ঢাকা ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
মেসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে মুখ খুললেন বেলিংহাম সামান্য বৃষ্টিতে অচল রাজধানী ২০২০ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চীনা হস্তক্ষেপ: ট্রাম্প বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের দ্বৈরথ নিঝুমদ্বীপে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনায় মসজিদের মুয়াজ্জিনকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা মেসির উত্তরাধিকার বনাম নতুন স্বপ্ন টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ যুবকের মৃত্যু ভক্তির আবহে দেশজুড়ে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা সংসদে বাজেট আলোচনাকে হার মানিয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্ক সংকেত সিসার বিষক্রিয়ার ঝুঁকিতে সাড়ে তিন কোটি শিশু ২০২৬ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ কবে? সংসদে কুস্তি ভাইয়ে দোস্তি বিশ্বকাপের পর রেহানের সিনেমার প্রচার শুরু টঙ্গীর ‘শীর্ষ মাদকসম্রাজ্ঞী’ কারিমা গ্রেপ্তার মব একটি ঘৃণিত অপরাধ প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সরিয়ে ক্ষোভের মুখে জেলেনস্কি ১১-দলীয় জামায়াত জোটে ভাঙনের সুর অনির্দিষ্টকালের জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ডেটাবেজ করে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ-পুনর্বাসনের টার্গেট শেষ পর্যন্ত লড়বে ইরান আকাশপানে মেসির এক পলক, তারপরই ঝলক স্লুইসগেট খুলবে কে নতুন দেখা উইস্টারিয়া ফুল ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফর স্থগিত রাজনৈতিক প্রভাবে কালো তালিকা থেকে মুক্তির অভিযোগ বৃষ্টির প্রভাবে ডিম মুরগি সবজির দাম বেড়েছে ‘মহাকাব্যেরও মহাকাব্য’ আর্জেন্টিনায় প্রশংসায় স্কালোনি

২০২৬ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ কবে?

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ এএম
২০২৬ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ কবে?
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আগামী সোমবার (২০ জুলাই)।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, ২০ জুলাইকে সামনে রেখেই ফল প্রস্তুতের কাজ চলছে। মাধ্যমিকের ফল প্রস্তুতের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০ জুলাইকে সম্ভাব্য তারিখ ধরে সব ধরনের কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

তবে ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক তারিখ ও সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত করা হয়। সরকারের  অনুমোদন পেলেই কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।

তারা জানান, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হয়। ২১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হয়ে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ২০ মে এবং মাদরাসা (দাখিল) ও কারিগরি (ভোকেশনাল) বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হয়েছিল ২৪ মে। সেই হিসেবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যেই ৬০ দিন পূর্ণ হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, ফল প্রস্তুতের মূল কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে চলছে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে আমাদের আইটি টিম ও মূল্যায়নকারীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।’

থিওটোনিয়াস/

সংগঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
সংগঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢোকার আগে রিভিশন দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

চতুর্থ অধ্যায় : সংগঠন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৫। ব্যবস্থাপনা সংগঠনের উপাদান নিচের কোনটি?
ক. ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন     খ. বিকল্প মূল্যায়ন 
গ. কার্য বিভাজন          ঘ. মান নির্ধারণ 

৬। নিচের কোনটি সংগঠন প্রক্রিয়ার বহির্ভূত?
ক. মান প্রতিষ্ঠা                   খ. কার্য বিভাজন 
গ. দায়িত্ব-কর্তৃত্ব নিরূপণ     ঘ. পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ

৭। দায়িত্ব ও জবাবদিহি নির্ধারণ ব্যবস্থাপনার কোন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত?
ক. পরিকল্পনা     খ. নিয়ন্ত্রণ 
গ. কর্মীসংস্থান     ঘ. সংগঠন 

৮। প্রাচীন ও সহজ ধরনের সংগঠন কাঠামো নিচের কোনটি?
ক. কমিটি            খ. মেট্রিক্স 
গ. কার্যভিত্তিক     ঘ. সরলরৈখিক

৯। নিচের কোন সংগঠনকে সামরিক সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করা হয়?
ক. সরলরৈখিক    খ. সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী 
গ. কার্যভিত্তিক     ঘ. মেট্রিক্স 

১০। কোন ধরনের সংগঠন কাঠামো অতিমাত্রায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক?
ক. সরলরৈখিক     খ. পদস্থকর্মী 
গ. কার্যভিত্তিক      ঘ. কমিটি 

১১। কোন সংগঠন কাঠামোর স্থায়িত্ব সবচেয়ে কম?
ক. কমিটি                খ. সরলরৈখিক 
গ. কার্যভিত্তিক         ঘ. সরলরৈখিক ও উপদেষ্টা 

১২। সাংগঠনিক কাঠামো দেখে নিচের কোনটি সম্পর্কে জানা যায়?
ক. ক্ষমতার প্রকৃতি     খ. প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য 
গ. নির্দেশনার ধরন     ঘ. কর্তৃত্ব শিকল 

আরো পড়ুন : সংগঠন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

১৩। সরলরৈখিক সংগঠনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক. জোড়া মই শিকল নীতি     খ. সমতার নীতি 
গ. আদেশের ঐক্য নীতি        ঘ. ভারসাম্যের নীতি 

১৪। কোন ধরনের সংগঠনে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যায়?
ক. সরলরৈখিক     খ. কার্যভিত্তিক 
গ. কমিটি              ঘ. মেট্রিক্স

১৫। নির্বাহীর দায়িত্বে বিশেষজ্ঞ কর্মী থাকলে তাকে কোন সংগঠন বলে?    
ক. সরলরৈখিক    খ. সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী 
গ. কার্যভিত্তিক     ঘ. কমিটি 

১৬। কোন সংগঠন কাঠামোতে সরলরৈখিক নির্বাহীকে সহযোগিতা করার জন্য উপদেষ্টা কর্মী কাজ করে?
ক. সরলরৈখিক    খ. সরলরৈখিক ও পদস্থকর্মী 
গ. কার্যভিত্তিক     ঘ. কমিটি 

১৭। নিচের কোনটি সরলরৈখিক সংগঠনের অসুবিধা?
ক. নিয়ন্ত্রণ সহজ
খ. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়
গ. বিশেষায়নের অভাব রয়েছে
ঘ. পদোন্নতির স্পষ্ট পথনির্দেশক রয়েছে

১৮। সংগঠন কাঠামো ব্যবস্থাপনায় কী নির্দেশ করে?
ক. নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি     
খ. পারস্পরিক সম্পর্ক ও সমন্বয়
গ. মানবিক গুণাবলি    
ঘ. সদ্ব্যবহার

 ১৯। সংগঠিতকরণের গুরুত্ব হলো-
i. উপকরণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয় 
ii. কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পায় 
iii. জনশক্তির সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii     খ. i ও iii 
গ. ii ও iii    ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ৫. গ, ৬. ক, ৭. ঘ, ৮. ঘ, ৯. ঘ, ১০. ক, ১১. ক, ১২. ঘ, ১৩. গ, ১৪. ক, ১৫. গ, ১৬. খ, ১৭. গ, ১৮. খ, ১৯. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

খাদ্য অধ্যায়ের ১টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
খাদ্য অধ্যায়ের ১টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
সুষম খাদ্য। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : খাদ্য

বর্ণনামূলক উত্তর প্রশ্ন

প্রশ্ন: কম খরচে সুষম খাদ্যতালিকা কীভাবে করা যায়?

উত্তর: কম খরচে সুষম খাদ্যতালিকা তৈরি করা সম্ভব যদি আমরা স্থানীয় ও মৌসুমি খাদ্যকে গুরুত্ব দিই। সুশৃঙ্খলভাবে পরিকল্পনা করলে অল্প খরচেই সুষম ও পুষ্টিকর খাবার পাওয়া যায়। কম খরচে সুষম খাদ্যতালিকা করার উপায়–
স্থানীয় ও মৌসুমি ফল-সবজি বেছে নেওয়া: এগুলো সস্তা এবং পুষ্টিকর।
ডাল ও শাকসবজি নিয়মিত খাওয়া: ডাল সস্তা উৎস হলেও এতে ভালো আমিষ পাওয়া যায়। সুষম খাবারের যোগান দেওয়ার জন্য শাকসবজি নিয়মিত খেতে হবে।
মাছের ছোট জাত ব্যবহার: ছোট মাছ যেমন- মলা, কাঁচকি, ঢেলা, টেংরা, পুঁটি, খলসা, নলা মাছ এগুলো সস্তা কিন্তু পুষ্টিকর।

আরো পড়ুন : খাদ্য অধ্যায়ের ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

ডিম সাশ্রয়ী আমিষ: সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ডিম খেলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা সহজে মেটে। এছাড়া ডিম সাশ্রয়ী আমিষ।
অতিরিক্ত তেল-চিনি এড়ানো: খাদ্য তালিকা থেকে তেল-চিনি যত কম খাওয়া যায় ততোই ভালো। কেননা এগুলোর দাম বেশি এবং পুষ্টিগুণ কম। অন্যদিকে এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
বাড়িতে খাবার রান্না করা খেতে হবে: বাইরের হোটেল ও রেস্টুরেন্টের খাবার খেলে ব্যয় বেড়ে যায় এবং শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে। এ জন্য বাড়িতে রান্না করা খাবার খেতে হবে।
মানসম্মত কার্বোহাইড্রেট বেছে নেওয়া: ভাত, রুটি, আলু সুলভ এবং দামেও সস্তা। এগুলো কার্বোহাইড্রেট ও শক্তির ভালো উৎস।
খাদ্যের রান্নায় বৈচিত্র‍্য আনা: এতে পুষ্টি থাকে, খরচও কমে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

প্রথম অধ্যায় : অর্থায়নের সূচনা

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ঝুঁকি ও মুনাফার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রত্যাশিত আয় থেকে প্রকৃত আয় কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তাকে ঝুঁকি বলে। অন্যদিকে বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত নগদ সুবিধাকে মুনাফা বলে।
কোনো কোম্পানি যদি তার সংগৃহীত তহবিল ঝুঁকিমুক্ত প্রকল্পে বিনিয়োগ করে তবে মুনাফার পরিমাণ কম হবে। কিন্তু কোম্পানি যদি তার মূলধন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পে বিনিয়োগ করে তবে মুনাফার পরিমাণ যেমন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা তেমনি ঝুঁকির পরিমাণও অনেক বেশি হবে। তাই ঝুঁকি ও মুনাফার মধ্যে ধনাত্মক বা সমমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান।

প্রশ্ন: অর্থায়ন বলতে তহবিল সংগ্রহ করাকেই বোঝায়, বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: তহবিল সংগ্রহ বলতে তহবিলের বিভিন্ন উৎস নির্বাচন এবং ওই উৎসের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করে মূলধন সংগ্রহ করাকে বোঝায়। তহবিল সংগ্রহ অর্থায়নের কার্যাবলির একটি অংশ।
অর্থায়ন বলতে একটি প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে কী পরিমাণ মূলধন বা তহবিলের প্রয়োজন, কোন কোন উৎস থেকে তা সংগ্রহ করা হবে এবং কোন কোন খাতে বা প্রকল্পে তা বিনিয়োগ করা যাবে তাকে বোঝায়। এ ছাড়া অর্থের পরিকল্পনা, সংস্থান এবং নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাদি অর্থায়নের অন্তর্ভুক্ত। তাই অর্থায়ন বলতে শুধু তহবিল সংগ্রহ করাকেই বোঝায় না, কোন কোন খাতে তা বিনিয়োগ করা হবে তাকেও বোঝায়।

প্রশ্ন: ব্যবসায় অর্থায়ন বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তার তহবিল সংগ্রহ ও বিনিয়োগের জন্য যে অর্থায়ন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে তাকে তহবিল অর্থায়ন বলে।
ব্যবসায় অর্থায়ন বলতে একটি ব্যবসা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনের পরিমাণ, উৎস চিহ্নিতকরণ ও কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করা হবে তাকে বোঝায়। অর্থায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরন হচ্ছে ব্যবসায় অর্থায়ন।

আরো পড়ুন : অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ১০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র

প্রশ্ন: অর্থ ও অর্থায়নের মধ্যে সম্পর্ক কী?

উত্তর: অর্থ বলতে নগদ অর্থ বা ব্যাংকে জমা করা অর্থকে বোঝায়। এক্ষেত্রে অর্থ দিয়েই অর্থায়ন করা হয় বিধায় এটি অর্থায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।
অর্থের পরিকল্পনা, সংস্থান, সংরক্ষণ, ব্যবহার এবং নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত অর্থের কার্যাবলিকেই অর্থায়ন বলে। অর্থায়ন অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। কীভাবে, কোন উৎস থেকে, কখন অর্থ সংগ্রহ করলে সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে অর্থায়ন সেই পথ দেখায়। সুতরাং বলা যায়, অর্থ ও অর্থায়ন একে অপরের পরিপূরক।

প্রশ্ন: তারল্য ও মুনাফা নীতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: তারল্য ও মুনাফার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষাকারী নীতি হলো তারল্য বনাম মুনাফা নীতি।
নগদ অর্থ তথা তারল্য ও মুনাফার মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান। নগদ অর্থ বেশি রাখলে বিনিয়োগ কম হয়, ফলে মুনাফা কমে যায়। আবার মুনাফা বৃদ্ধিকল্পে বেশি বিনিয়োগ করা হলে তারল্য ঘাটতি হয়। ওই নীতি অনুযায়ী নগদ অর্থ তথা তারল্য এবং বিনিয়োগের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যেন তারল্য ও মুনাফার মধ্যে উপযুক্ত ভারসাম্য বজায় থাকে।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ 
সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

কবীর

ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
পৃথিবীর ভূমিরূপের পরিবর্তন। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ভূমিরূপ পরিবর্তন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৩৬ ও ৩৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

কুবের মাঝি নদীতে মাছ ধরার জন্য যায়। সে লক্ষ করে নদীর পাশাপাশি দুটি বাঁক একসঙ্গে মিলিত হয়ে নদীটি সোজাপথে প্রবাহিত হচ্ছে এবং বিচ্ছিন্ন জলরাশিটি নতুন ভূমিরূপ সৃষ্টি করছে।

৩৬। ওপরের উদ্দীপকের ভূমিরূপটি কোন ধরনের?
ক) নদীর সঞ্চয়জাত    খ) নদীর ক্ষয়জাত
গ) পলল গঠিত            ঘ) পার্শ্ব ক্ষয়জাত

৩৭। ওপরের উদ্দীপকের উল্লেখিত ভূমিরূপটি গঠনের কারণ-
i. নদীতে তীব্র বাঁক    
ii. নদীর মাটি বহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধি
iii. নদীর নিম্নগতি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) ii ও iii
গ) i ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৩৮। বাংলাদেশের কোন অংশে মৃতপ্রায় ব-দ্বীপ দেখা যায়?
ক) দক্ষিণ-পূর্বাংশে         খ) উত্তর-পশ্চিমাংশে
গ) দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে    ঘ) উত্তর-পূর্বাংশে

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৩৯ ও ৪০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

ভূপৃষ্ঠ সর্বদা পরিবর্তনশীল। নানা ধরনের বাহ্যিক ও প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক পরিবর্তন হয়। ভূপৃষ্ঠের ওপর পতিত পানি প্রবাহিত হওয়ার সময় যান্ত্রিক ও রাসায়নিক উপায়ে ভূপৃষ্ঠকে ব্যাপকভাবে ক্ষয় করে।

৩৯। ওপরের উদ্দীপকে ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তনকারী কোন নিয়ামকটি তুলে ধরা হয়েছে?
ক) বায়ু      খ) বৃষ্টি 
গ) নদী      ঘ) সমুদ্র

৪০। ওপরের উদ্দীপকের নিয়ামকটি ছাড়া ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তনকারী অন্য নিয়ামকগুলো হলো-
i. নদী 
ii. সমুদ্র 
iii. হিমবাহ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

৪১। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের সর্বাধিক তীব্রতা কত?
ক) ১৬    খ) ১৪  
গ) ১২     ঘ) ১০

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪২ ও ৪৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

২০১৩ সালের ১৬ মে পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়ায় মহাসেন আঘাত হানার মাধ্যমে উপকূল অতিক্রম করে। এরপর তা ভোলা, বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ঝরিয়ে মেঘনা মোহনা দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করে।

৪২। ওপরের উদ্দীপকের দুর্যোগটি কোন ধরনের বায়ুমণ্ডলীয় গোলযোগ?
ক) টর্নেডো    খ) কালবৈশাখী
গ) ঘূর্ণিঝড়    ঘ) টাইফুন

৪৩। ওপরের উদ্দীপকের মহাসেনের প্রভাব উপকূলীয় অঞ্চলে দেখা যায়-
i. প্রাণহানি    
ii. অবকাঠামো বিনষ্ট হয়
iii. লবণাক্ত পানির প্রবেশ ঘটে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii     খ) i ও iii
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

৪৪। কার্বনেশন প্রক্রিয়ার জন্য কোনটি সঠিক?
ক) CaSO4+H2O=2Ca2SO4.2H2O
খ) CaSO3+H2O=CaHCO3
গ) CO2+H2O=H2CO3
ঘ) H2O=H++OH+

৪৫। নদীর গতিপথের নিম্নগতিতে দেখা যায়-
ক) জলপ্রপাত    খ) ব-দ্বীপ
গ) র‌্যাপিড         ঘ) কাসকেইড

উত্তর: ৩৬. ক, ৩৭. গ, ৩৮. গ, ৩৯. খ, ৪০. ঘ, ৪১. ঘ, ৪২. গ, ৪৩. ঘ, ৪৪. গ, ৪৫. খ।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর প্রশ্ন নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-৪

ছকটি দেখে নিচের প্রশ্নের উত্তর লেখ।

(ক) UNDP-এর পূর্ণরূপ কী?
(খ) UNDP-এর একটি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো। 
(গ) উদ্দীপকে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। 
(ঘ) বিশ্বব্যাপী শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা সংস্থাটির কার্যক্রম বিশ্লেষণ করো। 

উত্তর: ক. UNDP-এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Development Programme.

খ. UNDP-এর একটি উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন। UNDP বিশ্বের সদস্য রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর দারিদ্র্য হ্রাস করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ উদ্দেশ্য অর্জনে UNDP অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ নিশ্চিত করে দেশগুলোর উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করে থাকে। সংস্থাটি দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে পাইলট প্রজেক্টে অনুদান দেয় এবং নারীদের উন্নয়নে সরকার ও জনগণকে ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করে তোলে। সেই সঙ্গে এটি সরকারের সঙ্গে NGO-এর কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনে সহায়তা দেয়।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

গ. উদ্দীপকে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। ইউনিসেফ হলো- জাতিসংঘ পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা সারা বিশ্বের শিশুদের কল্যাণে কাজ করে থাকে।  বিশ্বব্যাপী নারী ও শিশু কল্যাণে এ সংস্থাটির অবদান সর্বজনস্বীকৃত। সারা বিশ্বের শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সংস্থাটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের প্রতি প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন সাধন এবং নারী-পুরুষ সমঅধিকার নিশ্চিত করতে ইউনিসেফ প্রচারিত ‘মিনা কার্টুন’ বর্তমানে বহুল প্রশংসিত হয়েছে ।
উদ্দীপকের ছকে দেখা যায়, একটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৬ এবং এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত। এটি বিশ্বব্যাপী শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে। সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে ১৯৬৫ সালে। উদ্দীপকের সংস্থাটির এ তথ্যগুলো ওপরে বর্ণিত সংস্থা ইউনিসেফের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে ইউনিসেফকে ইঙ্গিত করা হয়েছে ।

ঘ. বিশ্বব্যাপী শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা সংস্থা ইউনিসেফের কার্যক্রম সম্পর্কে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সারা বিশ্বের শিশুদের অধিকার রক্ষা ও সার্বিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে ১৯৪৬ সালে ইউনিসেফ যাত্রা শুরু করে। এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। উদ্দীপকের ছকে উল্লেখিত তথ্যগুলো আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফকেই ইঙ্গিত করে। সারা বিশ্বের শিশুদের অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে সংস্থাটি বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সংস্থাটি শিশুদের শিক্ষার অধিকার রক্ষায় বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সংস্কার, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দানে সরকারকে সহায়তা করে। পাশাপাশি দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের মাঝে সংস্থাটি বিনামূল্যে, প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, যেমন- বই, খাতা-কলম বিতরণসহ স্কুল ড্রেস ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিও বিতরণ করে থাকে ।
ইউনিসেফ শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণকেন্দ্র স্থাপন, গ্রামীণ স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনাসহ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এটি জনসাধারণকে পুষ্টি বিষয়ে সচেতন করা, শিশুদের জন্য বিস্কুট ও দুগ্ধ বিতরণ, শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানে উৎসাহিত করা প্রভৃতি কর্মসূচি পরিচালনা করছে। আবার শিশুদের বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম, শিশু পাচার ও শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। এভাবে বিশ্বব্যাপী শিশুদের রক্ষা ও কল্যাণের ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকার জন্য ইউনিসেফ ১৯৬৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ২০০৬ সালে প্রিন্স অব এসটুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড অব কনকর্ড লাভ করে।
ওপরের আলোচনা শেষে নিঃসন্দেহে বলা যায়, সারা বিশ্বের সুবিধাবঞ্চিত, অসহায় শিশুদের শিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, পুষ্টি, বিকাশ ও উন্নয়নে ইউনিসেফ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর