ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা, মৌলভীবাজারে উল্লাস কানাডার ভরসা জোনাথন ডেভিড শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, ম্যাচ কবে-কখন? ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে কানাডা, মরক্কোর চোখ আরও দূরে ৪ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি নাটকীয় ম্যাচে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা অবিশ্বাস্য গোলে আবারও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সমতায় কেপ ভার্দে অতিরিক্ত সময়ে গড়াল আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ ভিএআর: আশীর্বাদ না অভিশাপ? আর্জেন্টিনার জালে বল জড়িয়ে সমতায় কেপ ভার্দে বিশ্বকাপে জোড়া ইতিহাস গড়লেন মেসি মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে আর্জেন্টিনা মেসির গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৯ পরিবর্তন টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে মিশর টাইব্রেকারে গড়াল মিশর-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড অতিরিক্ত সময়ে গড়াল অস্ট্রেলিয়া-মিশর ম্যাচ আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে কারা জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার মিশরের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফিরল অস্ট্রেলিয়া আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে বড় সতর্কবার্তা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে মিশর বন্যার ঝুঁকিতে জুলাই-আগস্ট, সতর্কবার্তা এফএফডব্লিউসির খামেনির প্রতি বাংলাদেশের শেষ শ্রদ্ধা, প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে স্পিকার মোমেনার জন্মদিনে কোয়ান্টাম মঞ্চে ‘গোধূলিবেলায়’ ‘আমি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু’—নতুন দাবি ট্রাম্পের শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ভাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা মামার লাঠির আঘাতে আহত ভাগ্নের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ফেনী-ঢাকা রুটে এক মাসে দুই দফা ভাড়া বৃদ্ধি

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
ফেনী-ঢাকা রুটে এক মাসে দুই দফা ভাড়া বৃদ্ধি
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-ঢাকা রুটে যাত্রীদের ওপর আবারও ভাড়া বৃদ্ধির চাপ পড়েছে। এই রুটে লোকাল বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার স্টার লাইন পরিবহনেও এক মাসের ব্যবধানে দুই দফায় বাড়ানো হয়েছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় বাসচালক, মালিকপক্ষ এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেনী থেকে ঢাকাগামী রুটে অন্তত সাতটি লোকাল বাস কোম্পানি চলাচল করে। তবে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য সেবা দেওয়ার কারণে স্টার লাইন পরিবহনই এ রুটের প্রধান ভরসা।

জানা গেছে, গত ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে স্টার লাইন প্রথমে ২০ টাকা ভাড়া বাড়ায়। পরে জ্বালানিসংকট ও সরকারের ভাড়া সমন্বয়ের কথা বলে আরও ২০ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে এক মাসের ব্যবধানে মোট ভাড়া ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বর্তমানে স্টার লাইন পরিবহনের ভাড়া কাঠামো অনুযায়ী, ফেনী থেকে ঢাকার টিটিপাড়া পর্যন্ত এসি বাসে ৪৭০ টাকা এবং নন-এসি বাসে ৪০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এক মাস আগে এই ভাড়া ছিল যথাক্রমে ৪৩০ ও ৩৬০ টাকা।

অন্যদিকে ফেনী থেকে ঢাকার আবদুল্লাহপুর-মিরপুর রুটে এসি ভাড়া ৫৪০ টাকা এবং নন-এসি ৪৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক মাস আগে এই ভাড়া ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা (এসি) এবং ৪৩০ থেকে ৪৫০ টাকা (নন-এসি) করা হয়েছিল।
লোকাল বাসেও ভাড়া বেড়েছে। ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এসব বাসে নির্দিষ্ট ভাড়া নেই। দরদাম করে ২৫০ থেকে ৩২০ টাকায় যাত্রী নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ফেনী থেকে ঢাকার দূরত্ব ১৪৯ কিলোমিটার। প্রতি কিলোমিটার ২.২৩ টাকা হিসেবে ভাড়া প্রায় ৪৪০ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

যাত্রী মাইন উদ্দিন বলেন, ‘স্টার লাইন ছাড়া এ রুটে নির্ভরযোগ্য পরিবহন নেই। তাই এই সুযোগে বারবার ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে। ঈদের সময় বাড়ানো ভাড়া আর কমেনি। এখন আবার নতুন করে বাড়ানো হয়েছে।

ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হোসেন দীপ্ত বলেন, এ রুটে আমাদের বিকল্প নেই। তাই বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে চলতে হচ্ছে। সরকারি ভাড়া এখন শুধু কাগজেই আছে।

তবে সিডিএম ট্রাভেলসের সুপারভাইজার সুমন বলেন, ‘লোকাল বাসগুলোতে নির্দিষ্ট ভাড়া নেই। যাত্রীরা দরদাম করেই ভাড়া দেন।’
এদিকে স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন দাবি করেন, ‘আমরা কখনো সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেইনি। বরং অনেক সময় কম ভাড়ায়ও যাত্রী পরিবহন করেছি।’

এ বিষয়ে বিআরটিএ ফেনী সার্কেলের সহকারী পরিচালক বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মন্তব্য করা যাবে না। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা বলেন, ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা, মৌলভীবাজারে উল্লাস

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৩ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ এএম
কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা, মৌলভীবাজারে উল্লাস
ছবির ক্যাপশন: আর্জেন্টিনার জয়ে মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনা চত্বরে সমর্থকদের উল্লাস। ছবি: খবরের কাগজ

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে কেপ ভার্দের শক্ত প্রতিরোধ ভেঙে জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নাটকীয় ম্যাচে ৩-২ গোলের জয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে লিওনেল মেসির দল।

শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল টানটান উত্তেজনা। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠা খেলায় প্রথমে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি কেপ ভার্দে। দারুণ সংগঠিত ফুটবলে তারা সমতা ফিরিয়ে ম্যাচকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যায়।

নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানতালে। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার জোরে নির্ণায়ক গোলটি আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা।

এদিকে হাজার মাইল দূরের এই জয়ের আনন্দে ভেসেছে মৌলভীবাজার শহর। ভোররাতের ম্যাচ শেষে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নেমে আসে উচ্ছ্বাসের ঢেউ।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে জেলা শহরের চৌমুহনা চত্বরে জড়ো হতে শুরু করেন শতাধিক আর্জেন্টিনা সমর্থক। অল্প সময়ের মধ্যেই তা রূপ নেয় প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। গাড়ি ও মোটরসাইকেলের হর্ন, ভুভুজেলার তীব্র শব্দ আর উচ্ছ্বাসধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। মুখে মুখে ধ্বনিত হয় ‘আর্জেন্টিনা’ স্লোগান।

সমর্থকদের একজন বলেন, ম্যাচটি সহজ ছিল না। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত জয়ের পথ বের করে নিয়েছে।

আরেকজনের ভাষায়, এই জয় আমাদের জন্য শুধু খেলা নয়, এক ধরনের আবেগ।

মোটরসাইকেল আরোহী তরুণ ফয়েজ আহমদ বলেন, খেলা শেষ হতেই আমরা বন্ধুরা মিছিল নিয়ে বের হয়েছি। শহরটা যেন ফুটবল উৎসবে পরিণত হয়েছে।

আরেক সমর্থক আফতাব আলি বলেন, এই ধরনের টানটান ম্যাচই প্রমাণ করে কেন আর্জেন্টিনা বড় দল। চাপের মধ্যেও তারা জিততে জানে।

ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ সমর্থক দুলাল রায় বলেন, মারাদোনার সময় থেকে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করি। এই দলটি এখনো সেই আবেগ ধরে রেখেছে। এমন ম্যাচই ফুটবলের আসল সৌন্দর্য।

এই জয়ের মাধ্যমে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। আর সেই স্বপ্নযাত্রায় মৌলভীবাজারের সমর্থকরাও থাকলেন সমান উচ্ছ্বাসে অংশীদার।

পুলক পুরকায়স্থ/অমিয়/

ভাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
ভাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
সজীব মাতুব্বর। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন শেখ (২২) নামে এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৩৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নিহত সুমন শেখের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। 

এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ও পৌরসভার পূর্ব হাশামদিয়া মহল্লার বাসিন্দা সজীব মাতুব্বর।

নিহত সুমন শেখ ভাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের বাসিন্দা মিলন শেখ ও সামেলা বেগমের ছেলে ছিলেন। তিনি পেশায় একজন ফাস্টফুড ব্যবসায়ী ছিলেন।

এদিকে, ঘটনার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে পৌরসভার হাশামদিয়া ও আতাদি মহল্লা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পরবর্তী কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিহত সুমনের মা সামেলা বেগম বলেন, ‘সজীব মাতুব্বরসহ যারা আমার ছেলে সুমনকে হত্যা করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই। আর কোনো মাকে যেন আমার মতো সন্তান হারানোর শোক বয়ে বেড়াতে না হয়।’

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুমন শেখ নামে এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘সে যত বড় নেতাই হোক না কেন, সুমন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলা আইন অনুযায়ী চলবে। এ মামলায় কোনো ধরনের তদবির বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভাঙ্গা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সজীব মাতুব্বর মামলার এক নম্বর আসামি হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আজই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখের ছেলে সুমন শেখ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সজীবের শর্টগানের গুলিতে সুমন নিহত হন। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ওই এলাকায় দফায় দফায় আন্দোলন চলছে।

এনকেবি নয়ন/রিফাত/

মামার লাঠির আঘাতে আহত ভাগ্নের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
মামার লাঠির আঘাতে আহত ভাগ্নের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শিশেরকুন্ডু গ্রামে মামার লাঠির আঘাতে ভাগ্নে নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আবু বক্কর (৩০) ওই গ্রামের আলী আকবর’র ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার শিশেরকুন্ডু গ্রামের আবু বক্করের সাথে তার মামা সিরু মিয়ার জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। মঙ্গলবার রাতে বিরোধপুর্ণ ওই জমির বাঁশ কাটা নিয়ে বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে মামা সিরু মিয়া লাঠি দিয়ে আবু বক্করের মাথায় আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হলে প্রথমে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার্ড করে চিকিৎসক। শুক্রবার দুপুরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আবু বক্কর।

কোটচাঁদপুর থানার ওসি (তদন্ত) আনসারুল্লাহ হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

মাহফুজুর রহমান/এসএন

টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম
টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত জাকির হোসেন শেখ। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় কলা খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ৯ বছর বয়সি মাদরাসা পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জাকির হোসেন শেখ (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের তারাইল সিমানার খাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি একটি মহিলা মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযুক্ত জাকির হোসেন শেখ পাটগাতী সর্দারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

শিশুটির চাচা বলেন, শুক্রবার দুপুরে শিশুটি পানি আনতে গেলে অভিযুক্ত জাকির হোসেন তাকে কলা খাওয়ানোর কথা বলে ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুটি চিৎকার দিলে তার মা দরজায় ধাক্কা দেন। তখন জাকির হোসেন শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে।

শিশুটির বাবা বলেন, দুপুরে খাওয়ার সময় শিশুটিকে চাপকল থেকে পানি আনতে বলি। তখন সে পানি আনতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত জাকির হোসেন শেখকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।

বাদল/এএফ

সোনারগাঁয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রাণনাশের হুমকি

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
সোনারগাঁয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রাণনাশের হুমকি
নোবেল মীর। ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সোনারগাঁও থানা বিএনপির সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক নোবেল মীর। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে উদ্ভবগঞ্জ এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলেন। 

তিনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মামলা হামলা, জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নিজের দলের লোকজনের প্রতারণা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার কারণে তাকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দফায় দফায় প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। তিনি এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানায় নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি করছেন। পুলিশ সাধারণ ডায়েরির তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও কোনো প্রতিকার পাননি। 

তিনি দাবি করেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের বর্তমান সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমও চেয়ারম্যান পদে লড়বেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন তিনিও। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে জাহাঙ্গীর আলম কৌশলে ১৪ বছর আগের একটি চেক চুরি করে নিয়ে বর্তমানে ‘চেক ডিজঅনার’ মামলা করার হুমকি দিচ্ছেন। তিনি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। জাহাঙ্গীর আলমের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। 

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে হুমকির বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তবে আমাকে তিনি উল্টো ইউনিয়ন পরিষদে সবার সামনেই দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

ইমরান/রিফাত/