জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি লাভকারী এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণকারী অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
তিনি বলেন, শুধু মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া ব্যক্তিরাই নন, ভুয়া পরিচয়ে রাষ্ট্রের অন্যান্য সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিনে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের উত্থাপিত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আহমেদ আজম খান বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধা কোটায় জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে। একই সঙ্গে যারা ভুয়া পরিচয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ৭৯ হাজার অমুক্তিযোদ্ধার তথ্যই চূড়ান্ত নয়; প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে। এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহিদের সংখ্যা নিয়ে অতীতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ধরনের বিতর্কের কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও তৎকালীন সরকার মামলা করেছিল।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষায় কোনও ধরনের অনিয়ম বা জালিয়াতি বরদাস্ত করা হবে না। সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এলিস/নাঈম