ক্যারিয়ারে কীর্তি কিংবা গোল, কোনোটারই ঘাটতি নেই লিওনেল মেসির। নামের পাশে এখন পর্যন্ত রয়েছে ৮৬০ গোল। মেসির গোল মানেই বিশেষ কিছু। মেসির গোল কখনো কখনো পৌঁছে যায় শিল্পের পর্যায়ে। এমনসব গোল করেই তো মেসি হয়েছেন সবার সেরা।
দলকে খাদের কিনারা থেকে তুলে নেওয়ার মতো গোলের সংখ্যাও কম নয়। চোখের দেখায় সেসব গোল অতি সাদামাটা হলেও ম্যাচের পরিস্থিতির কারণে হয়েছে অতি মূল্যবান।
মেসি ভক্তদের কাছে তার করা গোলসমূহ বরাবরই পছন্দের। এরপরও কিছু গোল তো থাকেই বিশেষ। যা কিনা ম্যাচের মোড় যেমন ঘুরিয়ে দিয়েছে একইভাবে জায়গা করে নিয়েছে সবার মনেও।
যেমন ২০১৫ সালে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে কোপা দেল রে ফাইনালে তিনজনকে কাটিয়ে করা গোল।
একই টুর্নামেন্টের ২০১৮ আসরের সেমিফাইনালে গেটাফের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে মনে করিয়ে দিয়ে করা গোল।
২০১০-১১ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুর্দান্ত গোলটির কথাও কেউ কেউ চাইলে বলতে পারেন।
বিশেষভাবে আলাদা করা খুব কঠিন। এমন অসংখ্য গোলের নজিরই আছে মেসির ক্যারিয়ারজুড়ে। মেসির করা সেরা গোলগুলোর ভিডিও পাওয়া যায় ইউটিউবে। সেগুলো মেসির ভক্তদেরই বানানো।
এবার অবশ্য মেসি নিজেই বেছে নেবেন নিজের করা সেরা গোলটি। এতে করে সহজভাবেই চিহ্নিত করা সম্ভব কোনটি এই তারকার সেরা গোল। ২২ মে সেই কাজটি করতে যাচ্ছেন মেসি নিজেই। নিজেই জানাবেন নিজের করা সেরা গোলটির কথা।
এরপরই সেই গোলটিকে চিত্রকর্মে রূপ দেওয়া হবে এবং তোলা হবে চ্যারিটির জন্য নিলামে। সেখানে স্বাক্ষর থাকবে মেসি ও শিল্পী রেফিক আনাদোলের। যা আগামী ১১ জুন নিলাম প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টির মাধ্যমে নিউইয়র্কে উন্মোচন করা হবে। নিলাম শেষ হবে আগামী ১১ জুলাই।
তবে নিজেই নিজের সেরা গোল বেছে নেওয়া মোটেও সহজ কাজ নয়। সেটি নিজেই বলেছেন মেসি, ‘সব গোলের মধ্যে একটি গোল বেছে নেওয়া অনেক কঠিন। প্রতিটি গোল নিজের মতো করেই বিশেষ। কিছু আছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিংবা অসাধারণ কিছু স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। তবে এই বিশেষ প্রকল্পকে সম্ভব করে তোলার জন্য প্রথমবারের মতো একটি প্রিয় গোলকে আলাদা করে তুলে ধরা—এটা সত্যিই মূল্যবান। এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য রয়েছে, আর আমি এর অংশ হতে পেরে খুবই আনন্দিত।’