আশা করা হচ্ছিল ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে বড়দের ক্রিকেটের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু দুই দলই সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছে। ভারত ‘এ’ দল ২০ রানে হেরেছে আফগানিস্তান ‘এ’ দলের কাছে। আর পাকিস্তান শাহিনসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) ওমানের আল-আমিরাত স্টেডিয়ামে ভারতকে ২০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য দেয় আফগানিস্তান। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত যেতে পেরেছে ১৮৭ রান পর্যন্ত। ফলে ২০ রানের পরাজয়ে ফাইনালে যাওয়া হয়নি ভারতের। সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠেছে আফগানিস্তান।
২০৬ রানের এই সংগ্রহ তুলতে গিয়ে ১৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে জুনাইদ আকবরি ও সিদিকুল্লাহ আতাল। জুনাইদ করেন ৪১ বলে ৬৪ আর ৫২ বলে ৮৩ করেন সিদিকুল্লাহ। ২০ বলে ৪১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন করিম জানাত।
বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত ৪৮ রানে। এরপর আয়ুশ বাদানির ২৪ বলে ৩১ আর রামানদ্বীপ সিংয়ের ৩৪ বলে ৬৪ রানের ঝোড়ো ইনিংসে খেললেও সবমিলিয়ে ১৮৭ রান পর্যন্ত যেতে পারে ভারত।
আর আগে, পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান শাহিনসের দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্য ৭ উইকেটেই জিতে যায় লঙ্কানরা ২১ বল হাতে রেখে। ফলে বিদায় নেয় পাকিস্তান আর ফাইনালে প্রথম দল হিসেবে জায়গা নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল।
পাকিস্তানে হয়ে কোনো ব্যাটার সুবিধা করতে না পারায় একা লড়াই করতে হয়েছে ওপেনার ওমাইর ইউসুফ। ৫টি চার ও ৪ ছক্কায় ৪৬ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ বলে ১৪ রান করেন হায়দার আলি। ১৩ বলে ১২ রান করেন মোহাম্মদ ইমরান।
এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দাপুটে শুরু করে শ্রীলঙ্কা ওপেনার লাহিরু উদারার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। তিনি করেন ২০ বলে ৪৩ রান। অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড আউট হয়ে আরেক ওপেনার সাজঘরে ফেরেন ১০ বলে ১১ রান করে। ৪৫ বলে ৫২ রান করে বিক্রমসিংহে। তার সঙ্গে ১৬ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন সাহান অ্যারাচিজে।
শ্রীলঙ্কার হয়ে ২১ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন ডুসান হেমন্ত। পাকিস্তানের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম ও আব্বাস আফ্রিদি।