ঢাকা ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ওয়ারজাবালের গোলে এগিয়ে বিরতিতে স্পেন স্পেন-অস্ট্রিয়া ম্যাচে কে জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পেনের একাদশে ২ পরিবর্তন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে জাকিয়া খান চন্দনার পরাবাস্তববাদী চিত্রপ্রদর্শনী নজরুল বর্ষের উদ্বোধনী আয়োজনে দর্শক সংকট বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কালকিনিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৫ ড্রেজার জব্দ ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার সহকারী সচিব হলেন ৩৪ কর্মকর্তা জাবিতে কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি, চার শিক্ষার্থীকে শোকজ নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের পাঁচটি পেট্রোল বোট সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে গোসলে নেমে নিখোঁজ চিকিৎসক টঙ্গীতে চাঁদা দাবি করায় যুবদল নেতাসহ ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ১১ ঈশ্বরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার সিরিয়ায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫, আহত অন্তত ১৬ জুন মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী অবশেষে ইরানকে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে বাধ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র কাতারে আটকে থাকা অর্থে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনবে ইরান এইচএসসির আগেই থেমে যাচ্ছে শিক্ষা সোনারগাঁয় ফুটপাত দখল করে পার্কিং করায় ১৪ জনকে কারাদণ্ড মুক্তির আগেই বাজিমাত চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থীর বিষয়ে আদালতের রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন আত্মিক প্রশান্তি লাভের দারুণ উপায় ৫৪ বছরে প্রথমবার জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্যে সরকার-বিরোধী দল: চিফ হুইপ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশ যত দ্রুত চাইবে চীন সেভাবে কাজ করবে: রাষ্ট্রদূত ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০ দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মমূখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩৪ এএম
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মমূখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো শিক্ষিত, দক্ষ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। শুধু বইপুস্তকের জ্ঞান মানুষকে কর্মক্ষম করে না, বরং জীবনের বাস্তব প্রয়োগযোগ্য দক্ষতা অর্জনই মানুষকে উৎপাদনশীল করে তোলে। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব সমস্যার সমাধানে কর্মমুখী শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কর্মমুখী শিক্ষা হলো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট পেশা বা কাজের জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে সে শিক্ষা শেষে জীবিকা অর্জনের যোগ্যতা লাভ করে এবং স্বাবলম্বী হতে পারে। এটি কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাস্তব দক্ষতা, কারিগরি জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটায়। একটি দেশের উন্নয়নে কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। 

প্রকৃতপক্ষে দেশের উন্নয়ন সে দেশের অর্থনীতি ও দক্ষ জনশক্তির ওপর নির্ভর করে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হলে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই। কর্মমুখী শিক্ষা একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের স্বনির্ভর হতে শেখায়, ফলে তারা চাকরির ওপর নির্ভর না করে উদ্যোক্তা হয় এবং দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত হয়, ফলে বেকারত্ব দূর হয়। অন্যদিকে এটি দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করে।

তাই বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে কর্মমুখী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, প্রশিক্ষণকেন্দ্র বৃদ্ধি, এবং শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের যোগসূত্র স্থাপন এখন সময়ের দাবি। কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারই একটি স্বনির্ভর, দক্ষ ও উন্নত বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপন করবে।

তাকবির জাহান  
শিক্ষার্থী, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়    
[email protected]

ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
ভার্চুয়াল শত্রুতার বলি আমার প্রিয় ঠিকানা

হঠাৎ করেই থমকে গেল আমার ভার্চুয়াল দুনিয়া। কোনো পূর্বসতর্কবার্তা ছাড়া, কোনো কারণ ছাড়াই বন্ধ হয়ে গেল আমার অরিজিনাল ফেসবুক আইডি এবং কষ্টার্জিত ফেসবুক পেজ। হিংসুটে ও স্বার্থান্বেষী মানুষের একের পর এক মিথ্যা রিপোর্টের কারণে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি ও পরিশ্রম আজ নিমেষেই ধূলিসাৎ। সোশ্যাল মিডিয়া এখন যেন মানুষের ভালো সহ্য করতে না পারা এক অদ্ভুত অসুস্থতার চারণভূমি। নিজেরা ভালো কিছু করতে পারে না, তাই অন্যের উন্নতি ও সৃষ্টিকে ধ্বংস করতে তাদের এত আনন্দ। একটি আইডি বা পেজ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বহু মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং অনেক স্বপ্নের পথচলা। কিছু সুবিধাবাদী মানুষের নোংরা মানসিকতা ও হিংসার কাছে আজ আমি পরাস্ত।

এই ঘটনা শুধু আমার ভার্চুয়াল ক্ষতি করেনি, বরং এই সমাজব্যবস্থা এবং মানুষের মানসিকতা নিয়ে আমাকে চরম হতাশ করে দিয়েছে। যেখানে মানুষ অন্যের ভালো দেখে খুশি হওয়ার বদলে হিংসার আগুনে পুড়ে ছারখার হয়, সেই সমাজে সহাবস্থান কত কঠিন তা আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। তবে এই আঘাতগুলোই হয়তো ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন শক্তি। তারা হয়তো আমার প্রোফাইল বা পেজ বন্ধ করে দিতে পেরেছে, কিন্তু আমার মনোবল বা কাজ করার ইচ্ছাকে ধ্বংস করতে পারেনি। এই সংকটে যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং খোঁজ নিয়েছেন, তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। মিথ্যা ও হিংসার জয় কখনো স্থায়ী হতে পারে না। নতুন উদ্যমে, নতুন পরিচয়ে হয়তো আবার শুরু হবে পথচলা, কারণ সত্য ও পরিশ্রম কখনো হারিয়ে যায় না।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতির প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অতিমাত্রা পাওয়া গেছে। যা মানুষের জন্য এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি আমাদের এখন না ভাবিয়ে পাড়ে না। হালদার কার্পজাতীয় মাছে যেমন প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি মিলছে, সেই সঙ্গে বেলে সিলন ও অন্যান্য মাছে পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। তবে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে সিলন মাছে। হালদা নদীর সঙ্গে ১৯টি খাল দূষণের শিকার হয়ে তার বর্জ্য এসে পড়ছে এ নদীতে। সে বর্জ্যের সঙ্গেই প্লাস্টিক এসে নদীর পানিতে পড়ে তা ভেঙে ভেঙে তৈরি হচ্ছে মাছের খাবার উপযোগী কণা। নদীর মাছ তা খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে দেদার। তাতে তাদের পরিপাকতন্ত্র এবং মাছের মাংসে প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণার ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের কার্প জাতীয় এমন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন হালদা নদী এভাবেই দূষণের শিকার হয়ে উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী আক্রান্ত হয়ে অনেক সময় মরে ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির এমন নদীতে মনুষ্য দূষণের শিকার হবে আর রাষ্ট্র তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কাম্য হতে পারে না। প্রাকৃতির ফুসফুসখ্যাত এ নদী রক্ষায় শুধু রাষ্ট্র একা এগিয়ে এলেই রক্ষা করা সম্ভবপর হবে না। মানুষেরও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে হালদা রক্ষায়। তাদের সচেতনাবোধই হালদা রক্ষা পেতে পারে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

রাস্তার সংস্কার চাই

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
রাস্তার সংস্কার চাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন রাস্তাটি বর্তমানে বেহাল। এ রাস্তা দিয়ে এলাকার শতাধিক মানুষ হাসপাতালে, বাজারে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাস্তাটি ভেঙেচুরে গেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তাটির দুই পাশে ল্যাম্প লাইটের ব্যবহার থাকলেও তার অধিকাংশ লাইট আজ নষ্ট, ফলে এ রাস্তায় রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাটি এখন স্বস্তির পরিবর্তে এলাকাবাসীর জন্য ভোগান্তির কারণ। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, রাস্তাটি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

উম্মে সাদিয়া জাহান নিশা
শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশোনা, গবেষণা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ক্যাম্পাসের অধিকাংশ খাবারের দোকান ও ক্যান্টিনে ভাজাপোড়া, তেলযুক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের আধিক্য দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার যেমন-তাজা ফল, সবজি, কম তেলযুক্ত খাবার বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা সীমিত। এ ছাড়া অনেক সময় খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ততার কারণে সহজলভ্য খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান নিয়মিত তদারকি করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

হুমায়রা কবির হেমা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের কার্যক্রম। এনবিআর রিটার্ন দাখিলের সময়কালকে এবার চারটি ধাপে ভাগ করে দিয়েছে। সময়কাল-সংক্রান্ত সারণি দেখে যা বোঝা যায় তা সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি:

প্রথম ধাপে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন আয়কর আইনের ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা–এ দুটির মধ্যে যেটা কম হবে, সেই পরিমাণ টাকা কর প্রণোদনা বা ছাড় পাবেন। দ্রুত রিটার্ন সাবমিটের জন্য এ তিন মাসকে আমরা প্রণোদনাকালীন সময়সীমা বলতে পারি।

দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তারা বাড়তি কোনো প্রণোদনা পাবেন না, আবার তাদের অতিরিক্ত কোনো জরিমানারও দিতে হবে না। এই তিন মাসকে আমরা নিয়মিত বা স্বাভাবিক সময়সীমা বলতে পারি।

স্পষ্টভাবে বলা যায়, সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকায় যে কোনো মুহূর্তে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে পুরো করবর্ষজুড়ে। তবে আগেভাগে রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন করদাতা প্রণোদনা পাবে অন্যদিকে তেমনি নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না বলে প্রত্যাশা সবার।

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী, এনবিআর তালিকাভুক্ত 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন 
[email protected]