পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্ক-এ অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণিল ও সৃজনশীল আয়োজন। ‘ফিউচার ওয়ার্ল্ড’-এ আয়োজন করা হয় বৈশাখী উৎসব, যেখানে অংশ নেয় শিশুরা। তাদের নৃত্য, উদ্ভাবন আর কল্পনার রঙে প্রাণ পায় বাংলা নববর্ষ।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘ঢাকা ড্যান্স অ্যান্ড আর্ট সেন্টার’-এর শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা। শিশুদের ছন্দময় নৃত্যে মুগ্ধ হয়ে যান দর্শনার্থীরা। পাশাপাশি ছিল বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের প্রদর্শনী, যেখানে শিশুরা উপস্থাপন করে নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন মডেল ও কনসেপ্ট।
পাপেট শো, ফেইস পেইন্টিং, আর পাপেট পরিচালনার প্রশিক্ষণ সেশন- এসব আয়োজন শিশুদের কেবল আনন্দই দেয়নি, দিয়েছে শেখার দারুণ সুযোগও।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিশু শিল্পীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র, যা তাদের উৎসাহ ও স্বীকৃতির এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।
ফিউচার ওয়ার্ল্ড, লেভেল ৫-এ অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠান শুধু একদিনের আনন্দ আয়োজন ছিল না, বরং এটি ছিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতার উদযাপন। বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে করেছে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও জমজমাট।
যমুনা ফিউচার পার্ক নিয়মিত এমন উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে শিশুর সৃজনশীলতা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে একত্র করে তুলে ধরছে নতুন প্রজন্মের সামনে।
শিশুদের মুখরতা, নাচ, হাসি আর উদ্ভাবনের মিলনমেলায় এই নববর্ষ যেন হয়ে উঠেছিল আনন্দ, ঐতিহ্য আর আশার প্রতীক।
বিজ্ঞপ্তি/তাওফিক/