বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২৫ আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। চার দিনের এই সামিটে বিশ্বের প্রায় ৭০০ ডেলিগেটস আর ৪০টি দেশ অংশগ্রহণ করবে।
রবিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এসব কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘এবারের সামিটের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সামনে নতুন বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা হবে। যে বাংলাদেশের কথা বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এতদিন শুনেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিনিয়োগের যে পরিবেশ তৈরি করছে, সেটিই তাদের সশরীরে দেখানো হবে।
কারা অংশগ্রহণ করছেন:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেক বিনিয়োগকারী চলে এসেছেন। গত শনিবার থেকেই আমরা তাদের রিসিভ করা শুরু করেছি। আপনাদের আগেই বলেছিলাম, আমাদের একটা মধুর সমস্যা আছে। ফুটবলের কোচের মতো, বেশি প্লেয়ার হয়ে গেলে যেটা হয়। আমরা এত পরিমাণে রেজিস্ট্রেশন পেয়েছি আর এত পরিমাণে সাড়া পেয়েছি যে, এখন আমাদের অনেককেই সরি বলতে হচ্ছে। ক্ষমা চাইতে হয়েছে। আমি পাবলিকলি এ বিষয়টির জন্য সত্যিই খুব দুঃখিত। বড় একটি রেজিস্ট্রেশন করা গ্রুপকে এই সামিটে জায়গা দিতে পারছি না। তারা সরাসরি এই ইভেন্টে আসতে পারছেন না। আমাদের এই সামিটে মূলত তাদেরই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যারা আমাদের বিদেশি বিনিয়োগকারী, যারা বাইরে থেকে ফ্লাই করে এসেছেন আমাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য। এই সামিটে অংশগ্রহণ করবে নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের একটি বড় গ্রুপ। তারা এই সামিটে অংশগ্রহণ করার জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। তাদেরই আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি।’
কম থাকছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে যারা অংশগ্রহণ করতে চেয়েছেন তাদের সরাসরি স্থান দিতে পারিনি। তবে তাদের জন্য আমরা অনলাইনে সব ধরনের ব্যবস্থা রেখেছি। বিশেষ করে ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকডইনের মাধ্যমে সরাসরি অংশগ্রহণ করার সুযোগ করা হয়েছে। আমি আশা করব, যারা সরাসরি সামিটে অংশগ্রহণ করতে পারেননি তারা যেন অনলাইনে আমাদের এই আয়োজনে যুক্ত থাকেন।’
সামিটে যা থাকবে:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘সামিটের মেইন ইভেন্ট সম্পর্কে আমরা আগেই আপনাদের বলেছিলাম। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন। তার সামনেই আমরা বিনিয়োগকারীদের কথা শুনব। জানতে চাইব বাংলাদেশে বিনিয়োগকে তারা কীভাবে দেখছেন? আমরা কী করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ আর উন্নত হবে। আমরা সামিটে এপেক্সের নাসির মনজুর সাহেবের কথা শুনব। উনার কাছে আমরা জানতে চাইব, বাংলাদেশে যারা স্থানীয় বিনিয়োগকারী তারা আমাদের অর্থনীতির একজন ড্রাইভার। দেশের বিনিয়োগের একটি বড় অংশ কিন্তু আসে লোকাল বিনিয়োগের মাধ্যমে। দেশে বিনিয়োগের ভালো একটি পরিবেশ কী করে দিতে পারি এ ব্যাপারেও আমরা নাসির মনজুরের কাছ থেকে শুনব।’
সামিটে দেওয়া হবে সম্মাননা:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘সামিটে প্রধান অতিথি যখন থাকবেন তখন আমরা পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করব। আগের বার আমরা যখন বলেছিলাম তখন নম্বর একটি কম ছিল। এখন চূড়ান্ত যখন করা হয়েছে তখন সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে। এই পাঁচজনের মধ্যে কোম্পানি আছে আবার ব্যাক্তিগতভাবেও সম্মানিত করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রথম আমরা একজন লোকাল বিনিয়োগকারীকে সম্মানিত করব। তার সঙ্গে একজন বিদেশি বিনিয়োগকারীকে সম্মানিত করব। সাসটেইনেবিলিটি সাইডে অবদান রাখার জন্য একটি সংস্থাকে সম্মানিত করা হবে। আর সবশেষে আমরা সম্মানিত করব ইনোভেশনের জন্য। একটি কোম্পানি যে, খুবই ইনোভেটিভ কিছু একটা করেছে- তাদেরও আমরা আলাদা করে সম্মানিত করব। এই হলো চারটা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন অনেক বিদেশি আছেন, যারা বছরের পর বছর বাংলাদেশে আছেন। তারা অ্যাম্বাসডরের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জানান দিচ্ছে। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছেন পাশাপাশি তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুফল সম্পর্কে। এমন একজন বিদেশি বিনিয়োগকারীকে সম্মাননা দেব পাশাপাশি তাকে অনারারি সিটিজেনশিপ অফার করব এই সামিটের মধ্যে। সামিটে এমন প্রতিনিধিও থাকবেন, যাদের বার্ষিক রেভিনিউ আমাদের জিডিপির সমান।’
থাকবে চুক্তি ও বিনিয়োগ প্রস্তাব:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘এর বাইরে আগেও শুনেছেন এই সামিটে অনেকগুলো চুক্তি স্বাক্ষর হবে, কিছু বিনিয়োগ চুক্তি হবে। এই চুক্তিগুলো শুধু বিনিয়োগ বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হবে না। বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করার জন্য আরও যেসব কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে হবে, সেগুলোও এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনারা জানেন আমাদের দেশের শ্রমিক অধিকার নিয়ে খুবই আলোচনা সমালোচনা আছে। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে খুবই সচেতন। সরকার ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে সব সময় একটা ভারসাম্য থাকতে হবে। এই সামিটে আইএলওর সঙ্গে আমরা একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করার চেষ্টা করছি। আমরা নাসার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা চিন্তা করছি স্পেস এক্সপ্লোরেশন নিয়ে। নন-মিলিটারি স্পেস এক্সপ্লোরেশন নিয়ে। আমরা যখন এ বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করব, তখন আপনাদের বিস্তারিত জানানো হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই সামিটে মিডিয়ার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি কীভাবে আপনাদের সর্বোত্তম সুবিধাটি দেওয়া যায়। একটি মিডিয়া কর্নার থাকবে। যখন এই মেইন প্রোগ্রামগুলো হতে থাকবে ওই ভেন্যুতেই একটি মিডিয়া কর্নার থাকবে। যারা আপনারা সেখানে যাবেন যদি মনে করেন কোনো বিনিয়োগকারীর ইন্টারভিউ করতে চান, বা কথা বলতে চান, তাহলে এই মিডিয়া কর্নার ব্যবহার করতে পারবেন। সে সাপোর্টটা আমরা আপানাদের দেওয়ার চেষ্টা করব।’
ট্যারিফ সমস্যা না সুযোগ:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘আমি জানি আপনারা এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করবেন। তাই আগে থেকেই আমি আপনাদের এ বিষয়ে বলে রাখতে চাই। অনেকের ধারণা ইনভেস্টমেন্ট সামিটের আগে ইউএসএর এমন একটি ট্যারিফ বসানোর উদ্যোগ সামিটকে বাধাগ্রস্ত করবে। এ বিষয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, দ্য গ্লাস হাফ ফুল। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি বাংলাদেশের ওপর একটি সার্ভে করেছে তার ভিত্তিতেই এই ট্যারিফ বসিয়েছে। সেই রিপোর্টে আমাদের বেসিক কিছু রিফর্ম করার কথা বলা হয়েছে। আমাদের রেগুলেটরির কিছু রিফর্ম দরকার, কাস্টমস ডিউটির ক্ষেত্রে কিছু রিফর্ম দরকার, দুর্নীতির বিষয়ে আমাদের উদ্যোগ দরকার। আইপি রাইটস নিয়ে আমাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে আমরাও কাজ করছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়গুলো প্রাধান্য দিয়েই ইতোমধ্যে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মূলত বাংলাদেশের বিনিয়োগের যে অবস্থা, সেটি পরিবর্তন হয়ে ভালো একটি বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি হোক সেটাই সরকার চায়।’
তিনি বলেন, ‘উনাদের এই পরামর্শের ভিত্তিতে আমাদের ট্যারিফ বসানোর বিষয়টি আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার সুযোগ আছে। আমি মনে করি, এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমরা অনেকগুলো জায়গায় রিফর্ম করার সুযোগ পাব। সেটি আমাদের জন্য ভালোই হবে। এর মধ্যে নেগেটিভিটির কিছুই দেখছি না। এটি করা গেলে সত্যিকার অর্থেই আমরা আমাদের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার সুযোগ পাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সহযোগী দেশগুলোও মার্কিন ট্যারিফের একই নৌকায় আছে। তাদের অর্থনীতি যেভাবে প্রভাবিত হবে আমাদের অর্থনীতিও সেভাবেই প্রভাবিত হবে। ফলে আমি এটি নিয়ে মোটেও চিন্তিত না।’
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি আমাদের জন্য ভালো সিগন্যাল। আমরা এ শর্তগুলোকে ব্যবহার করে আমরা ভবিষ্যতে আরও ভালো বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি গেম অব চেঞ্জ হিসেবে নিতে পারি। ট্যারিফের বিষয়টিতে বাংলাদেশের এককভাবে চিন্তা করার সুযোগ নেই, যে এই ট্যারিফের কারণে শুধু বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মূলত সারা বিশ্বের অর্থনীতি যদি কোনো একটি সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এখানে কোনো দেশকে নিয়ে এককভাবে চিন্তা করার সুযোগ নেই। ট্রাম্পের যে নতুন পলিসি এটা যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে যে শুধু বাংলাদেশ মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যাবে তা কিন্তু নয়, সারা বিশ্বেই এর প্রভাব পড়বে। ফলে বাংলাদেশ এককভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটা যারা ভাবছেন তাদের ভাবনা সঠিক নয়। সমগ্র পৃথিবী যদি এই পলিসির কারণে মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে যায়, তাহলে সমস্যাটি সবার জন্যই গ্রহণযোগ্য হবে। আমার মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের জন্য এটি খুবই ক্ষতিকর হবে।’
কেন এই সামিট:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘প্রথমে হচ্ছে যে আমরা সামিটটি কেন করতে যাচ্ছি। আমি আগেও এ বিষয়ে বলেছি, এখন আরও বলছি। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যে মনোভাব, সে মনোভাবটি যেখানে থাকার কথা সেখানে নেই। আমাদের কিছু ভালো জিনিস আছে, আমাদের কিছু খারাপ জিনিস আছে। আমাদের কিছু উন্নয়নের জায়গা আছে। আমরা সার্বিকভাবে ভালো করছি। কিন্তু আমাদের আসলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে জায়গাটিতে থাকার কথা সেখানে নেই। একমাত্র উপায় হচ্ছে, আমরা যদি বিনিয়োগকারীদের সশরীরে নিয়ে আসতে পারি বাংলাদেশে, তারা যদি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে দেখে, বিনিয়োগের জায়গাগুলো ভিজিট করে তখন তাদের কাছে মনে হবে এখানে বিনিয়োগ করা যাবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যে চায়না গিয়েছিলাম, তখন আমাদের কাছে তারা বলেছেন, তারা বাংলাদেশের কথা শুনেছেন এবং বিনিয়োগের কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের কাছে মনে হয়েছে, আমরা যে বাংলাদেশের কথা বলি, সেটি তারা বলেননি। আমাদের প্রথম উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, তাদের বাংলাদেশে এনে প্রকৃত বাংলাদেশের চিত্রটা তাদের সামনে উপস্থাপন করা। সেটি করতে একটি পাইপলাইন তৈরি হবে। বিনিয়োগ রাতারাতি আসে না। বিনিয়োগ আসার জন্য একটি পাইপলাইন তৈরি করতে হবে। সেই পাইপলাইনটিকে নার্সিং করতে হবে। এক সময়ে বিনিয়োগটি হবে।’
রিফর্ম হবে বিনিয়োগ সম্ভাবনা:
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘চেষ্টা করছি কোথায় কোথায় সমস্যা আছে সেটি চিহিৃত করার। বিনিয়োগকারীদের বলতে চাই, আপনারা যে বাংলাদেশে আসছেন সেই বাংলাদেশের গল্পটা আপনারা আগে একভাবে শুনেছিলেন, এখন অনেকটা বদলেছে। আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছি। সেই উদ্যোগগুলো আমরা আগত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘এই সামিটের মাধ্যমে আমরা কী দিতে চাই? অনেকে সরাসরি সামিটে থাকবেন, অনেকে হয়তো অনলাইনে থাকবেন। আমি সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি প্রেজেন্টেশন দেব। সেই প্রেজেন্টেশনে আমি যে চিত্রটি দিতে চাই তা হচ্ছে, আজকে থেকে ১০ বছর পর যখন দশম ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০৩৫ হবে, তখন বাংলাদেশের চেহারাটা কী রকম হবে, সেটি সামনে নিয়ে আসতে চাই। আর এর শুরুটা আমরা ২০২৫ সাল থেকে করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘২০২৫ যে ছবিটা হবে, সে ছবিটা করার জন্য আজকে থেকে আমাদের কী কী করতে হবে, আমরা কী করব তা নির্ধারণ করব। আমরা ডিপ সি পোর্টের কথা বলছি, আমরা বে-টার্মিনালের কথা বলছি, এসব বিষয়গুলোকে আমরা আমাদের উদ্যোগের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত করব, সেটি এই সামিটে আলোচনা করা হবে। আগত বিনিয়োগকারীরা এখন যদি বিনিয়োগ করেন, আর পাঁচ বছর পর সেই বিনিয়োগ কোথায় পৌঁছাবে আমরা সেই পরিকল্পনা তৈরি করে তাদের হাতে দিতে চাই।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আসলে আমাদের বর্তমান বাংলাদেশ এখন কেমন তার একটি চিত্র, আর ১০ বছর পর এই বাংলাদেশের কী হবে তার পদক্ষেপগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করব। সেই পরিকল্পনাটি শেয়ার করাই এই সামিটের উদ্দেশ্য।’
ইলন মাস্ককে আনার জন্য কথাবার্তা চলছে;
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, ‘ইলন মাস্ক বাংলাদেশে আসবেন, সেটি সরকারের পক্ষ থেকে কখনো বলা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পর তিনি সে দেশের সরকারের একটি পার্ট হয়ে গেছেন। তিনি যখন একজন ব্যবসায়ী ছিলেন তখন একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে নিয়ে আসা যেত। কিন্তু যখন আমেরিকার সরকারের অংশ হয়ে গেছেন, তখন তাকে নিয়ে আসতে হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। এটি রাতারাতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তবে উনাকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দিতে নিয়ে আসার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। তবে এটি এই সামিটে হচ্ছে না।’