ঢাকা ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
চীনের অর্থনৈতিক করিডোর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনায়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা নাচোলে মা-ছেলেকে ঘরে আটকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরি সড়ক সংস্কারে দুর্নীতি বন্ধ করুন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই ব্রাজিল–নরওয়ে ম্যাচে কে এই মুসলিম রেফারি? বিশ্বকাপ কাঁপানো ভোজিনহাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি! নিরাপত্তা যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না সরায়: প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সামনে ভাত বিক্রি, আটক সোহানী শিফা আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে শোক জানিয়েছে বাংলা একাডেমি ও ঢাবি হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে ফিরছে ‘বাংলার রসনা বিলাস ২.০’ ৩৬০ জোড়াকে সচল রাখার ইবাদত গোপালগঞ্জে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪০ ব্রাজিল–নরওয়ে ম্যাচেও ব্রাজিলের জয় দেখছে ‘গণক’ বিড়াল মিলু ব্রাজিলই ফেভারিট: নরওয়ে কোচ প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী তীজন বাঈ আর নেই নরসিংদীতে ইয়াবাসহ যুবদলের সাবেক সভাপতির ছেলে আটক হালান্ড-গ্যাব্রিয়েল দ্বৈরথ এবার বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র পটিয়ায় মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার মাঠের লড়াই শেষে কথার লড়াই, বিতর্কে এমবাপ্পে জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্যের প্রতিশ্রুতি কতটুকু পূরণ করবে? রাঙামাটিতে সাবেক চেয়ারম্যানসহ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার জুলাইয়ের প্রথম ৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ডলার যুদ্ধাপরাধ এবং স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতি ছিনতাইয়ের অভিযোগ, মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু হাতে কামড় দিয়ে বখাটের কবল থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী আমের নাম যেভাবে এল শাবিপ্রবির আশরাফুলের চিকিৎসায় প্রয়োজন ৬০ লাখ টাকা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র সিলেটে দেশের প্রথম থানা ভিত্তিক ‘প্রবাসী হেল্প ডেস্ক’ উদ্বোধন

সচিবালয়ের সামনে ভাত বিক্রি, আটক সোহানী শিফা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
সচিবালয়ের সামনে ভাত বিক্রি, আটক সোহানী শিফা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে প্রতীকীভাবে ভাতের হোটেল চালু করে বিক্ষোভ করার সময় ‘হকার ও অটোরিকশা হটাও’ আন্দোলনের কর্মী সোহানী শিফাকে আটক করেছে পুলিশ।
 
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে।

জানা যায়, ফুটপাত ও সড়ক পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে তিনি এই কর্মসূচি পালন করছিলেন। পরে সচিবালয়ের সামনে থেকে সোহানী শিফার ভাতের হোটেল সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার (৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শিফা বলেন, ঢাকার মেট্রো স্টেশনগুলোর রাস্তা দখলের প্রতিবাদে রবিবার থেকে ভাতের হোটেল দিচ্ছি সচিবালয়ের দরজায়। সোহানী শিফার হোটেলে ১০ টাকায় ভাত পাবেন গরীব-অসহায় মানুষেরা। দুপুর ১২টায় উদ্বোধন করতে আপনিও আসতে পারেন।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, নিরাপত্তার কারণে ওই নারীকে আটক করা হয়েছিল। পরে  বিকেলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রিফাত/

চীনের অর্থনৈতিক করিডোর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনায়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
চীনের অর্থনৈতিক করিডোর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনায়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

চীনের প্রস্তাবিত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মায়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক এবং চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বহুপাক্ষিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে চীনের প্রস্তাবিত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোরের বিষয়টিও সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।’

রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে কক্সবাজারের একটি হোটেলে দক্ষিণ এশিয়ান একাডেমি ফর ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপের তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মায়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘চীন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোরের যে প্রস্তাব দিয়েছেন, সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। কক্সবাজার হয়ে মায়ানমার এবং সেখান থেকে চীন পর্যন্ত সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক স্বার্থের পরিপন্থী কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এ বিষয়ে সব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক একাডেমি কর্মসূচিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই)-এর সদস্য, তরুণ নেতা, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নিয়েছেন।

তারেকুর রহমান/রিফাত/

নিরাপত্তা যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না সরায়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
নিরাপত্তা যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না সরায়: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিজিআর এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে। ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত নয়, যাতে সরকারপ্রধান জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন—এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও জনসম্পৃক্ততার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

 রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআরের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর  আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই।  সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি  জনগণ যাতে নিজেদেরকে সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন।  সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহবান জানাই।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যগণই এই রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারিত্ব, আনুগত্য এবং শৃংঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যগণ নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ নিয়ম।   আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরে'র দক্ষতা এবং একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার প্রত্যাশা।'

পিজিআরের কাজটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার দায়িত্বপালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদেরকে নানারকমের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যপরায়ণতা  আপনাদেরকে নিঃসন্দেহে একটি সুশৃংঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।'

সুশৃঙ্খলতার স্বীকৃতি স্বরূপ 'পিজিআর' চলতি বছর 'ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড' পুরস্কারের জন্য মনোনিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের  আবারো অভিনন্দন জানাই। যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।'

সশস্ত্রবাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর সাহসী ভূমিকা  সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন এবং অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।'

তিনি বলেন,‘আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্রবাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে  কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে  তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনই হুমকির মুখে পড়বে না।'

পিজিআরের প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি আশা করব, পিজিআরে'র মত বিশেষায়িত বাহিনীর সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি  প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা ,বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি 'চেইন অব কমান্ড' অনুসরণ- এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।'

একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যে কোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরী হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।'

তিনি বলেন, 'এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি। '

তারেক রহমান বলেন, 'সশস্ত্রবাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফে'র মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে সরকার আরো আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।'

বক্তব্যের শুরুতে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট’ নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ করেছিল।  পরবর্তীকালে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের  ১৯ সেপ্টেম্বর 'রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট'কে 'প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট' হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরো দৃঢ় ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।'

পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে  চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিলেন। আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের  গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে তাঁদের মাগফিরাত কামনা করছি।'

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের নিরাপত্তার প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য  একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।'

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট ( পিজিআর)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়।

পিজিআর মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।

বাসস/এসএন

সচিবালয়ের সামনে ভাত বিক্রি, আটক সোহানী শিফা

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
সচিবালয়ের সামনে ভাত বিক্রি, আটক সোহানী শিফা
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে প্রতীকীভাবে ভাতের হোটেল চালু করে বিক্ষোভ করার সময় ‘হকার ও অটোরিকশা হটাও’ আন্দোলনের কর্মী সোহানী শিফাকে আটক করেছে পুলিশ।
 
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরেছে।

জানা যায়, ফুটপাত ও সড়ক পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবিতে তিনি এই কর্মসূচি পালন করছিলেন। পরে সচিবালয়ের সামনে থেকে সোহানী শিফার ভাতের হোটেল সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার (৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শিফা বলেন, ঢাকার মেট্রো স্টেশনগুলোর রাস্তা দখলের প্রতিবাদে রবিবার থেকে ভাতের হোটেল দিচ্ছি সচিবালয়ের দরজায়। সোহানী শিফার হোটেলে ১০ টাকায় ভাত পাবেন গরীব-অসহায় মানুষেরা। দুপুর ১২টায় উদ্বোধন করতে আপনিও আসতে পারেন।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, নিরাপত্তার কারণে ওই নারীকে আটক করা হয়েছিল। পরে  বিকেলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রিফাত/

আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে শোক জানিয়েছে বাংলা একাডেমি ও ঢাবি

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে শোক জানিয়েছে বাংলা একাডেমি ও ঢাবি
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি প্রয়াত আবুল কাসেজ ফজলুল হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ পরিবারও শোক প্রকাশ করেছে।

রবিবার (৫ জুলাই) পৃথক শোকবার্তায় শোক প্রকাশ করা হয়। একাডেমির মহাপরিচালক পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় শোক প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। শোকবার্তায় অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হককে নিরপেক্ষ রাজনীতি চিন্তা ও তত্ত্বের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, বলে উল্লেখ করা হয়।

বাংলা একাডেমির ওই শোকাবাণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘আমরা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি জ্ঞাপন করছি গভীর সমবেদনা।’

আরেক শোকবার্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান এবং অসাধারণ সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

প্রয়াত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘ চার দশক শিক্ষকতা করেন। তার মৃত্যুতে বিভাগটিও শোক প্রকাশ করেছে। 

এক শোক বাণীতে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন) বলেন, ‘তিনি ছিলেন একজন নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক। তার এই প্রয়াণে বাংলাদেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ মনীষীকে হারাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং তার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে তিনি স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার পান। তার লেখা বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: মুক্তিসংগ্রাম (১৯৭২), কালের যাত্রার ধ্বনি (১৯৭৩), উনিশ শতকের মধ্যশ্রেণি ও বাংলা সাহিত্য (১৯৭৯), নৈতিকতা: শ্রেয়োনীতি ও দুর্নীতি (১৯৮১), রাজনীতি ও দর্শন (১৯৮৯), আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে (১৯৯৩), সাহিত্যচিন্তা (১৯৯৫), বাংলাদেশের রাজনীতিতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা (১৯৯৭), অবক্ষয় ও উত্তরণ (১৯৯৮), রাজনীতি ও সংস্কৃতি: সম্ভাবনার নবদিগন্ত (২০০২), সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রসঙ্গে (২০০২), আধুনিকতাবাদ ও জীবনানন্দের জীবনোৎকণ্ঠা (২০০৪), মানুষের স্বরূপ (২০০৭), রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশ (২০০৮), প্রাচুর্যে রিক্ততা (২০১০) ইত্যাদি। এছাড়া তার বেশ কিছু অনুবাদ ও সম্পাদিত গ্রন্থ রয়েছে। ২০২৪ সালের ২৭শে অক্টোবর তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

রবিবার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ৬৪৫ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১০৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯২৫। এ সময়ে ৮৭৮ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৪ শিশু।

আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ হাজার ৮৪৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১২২ জন।

রিফাত/