ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ময়মনসিংহে গ্যাংকার লাইনচ্যুত, দুই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ অতিরিক্ত ভিড়ে পুরীর রথযাত্রায় নিহত ২, আহত শতাধিক ঢাকায় উদ্বোধন হলো ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার এবং ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬ মাদকে বাধা দেওয়ার জেরে বিএনপি নেতা খুন বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বদলি হলেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ২৮ কর্মকর্তা আইইউবিতে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট মেজর চালু ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে: স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ যুবকের বিশ্বের সম্ভাব্য সব জায়গায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী শাহরাস্তিতে গৃহবুধু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন শেষ হলো অপেক্ষা, মিলল নিখোঁজ ডুবুরির মরদেহ গণ-অভ্যুত্থানের বিচার জনগণের, আদালতের নয়: ল' ইয়ার্স কাউন্সিল তুরাগে বাবার আছাড়ে প্রাণ গেল ৭ মাসের শিশুর মাদকবিরোধী র‍্যালির জেরে যুবককে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও সমান সুযোগ পাবেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ উপায় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির চুক্তি ১৪ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের সতর্কতা তেঁতুলিয়ায় ১৩টি জাল পাসপোর্টসহ যুবক গ্রেপ্তার বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ সিলেটে রথযাত্রা মহোৎসব শুরু ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ সন্তানদের অবহেলায় জীবিত থাকতেই কবর তৈরি মায়ের লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন বরিশালে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান চালু

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ১১:০৪ এএম
আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৬:১২ এএম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান চালু
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়

দেশে প্রথমবারের মতো মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশাপাশি পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান চালু করেছে সিারজগঞ্জের শাহাজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (রবি)।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম সিন্ডিকেট সভায় ছুটির এ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এ বিধিতে প্রচলিত সকল ছুটির পাশাপাশি ১৫ দিনের পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

রবিবার (২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শাহ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাহ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২৪তম সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন রবি’র ট্রেজারার ড. ফিরোজ আহমদ, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান শারমিন সুলতানা ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাপক আবু মো. দেলওয়ার হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব জহুরুল ইসলাম, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সুব্রত ভৌমিক, লেজিসলেটিভ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর ও রেজিস্ট্রার মো. সোহবার আলী প্রমুখ। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাহ আজম বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আনেক তরুণ ও মেধাবী শিক্ষকদের পাশাপাশি অনেক তরুণ কর্মকর্তা-কর্মচারীও রয়েছেন। তাদের সন্তানদের দেখাশোনায় আমরা মাতৃত্বকালীন ছুটির পাশাপাশি পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান প্রণয়ন করেছি। একজন সন্তানের জন্য মায়ের পাশাপাশি বাবার ভূমিকাও অপরিসীম। এ বিবেচনায় নতুন বিবাহিত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সর্বোচ্চ দু’বার পিতৃত্বকালীন ছুটি নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ সুযোগ তাদের উদ্বেগজনক অবস্থা মোকাবিলায় সহায়ক হবে এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রেষণা ও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।’

আইইউবিতে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট মেজর চালু

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম
আইইউবিতে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট মেজর চালু
ছবি: সংগৃহীত

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড অন্ট্রপ্রনারশিপ (এসবিই)-এর জেনারেল ম্যানেজমেন্ট বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে আইইউবির ডিএমকে লেকচার গ্যালারিতে ‘সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট’ মেজর চালু করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠানে ‘ব্রিজিং একাডেমিয়া অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি: মিট, কানেক্ট, লিড’ শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম, আইইউবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ. লুন্ড, এসবিই এর ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. রাইসুল আওয়াল মাহমুদ।

প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করেন বিশ্বখ্যাত সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ এবং আইইউবির জেনারেল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মামুন হাবিব। তিনি বর্তমান বৈশ্বিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্যানেল আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন রহিমআফরোজের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও নিয়াজ রহিম, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন রশিদ, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ-এর পরিচালক মির্জা সজিব রায়হান, এবং বিশ্বব্যাংকের পার্টনার ড. মো. মাহবুব আলম।

আলোচনায় আইইউবিতে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট মেজর চালুর তাৎপর্য, একাডেমিয়া ও শিল্পখাতের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান দূর করার উপায়, বিভিন্ন শিল্পে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের বিবর্তন, সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ এবং এ খাতে সফল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. হোসনে আরা আলী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইইউবির জেনারেল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক আফনান ইউসুফ এবং জেরিন মমতাজ চৌধুরী।

বিজ্ঞপ্তি/

ব্রিডিং গ্রাউন্ডের অফলাইন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
ব্রিডিং গ্রাউন্ডের অফলাইন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
১৫ জুলাই বিকাল ৪ টায় কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয় প্রতিষ্ঠানটি। ছবি : সংগৃহীত

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত প্রস্তুতি এবং সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে ঢাকার মিরপুরে আধুনিক অফলাইন ক্যাম্পাসের কার্যক্রম শুরু করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্রিডিং গ্রাউন্ড। 

মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনের পাশে নতুন ক্যাম্পাসে আইইএলটিএস, স্পোকেন ইংলিশ এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক ক্যারিয়ার কাউন্সেলিংয়ের সমন্বিত সেবা দেওয়া হবে।

১৫ জুলাই বিকাল ৪ টায় কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয় প্রতিষ্ঠানটি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সৌম্য খান, ব্রিডিং গ্রাউন্ডের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, মিডিয়াকর্মী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সৌম্য খান গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে কানাডা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আইইএলটিএস প্রস্তুতি, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি একটি কার্যকর ও সহজবোধ্য প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করেছেন।

ব্রিডিং গ্রাউন্ড জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য শুধু আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি দেওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীদের একাডেমিক যোগ্যতা, আর্থিক সামর্থ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনায় সৎ, নিরপেক্ষ ও বাস্তবসম্মত ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং নিশ্চিত করা।

নতুন ক্যাম্পাসে আধুনিক স্মার্ট আইইএলটিএস ক্লাসরুম, স্পোকেন ইংলিশ রুম, ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব, প্রফেশনাল স্টুডিও, স্টাডি রুম, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং লাউঞ্জ, কনফারেন্স রুম, রিসেপশন ও ওয়েটিং লাউঞ্জ, প্রার্থনার স্থান, রিফ্রেশমেন্ট এরিয়া এবং প্রশাসনিক কার্যালয়সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা গড়ে তুলতে একটি আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই ব্রিডিং গ্রাউন্ডের প্রধান লক্ষ্য।

শহিদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় অর্ধেক চেয়ার খালি, হতাশ মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
শহিদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় অর্ধেক চেয়ার খালি, হতাশ মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
বক্তব্য করছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আয়োজিত স্মরণসভায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কম উপস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হতাশা প্রকাশ করেন।

বক্তব্যে আহমেদ আযম খান বলেন, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা এই চত্বরকে 'আবু সাঈদ চত্বর' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আমি ধারণা করেছিলাম, আজকের এই চত্বরে যতই গরম থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবেন। এখানে তিল ধারণের জায়গা থাকবে না।

তিনি বলেন, কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি। আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন আরও প্রাণবন্ত করে তুললেন না? কেন অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি পড়ে আছে? এটা শুধু আমার জন্য নয়, আপনাদের সবার জন্যই কষ্টের।

তিনি আরও বলেন, আমরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেক সুন্দর বক্তৃতা দিই, কিন্তু সেই বক্তব্যের বাস্তবায়ন করি না। এখন সময় এসেছে বক্তৃতার বাস্তবায়নের। আজ যদি এই চত্বর মানুষে পরিপূর্ণ থাকত, তাহলে আবু সাঈদ কবরেও শান্তি পেতেন যে ১৬ জুলাই তার সহপাঠীরা তাকে কীভাবে স্মরণ করছে। আমি সত্যিই দুঃখিত ও হতাশ।

এসএন/

জাককানইবিতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘একশ বস্তা চাল’

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
জাককানইবিতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘একশ বস্তা চাল’
জাককানইবিতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘একশ বস্তা চাল’। ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষা ও জ্ঞান কীভাবে একটি সমাজের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ঘটাতে পারে, সেই জীবনমুখী বার্তা নিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) মঞ্চস্থ হলো জাপানি লেখক ইয়ুজো ইয়ামাতোর লেখা নাটক ‘একশ বস্তা চাল’ (One Hundred Sacks of Rice)। 

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাবে নাটকটি প্রদর্শিত হয়। নাটকটির অনুবাদ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আব্দুস সেলিম এবং নির্দেশনা দিয়েছেন মো. শাহিন আলম।

নাটকটির মূল প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে তোরাসাবুরো নামক এক দূরদর্শী চরিত্রের চারপাশে, যিনি ক্ষুধার্ত মানুষকে কেবল খাদ্য দিয়ে সাহায্য না করে বরং একটি স্কুল প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নাটকের বার্তা অনুযায়ী, বর্তমানের বিলাসিতা ত্যাগ করে শিক্ষার পেছনে বিনিয়োগ করাই টেকসই সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।

নাটকটির মঞ্চায়নে উপস্থিত ছিলেন অনুবাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আব্দুস সেলিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আরিফ হায়দার, কোর্স তত্ত্বাবধায়ক মাজহারুল হোসেন বাঁধন তোকদার, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইসমতারা ভূঁইয়া ইলা এবং বিভাগের শিক্ষক ড. কামাল উদ্দীন, নুসরাত শারমিন তানিয়া, মেহেদি তানজির, রুদ্র সওজাল কাব্য, কৃপাময় কর কৌশিক ও চারুকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, কবি ও লেখক দ্রাবির সৈকত।

নাটকটির প্রযোজনা ও মঞ্চায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মঞ্চে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবজয় চক্রবর্তী, সানজিদা ইসলাম শ্রাবণ, উম্মে সালমা সিনথিয়া, মোল্লা আলভী মাহামুদ, সুমাইয়া আদনিন প্রমি, আব্দুল্লাহ আল হাসিব, মো. শাকিল প্রধান, মো. সামিউল ইসলাম শিশির, আব্দুল্লাহ ওমায়ের অন্তু, মো. আবির আহমেদ লিহিম, মো. ইয়াছির আরাফাত এবং তামজিদ সোরুয়াহ ল্যাব। এছাড়া তলোয়ার নাচ পরিবেশনায় ছিলেন একদল দক্ষ শিক্ষার্থী।

নাটকটির নেপথ্যে থাকা অন্যান্য কুশলী ও সংশ্লিষ্টদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সফল মঞ্চায়ন সম্পন্ন হয়। এমন শিক্ষামূলক নাটক মঞ্চস্থ হওয়ায় উপস্থিত দর্শক ও সংস্কৃতিমনা মহলে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। নাটকটি মূলত ছিল নাট্যকলা বিভাগে নির্দেশনা নিয়ে মাস্টার্সে অধ্যরয়নরত শিক্ষার্থীদের একটি পরীক্ষা

তাসনিম হক/তামান্না রুপা/

রায় কার্যকর না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪১ এএম
রায় কার্যকর না হওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ
শহিদ আবু সাঈদ

আবু সাঈদ হত্যাকারীদের বিচারের রায় হয়েছে; কিন্তু এখন পর্যন্ত রায় কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম। তারা বলেন, দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আবু সাঈদ হত্যার বিচারের রায় কার্যকর হয়নি। তাই মৃত্যুর আগে আবু সাঈদ হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখতে চান আবু সাঈদের মা-বাবা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে কথা হয় আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়রা বেগমের সঙ্গে। 

এ সময় আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘দুই বছর হয়ে গেল ছইলটা মরি যাবার। এখন পর্যন্ত কারো ফাঁসি হইল না। হামরা দুই বুড়া-বুড়ি মরি যাবার আগত যেন ফাঁসি দেখবার পাই। এই জন্য সবাইকে হামাক এনা সহযোগিতা করবার নাগবে। সরকার যে কী করোছে জানি না। খালি খবরত শুনি বিচার হইবে হইবে। কোনদিন হইবে কেউ জানি না।’

তিনি বলেন, ‘কয়দিন সবাই বাড়িতে আসছিল। এখন কেউ কেউ খোঁজ নেয় না। যতদিন যাওছে, তত খোঁজখবর নেওয়া কমি যাওছে। মোর (আমার) বেটা এই দেশের জন্য জীবন দিল। এখন সবাই ভালো আছে, খালি বেটা (সাঈদ) নাই।’

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, ‘যত সময় যাচ্ছে আবু সাঈদের মৃত্যু নিয়ে তত আলোচনা কমে যাচ্ছে। এই বিচার কোন দিন হবে তা জানা নাই। রায় হয়েছে, ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আত্মার শান্তি হচ্ছে না। এখন আর খোঁজখবরও নেয় না অনেকে। নতুন নতুন সবাই খোঁজ নিয়েছে। সন্দেহ হচ্ছে দুই বছর পরে আবু সাঈদকেই ভুলে যাবে সবাই। সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচারের রায় কার্যকর করে দিলেই আমরা শান্তি পাই।’

আবু সাঈদের বোন সুমি খাতুন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি এখন পর্যন্ত ভাইয়ের কথা প্রতিদিনই মনে পড়ে। দুই বছর অতিবাহিত হয়ে গেল। বিচারের রায় হয়েছে; কিন্তু কার্যকর হয়নি। আবার যারা দণ্ডপ্রাপ্ত তাদের অনেককেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আমাদের পরিবার এটা নিয়ে চিন্তিত।’ ভাইয়ের হত্যার বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানান তিনি। 

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্যাতন ও অন্যায়ের প্রতিবাদে পুলিশের গুলির সামনে সাহস নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আবু সাঈদের বুকে বিবেকবর্জিত পুলিশের গুলি চালানোর সেই দৃশ্য দেখেছে বিশ্ববাসী। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তার আত্মত্যাগ শেষ পর্যন্ত গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ২৪-এর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা।

আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শামসুর রহমান সুমন বলেন, সাম্য, মানবিক মূল্যবোধ, সামজিক সুবিচার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে রংপুরের রাজপথে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আত্মাহুতি দেওয়া এক বৈপ্লবিক চরিত্র শহিদ আবু সাঈদ। কিন্তু দুই বছরে সেসব স্তরে উপেক্ষিত, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সরকারিভাবে তাকে স্মরণীয় করে রাখতে যে উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছিল তা আজও দৃশ্যমান হয়নি।

আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের সভাপতি রুহুল আমীন বলেন, ‘পরে কী হবে জানি না। আবু সাঈদের বাবা-মা বেঁচে থাকতেই যাদের ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে, সেই রায় কার্যকর করা হোক।’ 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকত আলী বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়। জুলাই অভ্যুত্থানে তার যে অবদান এটি ভোলার নয়। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই তার নামে টুর্নামেন্ট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিবছর আবু সাঈদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বর্তমান সরকার এই দিবসকে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। আবু সাঈদের নামে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি হতে যাচ্ছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। মেগা প্রজেক্ট জমা দেওয়া হয়েছে। চারটি হলের মধ্যে একটি হলের নাম আবু সাঈদের নামে হবে। লাইব্রেরিতে আবু সাঈদ কর্নার তৈরি করা হয়েছে।

আবু সাঈদের হত্যাকারীদের মধ্যে দেশের বাইরে যারা সাজাপ্রাপ্ত আছে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান তিনি। আবু সাঈদসহ অন্য যারা জুলাই আন্দোলনে জীবন দিয়েছে, তাদের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করারও জোর দাবি জানান তিনি।

শাস্তি শেষে ক্লাসে ফিরেছেন অভিযুক্তরা

শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ১৯ বিভাগের ৭১ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৩ জনকে এক সেমিস্টার ও ৩৩ জনকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। এ ছাড়া ১৫ জন সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। তবে এক ও দুই সেমিস্টারের বহিষ্কারাদেশ শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে তাদের অনেকেই ক্লাসে ফিরেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৭মে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর এবং শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেরোবির ১৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, ২ জন শিক্ষক, ৩৬ জন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী, ৮ জন পুলিশ সদস্য এবং ১২ জন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়। এ মামলায় ৮০ থেকে ১০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই-তিন কর্মচারী ছাড়া ও এক ছাত্রলীগ নেতা ছাড়া এখন পর্যন্ত আর কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে শাস্তি শেষে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের অনেকেই স্বাভাবিক ক্লাস কার্যক্রমে ফিরেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, তথ্য অনুসন্ধান কমিটি ৭২ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তালিকা জমা দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ড ২৩ জনকে এক সেমিস্টার এবং ৩৩ জনকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া ১৫ জন সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

অন্যদিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা অভিযোগ প্রত্যাহার করায় তাকে শাস্তির আওতার বাইরে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত ৭১ জনের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, ‘শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আমরা দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি অনেককে বাঁচিয়ে দিয়েছে। আমরা চাই, বিষয়টির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক সমন্বয়ক এস এম আশিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাইয়ের স্ফুলিঙ্গ ছিল শহিদ আবু সাঈদ। মৃত্যুর দুই বছর হতে চলেছে। অথচ এখনও তার বিচারের রায় কার্যকর হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরা হতাশ। সেই সঙ্গে আমরা জুলাইযোদ্ধারা শঙ্কিত নিরাপত্তা নিয়ে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘মামলার অনেক আসামিই গ্রেপ্তার হয়েছেন, আবার অনেকেই পলাতক। তাদের গ্রেপ্তার করার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর। পুলিশ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। বিশ্ববিদ্যালয় যাদের একাডেমিক শাস্তি দিয়েছিল, শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা ক্লাসে ফিরেছে।’

২০২৪ এ কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শহিদ আবু সাঈদ। আবু সাঈদ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। আবু সাঈদ নিহত হওয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড ও বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।