ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর উরুগুয়ের চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল আক্কেলপুরে দিনমজুর শ্যামল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক জাবির ৩৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস, গবেষণায় বরাদ্দ নেই দৌড়েই সেরে উঠলেন ওয়াসিম স্মৃতির ক্যানভাসে সাগরকন্যা কুয়াকাটা জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস জামালপুরে সন্তান হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মা গ্যাসসংকট সমাধানে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে ইউআইইউ মার্স রোভার সুরের আকাশে নতুন ধূমকেতু রেইথস চারুকলার নান্দনিক কাঠগোলাপ সৌরভের হৃদয়ের খুব কাছে মেসি এ প্লাস মানুষ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: এমপি মনজুর টুনটুনির পুকুর দরজার আশায় জমানো লাখ টাকা ফেরত পাননি অসহায় নারী অবাক করা এক মাছ ভাঙ্গায় অধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৫০, মহাসড়কে যানজট সাশ্রয়ী মূল্যে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার: গণপূর্ত মন্ত্রী বুদ্ধিমান প্রজাপতি ও দুষ্টু ফড়িং নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বরাদ্দ চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালুর উদ্যোগ ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’নামে নতুন বই জনবল নেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করুন অনলাইনে বিশ্বকাপ ফুটবলের সোনার কাপের  ইতিহাস রাঙামাটির ছোটহরিনা সীমান্তে পাচারের সময় ৭১ বস্তা সার জব্দ ঈশ্বরদীতে ৩০৮৯৪ শিশু  পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ব্রাজিলের বিপক্ষে আন্ডারডগ মানসিকতা নিয়েই লড়তে চায় জাপান সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব হিলিতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

শেকৃবিতে ৩ কর্মকর্তা ও ৬ শিক্ষকের কক্ষে তালা

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৩১ পিএম
শেকৃবিতে ৩ কর্মকর্তা ও ৬ শিক্ষকের কক্ষে তালা
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গন-অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করার অভিযোগে এবং বিচারের দাবিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) জাতীয় নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কমিটির নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্যোগে ছয়জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মকর্তার কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২.৩০টার দিকে এটি সংঘটিত হয়। 

তালা দেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছে-  মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. উদয় কুমার মাহাত, এন্টোমলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়েশা আক্তার, অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন ও ড. নাসরিন সুলতানা, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন আহমদ এবং সয়েল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. অলোক কুমার পাল। 

কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- ফিজিক্যাল এডুকেশন বিভাগের মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের আলিউল আলম টুয়েল এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি বিভাগের সোনিয়া নুসরিন সুমি।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক ড. মো. সালাহউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরীকে (ডিন, গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ) সভাপতি এবং অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলীকে (প্রক্টর) সদস্যসচিব করে ৭ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ১২ জন শিক্ষক, ৭ জন কর্মকর্তা এবং ১১ জন কর্মচারীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি, ক্লাস-পরীক্ষা গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা এবং বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হয়।


জানতে চাইলে ছাত্রদলের শাখা সাধারণ সম্পাদক বিএম আলমগীর কবির বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা একত্রিত হয়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের বাধা দিতে লাঠি মিছিল করেছিল। এর সুষ্ঠু বিচার আমরা পাইনি। তাই আমরা এই প্রতিবাদ করেছি।’

ছাত্রদলের সভাপতি আহমেদুল কবির তাপসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি দলীয় কাজে ব্যস্ত নথাকার কথা জানিয়ে দুই ঘণ্টা পর ফোন দিতে বলেন। দুই ঘণ্টা পর ফোন করা হলেও তিনি ব্যস্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় তাকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ নাইম বলেন, ‘যাদের কক্ষে তালা ঝুলানো হয়েছে তারা ক্যাম্পাসে থাকলে আমরা নিজেদের নিরাপদ মনে করি না।’ 

আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া হচ্ছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দায়ীদের কক্ষে তালা ঝুলাতে হয়েছে।’ 

জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তৌহিদ আহমেদ আশিক বলেন, ‘প্রশাসন বিচারিক পদক্ষেপ নিলেও কিছু অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রত্যাশিত মাত্রায় বিচার হয়নি। তারা ক্যাম্পাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে জড়িত। তাই ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাপস ভাই ও সম্পাদক আলমগীর ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই প্রতিবাদ জানিয়েছি।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী বলেন, ‘প্রশাসন ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। বর্তমানে সিন্ডিকেট অনুমোদিত আরেকটি তদন্ত কমিটি অধিকতর তদন্ত করছে। তদন্ত চলাকালীন এ ধরনের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। সবাইকে আইন নিজের হাতে না নিয়ে প্রশাসনের প্রতি ভরসা রাখার আহ্বান জানাই।’

অভি/রিফাত/

দৌড়েই সেরে উঠলেন ওয়াসিম

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
দৌড়েই সেরে উঠলেন ওয়াসিম
ওয়াসিম।

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিম। একসময় মার্শাল আর্ট ও ঢাকা ডিভিশন লেভেলে কাবাডি খেলা এই সাবেক অ্যাথলেটের জীবন ২০২৪ সালে হঠাৎ বদলে যায়। ফ্যাটি লিভার গ্রেড-২ এবং পাকস্থলীর ক্ষতের কারণে তার ওজন বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ কেজিতে। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি এটি ছিল তার জন্য এক গভীর মানসিক আঘাত।
সুস্থ জীবনে ফেরার তীব্র তাগিদ থেকে জিম ট্রেইনার রনি রাজের হাত ধরে ম্যারাথনের দুনিয়ায় পা রাখেন ওয়াসিম। আগারগাঁওয়ে লায়নস ক্লাবের ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটারের দৌড় ৭০ মিনিটে শেষ করার মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে দম ফুরিয়ে যাওয়া ও পায়ে টানের মতো তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা হলেও তিনি হাল ছাড়েননি।
মাত্র তিন মাসের নিয়মিত অনুশীলনে তার ওজন ৯১ কেজি থেকে ৭৭ কেজিতে নেমে আসে এবং লিভার ও পাকস্থলীর ক্ষত পুরোপুরি সেরে যায়। বর্তমানে তিনি ৬০ মিনিটের কম সময়ে এই দৌড় সম্পন্ন করতে পারেন। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের সুবিধাজনক সময়ে (সাধারণত সন্ধ্যায়) দৌড়ান ওয়াসিম।
ইতোমধ্যেই তিনি ‘ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স রান’, ‘ঢাকা রান ২১কে’সহ প্রায় ৩৫টি ম্যারাথনে অংশ নিয়ে অসংখ্য মেডেল ও সার্টিফিকেট জিতেছেন। পেশাদার রানার হওয়ার লক্ষ্য না থাকলেও সুস্থ থাকার অটুট সংকল্প নিয়ে তরুণদের নিয়মিত দৌড় ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনে অনুপ্রাণিত করছেন ওয়াসিম।

স্মৃতির ক্যানভাসে সাগরকন্যা কুয়াকাটা

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০২:১০ পিএম
স্মৃতির ক্যানভাসে সাগরকন্যা কুয়াকাটা
কুয়াকাটায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (খুবিসাস) সদস্যরা।

ক্যাম্পাসের চেনা অ্যাসাইনমেন্ট আর খবরের পেছনে ছোটাছুটির যান্ত্রিক ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে ২৩ এপ্রিল গভীর রাতে শুরু হয়েছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (খুবিসাস) বার্ষিক ট্যুর। রাতের অন্ধকার চিরে আমাদের গাড়ি ছুটে চলল সাগরকন্যা কুয়াকাটার উদ্দেশে। ২৪ এপ্রিল ভোরে যখন পৌঁছালাম, সমুদ্রের নোনা হাওয়া নিমেষেই দূর করে দিল দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি।

 


হালকা কুয়াশা আর মেঘের আড়ালে লুকানো সূর্যের মায়াবী রক্তিম আভা উপভোগ করতে আমরা প্রথমে ছুটে গেলাম গঙ্গামতির বাঁকে। সূর্যোদয়ের পর ঘুরে দেখলাম গঙ্গামতি সংরক্ষিত বন ও লাল কাঁকড়ার চর। দূর থেকে মনে হচ্ছিল বালুর বুকে যেন লাল ফুল ছড়িয়ে আছে। এরপর মেতে উঠলাম কাঙ্ক্ষিত সমুদ্র স্নানে। সাগরের নীল জলরাশি আর বিশাল ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালীতে সমিতির বর্তমান, সাবেক ও অনুজ সদস্যরা যেন শৈশবে ফিরে গিয়েছিলাম।
দুপুরের ভূরিভোজ ও বিশ্রামের পর বিকেলের নরম আলোয় আমরা রওনা হলাম লেবুর চর, ঝাউবন ও তিন নদীর মোহনার উদ্দেশে। একদিকে ঝাউবনের সাঁই সাঁই শব্দ, অন্যদিকে নদীর মোহনায় আছড়ে পড়া ঢেউয়ের মাঝে লাল সূর্যের ডুবে যাওয়ার দৃশ্য এক মায়াবী প্রশান্তি ছড়িয়ে দিয়েছিল। আর রাত নামতেই সমুদ্রের গর্জনকে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বানিয়ে আকাশের নিচে শুরু হলো ফিশ বার্বিকিউ পার্টি। কয়লার আগুনে পোড়া মাছের সুবাস, গান আর আড্ডায় রাতটি উৎসবে পরিণত হয়। পরদিন ২৫ এপ্রিল আমরা গেলাম রাখাইন পল্লীতে। 
কুয়াকাটা নামের উৎপত্তির পেছনে থাকা কেরানীপাড়ার সেই ঐতিহাসিক প্রাচীন কুয়া এবং মিশ্রিপাড়ার উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় (৩৫ ফুট উচ্চতার) বৌদ্ধ মূর্তিটি ঘুরে দেখলাম। রাখাইন নারীদের নিপুণ হাতের তাঁত বোনা ও তাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি আমাদের ভ্রমণকে দারুণভাবে সমৃদ্ধ করে।
সব সুন্দর গল্পেরই শেষ থাকে। ২৫ এপ্রিল বিকেলে সাগরের বিশালতাকে বিদায় জানিয়ে আমাদের গাড়ি আবার খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়। যান্ত্রিক জীবনে ফিরলেও গঙ্গামতির মেঘলা সকাল, ঝাউবনের হাওয়া আর রাতের বার্বিকিউয়ের স্মৃতি খুবিসাসের সবার মনে জমা থাকবে দীর্ঘকাল।

বিশ্বমঞ্চে ইউআইইউ মার্স রোভার

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
বিশ্বমঞ্চে ইউআইইউ মার্স রোভার
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ‘ইউআইইউ মার্স রোভার টিম’।

যুক্তরাষ্ট্রের দ্য মার্স সোসাইটি আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬ প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে তৃতীয় এবং এশিয়ায় প্রথম স্থান অর্জন করে ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ‘ইউআইইউ মার্স রোভার টিম’। গত ২৭-৩০ মে ইউটা স্টেটের মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে এই চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অন-সাইট ইউআরসির ২০ বছরের ইতিহাসে প্রথম এশীয় দল হিসেবে পোডিয়ামে স্থান পাওয়ার পাশাপাশি দলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘বেস্ট অটোনামাস সিস্টেম’ স্বীকৃতি লাভ করেছে। বিশ্বের ১১৬টি দলের মধ্যে বাছাই করা ১১টি দেশের ৩৮টি দল গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশ নেয়। এতে ইউআইইউ মার্স রোভার টিম মোট ৪০৪ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট অর্জন করে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে (যেখানে মিসৌরি ইউনিভার্সিটি অব এস অ্যান্ড টি চ্যাম্পিয়ন এবং মোনাশ নোভা রোভার দ্বিতীয় হয়)। এছাড়া, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার এশিয়ার প্রথম দল হওয়ার গৌরব ধরে রেখেছে তারা।
ইউআইইউয়ের সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স (সিএআইআর) পরিচালিত এই দলটির পরামর্শক ছিলেন প্রফেসর ড. হাসান সারওয়ার ও ড. সুমন আহমেদ এবং মেন্টর ছিলেন প্রভাষক মো. আবিদ হোসাইন। শাইফ আল শাদের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের এই শিক্ষার্থী দলটি বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন ও ইকুইপমেন্ট সার্ভিসিংসহ চারটি জটিল মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করে।

সুরের আকাশে নতুন ধূমকেতু রেইথস

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০২:০০ পিএম
সুরের আকাশে নতুন ধূমকেতু রেইথস
রক ব্যান্ড ‘রেইথস’

উত্তরবঙ্গের অন্যতম বিদ্যাপীঠ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সাংস্কৃতিক আবহকে নতুন মাত্রায় নিয়ে এসেছে উদীয়মান রক ব্যান্ড ‘রেইথস’। ব্যান্ড মিউজিকের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর হাবিপ্রবির একদল সংগীতপিপাসু তরুণের হাত ধরে ব্যান্ডটির যাত্রা শুরু হয়।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রেইথস ক্যাম্পাসের প্রায় ১২-১৪টি বড় ও ছোট অনুষ্ঠানে পারফর্ম করে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। ক্যাম্পাসের বিদায় সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান ছাড়াও দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আয়োজিত একটি মেগা শোতেও তারা সফলভাবে পারফর্ম করেছে। মা দিবস উপলক্ষে কিংবদন্তি ব্যান্ড শিরোনামহীনের কালজয়ী গান ‘মা’-এর একটি কাভার সংস্করণ প্রকাশ করে তারা ব্যাপক সাড়া ফেলে। স্বয়ং শিরোনামহীন ব্যান্ড তাদের গায়কিতে মুগ্ধ হয়ে ভিডিওটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করলে ব্যান্ডটি এক অনন্য স্বীকৃতি পায়। কাভার গানের পাশাপাশি রেইথস বর্তমানে তাদের নিজস্ব মৌলিক গান তৈরির কাজ করছে এবং স্টুডিও রেকর্ডিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। সংগীতের মাধ্যমে প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বদরবারে রিপ্রেজেন্ট করাই এই তরুণদের মূল লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং সবার ভালোবাসা পেলে তারা বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবে বলে দৃঢ় আশাবাদী।

চারুকলার নান্দনিক কাঠগোলাপ

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
চারুকলার নান্দনিক কাঠগোলাপ
কাঠগোলাপ।

গ্রীষ্ম ও বর্ষার সন্ধিক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের একাডেমিক বিল্ডিংয়ের দেয়াল ও সিঁড়ির মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল কাঠগোলাপ গাছটি সাদা-হলুদের মায়াবী রঙে সেজে ওঠে। এর চারপাশের মৃদু সুবাস ও নান্দনিক সৌন্দর্য পথচারী এবং শিক্ষার্থীদের মন ছুঁয়ে যায়।


বিল্ডিংয়ের কাঠামোর মাঝে এই বিশালাকার গাছটি দেখে অনেকের মনেই কৌতূহল জাগে। চারুকলা বিভাগের প্রশাসনিক তথ্য এবং প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আবুল বারক আলভী স্যারের ভাষ্যমতে, হাফ-সার্কেল ডিজাইনে নির্মিত এই ভবনের ফাঁকা অংশে নান্দনিকতার ছোঁয়া দিতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন নিজের হাতে তৎকালীন শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে এই গাছটি রোপণ করেছিলেন।
ভবনটি নির্মাণের সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল–স্থাপত্যের জন্য যেন কোনো প্রকৃতি ধ্বংস না হয়। জয়নুল আবেদিনের সেই দূরদর্শী ও প্রকৃতি সংবেদনশীল চিন্তার কারণেই খুব কম গাছ কেটে ভবনটি তৈরি করা হয়। সময়ের পরিক্রমায় সেই ছোট্ট চারাটি আজ এক বিশাল বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। ইটের স্থাপত্য আর সবুজ প্রকৃতির এই মেলবন্ধন আজ চারুকলার অন্যতম প্রধান পরিচিতি ও সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে হাজারো মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।