ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
স্বাস্থ্যসেবায় নতুন ধারণা দিচ্ছে ডক্টরস২৪ মিসর-আর্জেন্টিনা ম্যাচের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে রেফারিদের পাশে কলিনা বর্ষায় সঙ্গে রাখতে হবে যেসব জিনিস পর্তুগালের নতুন কোচ হতে যাচ্ছেন জর্জ জেসুস! আলমডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মধ্যেও স্থিতিশীল: এডিবি আগামী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় ওষুধের কার্যকারিতা নারীর মুড সুইংয়ের বৈজ্ঞানিক কারণ পরিবেশ ও জাতীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রকৃতির কোলে এক নির্মল জলভূমি সিরাজগ‌ঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১০ নারীরা কেন এত ক্লান্ত? অদৃশ্য শ্রম ও মানসিক চাপের বোঝা সুনামগঞ্জে বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড বান্দরবানে পাহাড়ধসে পৃথক দুই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু সারোয়ার আলমগীরের শপথে বাধা নেই: হাইকোর্ট ফেনীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সিংড়ায় মাছ শিকারে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল যুবকের ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন রেললাইনকে ৫ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী ঝিনাইদহে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন মৌলভীবাজারে বেড়েছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা পার্বতীপুরে বিলের জন্য সন্তানহারা প্রসূতিকে আটকে রাখার অভিযোগ কাশিয়ানীতে ওয়াকিটকিসহ প্রতারক গ্রেপ্তার মাঝ আকাশে প্রশিক্ষকের আত্মহত্যা, বিমান অবতরণ শিক্ষানবীসের বেরোবিতে আবদুল হাই শিকদারের ১০ হাজার বই সংরক্ষণের ইউজিসির উদ্যোগ দুর্ভোগ লাঘবে জরুরি ব্যবস্থা নিন পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা মতলবে ৭ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে হামলা, নিহত ৩

ভূমিদস্যু মামুন-জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে: চসিক মেয়র

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ভূমিদস্যু মামুন-জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে: চসিক মেয়র
পাহাড় কাটার চিত্র। ছবি: খবরের কাগজ

আওয়ামী লীগের আমলে ভূমিদস্যু সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিনের ভাগ্নে মামুন ও সাবেক কাউন্সিলর জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর দেড়টায় চশমা হিল মেয়র গলির এয়াকুব আলী মসজিদের শেষ মাথায় বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাহাড়ধসের স্থান পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় তিনি পাহাড়ধসে মারা যাওয়া শিশু সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। 

পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, ‘এর আগে অনেকে পাহাড় কেটেছে। সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর ভাগিনা মামুন পাহাড় কেটে এখানে অনেক বসতি করেছে। অপরদিকে নগরের আকবরশাহ এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর জসিম পাহাড় কেটেছে। এ ধরণের অবৈধ কাজ করেছে। আমরা চাই না এ ধরনের সন্ত্রাসী মামুন বা জসিমের আর কোন জন্ম হোক‘’

তিনি বলেন, গত ১৮ থেকে ২০ মাস আমি মেয়র হয়েছি, আপনারা দেখেছেন কোনো ধরণের পাহাড় আমরা কাটতে দিইনি। এখনও আমরা বদ্ধপরিকর, কাউকে পাহাড় কাটতে দেব না। পাহাড় কাটার কোো প্রমাণ কেউ যদি আমাদের দিতে পারেন, সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএফআরআইয়ের পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে ছোট ছোট কলোনি গড়ে উঠেছে। একেকটি কলোনিতে কয়েকটি পরিবার বসবাস করে। তারাই ধীরে ধীরে পাহাড় কাটেন। পাহাড়ের নিচের অংশ এমনভাবে কেটে দেওয়া হয়, যাতে বর্ষাকালে একটু ভারী বৃষ্টি হলেই তা ধসে পড়ে। এভাবে বিএফআরআইয়ের পাহাড়টি ক্রমান্বয়ে সংকুচিত করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা  জানায়, পাহাড়টি শহরের প্রাণকেন্দ্রে হওয়ায় এর প্রতি অনেকের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে। নিম্ন আয়ের লোকজন এখানে বসবাস করে সহজেই কাজে যেতে পারেন। বিএফআরআই প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাহাড়ের চারপাশে অবৈধ দখলদারের উৎপাত শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে পাহাড়ের চারপাশে বহুতল ভবনের সংখ্যা বাড়ছে।

অতীতে দেখা গেছে, বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাহাড় ধ্বংসের সঙ্গে সংস্থাটির কতিপয় কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। এদের অনেকেই অবসরে গেছেন। এ কারণে নির্বিঘ্নে পাহাড় কেটে বসতঘর নির্মাণ করতে পেরেছে অবৈধ দখলদাররা। ৫ আগস্টের পর দেশের অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। অনেক রাজনৈতিক নেতা দেশ ছেড়েছেন। কেউ আত্মগোপনে চলে গেছেন। কিন্তু বিএফআরআইয়ের পাহাড়ের অবৈধ দখলদাররা এখনো রয়ে গেছে। 

ইফতেখারুল ইসলাম/আজহার/

আগামী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
আগামী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানো আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে তত্ত্বাবধায়ক নাকি অন্তবর্তী সরকার থাকবে, সব শ্রেণীর মানুষের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত হবে।’ 

জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়েই সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে যা যা করা দরকার সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘রায়ে ৫৪টি বিষয়ে বলা হয়েছে, জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়ে ৫৪টি বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে। এছাড়া এই রায়ে অন্তত চারটি বিষয়ে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং জন আকাঙ্ক্ষা সামনে রেখেই রায় বাস্তবায়ন করা হবে। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন উত্থাপন করা হবে।’

এর আগে এদিন সকালে বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ আদেশের ফলে সংবিধানে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

গত ৩ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা হয়। আপিলে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরোটা বাতিল চাওয়া হয়।

রিটকারী সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এ আপিল করেন।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনেন ঊচ্চ আদালত। তবে পঞ্চদশ সংশোধনী পুরোটা বাতিল করা হয়নি এ রায়ে।

অন্তরা/

পরিবেশ ও জাতীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪১ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
পরিবেশ ও জাতীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন। ছবি: বাসস

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ দুই আয়োজনের উদ্বোধন করেন তিনি।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকেও পাঠ করা হয়। এরপর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে বর্তমান সরকারের সাফল্য নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করেন। এছাড়া সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী একটি করে জলপাই, জারুল ও নিম গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত জাতীয় বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

পরিবেশ সংরক্ষণ, বন সম্প্রসারণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীতে পরিবেশ মেলা ও মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি সাতটি বিভাগীয় শহরে ১৫ দিনব্যাপী, ৫৬টি জেলা সদরে সাত দিনব্যাপী এবং ২৯টি উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ঢাকার জাতীয় বৃক্ষমেলায় অংশ নিয়েছে ১২০টি স্টল।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। 

এ কর্মসূচির আওতায় জিআইএস, রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রি ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় সাড়ে তিন লাখ নতুন সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশে বৃক্ষরোপণকে রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৯ সালে তার উদ্যোগেই দেশের প্রথম জাতীয় বননীতি প্রণয়ন করা হয়।

পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা করেন এবং সামাজিক বনায়নের সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই বনায়ন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

এর আগে গত ১৩ জুন কক্সবাজারের চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে একটি গর্জন গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজহার/

ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন রেললাইনকে ৫ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন রেললাইনকে ৫ ফুট উঁচু করা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী
ছবিঃ খবরের কাগজ

জলাবদ্ধতার মধ্যেও ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখতে ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন রেললাইনকে পাঁচ ফুট উঁচু করা হবে বলে জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

বুধবার (৮ জুলাই) নগরীর ষোলশহর এলাকার রেললাইন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ষোলশহর-জানালীহাট সেকশন লাইনটি আরও পাঁচ ফুট উঁচু করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইনের কাজ করা হবে। রেলপথ উঁচু হলে পানি বাড়লেও রেল চলাচলে আর সমস্যা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রামে দুদিন ধরে রেকর্ড বৃষ্টি হচ্ছে। গত ৪৫ বছরে এত বৃষ্টিপাত হয়নি। বৃষ্টিতে রেললাইন কী পরিমাণ ডুবে যাচ্ছে সেটির রেকর্ড রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো রেললাইন উঁচু করা, যাতে ভারী বৃষ্টি হলেও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত না হয়।

তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও টানা ভারী বর্ষণের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে কক্সবাজার রেললাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন প্রমুখ।

ইফতেখারুল ইসলাম/অদিতি/

ভূমিদস্যু মামুন-জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে: চসিক মেয়র

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ভূমিদস্যু মামুন-জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে: চসিক মেয়র
পাহাড় কাটার চিত্র। ছবি: খবরের কাগজ

আওয়ামী লীগের আমলে ভূমিদস্যু সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিনের ভাগ্নে মামুন ও সাবেক কাউন্সিলর জসিম পাহাড়ের সীমাহীন ক্ষতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। 

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর দেড়টায় চশমা হিল মেয়র গলির এয়াকুব আলী মসজিদের শেষ মাথায় বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাহাড়ধসের স্থান পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় তিনি পাহাড়ধসে মারা যাওয়া শিশু সুমাইয়ার পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন। 

পাহাড়ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, ‘এর আগে অনেকে পাহাড় কেটেছে। সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর ভাগিনা মামুন পাহাড় কেটে এখানে অনেক বসতি করেছে। অপরদিকে নগরের আকবরশাহ এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর জসিম পাহাড় কেটেছে। এ ধরণের অবৈধ কাজ করেছে। আমরা চাই না এ ধরনের সন্ত্রাসী মামুন বা জসিমের আর কোন জন্ম হোক‘’

তিনি বলেন, গত ১৮ থেকে ২০ মাস আমি মেয়র হয়েছি, আপনারা দেখেছেন কোনো ধরণের পাহাড় আমরা কাটতে দিইনি। এখনও আমরা বদ্ধপরিকর, কাউকে পাহাড় কাটতে দেব না। পাহাড় কাটার কোো প্রমাণ কেউ যদি আমাদের দিতে পারেন, সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএফআরআইয়ের পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে ছোট ছোট কলোনি গড়ে উঠেছে। একেকটি কলোনিতে কয়েকটি পরিবার বসবাস করে। তারাই ধীরে ধীরে পাহাড় কাটেন। পাহাড়ের নিচের অংশ এমনভাবে কেটে দেওয়া হয়, যাতে বর্ষাকালে একটু ভারী বৃষ্টি হলেই তা ধসে পড়ে। এভাবে বিএফআরআইয়ের পাহাড়টি ক্রমান্বয়ে সংকুচিত করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা  জানায়, পাহাড়টি শহরের প্রাণকেন্দ্রে হওয়ায় এর প্রতি অনেকের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে। নিম্ন আয়ের লোকজন এখানে বসবাস করে সহজেই কাজে যেতে পারেন। বিএফআরআই প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাহাড়ের চারপাশে অবৈধ দখলদারের উৎপাত শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে পাহাড়ের চারপাশে বহুতল ভবনের সংখ্যা বাড়ছে।

অতীতে দেখা গেছে, বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাহাড় ধ্বংসের সঙ্গে সংস্থাটির কতিপয় কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন। এদের অনেকেই অবসরে গেছেন। এ কারণে নির্বিঘ্নে পাহাড় কেটে বসতঘর নির্মাণ করতে পেরেছে অবৈধ দখলদাররা। ৫ আগস্টের পর দেশের অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। অনেক রাজনৈতিক নেতা দেশ ছেড়েছেন। কেউ আত্মগোপনে চলে গেছেন। কিন্তু বিএফআরআইয়ের পাহাড়ের অবৈধ দখলদাররা এখনো রয়ে গেছে। 

ইফতেখারুল ইসলাম/আজহার/

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫২ এএম
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের ২০ জেলার ওপর দিয়ে সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এই সময়ে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে উত্তর-পশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে গেলেও এর প্রভাব এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে টানা পাঁচ দিন সারাদেশে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে বলে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানায় সংস্থাটি। এই পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

অন্তরা/