ঢাকা ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন এ মাসেই ‘শিকার’ শুরু করছেন অপু বিশ্বাস বিশ্বকাপের গানে ‘টুডে শো’র মঞ্চ মাতালেন সানজয় ও নোরা আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ফিরছেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ১০টি ফুটবল মাঠের সমান এক জাহাজ! এলপিজির দাম ১২ কেজির সিলিন্ডারে কমল ৩৫৭ টাকা ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড চীনে এবার রোবটের ব্যান্ডদল বিশ্বকাপের উন্মাদনার গল্প বলবে ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’ অস্ট্রিয়ার অটোমোবাইল বাজারে চীনা ইলেকট্রিক গাড়ির জয়জয়কার বরিশালে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড, ভুক্তভোগী মা-শিশুর দায়িত্ব রাষ্ট্রের কুমিল্লায় মানহানির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে স্বাস্থ্যকর্মী গ্রেপ্তার এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে ঝরে পড়েছে ২৭৩৪৩ শিক্ষার্থী এমবাপ্পেকে ঘিরে গুঞ্জনের কেন্দ্রে স্প্যানিশ অভিনেত্রী এস্টার ভোলায় কলেজছাত্রকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ জামালপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু বেসরকারি শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ, রাইফেল ও গুলি জব্দ গোপালগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী কৃষি-প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন জামালপুরে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার চাঁদপুরে আষাঢ়েও ইলিশের সরবরাহ কম বন্ধুরা বাজি ধরলে আপনার অংশ নেওয়া কি ঠিক হবে? বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র রোনালাদোর চাওয়া ‘ঘরের মাঠের আবহ’ ঈশ্বরদীতে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দুদকের চেয়ারম্যান-কমিশনার পদে আগ্রহীদের জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করায় চাচাতো ভাইকে খুন সিলেট বিভাগে ৯৬টি কেন্দ্রে  প্রথম দিনের এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন

শিখন প্রক্রিয়ায় ক্রিটিক্যাল থিংকিংয়ে জোর দেয় সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:০৪ পিএম
আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:৫২ পিএম
শিখন প্রক্রিয়ায় ক্রিটিক্যাল থিংকিংয়ে জোর দেয় সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে একদল শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম পাদপীঠ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। শিক্ষার্থীরা যেন দেশেই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০০২ সালে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু হয়। ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস অবস্থিত। জন্মলগ্ন থেকেই এ বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বতন্ত্র ধারায় দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিশনারি ট্রাস্টিবোর্ড শুরু থেকেই যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির স্মার্ট শ্রেণিকক্ষে আন্তর্জাতিক মানের মাল্টিমিডিয়াসহ রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিব্যবস্থা। ক্লাসরুম ছাড়াও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা ও বিশেষ ক্লাস গ্রহণের জন্য রয়েছে বেশ কয়েকটি এক্সাম হল। রয়েছে একটি মাল্টিপারপাস হল যেখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের কনফারেন্স, সেমিনারসহ নানা ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। এই লাইব্রেরিতে পাঠ্যপুস্তক, রেফারেন্স বই, জার্নাল এবং সংবাদপত্রের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। লাইব্রেরিটি কম্পিউটারাইজড এবং ইন্টারনেট সংযুক্ত, এতে ‘KOHA’ নামের ইন্টিগ্রেটেড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার রয়েছে, যা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের দূর থেকে একাডেমিক রিসোর্সে প্রবেশের সুযোগ পায়। এ ছাড়া লাইব্রেরিতে IEEE Xplore, Emerald Insight এবং Manupatra লিগ্যাল ডেটাবেসের মতো উল্লেখযোগ্য ই-রিসোর্সের সাবস্ক্রিপশন রয়েছে।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের অত্যাধুনিক ল্যাবে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সুযোগ পায়। এ ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার এবং ফার্মেসির ল্যাবগুলোয় শিক্ষার্থীরা গবেষণা, উদ্ভাবন এবং ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ পায়। কোয়ান্টাম নেক্সাস ল্যাব, রোবোটিক্স ল্যাব, পাওয়ার সিস্টেম অ্যান্ড প্রোটেকশন ল্যাব, নিটি ল্যাব এবং ফার্মাসিউটিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, পাওয়ার সিস্টেম, টেক্সটাইল প্রযুক্তি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও অনুসন্ধানের সুযোগ পেয়ে থাকে।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে তিনটি অনুষদের অধীনে ১০টি বিভাগ রয়েছে যেখানে মোট ১৬টি প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামগুলো হলো- সিএসই, ইইই, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, বিবিএ, বিএ ইন বাংলা, বিএ ইন ইংলিশ, ইকোনমিক্স, এলএলল বি এবং ফার্মেসি এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামগুলো হলো- এমবিএ, ই-এমবিএ, এলএলএম, এমএ ইন বাংলা, এমএ ইন ইংলিশ এবং এমডিএস। একাডেমিক প্রোগ্রামগুলো বিভিন্ন অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা যথা- আইইবি, আইএবি, ফার্মেসি কাউন্সিল, বার কাউন্সিলের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করছেন। অনেকে আবার উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও কর্মসংস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। 
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অভিজ্ঞ অধ্যাপক ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের হাতে আলোর মশাল তুলে দিতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বিরামহীনভাবে। ক্লাসরুমে এবং ক্লাসরুমের বাইরেও নানা বিষয়ে তারা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশে সহায়তা করছেন। সিনিয়র অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাশাপাশি তরুণ শিক্ষকরাও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে থাকেন। শিক্ষক নির্বাচনে অভিজ্ঞদের সঙ্গে তারুণ্যের মিশেলে একটি গতিশীল শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি।

বর্তমান বিশ্ব হচ্ছে ‘গ্লোবাল ভিলেজ’। তাই সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ গড়তে চায় না, চায় বিশ্বমানের দক্ষতায় উন্নীত করে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়তে। তাই এ বিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থীকে বৈশ্বিক দক্ষতার পাশাপাশি মৌলিক মানবীয় গুণাবলি ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চায়। জ্ঞানের গভীরে প্রবেশ করতে ক্রিটিক্যাল থিংকিং জরুরি। তাই শিক্ষার্থীদের শিখনব্যবস্থায় ক্রিটিক্যাল থিংকিংয়ের ওপর বিশেষ জোড় দেয় এ বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন করার অভ্যাস তৈরিতে বিশেষ জোড় দিয়ে থাকেন।

বর্তমান বিশ্বে কোন প্রতিষ্ঠান চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীর সফটস্কিল কতটুকু আছে সেটা যাচাই করা হয়। একজন শিক্ষার্থীর সফটস্কিল ডেভেলপ করে তার বিভিন্ন কো-কারিকুলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার অ্যান্ড প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস (সিপিডিএস) অফিসের অধীন ১৯টি সক্রিয় ক্লাব ও ফোরাম রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ক্লাব কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সাংগঠনিক ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে, যা তাদের ব্যক্তি ও কর্মজীবনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ পেশাজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য দক্ষতাও নিশ্চিত করে সিপিডিএস। প্রফেশনাল ট্রেনিংসহ ক্যারিয়ার সহায়ক বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে সিপিডিএস। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি অ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ড প্রকল্প শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত মানোন্নয়নে ডিজাইন করা হয়েছে। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে, অ্যাম্বাসেডরদের চারটি ক্যাটাগরিতে যথা- ইন্টার্ন অ্যাম্বাসেডর, জুনিয়র অ্যাম্বাসেডর, সিনিয়র অ্যাম্বাসেডর এবং অ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ডিং করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং গবেষণা কার্যক্রম এবং আউটকাম বেসড এডুকেশনের ওপর নির্ভর করে। এ লক্ষ্য অর্জনে গবেষণাসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গবেষণা কার্যক্রম পরিচলনায় বিশ্ববিদ্যায়ের ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি) কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের গবেষণায় ক্ষেত্র নির্বাচন ও ফান্ড প্রদানের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই ইনস্টিটিউট। দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন কোলাবরেশনের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির আইকিউএসি অফিস শিক্ষকদের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইতোমধ্যে শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। গবেষণার মানোন্নয়নে দেশের প্রাজ্ঞ শিক্ষকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্কলার্স নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের। শিক্ষকপ্রতি গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাত নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে এ ইউনিভার্সিটি। দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিতকরণে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়া সম্পর্কের ওপর জোর দিচ্ছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টায় ইন্ডাস্ট্রির চাহিদামতো গ্র্যাজুয়েট তৈরির চেষ্টা করছে এ ইউনিভার্সিটি।

হাসান

চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম
চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের অরিয়েন্টেশন সম্পন্ন
ছবি: খবরের কাগজ

উৎসবমুখর পরিবেশ, প্রাণচাঞ্চল্য ও আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের  ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে দুই ধাপে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

সকাল ৯টায় শুরু হওয়া প্রথম পর্বে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। এতে পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, স্থাপত্য, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, পানিসম্পদ কৌশল এবং ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও  ৫টি অনুষদের ডীনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন চুয়েটের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, "বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীরা দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। গুগল, অ্যামাজন, টেসলা, সিমেন্স, স্যামসাংসহ বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের গ্র্যাজুয়েটরা কর্মরত আছেন। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ‘ভূমি দৃষ্টি’ অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতেও চুয়েটের একজন সাবেক শিক্ষার্থীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।”

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “তোমাদের এই যাত্রা একটি সুন্দর যাত্রা। লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীলতা বিকাশ করতে হবে। মাদক ও যেকোনো নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে থেকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।”

গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেন, “চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে কেবল ভালো ফলাফল নয়, বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা, গবেষণার মনোভাব, নেতৃত্বগুণ ও দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতাও প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এই নবীনদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের গবেষক, প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও শিল্পনেতা তৈরি হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। তারা নবাগত শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে পরামর্শ দেন।

কেন্দ্রীয় পর্ব শেষে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগে বিভাগীয় পরিচিতি ও নির্দেশনামূলক সভায় অংশ নেন। সেখানে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, সিনিয়র শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবীনদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং বিভাগীয় কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা, নিয়মাবলী বিষয়ক আলোচনা এবং নবীনদের হাতে পরিচিতিমূলক হ্যান্ডবুক তুলে দেওয়ার আয়োজনও ছিল।

নবীনবরণের অনুভূতি প্রকাশ করে স্থাপত্য বিভাগের নবাগত শিক্ষার্থী লাবণ্য বর্মন বলেন, “চুয়েটের সবুজ ক্যাম্পাস দেখতে খুব ভালো লাগছে। নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে। আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাদের সঙ্গে কথা হতো, আজ সরাসরি পরিচিত হতে পেরে ভালো লাগছে।”

উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা গত ১৭ জানুয়ারি চুয়েট ক্যাম্পাসসহ চট্টগ্রাম শহরের আরও দুটি উপকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় প্রায় ১২ হাজার ৯৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে প্রকাশিত মেধাতালিকার ভিত্তিতে পাঁচ ধাপে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে ৯৩১টি আসনের বিপরীতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম আগামী রবিবার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হবে।

ইবাদ/নাঈম

চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আজ

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
চুয়েটে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আজ
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া  শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন আজ (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে দুই ধাপে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

একই সঙ্গে নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম আগামী রবিবার থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ওরিয়েন্টেশনের প্রথম পর্ব সকাল ৯টায়। এ পর্বে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল, জৈব চিকিৎসা কৌশল এবং ইলেকট্রনিকস ও টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

দ্বিতীয় পর্ব সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে। এতে পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, পানিসম্পদ কৌশল, মেকাট্রনিক্স ও শিল্প প্রকৌশল, পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্থাপত্য বিভাগের নবাগত শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন শেষে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিভাগে বিভাগীয় পরিচিতি ও দিকনির্দেশনামূলক সভায় অংশ নেবেন। পাশাপাশি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও রাখা হয়েছে।

পরে শিক্ষার্থীদের দুপুর আড়াইটার মধ্যে নিজ নিজ আবাসিক হলে উপস্থিত হয়ে হল-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সম্মানিত অতিথি চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম।

এ বিষয়ে অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার কারণে এবার খোলা মাঠের পরিবর্তে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করা হয়েছে। স্থানসংকুলানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অনুষ্ঠানটি দুই ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

ইবাদ/হীরা

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মনোনীত হলেন আজিজ আল কায়সার

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ এএম
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মনোনীত হলেন আজিজ আল কায়সার
আজিজ আল কায়সার। ছবি: সংগৃহীত

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) ট্রাস্টি বোর্ড ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য আজিজ আল কায়সার-কে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেছে। 

আজিজ আল কায়সারকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার মাধ্যমে তার নেতৃত্ব, কৌশলগত দূরদর্শিতা এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উন্নয়নে তার অব্যাহত অবদানের প্রতি বোর্ডের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে। 

তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের প্রতি তার অঙ্গীকার বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে তার দায়িত্ব অব্যাহত রাখায় আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার সফল নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় তার কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে একটি শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুনাম অর্জন করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। 

এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হয়ে আজিজ আল কায়সার বলেন, “নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি  দীর্ঘদিনের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল। বোর্ড আমার ওপর আবারও আস্থা রাখায় আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এনএসইউ পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে কাজ করে যাব।’

বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এনএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি পরিবারের পক্ষ থেকে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব অব্যাহত থাকায় আজিজ আল কায়সারকে আন্তরিক অভিনন্দন। তার নেতৃত্ব এনএসইউকে শিক্ষা, গবেষণা ও বৈশ্বিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আজিজ আল কায়সার একজন সফল ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি। তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এম. এ. হাশেমের পুত্র। এছাড়াও জনাব এম. এ. হাশেম ছিলেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা, জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। বাবার দেখানো পথ অনুসরণ করে আজিজ আল কায়সারও দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত। এর পাশাপাশি তিনি বর্তমানে পারটেক্স স্টার গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সিটি ব্যাংক পিএলসির সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান। 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে এনএসইউর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কর্পোরেট খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে অঙ্গীকার বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

বিজ্ঞপ্তি

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্পন্ন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্পন্ন
ছবি: সংগৃহীত

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 'সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬' সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। 

গত ২৫ জুন সম্মেলনের উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই জাতীয় পর্যায়ের আয়োজনের প্রথম দুই দিনের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। আজ, ২৭ জুন, রাজধানীর ওয়াটারফ্রন্ট কনভেনশন হলে বর্ণাঢ্য সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মেলনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

দেশের ৩০টি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত শতাধিক প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিসহ দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে জাতিসংঘের আদলে বিতর্ক, আলোচনা, কূটনৈতিক আলোচনাপ্রক্রিয়া এবং প্রস্তাবনা উপস্থাপনের মাধ্যমে তাদের বিশ্লেষণী দক্ষতা, নেতৃত্ব, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং জনসমক্ষে বক্তব্য প্রদানের সক্ষমতা প্রদর্শন করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য (মনোনীত), রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্রেস্ট, সনদপত্র এবং সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, কূটনৈতিক দক্ষতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্পর্কে সচেতনতা এবং সহযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে মডেল ইউনাইটেড ন্যাশনস (মুন)-এর মতো প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত কার্যকর। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বাস্তবধর্মী অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্মেলনটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান করে জেপিএন কনসালটেন্সি, বিজম্যান, নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল চ্যানেল আই।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে এ ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। 

বিজ্ঞপ্তি/

ইউল্যাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৬ এএম
আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ এএম
ইউল্যাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ইউল্যাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব) কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) এই আয়োজনটি ইউল্যাব, চীনের দূতাবাস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে ইউল্যাব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানে চীনের লং মার্চ বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীও স্মরণ করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে ‘গ্রেট জার্নি, শেয়ার্ড ফিউচার’ শীর্ষক এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এ উদযাপনে ছিল ফটো ও ভিডিও প্রদর্শনী, বই প্রদর্শনী এবং চীনের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি প্রদর্শনী। এসব আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা চীনের ইতিহাস, রাষ্ট্র পরিচালনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। শিক্ষার্থীরা চীনের ঐতিহ্যবাহী ক্যালিগ্রাফি ও পেপার কাটিং শিল্পের প্রদর্শনীও উপভোগ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা বাদ্যযন্ত্র ‘গুঝেং’-এ পরিবেশনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা। তিনি বলেন, এই উদযাপন শিক্ষা ও সংস্কৃতির পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বক্তব্য দেন চীনা দূতাবাস বাংলাদেশের সংস্কৃতি কাউন্সিলর লি শাওপেং। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ঐতিহাসিক অবদান, লং মার্চ বিজয়ের তাৎপর্য, চীনের উন্নয়নের যাত্রা, দেশটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে আরও ছিলেন– ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই এবং বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হুয়াং মউকং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চীনা প্রতিনিধি ও সাংস্কৃতিক শিল্পীরা। ইউল্যাবের পক্ষ থেকে আরও ছিলেন– অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা এবং ট্রেজারার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল ইসলাম (অব.), রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তি/