বেঙ্গালুরুতে সিরিজের প্রথম টেস্টে মাত্র নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৪৬ রানে অলআউটের লজ্জায় ডুবলো স্বাগতিক ভারত। মাট হেনরির পাঁচ শিকারে ঘরের মাঠে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহে অলআউট হলো ভারত।
বৃষ্টির কারণে টেস্টের প্রথম দিন একটি বলও গড়ায়নি মাঠে। আর দ্বিতীয় দিন মাঠে গড়াতেই যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো ভারতের জন্য। নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে ভারত।
মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ৮ বছর পর টেস্টে তিন নম্বরে ব্যাট করতে এসে বিরাট কোহলি আউট হয়েছেন ৯ বলে ০ রান করে। ও’রুর্কের বলে ক্যাচ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ১৬ বলে ২ রান করে নিউজিল্যান্ড পেসার টিম সাউদির বলে বোল্ড হন রোহিত শর্মা। ১১৪ ইনিংস পর তিনে খেলতে নামেন কোহলি। কিন্তু এই পজিশনে নেমে ভক্তদের হতাশ করেন ডানহাতি ব্যাটার। ৯ বল মোকাবেলা করে আউট হয়ে যান ০ রানে। উইলিয়াম ও'রর্কের বলে গ্লেন ফিলিপসের হাতে ক্যাচ দিয়ে।
তবে ভারতের প্রথম উইকেটের পতন যদিও শুরু হয় অধিনায়ক রোহিত শর্মার আউটে। টিম সাউদির বলে দলীয় ৯ ও ব্যক্তিগত ২ রানে। কোহলির মতো ডাক মেরেছেন আরও চার ব্যাটার। তারা হলেন সরফরাজ, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাদেজা ও রবীচন্দ্রন অশ্বিন। এরমধ্যে তিনজনই মাট হেনরির শিকার। শুধুমাত্র লোকেশ রাহুল কোহলির মতো ও’রুর্কের।
যশস্বী জয়সওয়াল ১৩ রান করে রুর্কের বলে সাজঘরে ফেরেন। তিনি আউট হন লাঞ্চের আগেই দলীয় ৩১ রানে। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। পঞ্চম ও ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে রানের ফেরেন খাতা না খোলা দুই ব্যাটার লোকেশ রাহুল ও রবীন্দ্র জাদেজা। ফলে ৩৪ রানে ৬ উইকেট হারায় ভারত।
বিরতির পর অশ্বিনও সাজঘরের পথ ধরেন ডাক মেরে সেই ৩৪ রানেই। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ রান করেন ঋষভ পন্ত। মাট হেনরির বলে টম লাথামকে ক্যাচ দিয়ে তিনিও ব্যর্থ হন দলীয় ৩৯ রানে। ৮ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ৫০ এর আগেই শঙ্কা তৈরি হয় অলআউটের।
শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। রুর্কের চতুর্থ শিকার বনে যান জাসপ্রিত বুমরাহ। তিনি করেন ১ রান। তখন ভারতের রান ছিল ৪০। সবশেষ ব্যাটার কুলদীপ যাদবকে মাট হেনরি নিজের পঞ্চম শিকারে পরিণত করে ঘরের মাঠে ভারতের সর্বনিম্ন ৪৬ রানে অলআউটের লজ্জায় ডোবায় নিউজিল্যান্ড।