অভিনয়শিল্পী কিংবা সংগীতশিল্পী খোঁজার রিয়েলিটি শো বাংলাদেশে আজ থেকে দুই দশকেরও বেশি সময় আগে থেকে শুরু হয়েছে। একটা সময় এই রিয়েলিটি শোগুলো সত্যিকার অর্থেই শিল্পী খোঁজার গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফরম হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু সময়ের ধারাবাহিকতায় বিগত কয়েক বছরে এখন অনেক ধরনের প্রতিভা অন্বেষণের রিয়েলিটি শো বাংলাদেশে হচ্ছে। এসব রিয়েলিটি শোর বিচারক যারা হন, তাদের মধ্যে অনেকেই আবার নিজেরাই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। কিন্তু তার পরও তারা বিচরক। সেই ক্ষেত্রে অভিনেত্রী ড. নাজনীন হাসান চুমকি ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান ব্যতিক্রম। দুজনই অভিনয়শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। চুমকি সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন।
রিচি সোলায়মান নিজের নামকে ব্র্যান্ডে পরিণত করেছেন। দুজন এবারই প্রথম নায়ক-নায়িকা খোঁজার একটি রিয়েলিটি শোর বিচারক হিসেবে কাজ করছেন। এই রিয়েলিটি শোর চার হাজার জন প্রতিযোগিতা থেক ৪০০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। এই ৪০০ জন থেকে নাজনীন চুমকি, রিচি সোলায়মান ও পরিচালক অনিমেষ আইচ খুঁজে বের করেছেন মেধাবী ও অভিনয় জানা বিশজনকে। সেখান থেকে গ্র্যান্ড ফিনালেতে চ্যাম্পিয়ন জুটি, প্রথম রানার্সআপ জুটি ও দ্বিতীয় রানার্সআপ জুটি খুঁজে বের করা হবে।
নাজনীন হাসান চুমকি বলেন, ‘এ ধরনের বড় কোনো রিয়েলিটি শোর প্রধান বিচারক হিসেবে এবারই আমার প্রথম কাজ করা। আমার কাছে এই কাজটি করতে খুউব ভালো লেগেছে।’
রিচি সোলায়মান বলেন, ‘এর আগে লাক্সের এবং রান্নাবিষয়ক এক্সপার্ট রাধুনী খুঁজে বের করার জন্য বিচারক হিসেবে কাজ করেছি। তাই এবার অভিনয়শিল্পী খুঁজে বের করার জন্য যে রিয়েলিটি শোর প্রধান একজন বিচারক হিসেবে কাজ করেছি, এটা একটু বেশি দায়িত্ব নিয়ে যথাযথভাবে পালন করতে হয়েছে। এরই মধ্যে শীর্ষ বিশজনের বাছাইয়ের কাজ শেষ। এখন একটি নির্দিষ্ট তারিখে গ্র্যান্ড ফিনালে হলে আমরা চূড়ান্ত রায় দেব।’
এদিকে রিচি এরই মধ্যে একটি নতুন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। চুমকি অভিনীত ‘ঘরে বাইরে’ ধারাবাহিক এনটিভিতে এবং ‘রূপনগর’ বাংলাভিশনে প্রচার হচ্ছে।