ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।
ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তে রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার একটি গ্রামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক তরুণী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হয়।
এ সময় প্রতিবেশী আবু সাঈদ (৫০) নামের এক লম্পট ওই কিশোরীকে মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এসময় ধর্ষিতার ভাইয়ের স্ত্রী ধর্ষককে হাতে নাতে ধরে ফেললে সে তার পা জাপটে ধরে ক্ষমা চেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী তার বাবা এবং ভাই ৩ জনই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।
ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয়রা একাধিকবার সালিশ বৈঠকে বসে কাল ক্ষেপন করে কোনো সুরাহা না হওয়ায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে আবু সাঈদকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৮ জুলাই থানায় ধর্ষণ মামলা রুজু হয়।মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান আঠারবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস.আই মাজহারুল ইসলাম।
পরিবারের লোকজন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা এ পর্যন্ত এলাকায়ই আসেনি। আসামী এলাকায় থাকলেও তাকে ধরতে কোনো তোড়জোড় নেই। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার পর থেকে পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এস.আই মাজহারুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আসামী ধরতে চেষ্টা চলছে।
আঠারবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মহিউদ্দিন জানান, আমি ৩ দিনের ছুটিতে আছি। ধর্ষণ মামলার বিষয়টি আমার জানা নেই।
এসএন/