ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চট্টগ্রামে দেয়ালধসে নিহত ১, শিশুসহ আহত তিন টানা বৃষ্টির প্রভাব, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র অবিরাম বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে বান্দরবান, খোলা হলো ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র কারণ জানুন বিশ্ববাজারে ব্যবসা বাড়াতে নতুন রূপে ‘টিপসই’ মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে যেভাবে শুরু হয়েছিল মেসি-অধ্যায় এআই ও ডেটা সায়েন্সে স্নাতক প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী কম্বোডিয়ায় মানবপাচার ও তরুণ নিহতের ঘটনার মূলহোতা গ্রেপ্তার লাকড়ির স্তূপে বিষধর সাপ, প্রাণ গেল নারীর পাবলিক স্পিকিংয়ে মঞ্চ মাতাবেন যেভাবে মহাকাশে পতনশীল সুইফট অবজারভেটরি উদ্ধারে নাসার সফল অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের রাতের রানিতে সেজেছে পেকুয়ার পাহাড় নোয়াখালীর ২ হাসপাতালকে জরিমানা লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি ৭৩১ জনকে চাকরি দেবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বিমা খাতকে আইনি কাঠামোয় আনার তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর ব্রাজিলিন্টিনা টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে পতেঙ্গা সৈকতসংলগ্ন সড়কে ধস জাদুঘরে ফিরল ১১৯ বছরের পুরোনো তিমির কঙ্কাল ‘আল্লাহ কোথায় আছেন?’ বাল্টিক সাগরের বুকে ২২ ঘণ্টার স্বপ্নযাত্রা দানবাক্স থেকে চুরি করে প্রেমিকাকে আইফোন দিলেন কর্মী খাদ্য অধ্যায়ের ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বহুরূপী মতিন ভাই ফারাওদের রুখতে আর্জেন্টিনার একাদশে ৩ পরিবর্তন এনবিআরের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ৯ পুলিশ সদস্য নিহত

বাংলাদেশের তিন চতুর্থাংশ নারী পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যবিধি পণ্য থেকে বঞ্চিত: ওয়াটারএইড

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৩৮ এএম
বাংলাদেশের তিন চতুর্থাংশ নারী পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যবিধি পণ্য থেকে বঞ্চিত: ওয়াটারএইড
বাংলাদেশের নারীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত গবেষণার ফলাফল তুলে ধরছেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের তিন চতুর্থাংশ নারী পিরিয়ডের সময় স্বাস্থ্যবিধি পণ্য থেকে বঞ্চিত বলে জানিয়েছে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ।

সম্প্রতি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ তাদের একটি গবেষণায় এ তথ্য পেয়েছে।

ওয়াটারএইড বাংলাদেশ পরিচালিত একটি গবেষণায় বাংলাদেশের নারীদের মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় (এমএইচএম) বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মহিলাদের এবং মেয়েদের জন্য উল্লেখযোগ্য অসুবিধা তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে ক্রয়ক্ষমতা, সচেতনতার অভাব এবং মাসিক নিয়ে কুসংস্কারের মতো সমস্যা এবং নিরাপদ ও সঠিক মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব তুলে ধরা হয়েছে।

দেশের তিন জেলার নারীদের ওপর পরিচালিত গবেষণায় জানা গেছে, বাংলাদেশে ৭১% মহিলা এবং মেয়ে তাদের শেষ তিনটি মাসিকে অন্তত একবার স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করেছেন। অনেক উত্তরদাতা বলেছেন, তারা বাইরে যাওয়ার সময় প্যাড ব্যবহার করলেও ঘরে থাকার সময় কাপড় ব্যবহার করেন। কারণ স্যানিটারি প্যাডের উচ্চমূল্যের কারণে এটি অনেকের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। এখানে ৯১% উত্তরদাতা বলেছেন তারা স্যানিটারি পণ্যের উচ্চ খরচের কারণে এখনও মাসিকের সময় কাপড় ব্যবহার করেন।

গবেষণাটি আরও দেখিয়েছে যে, বাংলাদেশের নারীদের বিকল্প মাসিক ব্যবস্থাপনা পণ্য সম্পর্কে সচেতনতার অভাব রয়েছে। মাত্র ২৭% মহিলা পুনর্ব্যবহার স্যানিটারি প্যাড সম্পর্কে জানেন এবং ১৩% মেনস্ট্রুয়াল কাপ সম্পর্কে জানেন। কিন্তু এই বিকল্প পণ্যের ব্যবহার খুব কম, যেখানে সচেতনতার অভাব, উচ্চ খরচ এবং সীমিত প্রাপ্যতা প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে।

সরকারের সহায়ক নীতিমালার অভাব এবং এই শিল্পে বিনিয়োগের অভাব, এই বিকল্প পণ্যগুলির পণ্যের বাজার বৃদ্ধির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। কাঁচামালের অভাব, আমদানি সীমাবদ্ধতা এবং স্থানীয় উৎপাদনের সীমিত সক্ষমতার কারণে সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন আরও কঠিন হচ্ছে।

কুসংস্কার এবং অপর্যাপ্ত অবকাঠামো মহিলাদের জন্য মাসিক পণ্য পাওয়া আরও কঠিন করে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৭৭% নারী সামাজিক নিয়মকানুন, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং স্কুল ও কর্মস্থলে সঠিক সুবিধার অভাবের কারণে এমএইচএম পণ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। এ ছাড়াও স্যানিটারি প্যাডের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে পরিবেশগত উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির কারণে পরিবেশের ক্ষতি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এসব সমস্যা সমাধানের জন্য গবেষণা রিপোর্টে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশগুলো হলো- নীতিনির্ধারকদের স্যানিটারি পণ্যের দাম কমানো এবং ভর্তুকি বৃদ্ধি করা উচিত যাতে বিকল্প পণ্য সবার জন্য সাশ্রয়ী হয়। পরিবেশবান্ধব পুনর্ব্যবহার স্যানিটারি পণ্যের প্রসারের জন্য আরও প্রচারণা চালানো দরকার, পাশাপাশি তাদের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য শিক্ষামূলক প্রচারণা চালানো উচিত। স্কুল এবং কর্মস্থলে মাসিক স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনার জন্য নিরাপদ স্থান তৈরি করা অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। এ ছাড়াও সমাজ-ভিত্তিক প্রোগ্রামে পুরুষদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত যাতে মাসিক সংক্রান্ত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায়। 

দেশের প্রতিটি নারী এবং মেয়ের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব মাসিক পণ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার, এনজিও, বেসরকারি খাত এবং স্থানীয় কমিউনিটিকে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াটারএইড।

সুমন/

এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে যুগান্তকারী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে যুগান্তকারী বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে যুগান্তকারী ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স (এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স) প্রোগ্রাম চালু করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)।

অ্যাডভান্সড সায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটিং অনুষদের অধীনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বুধবার (২৪ জুন) আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়,সাশ্রয়ী ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাদের দেশের প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কর্মবাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

১৫২ ক্রেডিটের এ প্রোগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও সাইবার সিকিউরিটিসহ আধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হবে। পাশাপাশি থাকবে গবেষণা, ল্যাবভিত্তিক শিক্ষা ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়েভারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫ টি অনুষদের অধীনে ০৮টি বিভাগ চালু রয়েছে। এরমধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ও মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (এএমএম)।

আর ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিজ এন্ড সোস্যাল সায়েন্সেসের অধীনে বিএ (অনার্স) ইন ইংলিশ, এমএ ইন ইংলিশ লিটেরেচার এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ও ব্যাচেলর অব ল’ (এলএলবি অনার্স)। রয়েছে মাস্টার অব পাবলিক হেলথ। আরও তথ্যের জন্য আইএসইউ এর ওয়েবসাইট www.isu.ac.bd ভিজিট করুন বা ০১৩১৩০৩৭০৭০, ০১৩১৩০৩৭০৭১, ০১৩১৩০৩৭০৭৮ নম্বর এ যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজ্ঞপ্তি/

৪৫ বছরে পদার্পণ করলো আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
৪৫ বছরে পদার্পণ করলো আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস
ছবি: সংগৃহীত

দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস ৪৫ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) তে অনুষ্ঠিত আয়োজনে কেক কেটে ৪৫ বছর পূর্তি উদযাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল।

এ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির অর্জন, দেশের উন্নয়নে অবদান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা এবং গ্রাহকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ স্যানিটারি ও প্লাম্বিং সমাধান নিশ্চিত করার বিভিন্ন উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়।

আর এন পাল বলেন, ‘গ্রাহক, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা ও মিস্ত্রীদের আস্থাই আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংসের গত ৪৫ বছরের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই আস্থার ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম শীর্ষ পাইপ ও ফিটিংস ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। ভবিষ্যতেও উন্নত প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য এবং উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেলসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে আরএফএল পাইপ অ্যান্ড ফিটিংসের পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। একটি ভবনের পূর্ণাঙ্গ প্লাম্বিং সমাধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী দিনেও আধুনিক, টেকসই ও মানসম্পন্ন পাইপিং সল্যুশন নিয়ে কাজ করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।’

৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডিলার, খুচরা বিক্রেতা ও মিস্ত্রীদের জন্য আকর্ষণীয় উপহার, বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম, আউটডোর ব্র্যান্ডিং করা হয়। একই সঙ্গে আরএফএল কেয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডিলার, রিটেইলার ও মিস্ত্রীদের একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি/

কম বয়সে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে খেলাধুলা, শিক্ষা ও মেন্টরশিপ: মেটলাইফের গবেষণা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম
কম বয়সে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে খেলাধুলা, শিক্ষা ও মেন্টরশিপ: মেটলাইফের গবেষণা
ছবি: সংগৃহীত

মেটলাইফের নতুন একটি বহুজাতিক গবেষণায় উঠে এসেছে ‘আত্মবিশ্বাস ঘাটতির’ এক চমকপ্রদ চিত্র। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিজেদেরকে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মত সহনশীল বলে মনে করলেও বাস্তব জীবনে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে তাদের আত্মবিশ্বাস ৭২ শতাংশ কমে যায়।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং মেক্সিকোতে পরিচালিত ‘দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট’–এর লক্ষ্য ছিল মানুষের আত্মবিশ্বাস কীভাবে গড়ে ওঠে এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে তা টিকে থাকে, তা বোঝা। গবেষণার ফলাফল দেখায় যে সুযোগ, প্রস্তুতি এবং সহায়ক পরিবেশ আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব উপাদান মানুষকে অনিশ্চয়তা মোকাবিলা, বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।

প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে আলা আহমদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, মেটলাইফ বাংলাদেশ বলেন, ‘চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে যখন বিশ্বের মানুষ একত্রিত হয়েছে, তখন এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব কতটা গভীর। দলগত কাজ, শৃঙ্খলা এবং দৃঢ়তা শেখায় খেলাধুলা, যা জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে, জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ, তাই খেলাধুলা, শিক্ষা এবং মেন্টরশিপের সঙ্গে কম বয়সেই পরিচয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেটলাইফ বাংলাদেশে আমরা আরও ভালো আর্থিক প্রস্তুতি এবং সুরক্ষার সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবারকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যাতে মানুষ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে পারে এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশ করতে সক্ষম হয়।’

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার ফলাফল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনমিতিক সম্ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করে। পাশাপাশি, ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি তরুণ-তরুণী দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই তাদের সম্ভাবনাকে পূর্ণ বিকশিত করতে কম বয়স থেকেই আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা গড়ে তোলা জরুরি।

যখন ফুটবল বিশ্বব্যাপী মানুষ ও সম্প্রদায়কে একত্রিত করছে, তখন এই গবেষণা আরও দেখায় যে কম বয়স থেকে খেলাধুলা, শিক্ষা এবং মেন্টরশিপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা মানুষের দৃঢ়তা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি বাড়ায়, যা আরও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনে সহায়ক।

গবেষণার প্রধান ফলাফল

বাস্তব জীবনের চাপের মুখে আত্মবিশ্বাস ৭২ শতাংশ কমে যায় 
অনেকেই নিজেদেরকে দৃঢ়চেতা বলে মনে করলেও আর্থিক, মানসিক বা ব্যক্তিগত বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে কম মানুষ আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন।

কম বয়সের অভিজ্ঞতা দীর্ঘস্থায়ী আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে 

শৈশবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী অর্ধেকেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন, এটি তাদের আত্মবিশ্বাস (৫৬%) এবং অধ্যবসায় (৫২%) বৃদ্ধি করেছে। একই সঙ্গে অভিভাবকেরাও খেলাধুলা ওমেন্টরশিপ কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন।

প্রস্তুতি আত্মবিশ্বাস বাড়ায় 
যেসব প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সঞ্চয় বা জীবনবিমা গ্রহণের মতো সক্রিয় আর্থিক পদক্ষেপ নেন, তারা বিপর্যয় মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় ২০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময়।

সহায়ক সামাজিক নেটওয়ার্ক এখনও সীমিত

অর্ধেকেরও কম মানুষ বন্ধুদের (৪১%) অথবা নিজেদের কমিউনিটির (৩১%) কাছ থেকে সমর্থন পান বলে মনে করেন। এটি আরও শক্তিশালী সামাজিক সংযোগ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

বিজ্ঞপ্তি/

ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসে গোল্ড জিতল কমিউনিটি ব্যাংক

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসে গোল্ড জিতল কমিউনিটি ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যাংকিং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক স্বীকৃতি ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ‘ম্যাক্সিমাইজিং কাস্টমার এনগেজমেন্ট’  ক্যাটাগরিতে গোল্ড উইনার হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটি তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ 'কমিউনিটি এক্সেস'-এর জন্য এ আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করে।

সোমবার (৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় কমিউনিটি ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসের ১১তম আসরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৯টি ক্যাটাগরিতে ৫০০টিরও বেশি মনোনয়ন জমা পড়ে।

কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকিং ও প্রযুক্তি খাতের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
'কমিউনিটি এক্সেস'-এর মাধ্যমে গ্রাহক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার উদ্ভাবনী প্রয়াসের স্বীকৃতিস্বরূপ কমিউনিটি ব্যাংক এ সম্মাননা অর্জন করেছে।

এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কমিউনিটি ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাদান এবং ভবিষ্যতমুখী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কমিউনিটি ব্যাংক এ অর্জনকে ব্যাংকের সকল গ্রাহক, অংশীজন ও সহকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং আগামী দিনগুলোতেও উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের ব্যাংকিং সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

বিজ্ঞপ্তি/

তানধান ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের সৌর ও লিথিয়াম পাওয়ার সলিউশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:২০ পিএম
তানধান ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের সৌর ও লিথিয়াম পাওয়ার সলিউশন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সূচনা
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে তানধান ডিপিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশন-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সৌরবিদ্যুৎ ও লিথিয়ামভিত্তিক বিদ্যুৎ সংরক্ষণ সলিউশন একটি বিসতৃত পণ্যসম্ভার বাজারে নিয়ে এসেছে, যার সঙ্গে রয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা।

ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের পণ্য তালিকায় বিশ্বখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড যেমন Luminous, Livguard, Livoltek, Canadian Solar, Jinko Solar, Desh Shakti Solar Batteries-সহ আরও বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় নির্মাতার সৌর প্যানেল, লিথিয়াম ব্যাটারি, ইনভার্টার এবং আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও কৃষি খাতের জন্য পূর্ণাঙ্গ সৌরবিদ্যুৎ সমাধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দেশব্যাপী দক্ষ ও প্রযুক্তিগতভাবে সমৃদ্ধ ডিলার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে তানধান ডিপিটি সম্প্রতি গাজীপুরে তাদের প্রথম সোলার প্রোডাক্ট ও ইনস্টলেশন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করে। এতে ঢাকার উত্তর বিভাগের স্বনামধন্য ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে সৌর পণ্যের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য, সিস্টেম ডিজাইন, সঠিক ইনস্টলেশন পদ্ধতি, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং গ্রাহক পরামর্শ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হয়, যাতে ডিলাররা গ্রাহকদের সর্বোত্তম সেবা ও সমাধান প্রদান করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তানধান ডিপিটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. কাজী আবিদুল হক বলেন, ‘আমাদের ডিলাররাই আমাদের ব্যবসার মূল ভিত্তি। আমরা যখন তাদের সঠিক জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ করি, তখন তারা গ্রাহকদের জটিল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে এবং উপযুক্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমাধান দিতে সক্ষম হন। আমাদের কাছে জ্ঞান ভাগাভাগি শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি গ্রাহক সন্তুষ্টির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।’

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশেও সৌরবিদ্যুৎ ও শক্তি সংরক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিবর্তনের অংশীদার হতে তানধান ডিপিটি বাজারে আসল, উচ্চমানসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি পেশাদার ইনস্টলেশন এবং নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা সাধারণত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কার্যকরভাবে সেবা প্রদান করতে সক্ষম। তাই এমন দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ, বিশ্বস্ত এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যারা মানসম্মত পণ্য, সঠিক সিস্টেম ডিজাইন এবং দীর্ঘমেয়াদি কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করতে পারে।

ডিপিটি রিনিউয়েবল ডিভিশনের মাধ্যমে তানধান ডিপিটি একটি দক্ষ ডিলার নেটওয়ার্ক, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইনস্টলেশন ব্যবস্থা এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ইপিসি প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

আগামী দিনে সারা দেশে আরও ডিলার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, প্রযুক্তিগত কর্মশালা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে তানধান ডিপিটি বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জ্বালানি খাতের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে বদ্ধপরিকর।

বিজ্ঞপ্তি/