ভারত সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বৈশ্বিক আইসিসি টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে। এই সাফল্যকে ভবিষ্যতে বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্যের সূচনা হিসেবে দেখতে চান রোহিত শর্মা।
বর্তমানে ভারতের পুরুষ এবং নারী দল বিভিন্ন আইসিসি প্রতিযোগিতায় শিরোপাধারী। এর মধ্যে রয়েছে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ, পুরুষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, পুরুষ অনূর্ধ্বা-১৯ বিশ্বকাপ এবং নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ।
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আমরা যা দেখছি তা দেখে আমি খুব খুশি এবং খুব গর্বিত। শুধু পুরুষ দলই নয়, মুম্বাইয়ে নারী দল যে বিশ্বকাপ জিতেছে সেটিও দেখা ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা।
‘সম্প্রতি পুরুষ দল যা করেছে তা ছিল অসাধারণ। আমি আশা করি এটি কেবল শুরু। এখান থেকে আর পিছনে ফিরে তাকানোর কিছু থাকবে না, কারণ একবার আপনি সেই গতি পেয়ে গেলে… আমরা প্রায়ই গতি নিয়ে কথা বলি এবং এখন পুরুষ ও নারী- দুই দলই সেই গতি পেয়েছে। আমি শুধু আশা করি আমরা এই গতি সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’
নারী টি-টোয়েন্টি মুম্বাই লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত রোহিত একজন ক্রিকেটারের যাত্রায় ভাগ্যের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন এবং বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক মানুষের নজরে পড়াও প্রতিভা ও কঠোর পরিশ্রমের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
‘অনূর্ধ্ব–১৪ স্তর থেকেই আপনাকে ভাগ্যবান হতে হবে। অবশ্যই সফল হতে প্রতিভা দরকার, কিন্তু একই সঙ্গে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকতে হবে যাতে মানুষ আপনাকে লক্ষ্য করে। অনেক সময় আপনি যতই প্রতিভাবান হন না কেন, যদি কেউ আপনাকে না দেখে তবে আপনি কিছুটা দুর্ভাগা হয়ে যেতে পারেন। ভাগ্যেরও দরকার আছে, কিন্তু কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই- এটা শুধু মুম্বাইয়ের ক্রিকেটারদের জন্য নয়, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’
‘সাফল্য পেতে তারা কঠিন পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে মুম্বাই ক্রিকেট যেভাবে এগোচ্ছে তাতে আমি খুব খুশি, আর টি-টোয়েন্টি মুম্বাই যা করেছে তাতেও সন্তুষ্ট। আমরা দেখেছি এই টি-টোয়েন্টি মুম্বাইয়ে খেলা অনেক তরুণ ক্রিকেটার পরে আইপিএল দলে এবং অবশ্যই জাতীয় দলে খেলেছে, তাই এটি একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। আমি নিশ্চিত যারা এখানে খেলবে তারা বুঝবে এই ফরম্যাটটি কতটা দারুণ, আর সফল গত মৌসুমের পর আবার এটি আয়োজন করতে পেরে আমি খুশি।’- রোহিত শেষ করেন।
অনিক/