জিততে তখন মাত্র ৯ রান দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার। হাতে ৬ উইকেট। এমন ম্যাচও কেউ হারতে পারে বিশ্বাস করা মূশকিল। তবে এমনটাই হয়েছে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে। ১৯তম ওভার করতে আসেন অপরিচিত বোলার রিংকু সিং। অধিনায়ক সূর্যের এমন সিদ্ধান্ত সঠিকই প্রমাণিত হয়। ৩ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। ফেরান মাঠে থিতু হওয়া ৪৬ রান করা কুশল পেরেরাকেও।
৬ বলে ৬ রান প্রয়োজন এমন সমীকরণে এরপর নিজেই বোলিংয়ে আসেন সূর্যকুমার যাদব। ৫ রান দিয়ে শিকার করেন ২ উইকেট। টাই হয়ে যাইয় ম্যাচ আর খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।
সেখানেও শুরুর আগে জন্ম নেয় আরেক ঘটনার। বৃষ্টির কারণে সুপার ওভার হয় ৪ বলের। সেখানেও ভড়কে যায় লঙ্কানরা। ওয়াশিংটন সুন্দর ৪ বল করে ২ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। মাত্র ৩ রানের লক্ষ্যে নেমে প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাকিয়ে ভারতকে জয় এনে দেন সূর্য। এতে তিন ম্যাচের সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশ করলো ভারতীয়রা।
এর আগে, টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ৯ উইকেট তুলে ১৩৭ রানেই আটকে ফেলেছিল শ্রীলঙ্কা। এই ম্যাচও শেষ পর্যন্ত হারতে হলো স্বাগতিকদের।
ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন শুভমান গিল। যদিও খেলেন ৩৭ বলে ধীরগতির ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন রায়ান পরাগ করেন ১৮ বলে ২৬। ওয়াশিংটন সুন্দর খেলেন ২৫ রানের প্রয়োজনীয় ইনিংস।
জবাবে উদ্বোধনী জুটিতে ৫৮ রান, দ্বিতীয় উইকেটে আরও একটি অর্ধশত রানের জুটি। এতে ২ উইকেটেই ১১০ রান করে ফেলে শ্রীলঙ্কা। শেষদিকে নাটকীয় ধসে শেষ পর্যন্ত হার হজম লঙ্কানদের।সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিসের ধীরগতির ৪৩ রান ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
শ্রীলঙ্কার হয়ে মাহিশ থিকশানা ৩ আর ২টি উইকেট পান ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ভারতের রিংকু সিং, রবি বিষ্ণোই, ওয়াশিংটন সুন্দর ও সূর্যকুমার যাদব ২টি করে উইকেট নেন।