ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রেলের মালামাল ও যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় তিন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১০ মে) রেলওয়ের বিভাগীয় (যন্ত্র) প্রকৌশলী এক আদেশে তাদের বরখাস্ত করেন।
অভিযুক্তরা হলেন লোকোশেড খালাসি মানিক দাশ, জীবন দাস ও জসিম উদ্দিন।
রবিবার (১২ মে) দুপুরে আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের লোকোশেড ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ৭ মে অভিযুক্ত এই তিন রেলওয়ে কর্মচারী অনুমতি ছাড়া রেলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্যরা তাদের আটক করে মালামালসহ নিরাপত্তা চৌকিতে নিয়ে যায়। চৌকিতে নিরাপত্তা বাহিনীর পরিদর্শক আবু সুফিয়ান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মালামাল রেখে ছেড়ে দেয়।
অভিযোগ উঠে আরএনবি পরিদর্শক আবু সুফিয়ানকে তার এক ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকের মাধ্যমে ম্যানেজ করে ছাড় পায় লোকোশেডের তিন কর্মচারী। বিষয়টি নিয়ে ৮ মে খবরের কাগজে ‘রেলের যন্ত্রাংশ হয়ে গেল আবর্জনা’ শিরোনামে ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
অভিযুক্ত জীবন দাস বলেন, ‘এসব মালামাল দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের। ডাম্পিং স্টেশনে রাখার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় আরএনবি সদস্যরা জানতে চায় ও আমাদের কাছ থেকে মালামালগুলো তারা রেখে দেয়।’
আখাউড়া রেলওয়ে জংশনের লোকোশেড ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিন শেড খালাসিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
জুটন বনিক/জোবাইদা/অমিয়/