ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
গণ-অভ্যুত্থানের বিচার জনগণের, আদালতের নয়: ল' ইয়ার্স কাউন্সিল তুরাগে বাবার আছাড়ে প্রাণ গেল ৭ মাসের শিশুর মাদকবিরোধী র‍্যালির জেরে যুবককে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও সমান সুযোগ পাবেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ উপায় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির চুক্তি ১৪ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের সতর্কতা তেঁতুলিয়ায় ১৩টি জাল পাসপোর্টসহ যুবক গ্রেপ্তার বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ সিলেটে রথযাত্রা মহোৎসব শুরু ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ সন্তানদের অবহেলায় জীবিত থাকতেই কবর তৈরি মায়ের লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন বরিশালে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি বিশ্বকাপ ফাইনাল: জেনে নিন আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণের সব তথ্য শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা বাংলাদেশ কোনো একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য নয়: মির্জা ফখরুল স্পিডবোট রক্ষণাবেক্ষণের সময় নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নিখোঁজ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক চেক প্রতারণার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব: মাহাদী আমীন বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত নতুন উপজেলা ও পৌরসভার দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন

বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ
ছবি: খবরের কাগজ

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় ভয়াবহ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮ জনে পৌঁছেছে। এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১২ লাখের বেশি মানুষ। দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবাস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যা সম্পর্কিত সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৫৭টি উপজেলার ৩৬২টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌরসভা এখন বন্যা কবলিত। এতে মোট ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার।

গেল ৫ জুলাই রাত থেকে টানা পাঁচ দিনের অতি ভারি বর্ষণে দেশের ৪৩টি জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যার কবলে পড়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সাত জেলা। এছাড়া এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।

দুর্যোগ ব্যবাস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে, যার মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী।

এছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে সাতজন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

একই সাথে দুর্যোগে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে মোট ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং কক্সবাজারে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। আহতদের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি কক্সবাজারের, ২৫ জন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক।

দুর্গত মানুষদের সহায়তার জন্য ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৮৪৯ জন গৃহহীন মানুষ অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত সাতটি জেলাসহ সারা দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউ টিনসহ গৃহ নির্মাণ মঞ্জুরি হিসেবে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

একই সাথে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও বিশেষ আর্থিক সহায়তা (প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে) দেওয়া হয়েছে।

এসএন/

গণ-অভ্যুত্থানের বিচার জনগণের, আদালতের নয়: ল' ইয়ার্স কাউন্সিল

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
গণ-অভ্যুত্থানের বিচার জনগণের, আদালতের নয়: ল' ইয়ার্স কাউন্সিল
ছবি: সংগৃহীত

গণ-অভ্যুত্থানের বৈধতা বা অবৈধতার বিচার আদালতের বিষয় নয়। এক্ষেত্রে জনগণই সর্বোচ্চ বিচারক। ফলে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায় প্রকাশের একমাত্র আইনগত মাধ্যম বলে এক সংবাদ সম্মেলনে মত প্রকাশ করা হয়েছে। জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ ল' ইয়ার্স কাউন্সিল এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘গণ-অভ্যুত্থান-জুলাই সনদ-গণভোট-সংবিধান সংস্কার-পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় : বর্তমান বাস্তবতা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্ট বারের শহিদ শাফিউর রহমান অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

শিশির মনির বলেন - ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পাতানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে। এতে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়। ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মানবাধিকারও ভূলুণ্ঠিত করে বিচারালয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। গুম-খুন, নির্যাতন ও আয়নাঘর ছিল নিত্যদিনের বাস্তবতা। এছাড়া একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করতে সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী যুক্ত করা হয়েছে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান পুনর্লিখিত হয়। বিলুপ্ত করা হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। গণভোটের ব্যবস্থাও বিলুপ্ত করা হয়।

তিনি বলেন, বছরের পর বছর ক্ষমতার চরম অপব্যবহারে মানুষের মনে হতাশা ও গভীর ক্ষোভের জন্ম হয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিস্ফোরিত হয় দীর্ঘদিনের সেই চাপা ক্ষোভ। জনতার স্রোতে ভেঙে যায় ১৬ বছর ধরে গড়ে ওঠা একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা। গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে পথ চলতে শুরু করে এ সরকার। এর মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হলেও বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রসংস্কার এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

শিশির মনির বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আইন সংশ্লিষ্ট সবার ওপর বাধ্যকর। বাংলাদেশের কোনো আদালত এই আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি। কারণ এই আইনই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের লিখিত রূপ। তাই জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে। আদেশে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক সংবিধানের প্রয়োজনীয় সব সংস্কার সম্পন্ন করাই হবে আইনসম্মত ও যথাযথ পদক্ষেপ।

কাউন্সিলের সভাপতি ও সদ্যসম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের সভাপতিত্বে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিব মোমেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্য থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান এবং এবি পার্টির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্যসাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

মাহমুদুল আলম/এসএন

স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মাধ্যমিক স্তরের সকল স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের লক্ষ্যে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসের ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মাউশির পত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে ক্রীড়া কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি চমৎকার মেলবন্ধন তৈরি হয়।

এই লক্ষ্য মাউশির আওতাধীন স্কুল পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া কার্যক্রম অব্যাহত রাখা অতীব জরুরি।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন স্কুল পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসের ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্পর্কিত তথ্য একটি নির্দিষ্ট ছক মোতাবেক প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে [email protected] ই-মেইলে প্রেরণ করতে হবে।

তথ্য ছকে সংশ্লিষ্ট মাসে পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত অনুষ্ঠানসমূহ, ইভেন্টের ধরন, খেলাধুলার সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের নামসহ প্রয়োজনীয় বিবরণী উল্লেখ করে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এএফ/

১৪ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের সতর্কতা

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
১৪ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের সতর্কতা
ছবি: খবরের কাগজ

রাতের মধ্যে দেশের ১৪টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া এক আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

রিফাত/

বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ
ছবি: খবরের কাগজ

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় ভয়াবহ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮ জনে পৌঁছেছে। এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১২ লাখের বেশি মানুষ। দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবাস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যা সম্পর্কিত সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৫৭টি উপজেলার ৩৬২টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌরসভা এখন বন্যা কবলিত। এতে মোট ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার।

গেল ৫ জুলাই রাত থেকে টানা পাঁচ দিনের অতি ভারি বর্ষণে দেশের ৪৩টি জেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যার কবলে পড়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের সাত জেলা। এছাড়া এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে।

দুর্যোগ ব্যবাস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে, যার মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী।

এছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে সাতজন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

একই সাথে দুর্যোগে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে মোট ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং কক্সবাজারে একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। আহতদের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি কক্সবাজারের, ২৫ জন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক।

দুর্গত মানুষদের সহায়তার জন্য ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৮৪৯ জন গৃহহীন মানুষ অবস্থান করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত সাতটি জেলাসহ সারা দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউ টিনসহ গৃহ নির্মাণ মঞ্জুরি হিসেবে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

একই সাথে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও বিশেষ আর্থিক সহায়তা (প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে) দেওয়া হয়েছে।

এসএন/

লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি
ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ১৭১ বাংলাদেশি দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), লিবিয়া সরকার এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে তাদের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান।

প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়।

প্রত্যাবাসিতদের অনেকেই লিবিয়ায় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় অস্থায়ী আবাসনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এসএন/