ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার পানছড়িতে মর্গে পড়ে আছে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ মাদারগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় সাপেকাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংগাইরে সেনাবাহিনীর অস্থায়ী প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর মিরসরাইয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ ২০৩০ বিশ্বকাপ সরাসরি খেলবে ছয় দেশ পাঠকের গল্প : ল্যান্ডফোনের ক্রসকানেকশন মাঠের বাইরের বিতর্কের জবাব বেলজিয়াম দিল মাঠেই শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ যেভাবে চাকরি খুঁজবেন যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কেপ ভার্দে ধাক্কার পর মিশরকে নিয়ে সতর্ক আর্জেন্টিনা ভারী বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসের শঙ্কা ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা বেরোবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকারীদের ফ্যান খুলে নেওয়ার অভিযোগ দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৬ সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে শিক্ষাসামগ্রী পেল দরিদ্র শিক্ষার্থীরা নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. জুবাইদা রহমান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি সম্প্রসারণের খবরে কৃষিজমিতে বহুতল ভবন ট্রিলিয়নিয়ার তকমা হারালেন প্রযুক্তি মোগল ইলন মাস্ক চকরিয়ায় পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ ঘিওরে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে চার বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ওমানের উপকূলে ট্যাংকারে আগুন মিশরকে ‘দলগতভাবে’ রুখতে চান স্কালোনি বরগুনায় জনসাধারণের সুবিধা উপেক্ষা করে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণের অভিযোগ দিনাজপুরে কোটি টাকার প্রত্নসম্পদ উদ্ধার ব্রাজিলের বিদায়ে অবাক হননি পারেদেস

আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কধস: মুগ্ধতার সড়কে ভয়ের পতাকা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৪, ১০:১২ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৪, ১০:১৫ এএম
আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কধস: মুগ্ধতার সড়কে ভয়ের পতাকা
রাঙামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কে এখন মোড়ে মোড়ে ঝুলছে ‘লাল পতাকা’ আর সতর্কতার সাইনবোর্ড। ছবি: খবরের কাগজ

একপাশে কাপ্তাই হ্রদের নীল জলরাশি, অন্যদিকে সারি সারি দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ পাহাড়। মাঝখানে এগিয়ে গেছে পিচঢালা সর্পিল পথ। প্রকৃতি যেন এখানে একেবারেই কোলাহলহীন; শান্ত-স্নিগ্ধ। রাঙামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের বাঁকে বাঁকে এই পার্থিব মুগ্ধতার মোহে ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। কিন্তু মুগ্ধতার এই সড়কে এখন মোড়ে মোড়ে ঝুলছে ভয়ের ‘লাল পতাকা’ আর ‘সতর্কতা’র সাইনবোর্ড। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ধসে গিয়ে সড়ক বিচ্ছিন্ন হলে যোগাযোগ ও পর্যটনশিল্পে মারাত্মক সংকট তৈরি হবে। এর প্রভাব পড়বে স্থানীয় অর্থনীতিতে। তবে সড়কটির ধসরোধ ও মেরামতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে রাঙামাটি এলজিইডি।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ও সড়কের দুই পাশে ধস দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানেই সড়ক ধসে গিয়ে চলার পথ সরু হয়ে গেছে। এতে বন্ধ রয়েছে ভারী যান চলাচল। হালকা যানবাহনগুলো চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। তবে এরই মধ্যে চলাচলে সতর্কতা জানিয়ে সড়কের ছয়টি জায়গায় লাল পতাকা টানিয়ে ও ‘বিপজ্জনক সড়ক’ লিখে সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছে রাঙামাটি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।

তবে এসব সতর্কতার পরও সড়কটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে দুর্ভোগ আর আতঙ্ক কমছে না। মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটির মগবানের গলাছড়ি এলাকায় গিয়ে কথা হলে এমনটিই জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে ভ্রমণে বেড়িয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থী জামিল। কিন্তু মাঝপথে সড়কটির বেহাল অবস্থা দেখে শঙ্কা যেন তার মনে আছড়ে পড়ছিল। বললেন, ‘সড়কটি এমনিতেই সরু, এটা আরও প্রশস্ত করা দরকার। ভাঙা দেখে ভয় লাগছে। এটা পর্যটন এলাকা। পর্যটকরা এসে যদি দুর্ঘটনার শিকার হন, তা হলে এটা সবার জন্যই দুঃখজনক বিষয়। এভাবে চললে পর্যটক কমতে থাকবে। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে সবার একটু নজর দেওয়া দরকার।’

সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক কবির হোসেন বলেন, ‘সড়কটি ভেঙে সরু হয়ে গেছে। আমরা মারাত্মক ঝুঁকিতে আছি। দুটি গাড়ি পাশাপাশি আসা-যাওয়ার সময় মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যানবাহন ও যাত্রী উভয়ের ক্ষতি হচ্ছে। পর্যটকরা শঙ্কা নিয়ে যাতায়াত করেন। সড়কটি দ্রুত মেরামত ও বড় করা দরকার।’

রাঙামাটির মগবানের গলাছড়ির বাসিন্দা সুরেশ চাকমা বলেন, ‘এখন আম-কাঁঠালের সময়। এসব ফল কোথাও পাঠাতে হলে ট্রাকের প্রয়োজন। কিন্তু রাস্তা তো এখন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ভারী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ছোট গাড়িতে নিলে সময় ও ভাড়া দ্বিগুণ দিতে হচ্ছে। অনেক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সড়কটা মেরামত করা হলে মানুষের যাতায়াত সহজ হতো। যানবাহন চলাচলের ঝুঁকিটাও কমে যেত।’

১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়কটি মূলত রাঙামাটি শহরের সঙ্গে কাপ্তাইয়ে যাতায়াতের জন্য বিকল্প পথ হিসেবে নির্মাণ করা হয়। যদিও যোগাযোগকে ছাপিয়ে সড়কটির দুপাশের লেকভিউ আর নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে দ্রুত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শহরের অদূরে, সহজ যোগাযোগ ও কম সময়ে প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে এখানে। পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ায় বাণিজ্যিকভাবে বেড়ে চলেছে রিসোর্ট-পর্যটন স্পট। সড়কটি রাঙামাটির পর্যটনে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

এ ছাড়া সড়কটি ঘিরে পাহাড়ি এই জনপদে গড়ে উঠেছে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এসেছে বিদ্যুৎ। বেড়েছে কৃষিবাণিজ্য। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিশেষ করে মৌসুমি ফল, ফসল, সবজি, এমনকি লেকের টাটকা মাছ ভালো দামে পর্যটকদের হাতে সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে। এ ছাড়া চাষিরা তাদের ফসল সহজেই শহরে পাঠাতে পারছেন। কিন্তু সড়কটির সাম্প্রতিক দুরবস্থায় চরম ভোগান্তি আর শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয়রা।  

সড়কটির ধসরোধ ও মেরামতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে রাঙামাটি এলজিইডি। নির্বাহী প্রকৌশলী আহামদ শফি বলেন, ‘সড়কটির ছয়টি স্থানে ভাঙন ও ধসের ঘটনা ঘটেছে। আমরা লাল পতাকা ও সতর্কতার সাইনবোর্ড দিয়েছি। ধসরোধ ও মেরামতের জন্য আরসিসি ব্লক ও পানি নিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ করা হবে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে ৫০ লাখ টাকার অতিরিক্ত প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’

পানছড়িতে মর্গে পড়ে আছে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪ পিএম
পানছড়িতে মর্গে পড়ে আছে গুলিতে নিহত ৩ তরুণের মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার মধুমঙ্গলপাড়ায় গুলিতে নিহত তিন তরুণের মরদেহ ঘটনার একদিন পরও স্বজনেরা গ্রহণ করেননি। চব্বিশ ঘণ্টা পার হলেও এখনো কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। মরদেহগুলো বর্তমানে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতদের কোনো স্বজন এখন পর্যন্ত মরদেহ নিতে থানায় বা হাসপাতালে আসেননি। মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত শেষে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে রাখা আছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা অপেক্ষা করছি, পরিবারের সদস্যরা আসলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় পাহাড়ের দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের গোলাগুলিতে পদ্ম চাকমা (১৮), ধনা চাকমা (১৮) ও রিয়েল চাকমা (১৮) নিহত হন। নিহতদের মধ্যে পদ্ম চাকমা ও ধনা চাকমার বাড়ি রাঙামাটিতে এবং রিয়েল চাকমার বাড়ি পানছড়ি উপজেলায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি দুটি মিসফায়ার হওয়া গুলি, ১৪টি ব্যবহৃত গুলির খোসা এবং চারটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। 

এদিকে নিহত তিনজনই ইউপিডিএফের সদস্য বলে স্থানীয়রা জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেন, এটি জেএসএস সন্তু গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ। সোমবার দুপুরে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জেএসএস সন্তু গ্রুপের মধ্যে সাধারণ কর্মীদের বিদ্রোহ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে।

দিদারুল আলম/রিফাত/

মাদারগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় সাপেকাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২১ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
মাদারগঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় সাপেকাটা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাপেকাটা রমিছা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যুতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ করছেন তার স্বজনরা।

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়।

রমিছা বেগম উপজেলার তারতাপাড়া এলাকার চান মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে রমিছা বেগমকে সাপে কামড় দেয়। পরে দ্রুত তাকে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও হাসপাতালের স্টাফরা বিষধর সাপের কামড় নয় বরং অন্য কোনো প্রাণীর কামড় বলে ধারণা করেন।

স্বজনরা দাবি করেন, এ কারণেই রোগীকে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করা হয়নি। সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) দেওয়া হয়নি।

পরে হাসপাতালের বাইরে অবস্থানকালে রমিছা বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়, পরে স্বজনরা তাকে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে জামালপুর নেওয়ার পথেই রমিছার মৃত্যু হয়।

মৃতের ছেলে লিটন মিয়া বলেন, ‘আমার মাকে সাপে কামড় দেওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়, চিকা বা অন্য কিছু কামড় দিয়েছে। কোনো অ্যান্টিভেনম দেননি। পরে মায়ের অবস্থা খারাপ হলে আবার হাসপাতালে নিয়ে গেলে জামালপুরে পাঠানো হয়। কিন্তু পথে আমার মা মারা যায়। চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ বলেন, ’সাপেকাটা রোগী এলে আমরা সরকারি চিকিৎসা প্রোটোকল অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। রক্ত পরীক্ষার পাশাপাশি বিষধর সাপের কামড়ের বিভিন্ন লক্ষণ যেমন, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘাড় বেঁকে যাওয়া ও অন্যান্য স্নায়বিক উপসর্গ পরীক্ষা করা হয়। ওই রোগীর মধ্যে এসব লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তাই তখন অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়নি। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হয়।’

এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, রোগীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়েছিল। অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও রোগীর স্বজনরা তাকে নিয়ে চলে যান। পরে আবার হাসপাতালে নিয়ে এলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আসমাউল আসিফ/খাদিজা রুমি/

মিরসরাইয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮ পিএম
মিরসরাইয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
ছবিঃখবরের কাগজ

চট্টগ্রামের মিরসরাই ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণ পাশে বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুম থেকে অজ্ঞাতনামা আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সি এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরির গার্ডরুমে আধা বসা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ দেখা যায়। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মোহাম্মদ ইব্রাহীম।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে হত্যার কারণ জানা যাবে।

ইকবাল/হীরা/

শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
শিবচরে হতদরিদ্র ৬ পরিবারের মাঝে  গাভী বিতরণ
ছবিঃখবরের কাগজ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে হতদরিদ্র ৬টি পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গাভী পালন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার বাঁশকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (ভিডিএস) উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও গাভী বিতরণ অনুষ্ঠানে ফরিদা খাতুন, মো. কামাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম ইদ্রিস, রিনা আক্তার, মিজান মিয়া ও লতা বেগমকে গাভী দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির পরিচালক এ বি এম মাহবুব হোসেন বাদলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. বেল্লাল হোসেন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান।

ইউএনও বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান ও টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণের আলোকে গাভীগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান।

 এ বি এম মাহবুব হোসেন বাদল বলেন, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি দীর্ঘদিন ধরে শিবচর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সংগঠনটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

রফিকুল/হীরা/

গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
গজারিয়ায় রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় দুটি পরিবারের স্বেচ্ছাচারিতায় একটি রাস্তা নির্মাণকাজ আটকে যাওয়ায় রাস্তাটি উন্মুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর-পুরান বাউশিয়া সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আব্দুল্লাহপুর গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।

​মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ বলেন, ‘এটি আমার শ্বশুরবাড়ির এলাকা। আমার শাশুড়ি এখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বর্তমানে আমরা বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করছি। রাস্তার সমস্যার কারণে আমরা আমাদের সেই বাড়িতে ঠিকমতো প্রবেশ করতে পারি না। শুধু আমরা নই মাত্র দুটি পরিবারের কারণে ১০০ পরিবারের মানুষ আজ জিম্মি হয়ে রয়েছে। দুটি পরিবারের আপত্তিতে ৭০০ ফুট রাস্তার ১০০ ফুট বাদে বাকি ৬০০ ফুটের কাজ দীর্ঘদিন আগে শেষ হয়েছে। আমাদের অবস্থা এখন এমন যে, একজন মানুষ মারা গেলে তার খাটিয়া বের করা যায় না। কোনো লোক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রাস্তার অভাবে তাকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে আমরা আজকে মাঠে নেমেছি। বিষয়টি আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি, তিনি সমস্যাটি সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

​স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন বলেন, ’বাড়ি সামনে হওয়ায় দুজন লোক পেছনের প্রায় ১০০টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। রাস্তার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করছি। সরকারের প্রতি আবেদন দ্রুত রাস্তাটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করুন।’

ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউশিয়া বহুমুখী উন্নয়ন সমিতি মার্কেটের পেছনে যারা বসতি গড়ে তুলেছেন তারা মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ। শুরুতে বিক্ষিপ্তভাবে বসতি স্থাপন করলেও বর্তমানে এটি একটি সমৃদ্ধ গ্রাম যার নাম আব্দুল্লাহপুর।

গত কয়েক বছর আগে স্থানীয়দের সম্মতিতে গ্রামের ভেতর দিয়ে ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি বরাদ্দে সমিতি মার্কেটের পেছন থেকে কায়সার হামিদের শ্বশুরবাড়ি পারুল ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশের কাজ শেষ হলেও অলিউল্লাহ তাঁতি এবং মজিবুর তাঁতি নামের দুই পরিবারের বাধায় ১০০ ফুট অংশের কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এই অংশটি দখল করে তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে থাকলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

সুমন/খাদিজা রুমি/