সুবিধা ব্যবহার করে দ্রুত উৎপাদনে যেতে পারবেন। বিনিয়োগের সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকছে না কেবল ঐতিহ্যগত শিল্পে। কেমিক্যাল, সার, ইস্পাত, বস্ত্র, চিনি, পাট ও খাদ্যশিল্পের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যান (ইভি), লিথিয়াম ব্যাটারি, সেমি কন্ডাক্টর, মাইক্রোচিপ, এপিআই, সোলার গ্লাস, সোলার প্যানেল, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড স্টোরেজ, লজিস্টিক হাব, আধুনিক কাগজ শিল্প এবং পরিবেশবান্ধব ভারী শিল্পেও বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনেই সবচেয়ে বড় শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কারণ খুলনার নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিলস কমপ্লেক্সে ৪৭.২৭৫ একর জমির আর্থিক মূল্য ধরা হয়েছে ৫৬৪.৯৬ কোটি টাকা। চট্টগ্রাম কেমিক্যাল কমপ্লেক্সের ৯১.১৯ একর জমির মূল্য ১৯০.৮১ কোটি টাকা এবং সাভারের ঢাকা লেদার কোম্পানির ১৮ একর জমির মূল্য ২৬৪.১৬ কোটি টাকা।

এ ছাড়া আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানির ১৯৭ একর, কর্ণফুলী পেপার মিলসের এক হাজার ৭০০ একরের বেশি জমি এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অব্যবহৃত শিল্প ভূমি নতুন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতাধীন চিনিকলগুলোতেও বড় ধরনের রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো বর্তমানে দেশের মোট চিনির চাহিদার মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ সরবরাহ করতে পারছে। এই সীমাবদ্ধতাকে সুযোগ হিসেবে দেখছে সরকার। কারণ শুধু সেতাবগঞ্জ সুগার মিলসের জমির পরিমাণই প্রায় ৩ হাজার ৮৬০ একর ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিলসের রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৮৮৭ একর জমি। রাজশাহী সুগার মিলও গড়ে উঠেছে ২৩০ একর জায়গায়। আম অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে আম প্রক্রিয়াকরণ, জুস, জেলি, রপ্তানিমুখী খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়া সম্ভব।  

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের (বিএসইসি) আওতায়ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজে বৈদ্যুতিক যানবাহন ও সিকেডি অ্যাসেম্বলি, জেমকোতে পাওয়ার ট্রান্সফর্মার উৎপাদন, অ্যাটলাস বাংলাদেশে ইভি টু-হুইলার ও ব্যাটারি সংযোজন শিল্প স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে বগুড়ায় ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে বছরে ৩ লাখ টন উৎপাদনক্ষম পরিবেশবান্ধব আধুনিক স্টিল মিল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা উত্তরাঞ্চলের প্রথম বৃহৎ স্টিল শিল্প হতে পারে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল ও বস্ত্রকলগুলোতেও বড় ধরনের সংস্কার শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি লিজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪টি মিল বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি পরিচালনা করছে বিদেশি বিনিয়োগকারী। অন্যদিকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের জন্য নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটি মিল এরই মধ্যে বেসরকারি অংশীদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সরকার যৌথ উদ্যোগ (জেভি), পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এবং দীর্ঘমেয়াদি লিজিং–এই তিন মডেল প্রস্তাব করছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে ইক্যুইটি হিসেবে দেবে, আর বেসরকারি অংশীদাররা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করবে। পিপিপি’র আওতায় ৩০ বছর মেয়াদি নবায়নযোগ্য চুক্তি, ভ্যাট সুবিধা এবং ৩৬ মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। লিজ মডেলেও দীর্ঘমেয়াদি সময়, দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ এবং দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার
ইউএস ডলার। ছবি: সংগৃহীত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাঈম/