ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ? ১১ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১১ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল দেশে ফিরে আত্মসমর্পন করবেন শেখ হাসিনা দুই শিকারির লড়াই বিশ্বকাপ এখন এমবাপ্পের খেলাঘর ১১ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি তবু সবার সেরা ইয়াসিন বুনু মেসির বিকল্প হওয়া অসম্ভব: নিকো পাজ ‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’ সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে? শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন নীরবতা ভেঙে আবেগঘন বার্তা ভিনিসিয়ুসের রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস, দিলেন প্রতিশ্রুতিও ডোকু-ডি ব্রুইনাকে নিয়ে মাঠে নামছে বেলজিয়াম, স্পেনের বেঞ্চে পেদ্রি আর্চবিশপের কণ্ঠে মেসির বার্তা স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ইংলিশ রেফারি দাওয়াতের আড়ালে চুরির চেষ্টা, ‘মুরুব্বী’ বিবেচনায় রেহাই শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ দেশে ফিরে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন সালাহরা বন্যা মোকাবিলায় ৭ উপজেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন ঈশ্বরগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণ মামলা, তদন্তে ধীরগতিতে ক্ষোভ চুয়েট হলে গাঁজাসহ ৯ শিক্ষার্থী আটক স্পেনে নিয়ন্ত্রণের বাইরে দাবানল, বাড়ছে প্রাণহানি জামালপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এমপির গাড়ি ভাঙচুর ট্রাম্পকে হত্যার ছক: ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য ওয়াশিংটনের হাতে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্দি বিনিময় চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: হাইকমিশন বেরোবিতে ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ রোহিত-কোহলির হাতে ভারতের ব্যাটন

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৪, ১০:৪৩ এএম
রোহিত-কোহলির হাতে ভারতের ব্যাটন
ছবি : সংগৃহীত

দেখতে দেখতে অনেকটা পথ পেরিয়ে গেছেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। রোহিতের বয়স ছুঁয়েছে ৩৭, কোহলির ৩৫। দীর্ঘকাল ধরে ক্রিকেটপাগল দেশ ভারতের ব্যাটন তাদের হাতে। মশাল হয়ে আশার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন তারা। আজও ভক্তদের প্রত্যাশা দুজনকে ঘিরে। আইসিসি টুর্নামেন্টে দীর্ঘ খরা শেষ করতে ভরসা রাখছে রোহিত-কোহলির ওপর। সমর্থকদের স্বপ্নপূরণে আর শিরোপায় চুমু আঁকার লক্ষ্যে আরেকবার জোট হয়ে নামছেন ভারতীয় ক্রিকেটারের দুই কাণ্ডারি। 

বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ভারতের সবশেষ সাফল্য ২০১৩ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। এরপর আইসিসি ইভেন্টে তিন ফাইনালে হারে ক্রমেই দীর্ঘ হয়েছে তাদের শিরোপা খরা। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এবং সবশেষ ঘরের মাটিতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ফাইনাল হেরেছে এশিয়ার পরাশক্তিরা। তিন ব্যর্থতায় ভারতের অপেক্ষা এখন ১১ বছরের। অপেক্ষার ঘড়ি থামাবেন রোহিত-কোহলি- এমনটাই প্রত্যাশা এখন ভারতজুড়ে। দুজনেই ভারতের অতীত বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবের অংশ। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ভারতের সদস্য ছিলেন রোহিত। ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতার পর তরুণ কোহলি ক্রিকেট আইকন শচীন টেন্ডুলকারকে কাঁধে নিয়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করেছিলেন। ওটাই ছিল ভারতীয়দের শেষ বিশ্বকাপ জয়।

রোহিত-কোহলি এক হয়ে বহুবার চেষ্টা করেছে ভারতের গৌরব ফিরিয়ে আনার। কখনো অধিনায়ক হয়ে, কখনো বা স্রেফ ব্যাটারের ভূমিকায়। প্রত্যাশা মেটাতে না পেরে নেতৃত্ব হারানোর মতো ঘটনার মুখোমুখি হতে হয় কোহলি। ২০২১ সালে চাপের মুখে টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব ছাড়েন তিনি এবং পরের বছর ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আর বুড়ো বয়সেও রোহিতের কাঁধে অধিনায়কত্বের চাপ, যিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে পাঁচবার জিতিয়েছেন আইপিএল শিরোপা। কিন্তু অধিনায়ক রোহিতে আজও ট্রফিহীন ভারত। ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে এসে আজন্মের আক্ষেপ ঘুচানোর আরেকটি সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। বলা যায়, সেরা সুযোগ। কারণ সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কোহলিকে পাচ্ছেন রোহিত। আর তাদের দল ভারতও টুর্নামেন্টে অংশ নেবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থেকে।

সুসময়ে রোহিতের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা দেখছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ। বলেছেন, ‘গ্রুপ পর্বে ভারতের তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছি না। টুর্নামেন্টে তাদের দুটি প্রধান ম্যাচ আছে- সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল। আপনি (রোহিত) কি সেই দুই দিনের জন্য প্রস্তুত? এটাই আপনার জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।’ স্টার স্পোর্টসকে কাইফ আরও বলেছেন, ‘রোহিত জানেন যে তিনি আর খুব বেশি সময় খেলতে যাচ্ছেন না। দুই বা তিন বছর বাকি। বিরাট কোহলির ক্ষেত্রেও তাই। তাই রোহিত এবং কোহলির জন্য এটাই শেষ সুযোগ। তারা আহমেদাবাদে বিশ্বকাপের ফাইনালে হেরেছে। তারা এমনভাবে খেলেছিল যেন তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। হৃদয় ভেঙে গেছে এবং ভক্তরা বিধ্বস্ত হয়েছে।’ ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগানোর মিশন নিয়ে টিম ভারত এখন যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন মুল্লুকে গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ খেলবেন রোহিত-কোহলিরা।

বিশ্বকাপে নেই আইপিএল জয়ী কেউ

আইপিএল খেলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। মজার বিষয় হলো শিরোপা জয়ী কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোনো ক্রিকেটার নেই ভারতের বিশ্বকাপ দলে! তবে সেরা পারফর্মাররা ঠিকই আছে যুক্তরাষ্ট্রে। সদ্য সমাপ্ত লিগে সর্বোচ্চ ৭৪১ রান ছিল কোহলির। তালিকার পাঁচে থাকা সাঞ্জু স্যামসন (৫৩১ রান) ঠাঁই পেয়েছেন বিশ্বকাপ পরিকল্পনায়। টুর্নামেন্টে দারুণ পারফর্ম করে বিশ্বকাপ খেলতে গেছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, আর্শদ্বীপ সিং এবং যুজবেন্দ্র চাহাল। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় তিনজনে রয়েছেন সেরা দশের তালিকায়। বুমরাহ সেরা ছন্দে আছেন। আইপিএলে ১৩ ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ২০ উইকেট। আসরে তৃতীয়  সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন তিনি। ১৪ ম্যাচে ১৯ উইকেট নিয়ে আর্শদ্বীপ সাতে এবং চাহাল ১৫ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে দশে থেকে আইপিএল শেষ করেছেন। এবার জাতীয় দলের জার্সিতে বিশ্বকাপ মাতানো পালা তাদের।

ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে কোহলিকে

আইপিএলের সবশেষ আসরে ওপেনারের ভূমিকায় ছিলেন কোহলি। সফলও হয়েছেন ব্যাট হাতে। তাই গুঞ্জন উঠেছে, বিশ্বকাপেও ওপেনিংয়ে দেখা যেতে পারে তাকে। সাবেক ভারতীয় ব্যাটার অজয় জাদেজা তো ওপেনারের ভূমিকায় দেখছেন কোহলিকে। তার কথায়, ‘আমার মতে, বিশ্বকাপে কোহলি ওপেন করতে চলেছে। সে দারুণ ধারাবাহিক ছন্দে আছে, যা আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। ব্যাটিং লাইনআপের শুরুতে সে সেরা এবং পাওয়াপ্লে তাকে উইকেটে থিতু হওয়ার সুযোগ দেয়।’

জাতীয় দলে তিন নম্বর ব্যাটার কোহলি। এই পজিশনে ৮০ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৩ হাজার ৭৬।  আছে একটি সেঞ্চুরি।  ওপেনিংয়ে নেমেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন তিনি। ভারতের জার্সিতে টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৯ ম্যাচে ওপেন করেছেন কোহলি। এক সেঞ্চুরি এবং দুই হাফ সেঞ্চুরিতে করেছেন ৪০০ রান। যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ আয়োজিত টুর্নামেন্টে তাকে কোথায় ব্যবহার করে ভারত- সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

অভিযান শুরু ৫ জুন

আয়ারল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে ভারত। নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি গড়াবে আগামী ৫ জুন। ৯ জুন একই ভেন্যুতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবেন রোহিতরা। এই মাঠে তারা তাদের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে ১২ জুন, প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। ‘এ’ গ্রুপে ভারতের শেষ ম্যাচ  ফ্লোরিডায় কানাডার বিপক্ষে (১৫ জুন)। আসর শুরুর আগে তারা একটি মাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১ জুন। ভেন্যু নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্ত, সাঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, শিভম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, আর্শদ্বীপ সিং, জাসপ্রিত বুমরাহ, যজবেন্দ্র চাহাল, কুলদ্বীপ যাদব এবং মোহাম্মদ সিরাজ।

গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ এএম
গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ?
২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের খেলার সম্মিলিত ছবি | ছবি: এপি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ তার চূড়ান্ত পর্যায়ে পদার্পণ করার সঙ্গে সঙ্গেই জমে উঠেছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের লড়াই। ফুটবলের কিংবদন্তিদের এক সময়ের দখলে থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি নিজের করে নিতে বর্তমানে তিন তারকা ফুটবলার সমানে সমানে লড়াই করছেন। গোল্ডেন বুটের এই দৌড়ে এখন একে অপরের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসি এবং আর্লিং হালান্দ।

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে?

বর্তমানে ৮টি গোল এবং ১টি অ্যাসিস্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট)। নরওয়ের আর্লিং হালান্দ ৭টি গোল নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া ৬টি গোল করে এই তারকাদের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত যে খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, ফাইনাল ম্যাচ শেষে তার হাতেই তুলে দেওয়া হবে গোল্ডেন বুট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে যথাক্রমে দেওয়া হবে সিলভার বুট এবং ব্রোঞ্জ বুট।

যদি গোল সংখ্যা সমান হয়?

যদি দুই বা তার বেশি খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। যার অ্যাসিস্ট বেশি থাকবে, তিনিই পুরস্কারটি পাবেন। যদি অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়, তবে গোল এবং অ্যাসিস্ট করতে যে খেলোয়াড় সবচেয়ে কম সময় (মিনিট) মাঠে খেলেছেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

আজহার/

‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ এএম
‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। তবে দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ফ্রান্সের সাবেক ফুটবলার ইউরি জোরকায়েফ। তার দাবি, পর্তুগাল দলে নিজের সতীর্থদের কাছ থেকেই যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের সদস্য জোরকায়েফ মনে করেন, পর্তুগাল কখনোই রোনালদোকে সামনে রেখে দল সাজানোর চেষ্টা করেনি। বরং খেলার ধরনই বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ডকে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরকায়েফ বলেন, ‘আপনি যদি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে দলে রাখেন, তাহলে পুরো দলকে তার জন্য খেলতে হবে। কিন্তু সেটা মোটেও হয়নি। মনে হয়েছে, সতীর্থদের কাছ থেকেই বয়কটের শিকার হয়েছেন তিনি। তারা তাকে সেরাটা দেওয়ার পরিস্থিতিই তৈরি করে দেয়নি।’

সাবেক এই মিডফিল্ডার আরও বলেন, ‘রোনালদোর খেলার ধরন বহু বছর ধরেই সবার জানা। তাই তাকে দলে রাখলে সেভাবে পরিকল্পনা করেই খেলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তাকে চিনি। সে সব সময় একই ধরনের ফুটবল খেলেছে। তাহলে তারা কী আশা করেছিল, সে হঠাৎ করেই নিজের খেলার ধরন বদলে ফেলবে? যদি তাকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে দলকে তাকে কেন্দ্র করেই সাজাতে হবে। আর সেটা না চাইলে তাকে দলে ডাকা বা মাঠে নামানো উচিত নয়।’

বিশ্বকাপে পর্তুগালের হতাশাজনক বিদায়ের পর রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

এসজি/

সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ এএম
সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো সেমিতে উঠেছে লা রোজারা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের পক্ষে গোল দুটি করেন ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনো। বেলজিয়ামের একমাত্র গোলটি আসে চার্লস ডি কেটেলারের হেডে। 

ম্যাচের ৮৮ মিনিটে গোল করেন মিকেল মেরিনো। তিনিই শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করে স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন। এবার শেষ মুহূর্তে গোল করে স্পেনকে সেমিতে তুললেন এই মিডফিল্ডার। 

এর আগে, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফ্রান্স। 

আগামী ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও স্পেন মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসজি/

শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ এএম
শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
ছবি: সংগৃহীত

আবারও শেষ মুহূর্তের গোল, আবারও স্পেনের ত্রাতা মিকেল মেরিনো। নাটকীয় এক লড়াইয়ে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়েছে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ অভিযান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। তবে ৪১ মিনিটে চার্লস ডি কেটেলারের দারুণ হেডে সমতায় ফিরে বেলজিয়াম। তাতে সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় বেলজিয়াম। বক্সের ভেতরে বল পেয়েও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি ম্যাক্সিম ডি কুইপার। তার শট চলে যায় জালের বাইরের অংশে।

এরপর দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করে। লামিনে ইয়ামাল দুর্দান্ত দক্ষতায় বদলি হিসেবে নামা সেইসকে পরাস্ত করে শট নেন, তবে থিবো কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ঠেকিয়ে দেন।

পাল্টা আক্রমণে বেলজিয়ামও সুযোগ তৈরি করে। জেরেমি ডোকু ডান দিক থেকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করেন রোমেলু লুকাকুর উদ্দেশে। তবে সেই আক্রমণ প্রতিহত করে স্পেনের রক্ষণভাগ। এ সময় বেলজিয়ামের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডবলের আবেদন করলেও রেফারি তাতে সাড়া দেননি।

৬৩ মিনিটে আবারও ইয়ামালের প্রচেষ্টা দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন কোর্তোয়া। একের পর এক সেভে বেলজিয়ামকে ম্যাচে ধরে রাখা এই গোলরক্ষক পরে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সেন লামেন্স। অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন কোর্তোয়া।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোলের সুযোগ আসে স্পেনের সামনে। রদ্রির বাড়ানো বল বক্সের ভেতরে পেলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি ইয়ামাল।

তবে শেষ পর্যন্ত স্পেনের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন মেরিনো। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এর আগে শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার।

এবারও গোলের পেছনে ছিল বেলজিয়ামের ভুল। বক্সের বাইরে থেকে পাউ কুবারসির নেওয়া শট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি বদলি গোলরক্ষক সেন লামেন্স। তার হাত ফসকে বল চলে যায় মেরিনোর সামনে। সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।

তবে যোগ করা সময়ে (৯০+৩ মিনিট) নাটকীয়ভাবে আবারও সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। তারা আক্রমণে উঠলে অপ্রত্যাশিত ভুল করে বসেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। আক্রমণ ঠেকাতে তিনি গোলপোস্ট ছেড়ে অনেকটা বাইরে চলে আসেন।

সেই সুযোগে বল পেয়ে যান আলেক্সিস সায়েলেমেকার্স। কোণটি কঠিন হলেও তখন সামনে ছিল ফাঁকা গোলপোস্ট। সরাসরি শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি শট না নিয়ে রোমেলু লুকাকুর উদ্দেশে ক্রস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার সেই ক্রস আটকে দেন আইমেরিক লাপোর্তে। ক্লিয়ার করা বল আবারও ফিরে যায় সিমনের হাতে। এমন সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে হতাশ হতে হয় বেলজিয়ামকে। 

রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে তারা। আর কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে যায় বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ স্বপ্ন।

এসজি/

রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ এএম
রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। শুরুতে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে গেলেও সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি স্পেন। পরে চার্লস ডি কেটেলারের দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় ম্যাচটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। তবে প্রথম দিকে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয় লা রোজারাদের।

অবশেষে ম্যাচের ৩০ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাম প্রান্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় জেরেমি ডোকুকে পরাস্ত করে নিচু ক্রসে বল বাড়ান পেদ্রো পোরো। তার বাড়ানো বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে শট নেন দানি ওলমো। তবে সেই প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

কিন্তু ফিরতি বল চলে আসে ফাবিয়ান রুইজের সামনে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান তিনি। শটটি তিমোথি কাস্তানিয়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলেও শেষ পর্যন্ত বেলজিয়ামের জালে জড়ায়। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে স্পেন। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় তারা। লামিনে ইয়ামালের নেওয়া দুর্দান্ত শট অবশ্য ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।

কিছুক্ষণ পর আবারও আক্রমণে উঠেন ইয়ামাল। দুর্দান্ত ফুটওয়ার্কে ডোকুকে পেছনে ফেলে কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন তিনি। তবে অল্পের জন্য সেটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

তবে স্পেনের আক্রমণের মধ্যেও সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি বেলজিয়াম। ম্যাচের ৪১ মিনিটে তিমোথি কাস্তানিয়ের অসাধারণ ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে দারুণ হেডে গোল করেন চার্লস ডি কেটেলারে। চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো স্পেনের জালে বল জড়াল কোনো দল।

এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

প্রথমার্ধে আধিপত্য ছিল স্পেনের। তারা বেলজিয়ামের গোলমুখে মোট ১০টি শট নেয়, যার মধ্যে ৩টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, বেলজিয়াম ২টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।

এসজি/