চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১০টি ‘স্মার্ট স্কুলবাস’ পরিচালনায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ও জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের মধ্যে আরও দুই বছরের সমঝোতা চুক্তি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তিতে বিআরটিসির সাবডিপোর ম্যানেজার জুলফিকার আলী এবং জিপিএইচ ইস্পাতের উপদেষ্টা শওকত ওসমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মো. ফখরুজ্জামান বলেন, এসব বাসে নগরীর পাঁচটি সড়কে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন। বাসগুলোতে স্মার্ট টেকনোলজি, জিপিএস ট্র্যাকার, ক্যামেরা, এআই ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাসে ওঠা-নামার সময় অভিভাবকের ফোনে স্বয়ংক্রিয় এসএমএস প্রদান, বাসে শিক্ষার্থীদের অবস্থান মনিটরিং এবং স্বল্প খরচে স্কুল-কলেজে যাওয়া-আসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আগামীতে চাহিদা অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের ১০টি দ্বিতল স্কুলবাস ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে নগরীতে চলাচল করছে। আধুনিক প্রযুক্তির এসব স্মার্ট বাসে যেকোনো স্কুলের শিক্ষার্থী মাত্র ৫ টাকা ভাড়ায় যেকোনো দূরত্বে চলাচল করতে পারেন।
জিপিএস ট্র্যাকার, জিআইএস প্রযুক্তি, আইপি ক্যামেরা ছাড়াও এ বাসে ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস আছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা কার্ড চাপ দিলেই অভিভাবকদের মোবাইলে চলে যাচ্ছে খুদেবার্তা। ফলে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে পারছেন।
আগামী দুই বছরও ‘স্মার্ট স্কুল বাস’-এর স্পন্সর হিসেবে থাকছে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড। এই দুই বছরে তারা এক কোটি ৪৪ লাখ টাকা অনুদান দেবে। যা থেকে বাসের চালক-স্টাফদের বেতন ছাড়াও জ্বালানিসহ বাসগুলোর সব ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বহন করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাদি উর রহিম জাদিদ, জিপিএইচ ইস্পাতের উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) মোহা. শওকত ওসমান ও উপদেষ্টা মোহাম্মদ ওসমান গনি (মিডিয়া), চট্টগ্রাম বিআরটিসির ম্যানেজার মো. জুলফিকার আলী প্রমুখ।
ইফতেখারুল/ইসরাত চৈতী/অমিয়/