ঢাকা ২২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলা কিউআর প্রচারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের র‌্যালি শেরপুরে শাশুড়ির ভরসায় পরীক্ষা দিলেন পুত্রবধূ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজের সুযোগ স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় জিডি করতে এলেন স্বামী, তারপর... দারাজে ৭.৭ সুপার সেভিংস সেল: বিশাল ছাড়, জ্যাকপট পুরস্কার ও কেনাকাটার দারুণ সুযোগ হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সাঙ্গু নদীর উজানে ভ্রমণে সতর্কতা, আটকা দেড় শতাধিক পর্যটক নিম্নচাপের প্রভাবে হাতিয়ায় ফিরেছে শত শত মাছ ধরার ট্রলার পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র আজ বিশ্ব চুমু দিবস মেঘদূতের বার্তা নিয়ে আসে কদম চাঁদপুরে শর্টগান ও ১২ রাউন্ড গুলি জব্দ ঈশ্বরদীতে র‍্যাবের অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র জব্দ, গ্রেপ্তার ৪ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের ক্রিশ্চিয়ান সার্ভিস সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ, পদ ৩৫০ ঈশ্বরগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনি বাধা নেই: রুমিন ফারহানা গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৪ ইয়ামাল জানালেন তার কঠিন প্রতিপক্ষের নাম ধামরাইয়ে গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএসের গোলাগুলি, ৩ জন নিহত চারঘাট-বাঘায় কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না: এমপি চাঁদ চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় শ্রীলঙ্কায় কারাগারে সংঘর্ষে নিহত ২৫, আহত শতাধিক ইনডোর প্লেগ্রাউন্ডগুলোর কাছে একজন মায়ের অনুরোধ বাঁশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ যুবকের মৃত্যু মৃত্যুর পর মরদেহ এফডিসিতে না নেওয়ার অনুরোধ রোজিনার পূর্বপ্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি শিক্ষার উন্নয়নে সর্বোচ্চ কাজ করব: এমপি হাবীবা নওগাঁয় ছেলের হাতে বাবা খুন

চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়
ছবিঃ খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ট্রেড স্পেশালিস্ট সত্যপ্রসাদ সাহুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (ডিজিটাল পোর্টস ও মেরিটাইম ইনফ্রাস্ট্রাকচার) পাসকাল অলিভিয়ের, কনসালট্যান্ট (পোর্টস ও মেরিটাইম লজিস্টিক্স) আহমেদুল করিম চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন মো. নাসির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বন্দর ও সামুদ্রিক লজিস্টিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যবসার ব্যয় হ্রাস, পণ্য খালাসে সময় কমানো এবং সাপ্লাই চেইনের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘পোর্ট ও মেরিটাইম ট্রেড লজিস্টিক ডিজিটালাইজেশন’ করা গেলে বাংলাদেশের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস উন্নত হলে এবং কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমলে এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি সম্পন্ন বন্দর ও কাস্টমস এবং লজিস্টিক্স ব্যবস্থাপনা কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াবে না বরং আন্তর্জাতিক মানের ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন নিশ্চিত করবে। 

চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে বন্দরের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ি কাস্টমস সিস্টেমও আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম, পেপারলেস ট্রেড, ই-পেমেন্ট এবং সমন্বিত ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা গেলে কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, শিপিংলাইন, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স ও ব্যবসায়ীদের মাঝে দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা যাবে।

সিনিয়র ট্রেড স্পেশালিস্ট সত্য প্রসাদ সাহু বলেন, পোর্ট অ্যান্ড মেরিটাইম ট্রেড লজিস্টিক্স ডিজিটালাইজেশন মূলত পোর্ট ও মেরিটাইম সাপ্লাইচেইনের আধুনিকায়ন। ডিজিটাল ট্রেড লজিস্টিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম কমবে, কন্টেইনার জট কমবে, ব্যবসার লেনদেন ব্যয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক লজিস্টিক্স পারফরম্যান্স ইনডেক্স এ বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত হবে। 

সিনিয়র কনসালট্যান্ট পাসকাল অলিভিয়ের বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দরগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন, আইওটি, বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস, স্মার্ট কার্গো ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় অপারেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে বন্দর ও মেরিটাইম লজিস্টিক্স পরিচালিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এই ধরণের পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম নেই। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম গড়ে তোলা গেলে ব্যবসা-সংক্রান্ত সব স্তরের স্টেকহোল্ডাদের একই ছাতার নিচে আনা সম্ভব হবে।

ইফতেখারুল ইসলাম/অদিতি/

চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়
ছবিঃ খবরের কাগজ

চট্টগ্রামে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ট্রেড স্পেশালিস্ট সত্যপ্রসাদ সাহুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (ডিজিটাল পোর্টস ও মেরিটাইম ইনফ্রাস্ট্রাকচার) পাসকাল অলিভিয়ের, কনসালট্যান্ট (পোর্টস ও মেরিটাইম লজিস্টিক্স) আহমেদুল করিম চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন মো. নাসির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বন্দর ও সামুদ্রিক লজিস্টিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যবসার ব্যয় হ্রাস, পণ্য খালাসে সময় কমানো এবং সাপ্লাই চেইনের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘পোর্ট ও মেরিটাইম ট্রেড লজিস্টিক ডিজিটালাইজেশন’ করা গেলে বাংলাদেশের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস উন্নত হলে এবং কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমলে এই অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি সম্পন্ন বন্দর ও কাস্টমস এবং লজিস্টিক্স ব্যবস্থাপনা কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াবে না বরং আন্তর্জাতিক মানের ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন নিশ্চিত করবে। 

চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে বন্দরের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ি কাস্টমস সিস্টেমও আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম, পেপারলেস ট্রেড, ই-পেমেন্ট এবং সমন্বিত ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা গেলে কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, শিপিংলাইন, ব্যাংক, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স ও ব্যবসায়ীদের মাঝে দ্রুত ও নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করা যাবে।

সিনিয়র ট্রেড স্পেশালিস্ট সত্য প্রসাদ সাহু বলেন, পোর্ট অ্যান্ড মেরিটাইম ট্রেড লজিস্টিক্স ডিজিটালাইজেশন মূলত পোর্ট ও মেরিটাইম সাপ্লাইচেইনের আধুনিকায়ন। ডিজিটাল ট্রেড লজিস্টিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম কমবে, কন্টেইনার জট কমবে, ব্যবসার লেনদেন ব্যয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক লজিস্টিক্স পারফরম্যান্স ইনডেক্স এ বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত হবে। 

সিনিয়র কনসালট্যান্ট পাসকাল অলিভিয়ের বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দরগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন, আইওটি, বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস, স্মার্ট কার্গো ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় অপারেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেমের মাধ্যমে বন্দর ও মেরিটাইম লজিস্টিক্স পরিচালিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এই ধরণের পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম নেই। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম গড়ে তোলা গেলে ব্যবসা-সংক্রান্ত সব স্তরের স্টেকহোল্ডাদের একই ছাতার নিচে আনা সম্ভব হবে।

ইফতেখারুল ইসলাম/অদিতি/

কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত এখন?

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত এখন?
ছবি: সংগৃহীত

টানা ২ দফা বাড়ানোর পর এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

অন্তরা/

উত্থানে শেয়ারবাজার

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৯ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
উত্থানে শেয়ারবাজার
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

নতুন অর্থবছরের প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে দরপতন হলেও দ্বিতীয় কার্যদিবসে গতকাল রবিবার বড় উত্থান হয়েছে। এই উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে জ্বালানি ও অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। সেই সঙ্গে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোও শেয়ারবাজারের বড় উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

জ্বালানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বস্ত্র কোম্পানির ওপর ভর করে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেই সঙ্গে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি লেনদেন বেড়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। বেড়েছে মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। তবে আধা ঘণ্টার মধ্যে দাম কমার তালিকা বড় হয়। এতে সূচকও কিছুটা ঋণাত্মক হয়ে পড়ে।

এ পরিস্থিতিতে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো। সেই সঙ্গে জ্বালানি ও বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে। এতে সূচকও ঋণাত্মক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে, যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। দাম কমেছে ১৫৩টির এবং ৫৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে আর্থিক খাতের ১৮টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে এবং ৪টির দাম কমেছে। জ্বালানি খাতের ১৮টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে দাম কমেছে ৩টির। বস্ত্র খাতের ৩২টির শেয়ার দাম বেড়েছে এবং ১৮টির দাম কমেছে।

এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৯২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। ৭৫টির দাম কমেছে এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৪২টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ২৮টির এবং ৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪৩টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৫০টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ১১টির দাম বেড়েছে। ৭টির দাম কমেছে এবং ১৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স তার আগের দিনের তুলনায় ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক তার আগের দিনের তুলনায় ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৯১ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৪৩৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। লেনদেন বেড়েছে ৯০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ২৬ লাখ টাকার। ৪০ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো।

এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- আইপিডিসি ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, আইটি কনসালটেন্টস, ফারইস্ট নিটিং, শাহাজিবাজার পাওয়ার এবং বিএসআরএম স্টিল।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মাঝে দাম বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসের। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৪ টাকা ২ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ড্রাগন সোয়টার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডে দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।

এ ছাড়া ডিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো – প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইস্টার্ন ক্যাবলস, ক্রাউন সিমেন্ট, এম.এল ডাইং, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসি এবং ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড।

এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মাঝে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ২০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। তৃতীয় স্থানে থাকা জিল বাংলা সুগার মিলস্‌ লিমিটেডের শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে।

এ ছাড়া ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস্‌, সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড, মাইডাস ফাইন্যান্স, শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, শাইনপুকুর সিরামিক্স, প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্স এবং প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং মিলস্‌ লিমিটেড।

অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৯৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪২টির দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৯৬টির এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

কূটনৈতিক টানাপড়েনে আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি আয়ে ভাটা

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৩ এএম
আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৬ এএম
কূটনৈতিক টানাপড়েনে আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি আয়ে ভাটা
ছবি: সংগৃহীত

সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি আয় বেড়েছে মাত্র ৯ কোটি ৬৮ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৯ টাকা। এ ছাড়া অনিয়মিত পণ্য আমদানির কারণে রাজস্ব আয়ও কমেছে। মূলত, জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপড়েনের জেরে বাংলাদেশ থেকে উচ্চ চাহিদসম্পন্ন বেশ কয়েকটি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার, যার প্রভাব পড়ে আখাউড়া স্থলবন্দরের রপ্তানি বাণিজ্যে। ফলে সামগ্রিকভাবে বন্দরের রপ্তানি আয় আশানুরূপ বাড়েনি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চলছে। আমদানির চেয়ে রপ্তানি তুলনামূলক বেশি হওয়ায় রপ্তানিমুখী বন্দর হিসেবে বিবেচিত হয় আখাউড়া স্থলবন্দর। প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, রড, সিমেন্ট, ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়। যদিও বন্দরের সূচনালগ্নে রপ্তানি পণ্যের তালিকা দীর্ঘ ছিল। বর্তমানে রপ্তানি হওয়া পণ্যের প্রায় অর্ধেকই হিমায়িত মাছ। রপ্তানিকৃত পণ্য ত্রিপুরার আগরতলা স্থলবন্দর হয়ে সরবরাহ করা হয় দেশটির উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে।

তবে ব্যবসায়ীদের অনীহায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো পণ্যই আমদানি হয়নি। এ কারণে রাজস্ব আয় কমে গেছে। পণ্য আমদানি অনিয়মিত হওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানির অনুমতি রয়েছে, তার অধিকাংশই ত্রিপুরার বাইরের রাজ্য থেকে আনতে হয়। যার ফলে আমদানি খরচ মিটিয়ে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা করা যায় না।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছে ৫২৪ কোটি ২ লাখ ৮৯ হাজার ২৩৮ টাকার পণ্য। রপ্তানি পণ্যের তালিকায় ছিল হিমায়িত মাছ, সিমেন্ট, শুঁটকি, আটা-ময়দা, ভোজ্যতেলসহ কয়েকটি পণ্য। আর বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ৫১৪ কোটি ৩৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯ টাকার পণ্য।

অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থছরে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪০ টাকার চাল, আগরবাতি ও জিরা। এ থেকে সরকারের রাজস্ব এসেছে ৭১ লাখ ৩২ হাজার ৫৯৩ টাকা। আর বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৭ কোটি ৩১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫৯ টাকার জিরা, ডাল ও কাজু বাদাম। ওই অর্থবছরে আমদানি পণ্য থেকে রাজস্ব আসে ৪ কোটি ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৯ টাকা।

মূলত, ২০২৫ সালের ১৭ মে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকটি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার। এক বছরের বেশি সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি। ফলে আখাউড়া স্থলবন্দরে পণ্য রপ্তানি কমেছে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক রাজীব উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ভারতের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা প্লাস্টিক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফলের স্বাদযুক্ত জুস, পিভিসিসামগ্রী এবং তুলার মতো উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন পণ্য রপ্তানি করতে না পারায় বন্দরের রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মূলত, হিমায়িত মাছের পর সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হতো প্লাস্টিক, প্রক্রিয়াজত খাবার ও পিভিসিসামগ্রী।

বন্দরের আরেক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন জানান, পণ্য আমদানি বাড়াতে হলে স্থানীয় বাজারে যখন যে পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে, সেই পণ্য আমদানির অনুমতি দিতে হবে। অন্যথায় পণ্য আমদানি বাড়া বা নিয়মিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ দিনের পর দিন লোকসান দিয়ে কেউ পণ্য আমদানি করবেন না।

আখাউড়া স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নিছার উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে যে টানাপড়েন ছিল, তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে। তবে আমরা আশা করেছিলাম নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত আমদানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। কিন্তু সেটি না করায় এবার আমাদের রপ্তানি আয় আশানুরূপভাবে বাড়েনি। আমাদের দাবি থাকবে, দুই দেশের সরকার আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নিষেধাজ্ঞাটি প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করবে।’

এ বিষয়ে আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাদরুল হাসান চৌধুরী জানান, পণ্য আমদানি অনিয়মিত হওয়ার কারণে রাজস্ব আয় কিছুটা কমেছে। তবে আমদানি-রপ্তানি বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদর সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে থাকে শুল্ক কর্তৃপক্ষ। আর ব্যবসায়ীদের সব পণ্য আমদানির অনুমতি দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। 

জুলাইয়ের প্রথম ৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
জুলাইয়ের প্রথম ৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ডলার
ছবি: সংগৃহীত

চলতি জুলাই মাসের প্রথম ৪ দিনে দেশে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। 

রবিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার।

বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।

রিফাত/