ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চাঁদপুরে দীর্ঘ ৩৯ বছরের শিক্ষাসেবা শেষে সম্মানজনক বিদায় শিক্ষকের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ফের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন তাইজুলের আলো ছড়ানো দিনেও জিম্বাবুয়ের বিশাল লিড এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব ব্রাজিলের শুরুর একাদশে নেই নেইমার ৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ ঢাবির সিনেটে ১৪২২ কোটি টাকার বাজেট পেশ, নেই ইউজিসির গবেষণা বরাদ্দ বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ করতে চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে পরিচালিত দুই চুনা কারখানা উচ্ছেদ এফএলজি খাতে ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্টের রূপরেখা নিয়ে সেমিনার বাংলাদেশসহ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নরওয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রদূত অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস তামিম ইকবাল এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় বেঙ্গল টাইগার্সের অভিনন্দন ভেনেজুয়েলায় জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, তল্লাশি অব্যাহত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি, তবে কিছুদিন থাকবে লোডশেডিং: বিদ্যুৎমন্ত্রী চীন সফরে প্রাপ্তি-প্রতিশ্রুতি কী মিললো, স্পষ্ট করুন: রুমিন ফারহানা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলবে, আপাতত হামলা বন্ধে সম্মত দুই পক্ষ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় চসিকের নওগাঁয় কর্মবিরতিতে ডাক কর্মচারীরা গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু কালিমার পতাকা নিয়ে বিতর্ক ও আমাদের উদ্বেগ উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে বাংলাদেশি স্কুলশিক্ষার্থী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ প্রসঙ্গে কিছু কথা ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
৪ বছর পর ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল দেশের রিজার্ভ
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় চার বছর পর আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

সোমবার (২৯ জুন) দিন শেষে রিজার্ভ উঠেছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪৮০ বিলিয়ন (৩২,৪৭৯.৮৮ মিলিয়ন) ডলার।

দীর্ঘ দিন পর বুধবার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছিল।

এর আগে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে–কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়।

গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সাথে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে।

এএফ/

ভ্যাটে ছাড় পেতে পারেন ছোট দোকানিরা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
ভ্যাটে ছাড় পেতে পারেন ছোট দোকানিরা
ছবি: খবরের কাগজ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সংসদ সদস্যরা পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা করেন, সমালোচনাও করেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অল্প আয়ের দোকানদারদের ওপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহারসহ প্রস্তাবিত বাজেটের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন হতে পারে। এসব সংশোধনের পর আজ সোমবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের অর্থবিল চূড়ান্ত হওয়ার কথা আছে।
 
প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রয়েছে। এই বেশি পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে গিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে অনেক ক্ষেত্রে কর আরোপ করা হয়েছে। নতুন আরোপিত কর নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সরকারের নেতিবাচক সমালোচনা করেছে। 
 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমালোচনা এড়াতে এনবিআরকে প্রস্তাবিত বাজেটের জনসম্পৃক্ত বিষয়গুলো নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে করমুক্ত আয়সীমা কিছুটা বাড়ানো সম্ভব কি না, অল্প আয়ের দোকানদারদের ওপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার, আবাসন খাতে নিবন্ধনের খরচ কমানো, সঞ্চয়পত্রের ওপর আরোপিত কর, শিল্পের অনেক খাতে উৎসে করে ছাড় দেওয়া সম্ভব কি না, তা ভেবে দেখতে বলেন। 
 
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল তিতুমীর খবরের কাগজকে বলেন, সরকার জনকল্যাণে বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছে। এই বাজেটের কোনো ধারায় বা কোনো পদক্ষেপের ফলে সাধারণ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকলে তাতে সংশোধনী আনা হবে। তবে দেশের উন্নয়নে রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি ভেবে দেখতে হবে। 
 
চলতি অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেন।
 
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে এনবিআর আগামী ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা ধার্য করতে পারে বলে জানা গেছে। ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা যেতে পারে বলে জানা গেছে। 
 
প্রস্তাবিত বাজেটের অর্থবিলে আয়কর আইনের প্রথম তফসিলে সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধন করে ‘স্বতঃপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শন’ নামে নতুন ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে কর দিয়ে বিনা প্রশ্নে জমি-ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য প্রদর্শনের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়।
 
প্রস্তাবিত অর্থবিল ব্যাখ্যা করে বলা যায়, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য ও দলিল মূল্যের পার্থক্যের ওপর নির্ধারিত হারে কর দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে কোনো বিক্রেতা জমি, বিল্ডিং, অ্যাপার্টমেন্ট কেনার সময় দলিলে প্রকৃত মূল্য গোপন করলে সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য ও দলিল মূল্যের পার্থক্যের ওপর বিক্রেতাকে ১৫ শতাংশ মূলধনি কর দেওয়ার ধারা আনা হয়েছে। 
 
এ ক্ষেত্রে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থবিল বিশ্লেষণ করে বলা যায়, ‘স্বতঃপ্রণোদিত ঘোষণার পূর্বে আয়কর আইন অনুযায়ী ক্রেতা বা বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রদেয় করের ২০ শতাংশ জরিমানা হিসেবে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে। তা ছাড়া স্বতঃপ্রণোদিত ঘোষণার আগে বাংলাদেশের কোনো আদালত ঘোষণাকারীকে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তি আইনের এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।’
 
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমালোচনা এড়াতে চূড়ান্ত অর্থবিলে এই ধারা বাতিল করার ক্ষেত্রে কোনো আপত্তি নেই বলে এনবিআর জানিয়েছে। প্রস্তাবিত অর্থবিলে ব্যাংক হিসাব খোলায় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বরের (ইটিআইএন) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এতে গ্রাহক কমে যাওয়ার আশঙ্কা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন করে বিভিন্ন ব্যাংক। এখন এনবিআর এই ধারা বাতিলের পক্ষেও মত দিয়েছে। 
 
প্রস্তাবিত অর্থবিলে ৫০ লাখ টাকার নিচে বার্ষিক বিক্রি বা টার্নওভার আছে এমন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ওপর এলাকাভেদে নির্দিষ্ট পরিমাণের ভ্যাট আরোপ করা হয়, যা প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ব্যাংক হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ভ্যাট কেটে নেওয়ার কথা অর্থবিলে স্পষ্ট করা হয়েছে। পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে আশঙ্কা থেকে প্রধানমন্ত্রী এই পদক্ষেপ নিয়ে এনবিআরকে নতুনভাবে ভাবতে নির্দেশ দেন। এনবিআর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে এই ধারা বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে। 
 
বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের জনতুষ্টির দায় আছে। ভোটের জন্য আবারও জনগণের কাছে যেতে হবে। তাই জনগণ যেসব পদক্ষেপের সমালোচনা করবে তা এড়িয়ে যাওয়া ভালো। 

বেক্সিমকোয় ভর করে বাড়ল সূচক ও লেনদেন

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম
বেক্সিমকোয় ভর করে বাড়ল সূচক ও লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৩ কার্যদিবস ক্রেতাসংকটে থাকার পর গতকাল রবিবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বেক্সিমকো। ক্রেতা ফেরায় কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে। সেই সঙ্গে সার্বিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেই সঙ্গে লেনদেন বেড়ে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। বেড়েছে মূল্যসূচক। তবে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। এর মাধ্যমে টানা চার কার্যদিবস উভয় বাজারে মূল্যসূচক বাড়ল।

এর আগে টানা ১৩ কার্যদিবস ক্রেতাসংকটে পড়ে বেক্সিমকোর শেয়ার। গতকাল লেনদেনের শুরুতে বেক্সিমকোর শেয়ারের ক্রেতাসংকট দেখা দেয়। এতে টানা ক্রেতাসংকটে পড়ে বেক্সিমকোর শেয়ারের দাম ১১০ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৫ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে যায়। তবে গতকাল ক্রেতা ফেরায় দাম কমার সর্বনিম্ন সীমা থেকে দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় উঠেছে বেক্সিমকো।

বেক্সিমকোর এমন ঘুরে দাঁড়ানোর দিনে সার্বিক বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ২১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। দাম কমেছে ১৩৩টির এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১১১টির শেয়ার দাম বেড়েছে। ৭০টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৩৩টির এবং ৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৫টির শেয়ার দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৩০টির এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ১৪টির দাম বেড়েছে। ৬টির দাম কমেছে এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স তার আগের দিনের তুলনায় ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৫৬ পয়েন্টে উঠে এসেছে। বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক তার আগের দিনের তুলনায় ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৭১ কোটি ৩ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। লেনদেন বেড়েছে ২৬০ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ১০৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এনসিসি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার। ৪০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইটি কনসালট্যান্ট।

এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মাঝে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস। কোম্পানিটির শেয়ার দর তার আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬ টাকা ৫ পয়সা বা ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমেছে। তৃতীয় স্থানে থাকা রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স পিএলসির শেয়ার দর ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো ন্যাশনাল ফিড মিল, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, এসকে ট্রিমস, তুং হাই নিটিং, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেড ও রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড।

অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ২০৫ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৮টির দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৬১টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। তার আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

দেশে আয়বৈষম্য বেড়েছে

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
দেশে আয়বৈষম্য বেড়েছে
ছবি: খবরের কাগজ

শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, গত ১৫ বছরে দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার ছিল অত্যন্ত কম। গ্যাসের অপ্রতুলতার কারণে শিল্পকারখানাগুলো পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেনি। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে। দেশে আয়বৈষম্য বেড়েছে। দেশের কলকারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটাতে গ্যাসসংকট সমাধানে সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। 

গতকাল রবিবার আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) মিলনায়তনে এসএমই ফাউন্ডেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব) এর প্রেসিডেন্ট নাসরিন ফাতেমা আউয়াল ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বাংলাদেশের প্রধান ম্যাক্স টুনন। এতে অংশগ্রহণ করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি ও সরকারি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। 

অনুষ্ঠানে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের নাজিম আহমেদ সাত্তার ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফেরদৌস আরা বেগম। 

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, দেশের অর্থনীতিতে বর্তমানে এমএসএমই খাতের অবদান ৩৪ শতাংশ। অর্থনীতির প্রাণ হিসেবে পরিচিত এই খাত যত বেশি গতিশীল হবে, দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও তত বেশি ত্বরান্বিত হবে। এই খাতের টেকসই সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) বিদ্যমান শিল্পনগরীগুলোর পাশাপাশি আরও নতুন নতুন আধুনিক শিল্প পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। 

নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি সুদূরপ্রসারী প্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছি। নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম চালু করা হচ্ছে। বিসিকের মাধ্যমে পাবনা, সিলেট ও নীলফামারীর সৈয়দপুরে নতুন শিল্প পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যেসব শিল্প পার্কে প্লট শেষ হয়ে গেছে, সেখানে নতুন করে ফিজিবিলিটি স্টাডি করে আরও পার্ক করা হবে।’ 

নাসরিন ফাতেমা উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তির সঙ্গে আরও বেশি সংযুক্ত থাকতে হবে। আমদের উদ্যোক্তারা প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবসায় অবদান রাখে। তারা ৭০ ভাগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। আমাদের দেশের সমগ্র শিল্পের প্রায় ৯৮ শতাংশ এমএসএমই। ইকোনমিক সেন্সাস ২০২৪ অনুযায়ী বাংলাদেশে এক  কোটি ১৮ লাখ উদ্যোক্তা রয়েছে। এর মধ্যে  ১ কোটি ১০ লাখই এসএমই উদ্যোক্তা। দেশে প্রায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা যারা প্রায় ৫০ শতাংস কর্মসংস্থান তৈরি করছে এবং সেখানে মোট এসএমইর প্রায় ৮৭ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। এসএমই উদ্যোক্তারা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।’

শিল্পসচিব আব্দুন নাসের বলেন, “এই খাতের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের ফ্যাশন হস্তশিল্প ইন্ডাস্ট্রিতে বিপুলসংখ্যক নারী উদ্যোক্তা ও নারীকর্মী কাজ করছেন। তারা শুধু পণ্য উৎপাদন করেন না, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেন। আজ বিশ্বজুড়ে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক খাত হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশের এই খাতে অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। জামদানি, টাঙ্গাইল শাড়ি, রাজশাহী সিল, নকি পাখা, শীতল পাটি, বাস ও বেতের পণ্য কিংবা আমাদের অসংখ্য দেশীয় এসব পণ্য বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিচয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। বর্তমান সরকারের নির্বাচন ইশতেহারে ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন দেশীয় শিল্পের বিকাশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং দেশীয় ব্রান্ডকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরার বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার আমরা বিশ্বাস করছি। এই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়ন বাংলাদেশের এসএমই ও ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।”

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এসএমই ফাউন্ডেশন প্রায় ২২ লক্ষাধিক উদ্যোক্তাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সেবা প্রদান করেছে। যাদের মধ্যে আড়াই লক্ষাধিক সরাসরি সুবিধাভোগী উদ্যোক্তা এবং ৬০ শতাংশ নারী-উদ্যোক্তা। এসএমই ফাউন্ডেশন ২০০৯ সাল থেকে ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির মাধ্যমে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রায় ১৫ হাজার উদ্যোক্তার মাঝে বিতরণ করেছে। যাদের অন্তত ২৫ শতাংশ নারী-উদ্যোক্তা। এসএমই ফাউন্ডেশন সারা দেশে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করছে, উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে, উদ্যোক্তাদের ব্যবসাকে প্রযুক্তি ও আইসিটি-বান্ধব করে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, উদ্যোক্তাদের পণ্যের বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ, প্রচার-প্রসারে কাজ করছে, উদ্যোক্তাদের নীতিগত-সহায়তা প্রদান করছে, বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি করছে। তবে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতার কারণে সারা দেশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায়, এসএমই ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের সদয় মনোযোগ ও সহায়তা দরকার। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের জামানতবিহীন ঋণনীতি থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকগুলোর জটিল প্রক্রিয়ার কারণে অধিকাংশ নারী উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন না। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের মোট ঋণের একটি বড় অংশ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও কাগজপত্রের জটিলতায় তা উচ্চপর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না। নারী উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে স্বল্প সুদে এবং অত্যন্ত সহজ শর্তে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক ঋণ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়। উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পণ্য বাজারজাতকরণে কাজ করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়াতে হবে। ই-কমার্সের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। এসএমই খাতের পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর জন্য সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং নতুন নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের এসএমই খাত তৈরি পোশাক খাতের মতোই বড় বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে। 

২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ
ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে ৩৫ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৩০ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ থেকে ২৭ জুন এই তিন দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক ৪৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল ২ দশমিক ৪৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে ২৭ জুন পর্যন্ত জুন মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহে বছরওয়ারি হিসাবে ১ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

তবে, জুন মাসে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য অবদানের ফলে আগের অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

রিফাত/

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত?

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত?
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৮২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪১ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪০ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

অন্তরা/